আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
ICC CT 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে কেন সরে দাঁড়ালেন? নিজেই মুখ খুললেন স্টার্ক। বিস্তারিত জানতে পড়ুন…
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: দীর্ঘ আট বছর পর ক্রিকেট দুনিয়ায় ফিরেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করেছে প্রতিযোগিতায়। কিন্তু অদ্ভুতভাবে অস্ট্রেলিয়ায় একাধিক নাম করা ক্রিকেটারই সরে দাঁড়িয়েছেন এই প্রতিযোগিতা থেকে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন মিচেল স্টার্ক। যার এই সিদ্ধান্ত বেশ কিছুটা বিতর্ক তৈরি করেছিল ক্রিকেট মহলে। এবার সেই প্রসঙ্গেই সরাসরি মুখ খুললেন তিনি নিজে।
মূলত গোড়ালির চোটের কারণেই প্রতিযোগিতা থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন স্টার্ক। তবে শুধুমাত্র চোট নয় পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যক্তিগত কারণও ছিল তাঁর এমনটাই শোনা যাচ্ছিল। এবার সেই বিষয়টাই স্পষ্ট করে তিনি জানালেন, “শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলার সময় আমার পায়ে বেশ ব্যথা ছিল। সামনেই দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে বিশ্ব টেষ্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা। আমার মনে হয়েছে সেটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর রয়েছে। সামনেই আইপিএল। তবে আপাতত আমি বিশ্ব টেষ্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের বাইরে কিছু ভাবছি না।”
প্রসঙ্গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্কোয়াড যখন ঘোষণা করা হয়, তখন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল ব্যক্তিগত কারণেই নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছেন স্টার্ক। তাঁর এই সিদ্ধান্তে বোর্ড এবং দল সম্পূর্ণ সহমত। আপাতত তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলার জন্যই নিজেকে পুরোপুরিভাবে তৈরি করে নিতে চাইছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার। প্রসঙ্গত জস হ্যাজেলউড, মিচেল স্টার্ক এবং প্যাট কামিন্সের মত বড় বড় খেলোয়াড়রা না থাকায় অস্ট্রেলিয়াকে আপাতভাবে দুর্বল মনে হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুতে। তবে তরুণ বোলারদের নিয়েও যদি শুক্রবার আফগানিস্তানকে হারাতে পারে অস্ট্রেলিয়া তাহলে সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে নেবে তারা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
জাতীয় দলে বৈভব, পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা; বিস্তারিত জানতে পড়ুন
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সালটা ১৯৮৯। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিষেক হয়েছিল শচীন তেন্ডুলকরের। তবে এবার তার থেকেও কম বয়সে ভারতের জাতীয় দলে জায়গা পেতে চলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। আসন্ন ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড সিরিজে তাকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। শচীনের সাথে ছিলেন তার দাদা অজিত। তবে বৈভবের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শোনা যাচ্ছে তার সাথে সাথে তার মা-বাবাকেও পাঠানো হতে পারে এই সফরে। জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে বিদেশ যাচ্ছেন বৈভব। যদিও সেই দেশের মাটিতে এর আগেও ম্যাচ খেলেছেন তিনি, তবুও যেহেতু জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ তাই মানসিক চাপ থাকবে অনেকটাই বেশি। তারপরেও যাতে নিজের সেরাটুকু দিতে কোন সমস্যায় না পড়েন বৈভব তাই এই সিদ্ধান্ত। একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, “বৈভবের বয়স অনেকটাই কম। তাই ওর সাথে প্রথম বিদেশ সফরে ওর বাবা মাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। অন্য পরিস্থিতিতে ওকে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবেন তারা। এক্ষেত্রে ওর পরিবারের সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।” যেহেতু এত কম বয়সে জাতীয় দলের হয়ে বিদেশ সফরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেক ক্রিকেটারেরই থাকে না, তাই বৈভব সূর্যবংশী যাতে কোনরকম অসুবিধেয় না পড়েন সেদিকে বিশেষ নজর দিতে চাইছে বিসিসিআই। প্রসঙ্গত বৈভবের কোচ জানিয়েছেন জাতীয় দলে নির্বাচিত হয়ে বিদেশ সফরে যাওয়ার মুহূর্তটা খুবই গর্বের। “বৈভব এবং ওর পরিবারকে অনেক অভিনন্দন। কোচ হিসেবে আমি গর্বিত। আশা রাখবো সকলের প্রত্যাশা পূরণ করবে বৈভব। পাশাপাশি আমার বিশ্বাস বিসিসিআই নিজেদের ভবিষ্যতের পোস্টার বয় পেয়ে গিয়েছে।”
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আয়োজন করার ইচ্ছা প্রকাশ ভারতের…
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আসন্ন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডে। শুধু তাই নয়, অতীতে যেই দুটি ফাইনাল হয়েছে, সেই দুটি ফাইনালও অনুষ্ঠিত হয়েছে এই ইংল্যান্ডেই। তবে আসন্ন ২০২৫-২০২৭ টেস্ট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের শেষে যে ফাইনাল হবে, সেই ফাইনালটি আয়োজন করতে চায় ভারত। এমনকি প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে প্রস্তাবও পাঠাতে চায় বিসিসিআই।
গত মাসে আইসিসির মুখ্য কমিটির সঙ্গে আলোচনা সেরেছে ভারতীয় বোর্ড। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের প্রতিনিধি তথা আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। আর সেখানেই বিসিসিআইয়ের এই ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন তিনি। অপরদিকে আইসিসির চেয়ারম্যান এখন জয় শাহ হওয়ায়, বিসিসিআইয়ের আবেদন গ্রাহ্য করা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, “ভারত যদি পরের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছায়, সেক্ষেত্রে সমর্থকদের কাছেও একটা দারুণ সুযোগ থাকবে। তবে সেটা না হলেও দুটো সেরা দলের ম্যাচ দেখতেও, অনেক সমর্থক মাঠে আসবেন এবং সেই ম্যাচ উপভোগ করবেন।”
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
সুশৃঙ্খল ক্রিকেট একাডেমির পাশাপাশি ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। বিস্তারিত পড়ুন…
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইপিএলের পরিচিত একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে একটি হল দিল্লি ক্যাপিটাল্স। তবে শুধুমাত্র মাঠের অসামান্য রেকর্ডের জন্যই নয়, এবারে তাদের মাঠের বাইরের কৌশলের জন্যও, ইতিমধ্যেই অনেকের দৃষ্ট আকর্ষণ করেছে। এখন তাদের মূল লক্ষ্য গ্রাসরুট ডেভেলপমেন্ট, আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক ক্রীড়াবিদদের লালন-পালনের মাধ্যমে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন করা। বিগত বেশ কিছু বছর ধরে ভারত এবং বিদেশের মাটিতেও একটি কাঠামোগত, স্কেলযোগ্য একাডেমি নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করেছে দিল্লি ক্যাপিটাল্স।
দিল্লি ক্যাপিটাল্সের একাডেমির উত্থান: ২০১৯ সালে নিজেদের ব্র্যান্ডিং পুনর্গঠনের পর, পেশাদার টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে কাজ করা থেকে একটি বিস্তৃত ক্রিকেট ইকোসিস্টেম তৈরিতে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন এনেছে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। ভারত জুড়ে এক ডজনেরও বেশি একাডেমি এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করার পাশাপাশি ইউনাইটেড কিংডম এবং কানাডার মতো বিশ্ব বাজারেও নিজেদের একাডেমি তৈরি করছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী হাজার হাজার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা থেকে, উচ্চমানের কোচিং, আধুনিক অবকাঠামো এবং পেশাদার সেটআপের প্রতিফলনকারী পারফরম্যান্সের পথ প্রদান করে এই একাডেমিগুলি। এছাড়াও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের দিকেও অনেকতাই এগিয়ে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। যার মধ্যে রয়েছে শারীরিক সুস্থতা, পুষ্টি শিক্ষা, ক্রীড়া মনোবিজ্ঞান এবং মানসিক দৃঢ়তা। শুধুমাত্র গ্র্যাসরুট ক্রিকেটারদের আইপিএল দলে নিয়োগ করাই নয়, তারা যাতে ভারতীয় দলেও নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে সেই দিকেও মনোনিবেশ করা হচ্ছে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে স্কাউট করা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের রাজ্য এবং জুনিয়র জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
এই রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন প্রতীক পুরি, যিনি ২০২৩ সালের শেষের দিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের একাডেমির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। একজন উৎসাহী স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট পেশাদার, প্রাক্তন জাতীয় স্তরের ক্রিকেটার এবং বিসিসিআই-প্রত্যয়িত কোচ, পুরি ক্যাপিটালসের গ্রসরুট স্তরের দৃষ্টিভঙ্গিতে কাঠামো, স্কেল এবং কৌশল আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার নিয়োগের পর থেকে, এই নেটওয়ার্কটি আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে নতুন একাডেমিও চালু করা হয়েছে। এই সকল বিষয়ে দিল্লির অভ্যন্তরীণ একজন সদস্য বলেছেন, “প্রতীক গ্রাসরুট স্তরের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি সুশৃঙ্খল, তথ্য-চালিত পদ্ধতি নিয়ে এসেছেন। তিনি কেবল নেটওয়ার্ককে আরও বিস্তৃত করছেন না বরং এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করছেন যা ভারতের খেলাধুলায় একাডেমিগুলি কীভাবে পরিচালিত হয় তা নির্ধারণ করতে পারে”।
-
ফুটবল1 year agoফিফা ট্রান্সফার ব্যানের কবলে মোহনবাগান। বিস্তারিত পড়ুন…
-
ফুটবল3 days agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ক্রিকেট4 days agoBT20L: অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত! চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ল নভাস রয়্যালস পুরুলিয়া
-
আইপিএল1 year agoIPL 2025: বিরাট নন, নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করল আরসিবি
-
ইস্টবেঙ্গল1 year agoইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন ক্লেইটন সিলভা
-
আইএসএল1 year agoISL 2024/25: যুবভারতীর গ্যালারি নিয়ে চিন্তিত নন খালিদ জামিল
-
ফুটবল16 hours agoFIFA WC 2026: বিশ্বকাপের মঞ্চে বাধা, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না ওমর আব্দুলকাদির
-
ইস্টবেঙ্গল1 year agoঘোষণা হয়ে গেল সুপার কাপের চূড়ান্ত সূচি
