Connect with us

ক্রিকেট

মিডল অর্ডারের দাপটে বার্মিংহামে ভারতের বাজিমাত, সিরিজে শুভসূচনা গিলদের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি সিরিজের হতাশা পিছনে ফেলে একদিনের ক্রিকেটে একেবারে অন্য চেহারায় দেখা গেল ভারতকে। বার্মিংহামে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডকে ছয় উইকেটে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী সূচনা করল শুভমন গিলের দল। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে আলো কাড়লেন অক্ষর প্যাটেল, শুভমন গিল এবং ভারতীয় বোলিং আক্রমণ।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। হ্যারি ব্রুক ও জো রুটের ব্যাটে শুরুটা ছিল যথেষ্ট ইতিবাচক। প্রথম উইকেটে ৬১ রান যোগ করার পর ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন গুরনুর ব্রার। দুই ওপেনারকে দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে তিনি চাপ তৈরি করেন। এরপর প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ও জসপ্রীত বুমরাহর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৬১/০ থেকে ৮০/৫ হয়ে যায় ইংল্যান্ড। সেই ধাক্কা সামলে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন জো রুট ও লিয়াম ডসন। ডসন ৬৮ রান করেন, আর রুট ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁদের লড়াইয়ে ইংল্যান্ড ২৫৮ রানে পৌঁছালেও নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষ করতে পারেনি। ভারতের হয়ে অক্ষর চারটি, প্রসিদ্ধ ও গুরনুর দুটি করে এবং বুমরাহ একটি উইকেট নেন।
২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। ১১ রানে ফেরেন রোহিত শর্মা, আর মাত্র ৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান বিরাট কোহলি। কঠিন পরিস্থিতিতে অধিনায়ক শুভমন গিল ও শ্রেয়স আইয়ার ইনিংস গুছিয়ে নেন। ৩৫ রান করে রান আউট হন শ্রেয়স। এরপর অপরাজিত ৮০ রানের পরিণত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন শুভমন। তিনি মাঠ ছাড়ার পর দায়িত্ব নেন দুই অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল ও ওয়াশিংটন সুন্দর। অক্ষরের অপরাজিত ৫৭ এবং সুন্দরের অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংসে ২৮ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে ভারত।

ক্রিকেট

মিডল অর্ডারের লড়াইয়ে মুগ্ধ গিল

Published

on

রে স্পোর্টজের ওয়েব ডেস্ক: সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে বার্মিংহামে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দুরন্ত সূচনা করল ভারত। ২৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে শুভমন গিলের দল। তবে মাঝের সারি ও লোয়ার মিডল অর্ডারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ২৮ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে সফরকারী দল। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।
জয়ের পর অধিনায়ক শুভমন গিল সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিলেন দলের ব্যাটিং গভীরতাকে। তাঁর মতে, বড় লক্ষ্য তাড়া করার সময় নিচের সারির ব্যাটাররা দায়িত্ব নিলে পুরো দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়। গিল বলেন, “মাঝের সারি এবং লোয়ার মিডল অর্ডার যখন ম্যাচ শেষ করে, তখন অধিনায়ক হিসেবে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। আমাদের ব্যাটিং অভিজ্ঞ, তাই বড় লক্ষ্য তাড়া করার বিশ্বাস থাকে। মাঝের ওভারগুলোতে বোলিং খুব ভালো হয়েছে। ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লের পর চাপ থাকলেও আমরা যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।”
চার উইকেটের সঙ্গে ৫৭ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন অক্ষর প্যাটেল। নিজের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, “গতি বদলে স্টাম্প টু স্টাম্প বল করার পরিকল্পনা ছিল। ব্যাটিংয়ে লক্ষ্য ছিল স্ট্রাইক বাড়ানো এবং জুটি গড়ে ম্যাচ শেষ করা।”
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের আক্ষেপ মাঝের ওভারগুলোর ব্যাটিং ধস নিয়ে। তাঁর কথায়, “মাঝের ওভারগুলোতে ২০ রানে ৫ উইকেট হারানো মোটেও আদর্শ নয়। তবুও ছেলেরা লড়াই করেছে। আমাদের মনে হয়েছিল এই স্কোর লড়াই করার মতো ছিল।” প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ায় সিরিজের পরবর্তী লড়াইয়ের আগে মানসিক দিক থেকেও এগিয়ে থাকল গিলের ভারত।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

গম্ভীর-বিরাট সম্পর্ক নিয়ে জোর জল্পনা

Published

on

অঙ্কন কর, বার্মিংহ্যাম: মঙ্গলবার বার্মিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। তার আগে সোমবারই শ্রেয়স আইয়ার বাদে সকল ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রথমবার অনুশীলনে নামল ভারতীয় দল। এর আগেও দুই দিন অনুশীলন হলেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র সাতজন ক্রিকেটার। তাঁরা হলেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, জসপ্রীত বুমরাহ, শুভমন গিল, কেএল রাহুল, কুলদীপ যাদব এবং গুরনুর ব্রার। তবে সোমবারের অনুশীলনে সব থেকে বেশি নজরে ছিল হেড কোচ গৌতম গম্ভীর এবং বিরাট কোহলির মধ্যের দূরত্ব। এদিন দুজনেই একে অপরের সঙ্গে একবারও কথা বলেননি। সেশন শেষে মাঠ ছাড়ার সময় ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাককে কোহলির সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।অন্যদিকে এদিন অনুশীলনের শুরুতে রোহিত শর্মাকে সতীর্থদের সঙ্গে স্লিপ ক্যাচিংয়ের অনুশীলন করেন। এরপর ব্যাটিং সেশনে প্রথমেই নেটে নামেন বিরাট কোহলি। তার পরপরই ব্যাট করতে আসেন রাহুল। কোহলি একাই একটি নেটে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং অনুশীলন করেন। সেই সময় এক নেট স্পিনারের বলে একবার আউটও হন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও, দীর্ঘ সময়ের অনুশীলনে শতাধিক বল খেলে একটি বলে আউট হওয়াকে বড় করে দেখার কোনও কারণ নেই বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এদিকে ভারতের সামনে এই সিরিজের গুরুত্ব শুধু ইংল্যান্ডকে হারানো নয়। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সঠিক কম্বিনেশন তৈরি করাও টিম ম্যানেজমেন্টের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি সিরিজের হোয়াইটওয়াশ ভুলে একদিনের সিরিজেই ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে টিম ইন্ডিয়া।ম্যাচের আগে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে এসেছিলেন ভারত অধিনায়ক শুভমন গিল। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই নেটে বিরাটের সঙ্গে তাঁর কী কথা হচ্ছিল সেই ব্যাপারে প্রশ্ন আসে। উত্তরে গিল বলেন,”আমরা দলের কম্বিনেশন নিয়ে কথা বলছিলাম। দক্ষিণ আফ্রিকায় আমাদের কোন কম্বিনেশনে নামা উচিত এটা নিয়েই আলোচনা হয়েছে।” মাঝে বেশ কয়েকবার রোহিত এবং বিরাটের অবসর নিয়েও জল্পনা হয়েছে। তবে রো-কো জুটি নিয়ে গিল বলছেন,”আমার মনে হয় বিরাট ভাই এবং রোহিত ভাই দু’জনেই গত প্রায় এক দশক ধরে আমাদের ব্যাটিং লাইন-আপের প্রধান মেরুদন্ড। ওরা আমাদের দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই দু’জনের যা অভিজ্ঞতা রয়েছে তা দলের জন্য অপরিসীম।”

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

জাতীয় দলে বৈভব, পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা; বিস্তারিত জানতে পড়ুন

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সালটা ১৯৮৯। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিষেক হয়েছিল শচীন তেন্ডুলকরের। তবে এবার তার থেকেও কম বয়সে ভারতের জাতীয় দলে জায়গা পেতে চলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। আসন্ন ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড সিরিজে তাকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। শচীনের সাথে ছিলেন তার দাদা অজিত। তবে বৈভবের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শোনা যাচ্ছে তার সাথে সাথে তার মা-বাবাকেও পাঠানো হতে পারে এই সফরে। জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে বিদেশ যাচ্ছেন বৈভব। যদিও সেই দেশের মাটিতে এর আগেও ম্যাচ খেলেছেন তিনি, তবুও যেহেতু জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ তাই মানসিক চাপ থাকবে অনেকটাই বেশি। তারপরেও যাতে নিজের সেরাটুকু দিতে কোন সমস্যায় না পড়েন বৈভব তাই এই সিদ্ধান্ত। একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, “বৈভবের বয়স অনেকটাই কম। তাই ওর সাথে প্রথম বিদেশ সফরে ওর বাবা মাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। অন্য পরিস্থিতিতে ওকে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবেন তারা। এক্ষেত্রে ওর পরিবারের সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।” যেহেতু এত কম বয়সে জাতীয় দলের হয়ে বিদেশ সফরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেক ক্রিকেটারেরই থাকে না, তাই বৈভব সূর্যবংশী যাতে কোনরকম অসুবিধেয় না পড়েন সেদিকে বিশেষ নজর দিতে চাইছে বিসিসিআই। প্রসঙ্গত বৈভবের কোচ জানিয়েছেন জাতীয় দলে নির্বাচিত হয়ে বিদেশ সফরে যাওয়ার মুহূর্তটা খুবই গর্বের। “বৈভব এবং ওর পরিবারকে অনেক অভিনন্দন। কোচ হিসেবে আমি গর্বিত। আশা রাখবো সকলের প্রত্যাশা পূরণ করবে বৈভব। পাশাপাশি আমার বিশ্বাস বিসিসিআই নিজেদের ভবিষ্যতের পোস্টার বয় পেয়ে গিয়েছে।”

Continue Reading

Trending