Connect with us

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

গম্ভীর-বিরাট সম্পর্ক নিয়ে জোর জল্পনা

Published

on

অঙ্কন কর, বার্মিংহ্যাম: মঙ্গলবার বার্মিংহ্যামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। তার আগে সোমবারই শ্রেয়স আইয়ার বাদে সকল ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রথমবার অনুশীলনে নামল ভারতীয় দল। এর আগেও দুই দিন অনুশীলন হলেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র সাতজন ক্রিকেটার। তাঁরা হলেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, জসপ্রীত বুমরাহ, শুভমন গিল, কেএল রাহুল, কুলদীপ যাদব এবং গুরনুর ব্রার। তবে সোমবারের অনুশীলনে সব থেকে বেশি নজরে ছিল হেড কোচ গৌতম গম্ভীর এবং বিরাট কোহলির মধ্যের দূরত্ব। এদিন দুজনেই একে অপরের সঙ্গে একবারও কথা বলেননি। সেশন শেষে মাঠ ছাড়ার সময় ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাককে কোহলির সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।অন্যদিকে এদিন অনুশীলনের শুরুতে রোহিত শর্মাকে সতীর্থদের সঙ্গে স্লিপ ক্যাচিংয়ের অনুশীলন করেন। এরপর ব্যাটিং সেশনে প্রথমেই নেটে নামেন বিরাট কোহলি। তার পরপরই ব্যাট করতে আসেন রাহুল। কোহলি একাই একটি নেটে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং অনুশীলন করেন। সেই সময় এক নেট স্পিনারের বলে একবার আউটও হন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও, দীর্ঘ সময়ের অনুশীলনে শতাধিক বল খেলে একটি বলে আউট হওয়াকে বড় করে দেখার কোনও কারণ নেই বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এদিকে ভারতের সামনে এই সিরিজের গুরুত্ব শুধু ইংল্যান্ডকে হারানো নয়। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সঠিক কম্বিনেশন তৈরি করাও টিম ম্যানেজমেন্টের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি সিরিজের হোয়াইটওয়াশ ভুলে একদিনের সিরিজেই ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে টিম ইন্ডিয়া।ম্যাচের আগে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে এসেছিলেন ভারত অধিনায়ক শুভমন গিল। সেখানে স্বাভাবিকভাবেই নেটে বিরাটের সঙ্গে তাঁর কী কথা হচ্ছিল সেই ব্যাপারে প্রশ্ন আসে। উত্তরে গিল বলেন,”আমরা দলের কম্বিনেশন নিয়ে কথা বলছিলাম। দক্ষিণ আফ্রিকায় আমাদের কোন কম্বিনেশনে নামা উচিত এটা নিয়েই আলোচনা হয়েছে।” মাঝে বেশ কয়েকবার রোহিত এবং বিরাটের অবসর নিয়েও জল্পনা হয়েছে। তবে রো-কো জুটি নিয়ে গিল বলছেন,”আমার মনে হয় বিরাট ভাই এবং রোহিত ভাই দু’জনেই গত প্রায় এক দশক ধরে আমাদের ব্যাটিং লাইন-আপের প্রধান মেরুদন্ড। ওরা আমাদের দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই দু’জনের যা অভিজ্ঞতা রয়েছে তা দলের জন্য অপরিসীম।”

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

জাতীয় দলে বৈভব, পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা; বিস্তারিত জানতে পড়ুন

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সালটা ১৯৮৯। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিষেক হয়েছিল শচীন তেন্ডুলকরের। তবে এবার তার থেকেও কম বয়সে ভারতের জাতীয় দলে জায়গা পেতে চলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। আসন্ন ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড সিরিজে তাকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। শচীনের সাথে ছিলেন তার দাদা অজিত। তবে বৈভবের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শোনা যাচ্ছে তার সাথে সাথে তার মা-বাবাকেও পাঠানো হতে পারে এই সফরে। জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে বিদেশ যাচ্ছেন বৈভব। যদিও সেই দেশের মাটিতে এর আগেও ম্যাচ খেলেছেন তিনি, তবুও যেহেতু জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ তাই মানসিক চাপ থাকবে অনেকটাই বেশি। তারপরেও যাতে নিজের সেরাটুকু দিতে কোন সমস্যায় না পড়েন বৈভব তাই এই সিদ্ধান্ত। একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, “বৈভবের বয়স অনেকটাই কম। তাই ওর সাথে প্রথম বিদেশ সফরে ওর বাবা মাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। অন্য পরিস্থিতিতে ওকে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবেন তারা। এক্ষেত্রে ওর পরিবারের সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।” যেহেতু এত কম বয়সে জাতীয় দলের হয়ে বিদেশ সফরে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেক ক্রিকেটারেরই থাকে না, তাই বৈভব সূর্যবংশী যাতে কোনরকম অসুবিধেয় না পড়েন সেদিকে বিশেষ নজর দিতে চাইছে বিসিসিআই। প্রসঙ্গত বৈভবের কোচ জানিয়েছেন জাতীয় দলে নির্বাচিত হয়ে বিদেশ সফরে যাওয়ার মুহূর্তটা খুবই গর্বের। “বৈভব এবং ওর পরিবারকে অনেক অভিনন্দন। কোচ হিসেবে আমি গর্বিত। আশা রাখবো সকলের প্রত্যাশা পূরণ করবে বৈভব। পাশাপাশি আমার বিশ্বাস বিসিসিআই নিজেদের ভবিষ্যতের পোস্টার বয় পেয়ে গিয়েছে।”

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আয়োজন করার ইচ্ছা প্রকাশ ভারতের…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আসন্ন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ইংল্যান্ডে। শুধু তাই নয়, অতীতে যেই দুটি ফাইনাল হয়েছে, সেই দুটি ফাইনালও অনুষ্ঠিত হয়েছে এই ইংল্যান্ডেই। তবে আসন্ন ২০২৫-২০২৭ টেস্ট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের শেষে যে ফাইনাল হবে, সেই ফাইনালটি আয়োজন করতে চায় ভারত। এমনকি প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে প্রস্তাবও পাঠাতে চায় বিসিসিআই। 

গত মাসে আইসিসির মুখ্য কমিটির সঙ্গে আলোচনা সেরেছে ভারতীয় বোর্ড। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের প্রতিনিধি তথা আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। আর সেখানেই বিসিসিআইয়ের এই ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন তিনি। অপরদিকে আইসিসির চেয়ারম্যান এখন জয় শাহ হওয়ায়, বিসিসিআইয়ের আবেদন গ্রাহ্য করা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, “ভারত যদি পরের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছায়, সেক্ষেত্রে সমর্থকদের কাছেও একটা দারুণ সুযোগ থাকবে। তবে সেটা না হলেও দুটো সেরা দলের ম্যাচ দেখতেও, অনেক সমর্থক মাঠে আসবেন এবং সেই ম্যাচ উপভোগ করবেন।”

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

সুশৃঙ্খল ক্রিকেট একাডেমির পাশাপাশি ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইপিএলের পরিচিত একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে একটি হল দিল্লি ক্যাপিটাল্স। তবে শুধুমাত্র মাঠের অসামান্য রেকর্ডের জন্যই নয়, এবারে তাদের মাঠের বাইরের কৌশলের জন্যও, ইতিমধ্যেই অনেকের দৃষ্ট আকর্ষণ করেছে। এখন তাদের মূল লক্ষ্য গ্রাসরুট ডেভেলপমেন্ট, আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক ক্রীড়াবিদদের লালন-পালনের মাধ্যমে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন করা। বিগত বেশ কিছু বছর ধরে ভারত এবং বিদেশের মাটিতেও একটি কাঠামোগত, স্কেলযোগ্য একাডেমি নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করেছে দিল্লি ক্যাপিটাল্স।

দিল্লি ক্যাপিটাল্সের একাডেমির উত্থান: ২০১৯ সালে নিজেদের ব্র্যান্ডিং পুনর্গঠনের পর, পেশাদার টি-টোয়েন্টি দল হিসেবে কাজ করা থেকে একটি বিস্তৃত ক্রিকেট ইকোসিস্টেম তৈরিতে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন এনেছে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। ভারত জুড়ে এক ডজনেরও বেশি একাডেমি এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করার পাশাপাশি ইউনাইটেড কিংডম এবং কানাডার মতো বিশ্ব বাজারেও নিজেদের একাডেমি তৈরি করছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী হাজার হাজার উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা থেকে, উচ্চমানের কোচিং, আধুনিক অবকাঠামো এবং পেশাদার সেটআপের প্রতিফলনকারী পারফরম্যান্সের পথ প্রদান করে এই একাডেমিগুলি। এছাড়াও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের দিকেও অনেকতাই এগিয়ে দিল্লি ক্যাপিটাল্স। যার মধ্যে রয়েছে শারীরিক সুস্থতা, পুষ্টি শিক্ষা, ক্রীড়া মনোবিজ্ঞান এবং মানসিক দৃঢ়তা। শুধুমাত্র গ্র্যাসরুট ক্রিকেটারদের আইপিএল দলে নিয়োগ করাই নয়, তারা যাতে ভারতীয় দলেও নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে সেই দিকেও মনোনিবেশ করা হচ্ছে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে স্কাউট করা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের রাজ্য এবং জুনিয়র জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। 

এই রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন প্রতীক পুরি, যিনি ২০২৩ সালের শেষের দিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের একাডেমির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। একজন উৎসাহী স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট পেশাদার, প্রাক্তন জাতীয় স্তরের ক্রিকেটার এবং বিসিসিআই-প্রত্যয়িত কোচ, পুরি ক্যাপিটালসের গ্রসরুট স্তরের দৃষ্টিভঙ্গিতে কাঠামো, স্কেল এবং কৌশল আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার নিয়োগের পর থেকে, এই নেটওয়ার্কটি আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে নতুন একাডেমিও চালু করা হয়েছে। এই সকল বিষয়ে দিল্লির অভ্যন্তরীণ একজন সদস্য বলেছেন, “প্রতীক গ্রাসরুট স্তরের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি সুশৃঙ্খল, তথ্য-চালিত পদ্ধতি নিয়ে এসেছেন। তিনি কেবল নেটওয়ার্ককে আরও বিস্তৃত করছেন না বরং এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করছেন যা ভারতের খেলাধুলায় একাডেমিগুলি কীভাবে পরিচালিত হয় তা নির্ধারণ করতে পারে”।

Continue Reading

Trending