Connect with us

আইএসএল

ISL 2024/25: খাদের অতলে ইস্টবেঙ্গল, উঠছে একাধিক প্রশ্ন

Published

on


রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: চেন্নাইয়ন এফসির বিরুদ্ধে হারের পর প্লে-অফের আশা কার্যত শেষ ইস্টবেঙ্গলের। অন্তত তেমনটাই মনে করছেন লাল-হলুদ ব্রিগেডের হেড কোচ অস্কার ব্রুজো। শেষ তিন ম্যাচে বারবার জয়ের ধারাবাহিকতার কথা বলে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু জয় আসবে কী করে? ফুটবল প্রকৃতপক্ষে একটা বিজ্ঞান। ফুটবল মাঠে সাফল্য পেতে হলে লাগে অনুশীলন এবং কঠিন অধ্যাবসায়। কিন্তু সেটা হচ্ছে কোথায়? ডার্বির আগে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের চমক দেওয়ার জন্য তড়িঘড়ি উড়িয়ে আনা হল রিচার্ড সেলিসকে। কিন্তু মাঠে নামতে পারলেন না তিনি। সেই সেলিস অল্প দিনেই চোট পেলেন। চেন্নাইয়ন ম্যাচে ইঞ্জেকশন দিয়ে একপ্রকার জোর করে মাঠে নামানো হলে তাঁকে। প্রায় দু’মাস মাঠের বাইরে থাকা আধা ফিট সউল ক্রেসপোকে শুরু থেকেই মাঠে নামিয়ে দেওয়া হল।

যদিও এই প্রসঙ্গে নিজের ভুল স্বীকার করে অস্কার বলেন, “সউলদের বোধহয় এতটা সময় খেলানো উচিত হয়নি। গত ম্যাচের দলটাকেই এই ম্যাচে নামালে বোধহয় ভাল হত।” বিনা অনুশীলনে মাঠে নামলেন নবাগত মেসি বোউলি। ফলে যা হওয়ার তাই হল। চেন্নাইয়ন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই যেন নিজেদের ভুল সিদ্ধান্তে ম্যাচ হেরে বসল ইস্টবেঙ্গল। শুধু তাই নয় দলের বিদেশি নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। হঠাৎ করে সই করিয়ে নিয়ে আসা ফুটবলাররা শুধুই কী চমক? প্রশ্ন উঠছে, ইস্টবেঙ্গল দলের বিদেশি নির্বাচনের হোতা যিনি, তিনি কি আদৌ ইস্টবেঙ্গলের মত ঐতিহ্যশালী একটা দলের ফুটবলার নির্বাচনের দায়িত্বে থাকার যোগ্য? পরিশেষে, ইস্টবেঙ্গল কোচ স্বীকার করলেন প্লে-অফে পৌঁছানোর আশা আর নেই। তিনি বলেন, “এখন আমাদের এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ নিয়ে ভাবতেই হবে। এছাড়াও সুপার কাপ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করব আইএসএলে যতটা সম্ভব ভালো জায়গায় শেষ করতে।”

আইএসএল

সবুজ-মেরুনে নতুন যুগের শুরু, ডার্বি জয়ের বার্তা দিয়েই আত্মপ্রকাশ প্যানোসের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : অপেক্ষার অবসান। এক বছরের চুক্তিতে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন গ্রিসের প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস, যিনি ফুটবল মহলে ‘প্যানোস’ নামেই বেশি পরিচিত। সার্জিও লোবেরার অধ্যায় শেষ হতেই নতুন দায়িত্ব পেলেন আইএসএলে পঞ্জাব এফসির প্রাক্তন কোচ।
ভারতে গত দু’বছরে পঞ্জাবের হয়ে নিজের কোচিং দর্শনের ছাপ রেখেছেন ৫১ বছর বয়সি এই গ্রিক কোচ। সীমিত সম্পদ নিয়েও আক্রমণাত্মক, গতিশীল এবং সাহসী ফুটবল খেলিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আইএসএলের শেষ মরশুমে আটকে দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে। অভিজ্ঞ ফুটবলার ও তরুণ প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য গড়ে তোলাই তাঁর অন্যতম বড় শক্তি। সেই কারণেই সবুজ-মেরুন কর্তাদের নজরে এসেছেন তিনি।
দায়িত্ব নিয়েই প্যানোস জানিয়ে দিলেন, সামনে থাকা সবচেয়ে বড় লড়াই—কলকাতা ডার্বি—নিয়ে তাঁর ভাবনা। তিনি বলেন, “কলকাতা ডার্বি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই। আমি জানি এই ম্যাচ সমর্থক, ফুটবলার এবং ক্লাবের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক মানুষের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচের প্রস্তুতি শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে হয় না; প্রয়োজন নিখুঁত পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস। আমরা প্রতিপক্ষকে যথাযোগ্য সম্মান জানাব, তবে একই সঙ্গে সাহসী ফুটবল খেলব এবং মোহনবাগানের ঐতিহ্যের সঙ্গে মানানসই জয়ের মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামব।”
মোহনবাগানের সমর্থকদের উদ্দেশেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন নতুন কোচ। তাঁর কথায়, “একটি কথা আছে-‘প্রত্যাশার চাপ থাকাটাই সৌভাগ্যের বিষয়।’ বড় ক্লাবে প্রত্যাশার চাপ থাকবেই। মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগই ক্লাবের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রতি দিন কঠোর পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব ও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে চাই। প্রতি সপ্তাহে জয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারব না, তবে এমন একটি দল উপহার দেব, যারা সাহস, শৃঙ্খলা এবং জয়ের মানসিকতা নিয়ে প্রতিটি ম্যাচ খেলবে। মোহনবাগান দল নিয়ে তার বক্তব্য “আমি মনে করি আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিভাবান দল রয়েছে। একজন কোচ হিসেবে উন্নতির সুযোগ সবসময় থাকে, তবে আমার লক্ষ্য বর্তমান ফুটবলারদের সেরাটা বের করে আনা। শুধু ব্যক্তিগত প্রতিভা নয়, সাফল্যের জন্য প্রয়োজন ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সঠিক মানসিকতা।”
এখন দেখার, কথা মতো মাঠেও কি নতুন ছন্দ এনে সবুজ-মেরুনকে আরও সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন প্যানোস।

Continue Reading

আইএসএল

ISL 2025: গোয়া দল ছাড়লেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। জানতে পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৩-২৪ আইএসএল মরশুমে মোহনবাগান দলে সই করেছিলেন আলবেনিয়ার ফুটবলার আরমান্দো সাদিকু। বাগান জার্সিতে প্রায় প্রতি ম্যাচেই শুরু করতেন তিনি। বেশ কিছু গোলও ছিল তার। তবে এই মরশুম বাংলার ক্লাব মোহনবাগান ছেড়ে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন এফসি গোয়া দলে। আর সেখানে গিয়ে নিজেকে নতুনভাবে ফিরে পেয়েছিলেন সাদিকু। দুরান্ড, আইএসএলের পাশাপাশি গোয়ার ঘরোয়া লিগেও গোলের বন্যা বইয়েছিলেন তিনি। এছাড়া ২০২৪-২৫ আইএসএল মরশুমে গোয়ার জার্সি গায়ে ২৪টি ম্যাচ খেলে করেছেন ১০টি গোল এবং দুটি অ্যাসিস্ট। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে হেরে আইএসএল যাত্রা শেষ করেছে এফসি গোয়া। আর মরশুম শেষ হতেই গোয়া দল থেকে বিদায় নিলেন আরমান্দো সাদিকু। গোয়া দলের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি। নিজেদের সমাজমাধ্যম সেই কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করেছে এফসি গোয়া। এবারে দেখার গোয়া দল ছেড়ে আইএসএলের অন্য কোনও দলে খেলেন কিনা সাদিকু।

Continue Reading

আইএসএল

ISL 2025: ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকেই আইএসএল কাপ জয় মোহনবাগানের। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি মরশুমে ইতিহাস গড়লো মোহনবাগান। আইএসএলের ইতিহাসে মুম্বই সিটি এফসির পর, দ্বিতীয় দল হিসেবে একই মরশুম শিল্ড এবং কাপ জয়ের নজির গড়ল হোসে মোলিনার দল। শুধু তাই নয়, চলতি মরশুম ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকেই চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। শনিবার আইএসএলের মেগা ফাইনালে পিছিয়ে পড়েও বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ২-১ গোলে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল হোসে মোলিনার দল। মোহনবাগানের হয়ে গোল করলেন জেসন কামিন্স এবং জেমি ম্যাকলারেন।

ম্যাচের প্রথম পনেরো মিনিট বেঙ্গালুরু এফসিকে বেশ চাপে রেখেছিলেন কামিন্স, ম্যাকলারেনরা। ১৪ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে থাপার জোরালো শট রুখে দিয়ে বেঙ্গালুরু এফসিকে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন রাহুল ভেকে। মিনিট চারেক পরেই ম্যাকলারেনের জন্য বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন মনবীর। কিন্তু বলের কাছে পৌঁছাতে পারেননি জেমি। পরের মিনিটেই নগুয়েরার কর্নার থেকে হেড করেছিলেন সুনীল ছেত্রী। মোহনবাগানের হয়ে অনিবার্য পতন রক্ষা করেন শুভাশিস। এরপর প্রথমার্ধে আর খুঁজে পাওয়া গেল না পরিচিত সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। একের পর এক আক্রমণ তুলে এনে বাগান রক্ষণকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রী, এডগার মেণ্ডেজরা।ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আরও একটা সুযোগ নষ্ট করেন রায়ান উইলিয়ামস। প্রথমার্ধের সংযোজিত সময়ে সুনীল ছেত্রীর হেডার অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ফলে ০-০ ফলাফলেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মোহনবাগানকে আরও চেপে ধরে জেরার্ড জারাগোজার দল। প্রথম মিনিটেই রায়ান উইলিয়ামসের শট বাঁচিয়ে পতন রোধ করেন বিশাল কাইথ। কিন্তু তার পরেই গোল হজম করতে হয় মোহনবাগানকে। ৪৯ মিনিটে আলবার্তো রদ্রিগেজের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। এই গোলটি হজম করতেই নড়েচড়ে বসে হোসে মোলিনার দল। আক্রমণ উঠে আসতে শুরু করেন সবুজ-মেরুণের ফুটবলাররাও। এছাড়া ম্যাচে জোড়া দুটি পরিবর্তন আনেন হোসে মোলিনা। লিস্টন কোলাসো এবং অনিরুদ্ধ থাপাকে তুলে নিয়ে তিনি মাঠে নামান সাহাল আব্দুল সামাদ এবং আশিক কুড়ুনিয়ানকে। তার পরেই ভাগ্য বদল হয় মোহনবাগানের। ম্যাচের ৭০ মিনিটে কামিন্সের বাড়ানো ক্রস বক্সের ভেতর হাতে লাগিয়ে বসেন বেঙ্গালুরু ডিফেন্ডার চিঙ্গলেনসানা সিংহ। ফলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি কামিন্স। এদিকে নির্ধারিত নব্বই মিনিটে ম্যাচের ফলাফল অমীমাংসিত থাকায়, খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সংযোজিত সময়ের প্রথম মিনিটেই গ্রেগ স্টুয়ার্টের ঠিকানা লেখা পাস থেকে গোল করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন। অবশেষে বেঙ্গালুরু বারংবার আক্রমণে উঠলেও জমাট ছিল বাগান রক্ষণ। ফলে ২-১ গোলে বেঙ্গালুরু এফসিকে হারিয়ে আইএসএল কাপ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান।

Continue Reading

Trending