Connect with us

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সম্পর্কে জেনে নিন আটটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: শুরু হতে চলেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। দীর্ঘ বিরতির পর ফের ফিরে আসা এই প্রতিযোগিতাকে নিয়ে ক্রিকেট দুনিয়ায় উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। সাথে শেষ নেই বিতর্কের। পাকিস্তানের করাচিতে অনুষ্ঠিত হতে চলা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এই প্রথমবার খেলা হবে হাইব্রিড মডেলে। বাকি সমস্ত ম্যাচ করাচিতে হলেও ভারত খেলবে দুবাইতে। ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপের পয়েন্ট তালিকা মেনে প্রথম আটটি দল অংশগ্রহণ করবে এই প্রতিযোগিতায়। যার মধ্যে প্রথমবারের জন্য বাদ পড়েছে শ্রীলংকা, আবার একই সাথে প্রথমবারের জন্য এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চলেছে আফগানিস্তান। শুরুর আগে জেনে নেওয়া যাক প্রতিযোগিতার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

১. ২০১৩ সালের পর থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতা নিয়ে। শোনা যাচ্ছিল এর পরিবর্তে খেলা হতে পারে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আইসিসি। ২০১৭ সালের শেষবারের মত খেলা হয়েছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। তাই দীর্ঘ আট বছরের খরা পেরিয়ে অবশেষে আবার ফিরতে চলেছে এই প্রতিযোগিতা।

২. ২০১৭ সালে ওভালে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালে ভারতকে ১৮০ রানে পরাজিত করেছিল পাকিস্তান। তৎকালীন পাক অধিনায়ক মহম্মদ রিজওয়ান এটাকে নিঃসন্দেহে বড় জয় হিসেবে দেখেছিলেন। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের যাত্রা শুরু করতে চলেছে পাকিস্তান। তাই নিঃসন্দেহে এই লড়াই তাদের কাছেও বেশ চ্যালেঞ্জিং।

৩. ২০২১ সালে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২০২৫ এর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে। ২০০৯ সালে শ্রীলংকার পাকিস্তান ট্যুরের অভিজ্ঞতা মোটেই ভালো ছিল না। সেই সময়ের শ্রীলংকার দলের উপর অতর্কিতে হামলা ঘটেছিল। আর তাই ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তান থেকে সরাতে বাধ্য হয়েছিল আইসিসি দক্ষিণ আফ্রিকায়। এর আগে শেষ ১৯৯৬ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আইসিসির বিশ্বকাপ। এরপর এই প্রথম পাকিস্তানে ফের আইসিসির কোন প্রতিযোগিতার আয়োজন হতে চলেছে।

৪. ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে ভারত সরকার চায়না ভারত পাকিস্তানে গিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করুক। সে ক্ষেত্রে রোহিত শর্মাদের আবেদন খারিজ করে তাদেরকে অনুমতি দেওয়া হয়নি পাকিস্তানে খেলার। সেই জন্যই এই মরসুমের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের কো-হোস্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে আরব আমির শাহী। এমনকি ২০০২৭ পর্যন্ত এই হাইব্রিড মডেলকেই স্বীকৃতি দিয়েছে আইসিসি। জানানো হয়েছে ভারত পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে কোন দেশ তার প্রতিবেশী দেশে গিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে না।

৫. ২০২৩ একদিনের আন্তর্জাতিক বিশ্বকাপের ফলাফল থেকেই মোট আটটি দলকে নির্বাচন করা হয়েছে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য। সেই ফলাফল অনুযায়ী ষষ্ঠ স্থানে শেষ করেছিল আফগানিস্তান আর তাই ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশগ্রহণ করতে চলেছে তারা। অন্যদিকে বাদ পড়তে চলেছে শ্রীলঙ্কায় এবং নেদারল্যান্ডস এই দুটি দল।

৬. ২০০৬ সালের ফরম্যাট মেনেই আই সি সি আয়োজন করছে এই প্রতিযোগিতার। অংশগ্রহণকারী আটটি দলকে মোট দুটি বিভাগে ভাগ করা হবে অর্থাৎ প্রতিটি বিভাগে থাকবে চারটি করে দল। দুটি বিভাগ থেকে দুটি করে দল নির্বাচিত হবে সেমিফাইনাল খেলার জন্য। এবং তারপর বিজয়ী দুই দল পরস্পর মুখোমুখি হবে ফাইনালে।

৭. গৌতম গম্ভীর ভারতের কোচ নির্বাচিত হওয়ার সময় জানিয়েছিলেন ২০২৭ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মা বিরাট কোহলিকে দলে চাইছেন তিনি। তবে তারপর ভারতের ক্রিকেটের ঘটেছে একাধিক পরিবর্তন। একদিকে যখন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি ভালো ছন্দে নেই ঠিক তখনই উঠে এসেছে নতুন ট্যালেন্ট। একাধিক তরুণ ক্রিকেটাররা বারবার নিজেদের মেলে ধরেছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে। তাই ক্রিকেট মহলে জল্পনা শোনা যাচ্ছে এটিই হতে চলেছে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। সেক্ষেত্রে দুজনেই চাইবেন এই প্রতিযোগিতাকে স্মরণীয় করে রাখতে।

৮. আটটি দলের বিভিন্ন তারকা ক্রিকেটাররা যারা স্কোয়াডে ছিলেন তারা অনেকেই অংশগ্রহণ করছেন না এই প্রতিযোগিতায়। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন যশপ্রীত বুমরাহ। ভারতীয় শিবিরে নিঃসন্দেহে এটি বড় ধাক্কা। তবে তার থেকেও বড় ধাক্কা এসেছে অস্ট্রেলিয়ার দলে। বিভিন্ন কারণে এই প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়া পাঁচ তারকা ক্রিকেটার, যার মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য নাম হলো প্যাট কামিন্স এবং মিচেল স্টার্ক।

তবে নিঃসন্দেহে এই প্রতিযোগিতা হতে চলেছে ক্রিকেট দুনিয়ায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইসিসি প্রতিযোগিতাগুলির মধ্যে একটি। এখন দেখার ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শেষ হাসি হাসে কোন দল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আয়োজন করার ইচ্ছা প্রকাশ ভারতের…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আসন্ন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডে। শুধু তাই নয়, অতীতে যেই দুটি ফাইনাল হয়েছে, সেই দুটি ফাইনালও অনুষ্ঠিত হয়েছে এই ইংল্যান্ডেই। তবে আসন্ন ২০২৫-২০২৭ টেস্ট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের শেষে যে ফাইনাল হবে, সেই ফাইনালটি আয়োজন করতে চায় ভারত। এমনকি প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে প্রস্তাবও পাঠাতে চায় বিসিসিআই। 

গত মাসে আইসিসির মুখ্য কমিটির সঙ্গে আলোচনা সেরেছে ভারতীয় বোর্ড। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের প্রতিনিধি তথা আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। আর সেখানেই বিসিসিআইয়ের এই ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন তিনি। অপরদিকে আইসিসির চেয়ারম্যান এখন জয় শাহ হওয়ায়, বিসিসিআইয়ের আবেদন গ্রাহ্য করা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, “ভারত যদি পরের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছায়, সেক্ষেত্রে সমর্থকদের কাছেও একটা দারুণ সুযোগ থাকবে। তবে সেটা না হলেও দুটো সেরা দলের ম্যাচ দেখতেও, অনেক সমর্থক মাঠে আসবেন এবং সেই ম্যাচ উপভোগ করবেন।”

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

সুশৃঙ্খল ক্রিকেট একাডেমির পাশাপাশি ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইপিএলের পরিচিত একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে একটি হল দিল্লি ক্যাপিটাল্স। তবে শুধুমাত্র মাঠের অসামান্য রেকর্ডের জন্যই নয়, এবারে তাদের মাঠের বাইরের কৌশলের জন্যও, ইতিমধ্যেই অনেকের দৃষ্ট আকর্ষণ করেছে। এখন তাদের মূল লক্ষ্য গ্রাসরুট ডেভেলপমেন্ট, আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক ক্রীড়াবিদদের লালন-পালনের মাধ্যমে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন করা। বিগত বেশ কিছু বছর ধরে ভারত এবং বিদেশের মাটিতেও একটি কাঠামোগত, স্কেলযোগ্য একাডেমি নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করেছে দিল্লি ক্যাপিটাল্স।

দিল্লি ক্যাপিটাল্সের একাডেমির উত্থান: ২০১৯ সালে নিজেদের ব্র্যান্ডিং পুনর্গঠনের পর, পেশাদার টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে কাজ করা থেকে একটি বিস্তৃত ক্রিকেট ইকোসিস্টেম তৈরিতে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন এনেছে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। ভারত জুড়ে এক ডজনেরও বেশি একাডেমি এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করার পাশাপাশি ইউনাইটেড কিংডম এবং কানাডার মতো বিশ্ব বাজারেও নিজেদের একাডেমি তৈরি করছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী হাজার হাজার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা থেকে, উচ্চমানের কোচিং, আধুনিক অবকাঠামো এবং পেশাদার সেটআপের প্রতিফলনকারী পারফরম্যান্সের পথ প্রদান করে এই একাডেমিগুলি। এছাড়াও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের দিকেও অনেকতাই এগিয়ে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। যার মধ্যে রয়েছে শারীরিক সুস্থতা, পুষ্টি শিক্ষা, ক্রীড়া মনোবিজ্ঞান এবং মানসিক দৃঢ়তা। শুধুমাত্র গ্র্যাসরুট ক্রিকেটারদের আইপিএল দলে নিয়োগ করাই নয়, তারা যাতে ভারতীয় দলেও নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে সেই দিকেও মনোনিবেশ করা হচ্ছে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে স্কাউট করা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের রাজ্য এবং জুনিয়র জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। 

এই রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন প্রতীক পুরি, যিনি ২০২৩ সালের শেষের দিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের একাডেমির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। একজন উৎসাহী স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট পেশাদার, প্রাক্তন জাতীয় স্তরের ক্রিকেটার এবং বিসিসিআই-প্রত্যয়িত কোচ, পুরি ক্যাপিটালসের গ্রসরুট স্তরের দৃষ্টিভঙ্গিতে কাঠামো, স্কেল এবং কৌশল আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার নিয়োগের পর থেকে, এই নেটওয়ার্কটি আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে নতুন একাডেমিও চালু করা হয়েছে। এই সকল বিষয়ে দিল্লির অভ্যন্তরীণ একজন সদস্য বলেছেন, “প্রতীক গ্রাসরুট স্তরের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি সুশৃঙ্খল, তথ্য-চালিত পদ্ধতি নিয়ে এসেছেন। তিনি কেবল নেটওয়ার্ককে আরও বিস্তৃত করছেন না বরং এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করছেন যা ভারতের খেলাধুলায় একাডেমিগুলি কীভাবে পরিচালিত হয় তা নির্ধারণ করতে পারে”।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

পাকিস্তানের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার দিকেই সরব গৌতম গম্ভীরের। জানতে পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সদ্য পহেলগাঁওয়ের জঙ্গিহানার কারণে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অনেকটাই অবনতি হয়েছে ভারত এবং পাকিস্তানের। দুই দেশের মধ্যের প্রায় সমস্ত ধরনের যোগাযোগই কার্যত বন্ধ হতে চলেছে। যেখানে অন্যতম প্রধান হলো ক্রিকেট। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ও পাকিস্তানের অধিকৃত কাশ্মীরের মোট ৯টি জায়গায় আক্রমণ চালিয়েছে ভারতীয় সেনা। যদিও এই আক্রমণের আগেই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানকে পুরোপুরি বয়কট করার কথা বলছেন ভারতীয় ক্রিকেট টিমের কোচ গৌতম গম্ভীর। 

পহেলগাঁওয়ে হামলায় প্রয়াতদের প্রতি শোকজ্ঞাপন করার পাশাপাশি দোষীদের শাস্তির দাবি নিজের সমাজ মাধ্যমে সরব করেছিলেন গৌতম গম্ভীর। এবারে একটি সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়েছেন তিনি। গম্ভীর বলেন, “আমার মতে পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখার প্রয়োজন নেই। যতদিন না ওরা সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করছে, ততদিন দুই দেশের মধ্যে সবকিছুই বন্ধ থাকুক। ক্রিকেট, বলিউড বা অন্য কোনও কিছুই ভারতীয় সেনা বা সাধারণ মানুষের প্রাণের থেকে গুরুত্বপূর্ণ নয়, সেই কথা আমি এর আগেও বলেছি। ম্যাচ পরেও হতে পারে, সিনেমা পরেও তৈরি করা যেতে পারে। কিন্তু প্রিয়জনকে হারানোর কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না”। যদিও ভারত পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়টি সরকারের উপরেই ছাড়ছেন গৌতম গম্ভীর। সেই বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা খেলব কি খেলব না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। সেটা আমার ঠিক করার কথা না। সেটা করতে পারে বিসিসিআই এবং সরকার। তাই তারাই ঠিক করুক আমরা খেলব কি না। তবে সিদ্ধান্ত জেতায় নেওয়া হোক না কেনো, সেখানে যেন কোনওরকম রাজনীতি না হয়”।

Continue Reading

Trending