Connect with us

ক্রিকেট

এশিয়ান গেমস ও ইংল্যান্ড সফরের জন্য ভারতের টি-২০ দল ঘোষণা, নেতৃত্বে শ্রেয়স আইয়ার

Published

on



রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমস এবং একই বছরে ইংল্যান্ড সফরের টি-২০ সিরিজকে সামনে রেখে ভারতের দল নিয়ে ক্রিকেটমহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সম্ভাব্য স্কোয়াডে দেখা যাচ্ছে, দলের নেতৃত্বে রয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার, আর সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা।
দলের ব্যাটিং বিভাগে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেল রয়েছে। শ্রেয়স আইয়ার, অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মা এবং নীতীশ কুমার রেড্ডির মতো ক্রিকেটাররা মিডল ও টপ অর্ডারে শক্তি বাড়াবেন বলে মনে করা হচ্ছে। অলরাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল এবং ওয়াশিংটন সুন্দর, যারা ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
উইকেটরক্ষক হিসেবে রাখা হয়েছে সঞ্জু স্যামসন ও ইশান কিষাণকে। দু’জনেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত এবং টি-২০ ফরম্যাটে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
বোলিং বিভাগে নজর কেড়েছে জসপ্রীত বুমরাহ, আর্শদীপ সিং, হর্ষিত রানা, রবি বিষ্ণোই এবং বরুণ চক্রবর্তীর উপস্থিতি। এশিয়ান গেমসের সম্ভাব্য দলে তরুণ পেসার বৈভব সূর্যবংশীকেও রাখা হয়েছে, যা নির্বাচকদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড সফরের সম্ভাব্য টি-২০ স্কোয়াডে জসপ্রীত বুমরাহর পরিবর্তে জায়গা পেয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। পাশাপাশি তরুণ ব্যাটার প্রিন্স যাদবকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নির্বাচকদের নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়ার ভাবনার প্রতিফলন।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, এই দল দুটি ভারতের টি-২০ ক্রিকেটের আগামী দিনের রূপরেখা তুলে ধরছে। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি তরুণ প্রতিভাদের সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতের বড় টুর্নামেন্টগুলির জন্য শক্তিশালী বেঞ্চ তৈরি করার লক্ষ্যই স্পষ্ট।
এশিয়ান গেমস ২০২৬ দল
শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক), তিলক ভার্মা (সহ-অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), ইশান কিষাণ (উইকেটরক্ষক), শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, বরুণ চক্রবর্তী, রবি বিষ্ণোই, জসপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা, আর্শদীপ সিং এবং বৈভব সূর্যবংশী।
ইংল্যান্ড সফর টি-২০ দল
শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক), তিলক ভার্মা (সহ-অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, সঞ্জু স্যামসন, ইশান কিষাণ, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, বরুণ চক্রবর্তী, রবি বিষ্ণোই, মহম্মদ সিরাজ, হর্ষিত রানা, আর্শদীপ সিং, প্রিন্স যাদব এবং বৈভব সূর্যবংশী।

ক্রিকেট

রঞ্জিতে শাপমুক্তির শতরান অভিষেক পোড়েলের, বাইশ গজেই অঝোরে কাঁদলেন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে দিল্লির বিরুদ্ধে সুবিধাজনক জায়গায় বাংলা। সৌজন্যে অভিষেক পোড়েলের শতরান। কঠিন সময় পেরিয়ে ক্রিকেটের মাঠে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন অভিষেক পোড়েলের। জেল থেকে মুক্তির মাত্র ২৫ দিনের মাথায় রঞ্জি ট্রফিতে শতরান করে আবেগে ভাসলেন বাংলার বাঁহাতি উইকেটকিপার-ব্যাটার। দিল্লির বিরুদ্ধে শতরান পূর্ণ করার পর হাঁটু গেড়ে বসে কেঁদে ফেলেন তিনি।
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর ৩৬ দিন কারাগারে ছিলেন চন্দননগরের ক্রিকেটার। গত ১৭ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি। বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল তাঁকে দলে ফিরিয়ে প্রথম ম্যাচেই সুযোগ দেন।
সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন অভিষেক। ১৩৭ বলে শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তাঁর দ্বিতীয় শতরান। শতরানের পর বিরাট কোহলির পরিচিত ভঙ্গিতে উদযাপন করেন তিনি।
সুদীপ কুমার ঘরামির সঙ্গে তাঁর অবিচ্ছেদ্য জুটি বাংলাকে শক্তিশালী জায়গায় পৌঁছে দেয়। ৭৫ ওভারের শেষে বাংলার স্কোর ছিল ২৯৭/৩, দিল্লির চেয়ে ৫৭ রানে এগিয়ে।

কল্যানী বেঙ্গল ক্রিকেট একাডেমির মাঠে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। শামি-আকাশদীপদের দাপটে মাত্র ২৪০ রানেই গুটিয়ে যায় দিল্লির প্রথম ইনিংস। জবাবে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলার। তবে সুদীপ কুমার ঘরামি এবং অভিষেক পোড়েলের অপরাজিত শতরানে ভর করে দ্বিতীয় দিনের শেষে এগিয়ে রয়েছে বাংলা। ১২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন সুদীপ, অন্যদিকে ১১৪ রানে ব্যাটিং করছেন পোড়েল। এদিন শতরান সম্পূর্ণ করে বাইশ গজেই চোখের জল ফেলেন তিনি। তৃতীয় দিনে সুদীপ কুমার ঘরামির সঙ্গে জুটি বেঁধে আরও রান যোগ করতে পারলেই, ভালো জায়গায় পৌঁছে যাবে বাংলা।

Continue Reading

ক্রিকেট

কোহলির টেস্ট অবসর ঘিরে প্রশ্ন তুললেন জাফর

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিরাট কোহলির টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর। তাঁর মতে, ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি নেওয়া কোহলির টেস্ট ক্রিকেট ছাড়ার পরিস্থিতি আরও ভাল ভাবে সামলানো যেত। এই ঘটনার জেরে কোহলির মনে তিক্ততা তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে জাফর বলেন, কোহলির মতো অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ক্রিকেটার শুধু দলের সম্পদ নন, দর্শকদের কাছেও বড় আকর্ষণ। তাই তাঁর আরও কয়েক বছর টেস্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ ছিল বলে মনে করেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার। তবে অবসরের নেপথ্যে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে কোহলির নিজের বক্তব্য শোনা জরুরি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দিল্লির হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে খেলেছিলেন কোহলি। সেই সময় থেকেই টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। পরে ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি নিলেও নির্বাচকদের সঙ্গে আলোচনার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ১২ মে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।
১৪ বছরের টেস্ট কেরিয়ারে ১২৩টি ম্যাচ খেলে ৯২৩০ রান করেছেন কোহলি। রয়েছে ৩০টি শতরান।
ভারতীয় দলের নির্বাচন প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন জাফর। তাঁর মতে, নির্বাচকদের কয়েকটি সাহসী সিদ্ধান্ত সফল হলেও কিছু ক্ষেত্রে ক্রিকেটার ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তবে টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক ব্যর্থতার জন্য নির্বাচকদের একক ভাবে দায়ী করা ঠিক নয়। প্রথম একাদশ বেছে নেওয়ার দায়িত্ব মূলত কোচ ও অধিনায়কের, নির্বাচকদের কাজ ক্রিকেটার নির্বাচন করা।
জাফরের বক্তব্য, সিদ্ধান্ত যতই সাহসী হোক, তা কী ভাবে কার্যকর করা হচ্ছে, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Continue Reading

ক্রিকেট

ইরানি ট্রফিতে জম্মু-কাশ্মীরকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন রেস্ট অফ ইন্ডিয়া

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইরানি ট্রফিতে দাপুটে জয় রেস্ট অফ ইন্ডিয়ার। জম্মু-কাশ্মীরকে ১৬৭ রানে হারিয়ে ট্রফি জিতে নিল তারা। রেস্ট অব ইন্ডিয়ার জয়ের নেপথ্যে বল হাতে বড় ভূমিকা নিলেন মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপ। মুকেশ ৬ উইকেট এবং আকাশ দীপ ৩ উইকেট নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটিং লাইন-আপকে তছনছ করে দেন।
চতুর্থ দিনের শুরুতে স্মরণ রবিচন্দ্রন নিজের শতরানকে আরও বড় করার চেষ্টা করেন। শেষ দুই ব্যাটারের সঙ্গে জুটি বেঁধে আরও ১৩ রান যোগ করার পর ১৩৫ রানে আউট হন তিনি। ফলে রেস্ট অব ইন্ডিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস থামে ৩১৯ রানে। প্রথম ইনিংসে জম্মু-কাশ্মীর ২৭৮ রান করায় জয়ের জন্য তাদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭৯ রান।
জবাবে শুরুটা ভালোই করেছিল জম্মু-কাশ্মীর। কুরাম ইকবাল ও শুভম খাজুরিয়ার উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৫৪ রান। কিন্তু এরপরই শুরু হয় ধস। আকাশদীপ ইকবালকে এলবিডব্লিউ করে প্রথম ধাক্কা দেন। এরপর মুকেশ এক ওভারেই শুভম পুন্ডির ও অধিনায়ক পারস ডোগরাকে ফিরিয়ে জম্মু-কাশ্মীরকে ৬৫/৩-এ নামিয়ে দেন।
এরপর খাজুরিয়া ও আবদুল সামাদ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও আকাশ দীপ খাজুরিয়াকে ফিরিয়ে দেন। সেখান থেকেই দ্রুত ভেঙে পড়ে জম্মু-কাশ্মীরের ইনিংস। ৮৯/৪ থেকে মাত্র ১১০ রানেই অলআউট হয়ে যায় তারা। মুকেশ শেষ তিন ব্যাটার আবিদ মুস্তাক, উমর নাজির মীর ও সুনীল কুমারকে একই ওভারে ফিরিয়ে ম্যাচের ইতি টানেন। মাত্র ২৮.৪ ওভারে শেষ হয় জম্মু-কাশ্মীরের রান তাড়া।
শেষ পর্যন্ত রেস্ট অফ ইন্ডিয়া জেতে ১৬৭ রানে। মুকেশ কুমারের ৬/৩৩ এবং আকাশ দীপের ৩/২৫ ছিল জয়ের অন্যতম প্রধান কারিগর।

Continue Reading

Trending