Connect with us

আইএসএল

সবুজ-মেরুনে নতুন যুগের শুরু, ডার্বি জয়ের বার্তা দিয়েই আত্মপ্রকাশ প্যানোসের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : অপেক্ষার অবসান। এক বছরের চুক্তিতে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন গ্রিসের প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস, যিনি ফুটবল মহলে ‘প্যানোস’ নামেই বেশি পরিচিত। সার্জিও লোবেরার অধ্যায় শেষ হতেই নতুন দায়িত্ব পেলেন আইএসএলে পঞ্জাব এফসির প্রাক্তন কোচ।
ভারতে গত দু’বছরে পঞ্জাবের হয়ে নিজের কোচিং দর্শনের ছাপ রেখেছেন ৫১ বছর বয়সি এই গ্রিক কোচ। সীমিত সম্পদ নিয়েও আক্রমণাত্মক, গতিশীল এবং সাহসী ফুটবল খেলিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আইএসএলের শেষ মরশুমে আটকে দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে। অভিজ্ঞ ফুটবলার ও তরুণ প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য গড়ে তোলাই তাঁর অন্যতম বড় শক্তি। সেই কারণেই সবুজ-মেরুন কর্তাদের নজরে এসেছেন তিনি।
দায়িত্ব নিয়েই প্যানোস জানিয়ে দিলেন, সামনে থাকা সবচেয়ে বড় লড়াই—কলকাতা ডার্বি—নিয়ে তাঁর ভাবনা। তিনি বলেন, “কলকাতা ডার্বি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই। আমি জানি এই ম্যাচ সমর্থক, ফুটবলার এবং ক্লাবের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক মানুষের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচের প্রস্তুতি শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে হয় না; প্রয়োজন নিখুঁত পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস। আমরা প্রতিপক্ষকে যথাযোগ্য সম্মান জানাব, তবে একই সঙ্গে সাহসী ফুটবল খেলব এবং মোহনবাগানের ঐতিহ্যের সঙ্গে মানানসই জয়ের মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামব।”
মোহনবাগানের সমর্থকদের উদ্দেশেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন নতুন কোচ। তাঁর কথায়, “একটি কথা আছে-‘প্রত্যাশার চাপ থাকাটাই সৌভাগ্যের বিষয়।’ বড় ক্লাবে প্রত্যাশার চাপ থাকবেই। মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগই ক্লাবের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রতি দিন কঠোর পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব ও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে চাই। প্রতি সপ্তাহে জয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারব না, তবে এমন একটি দল উপহার দেব, যারা সাহস, শৃঙ্খলা এবং জয়ের মানসিকতা নিয়ে প্রতিটি ম্যাচ খেলবে। মোহনবাগান দল নিয়ে তার বক্তব্য “আমি মনে করি আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিভাবান দল রয়েছে। একজন কোচ হিসেবে উন্নতির সুযোগ সবসময় থাকে, তবে আমার লক্ষ্য বর্তমান ফুটবলারদের সেরাটা বের করে আনা। শুধু ব্যক্তিগত প্রতিভা নয়, সাফল্যের জন্য প্রয়োজন ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সঠিক মানসিকতা।”
এখন দেখার, কথা মতো মাঠেও কি নতুন ছন্দ এনে সবুজ-মেরুনকে আরও সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন প্যানোস।

আইএসএল

মুম্বই সিটি এফসির চার বিদেশিকে বিদায়

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: দলের চার বিদেশি ফুটবলারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাল মুম্বই সিটি এফসি। বিদায়ী তালিকায় রয়েছেন ফিনিশ মিডফিল্ডার জনি কাউকো, পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো রেইস, স্পেনীয় মিডফিল্ডার হোর্জে অর্টিজ মেন্দোজা এবং আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হোর্জে পেরেয়রা দিয়াজ।মুম্বইয়ের জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের হয়ে অবদান রেখেছেন চার ফুটবলারই। তবে নতুন মরশুমের দলগঠনের পরিকল্পনায় তাঁদের সঙ্গে আর সম্পর্ক এগিয়ে না নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব। আনুষ্ঠানিক বার্তায় চার ফুটবলারকে বিদায় জানিয়ে তাঁদের ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি।নতুন মরশুমে তাই চার বিদেশির জায়গায় নতুন মুখের সন্ধানে নামতে চলেছে মুম্বই। দলগঠনে এই পরিবর্তন আগামী মরশুমে আইএসএলে মুম্বইয়ের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

Continue Reading

আইএসএল

বেঙ্গালুরুর আক্রমণভাগে নতুন অস্ত্র, মন্টেনেগ্রোর পেরোভিচকে সই করাল ব্লুজ

Published

on


রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৬-২৭ মরশুমের আগে দল গোছানোর কাজে আরও একধাপ এগোল বেঙ্গালুরু এফসি। মন্টেনেগ্রোর স্ট্রাইকার মিহাইলো পেরোভিচকে দলে নিল ব্লুজ। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষস্তরের ক্লাব পেরসেবায়া সুরাবায়ার সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর ফ্রি ট্রান্সফারে বেঙ্গালুরুতে যোগ দিচ্ছেন ২৮ বছরের এই ফরোয়ার্ড।
নতুন মরশুমের জন্য এটি বেঙ্গালুরুর চতুর্থ বিদেশি সই। ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে পেরোভিচের। সার্বিয়া, ইউক্রেন এবং স্লোভেনিয়ার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব ফুটবলেও নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি। গত মরশুমে ইন্দোনেশিয়ান সুপার লিগে পেরসেবায়ার হয়ে ২৮টি ম্যাচে ছ’টি গোল করেন এই মন্টেনেগ্রো তারকা।
শুধু ক্লাব ফুটবলেই নয়, জাতীয় দলের জার্সিতেও পেরোভিচের অভিজ্ঞতা রয়েছে। মন্টেনেগ্রোর হয়ে এখনও পর্যন্ত সাতটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবং একটি গোল রয়েছে তাঁর নামের পাশে।
পেরোভিচকে এনে বেঙ্গালুরু মূলত আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে। দলের ফরোয়ার্ড লাইনে ইতিমধ্যেই রয়েছেন ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম বড় নাম সুনীল ছেত্রী, রায়ান উইলিয়ামস এবং এন শিবশক্তি। তাঁদের সঙ্গে পেরোভিচের সংযোজন বেঙ্গালুরুর আক্রমণে আরও বিকল্প তৈরি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মরশুমে তাই পেরোভিচের পারফরম্যান্সের দিকে নজর থাকবে ব্লুজ সমর্থকদের।

Continue Reading

আইএসএল

“আইএসএলে খেলাই ছিল বাবার একমাত্র স্বপ্ন” — ভ্যালাঙ্কা আলেমাও

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইএসএলে খেলার স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এ বার সেই স্বপ্নই পূরণ হল চার্চিল ব্রাদার্সের। টাটা স্টিল মাত্র ১০০ টাকার নামমাত্র মূল্যে জামশেদপুর এফসির মালিকানা ও আইএসএলে খেলার স্পোর্টিং লাইসেন্স চার্চিল ব্রাদার্সের হাতে তুলে দেওয়ার পরই দেশের সর্বোচ্চ লিগে জায়গা করে নিল গোয়ার ঐতিহ্যশালী ক্লাব। চার দশকের বেশি ইতিহাস, একাধিক জাতীয় ট্রফি এবং দু’টি জাতীয় লিগ খেতাব রয়েছে চার্চিলের ঝুলিতে।

চার্চিল ব্রাদার্সের সিইও তথা মালিক চার্চিল আলেমাওয়ের মেয়ে ভ্যালাঙ্কা আলেমাও বলছেন, “কিছু যাত্রা যেন আগে থেকেই লেখা থাকে।” তাঁর কথায়, গত বছরের মার্চে আই-লিগের সময় থেকে শুরু হয়েছিল তাঁদের লড়াই। ২০২৫ সালের আই-লিগ জয়ের পরও নানা জটিলতায় আইএসএলে জায়গা নিশ্চিত হয়নি। আদালতের লড়াই, ক্রীড়া সালিশি আদালতে যাওয়া—সব পেরিয়ে অবশেষে সেই অধ্যায় শেষ। “বাবার চোখে আইএসএলে খেলার ক্ষুধা দেখতাম। এটাই ছিল তাঁর একমাত্র স্বপ্ন। এখন আমাদের লক্ষ্যও একটাই—শীর্ষে থাকা,” জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা।

১৯৮৮ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে চার্চিল ব্রাদার্সের পথচলা শুরু হলেও আলেমাও পরিবার তারও বহু আগে থেকে ক্লাবটি চালাচ্ছে। প্রায় পাঁচ দশকের ফুটবল-সম্পর্ক তাঁদের। ২০০৮-০৯ এবং ২০১২-১৩ মরসুমে আই-লিগ জিতে ভারতসেরা হয়েছিল চার্চিল। জাতীয় লিগ ও আই-লিগ মিলিয়ে সাত বার রানার্সও হয়েছে তারা।

তবে চার্চিলের আইএসএল-যাত্রা এমন সময়ে, যখন ভারতীয় ফুটবল আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত। অর্থসঙ্কটের কারণে জামশেদপুর সরে গিয়েছে। একাধিক ক্লাব নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজছে, অনেকে খরচ কমাচ্ছে। তার মধ্যেই চার্চিলের দাবি, অর্থের সমস্যা সামলে দল গড়া হবে।

টাটা স্টিলের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী জামশেদপুরের চুক্তিবদ্ধ ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের আর্থিক দায়িত্বও নেবে চার্চিল। প্রায় ১২ জন ফুটবলার ছাড়াও কোচ ওয়েন কোয়েল এবং সহকারী কোচ আলেকজান্ডার স্টুয়ার্টের চুক্তি রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দল নিয়ে পরিষ্কার ছবি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা। চুক্তি সম্মান করে খেলোয়াড় ও কোচরা থাকতে চাইলে তাঁদের রাখার কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

চার্চিলের লক্ষ্য স্পষ্ট—দেশীয় প্রতিভাকে গুরুত্ব দিয়ে শক্তিশালী ভারতীয় ও কার্যকর বিদেশি ফুটবলার নিয়ে দল গড়ে আইএসএলে শুধু অংশ নেওয়া নয়, ট্রফির জন্য লড়াই করা।

Continue Reading

Trending