Connect with us

ফুটবল

SUPER CUP 2025: দারুন ফুটবল খেলেও সুপার কাপের যাত্রা শেষ মোহনবাগানের। ফাইনালে এফসি গোয়া। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

সায়ন দে, ভুবনেশ্বর: বিদেশি সমৃদ্ধ এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত লড়াই করেও হার মানল মোহনবাগান। কিন্তু বাস্তব রায়ের তত্ত্বাবধানে তরুণ সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য নয়। ধীরাজ সিংয়ের ব্যক্তিগত ভুলের খেসারত দিয়েই গোয়াকে ম্যাচ উপহার দিল মোহনবাগান। তবে সুপার কাপ শেষে বাগান টিম ম্যানেজমেন্টের মুখে হাসি ফোটালেন সালাহ-সুহেলরা। আইএসএলে দ্বিমুকুট জয়ের পর মূলত জুনিয়রদের উপরেই ভরসা রেখেছিল বাগান ম্যানেজমেন্ট। ধারে ভারে বাকি দলগুলির থেকে কমজোরী হলেও, জয়ের মানসিকতায় বিন্দুমাত্র খামতি ছিলনা তাদের। সেমিফাইনালে প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী দল এফসি গোয়ার কাছে ১-৩ ব্যবধানে হেরে, সুপার কাপের যাত্রা শেষ করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন সুহেল ভাট। গোয়ার হয়ে গোল পান ব্রাইসন, গুয়ারটচেনা এবং বোরহা হেরেরা।

ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এফসি গোয়া। প্রথম মিনিটেই একটি গোলমুখী শট নিয়েছিলেন জয় গুপ্ত। পরক্ষণে আক্রমণে উঠে আসে মোহনবাগানও। ডান প্রান্ত দিয়ে গোয়া রক্ষণকে বারংবার চাপে ফেলছিলেন তরুণ উইঙ্গার সালাহউদ্দিন আদনান। অপরদিকে ম্যাচের ২০ মিনিটে কর্নার থেকে ব্রাইসন ফার্নান্দেজের গোলে এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। তবে সমতায় ফিরতে বেশিক্ষণ লাগেনি মোহনবাগানের। ২৩ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের বাড়ানো বল থেকে দলকে সমতায় ফেরান সুহেল ভাট। শেষের দিকে গোয়া নিরন্তর আক্রমণ করলেও, প্রথমার্ধে ফলাফল থাকে ১-১।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সাহালের নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন আকাশ সাংওয়ান। তারপর ৪৯ মিনিটে গোলরক্ষক ধীরাজ সিংয়ের ভুলে পেনাল্টি পায় গোয়া। সেখান থেকে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন ইকার গুয়ারটচেনা। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে কর্নার থেকে অলিম্পিক গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন বোরহা হেরেরা। অপরদিকে গোল পরিশোধের মরিয়া চেষ্টা চালায় মোহনবাগান। ৬৪ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ ছিল সালাহউদ্দিনের কাছে। গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, সালাহউদ্দিনের গোলমুখী শট রুখে দেন আকাশ সাংওয়ান। শেষ পর্যন্ত এফসি গোয়ার কাছে ১-৩ গোলে পরাজিত হয়ে সুপার কাপ থেকে বিদায় নিল মোহনবাগান।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2026/27: শেষ সাত মিনিটে তিন গোল, রোমার মাঠে রিয়ালের অবিশ্বাস্য জয়

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : ম্যাচের ৮২ মিনিটেও ১-৩ গোলে পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। হার তখন প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু শেষ সাত মিনিটে তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল হোসে মরিনহোর দল। স্তাদিও অলিম্পিকোয় রোমাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল রিয়াল।বুধবার রাতে রোমার মাঠে এই ম্যাচটি মরিনহোর কাছে ছিল বিশেষ। ২০২১-২২ মরসুমে রোমাকে কনফারেন্স লিগের শিরোপা জিতিয়েছিলেন পর্তুগিজ কোচ। প্রাক্তন কোচের প্রতি সম্মান জানিয়ে গ্যালারিতে একাধিক ব্যানার প্রদর্শন করেন রোমার সমর্থকেরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় উদ্‌যাপনের সুযোগ পেলেন না তাঁরা।

ম্যাচের ২০ মিনিটে মার্তেন ডে রুনের গোলে এগিয়ে যায় রোমা। মাতিয়াস সুলের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে প্রথম ছোঁয়ায় দুরন্ত শটে বল জালে জড়ান ডে রুন। তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরায় রিয়াল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নামা কিলিয়ান এমবাপের শট রোমার জিয়ানলুকা মানচিনির গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে ঢুকে যায়। ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় এটি ছিল এমবাপের ৭২তম গোল।দ্বিতীয়ার্ধে ছয় মিনিটের ব্যবধানে দু’গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে রোমা। ৫১ মিনিটে ডোনিয়েল মালেনের শট ফেদেরিকো ভালভার্দের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় রোমা। এর পর ৫৭ মিনিটে মালেনের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান বেড়ে হয় ৩-১। প্রথমে অফসাইডের পতাকা উঠলেও ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনার পরে গোলের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

ম্যাচের শেষ ভাগে একের পর এক বদলি নামিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে রিয়াল। ৮৩ মিনিটে এন্দ্রিকের হেড থেকে ফিরে আসা বলে গোল করে ব্যবধান কমান কার্লোস এস্পি। দু’মিনিট পর আর্দা গুলেরের কর্নার থেকে হেডে ৩-৩ করেন এন্দ্রিক। তখনও নাটকের শেষ হয়নি। ৯০ মিনিটে গুলেরের আরও একটি সেট-পিস থেকে কাছ থেকে ভলিতে বল জালে পাঠান রুডিগার। ১-৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

দুই ম্যাচে দু’টি জয় নিয়ে গোলপার্থক্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের তালিকায় আট নম্বরে রয়েছে রিয়াল। অন্য দিকে, একটি ড্র ও একটি হারে দু’ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে ২৫ নম্বরে রোমা।

Continue Reading

আইএসএল

বাউলির জোড়া গোলে জয় পঞ্জাবের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েবডেস্ক: আইএসএল ২০২৬-২৭ মরশুমের প্রথম ম্যাচেই নাটকীয় জয় তুলে নিল পাঞ্জাব এফসি। বুধবার নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসিকে ২-১ গোলে হারাল পঞ্জাব। দুই অর্ধের দুই প্রান্তে গোল করে দলের জয়ের নায়ক মেসি বাউলি।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই পঞ্জাবকে এগিয়ে দেন বাউলি। মহম্মদ উবেসের বাড়ান বল ডান পায়ে জালে জড়িয়ে দেন তিনি। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৫ মিনিটে লালথাথাঙ্গা খাওলহরিংয়ের কর্নার থেকে থোইবা মইরাংথেমের হেডে সমতা ফেরায় ওড়িশা। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করলেও আর ব্যবধান বাড়েনি।
দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই চলে সমানে সমানে। জর্জি আবুরজানিয়ার শট অল্পের জন্য বাইরে যায়। অন্য দিকে, আলফ্রেড প্লানাসের ক্রস থেকে বৌলির সুযোগ কাজে লাগেনি। পঞ্জাবের একাধিক আক্রমণ আটকে দেন ওড়িশার গোলকিপার হৃতিক তিওয়ারি। শেষ দিকে রহিম আলি ও স্টিফেন এজের হেডে বিপদ তৈরি হলেও পাঞ্জাব গোলকিপার অর্শদীপ সিং দলকে রক্ষা করেন।
ম্যাচের সংযুক্ত সময়ে জ্বলে ওঠেন মেসি। বিশাল যাদবের পাস ধরে ৯০+৫ মিনিটে বাঁ পায়ে বল জালে পাঠিয়ে পাঞ্জাবের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। প্রথম মিনিটের গোলের পর একেবারে শেষ মুহূর্তে দ্বিতীয় আঘাত মেসির দাপটে তিন পয়েন্ট নিয়েই আইএসএল অভিযান শুরু করল পঞ্জাব এফসি।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2026/27: হালান্ডের জোড়া গোলেও রক্ষা নেই, সিটিকে হারাল পিএসজি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: প্রথমার্ধেই তিন গোলের ধাক্কা। বিরতির পর জোড়া গোল করে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারল না ম্যানচেস্টার সিটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সিটিকে ৪-২ গোলে হারাল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)।

বুধবার রাতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পিএসজি। ১৩ মিনিটে দেজিরে দুয়ের গোলে এগিয়ে যায় তারা। দু’মিনিট পর দুয়ের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান বাড়ান উসমান দেম্বেলে। ৩২ মিনিটে ভিতিনিয়ার গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফরাসি ক্লাবটি।

বিরতির পর তিনটি পরিবর্তন করেন সিটির কোচ এনজো মারেসকা। তাতে কিছুটা গতি ফেরে দলের খেলায়। ৫৩ মিনিটে ইলিমান এনদিয়ের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান কমান হালান্ড। সমতায় ফেরার আশায় আক্রমণের ঝড় তোলে সিটি। কিন্তু ৬২ মিনিটে ম্যাগনেস আকলিউশের শট গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার হাত ফসকে জালে ঢুকে যায়। ফের তিন গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।৭৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৪-২ করেন হলান্ড। এর পরেও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন নরওয়ের স্ট্রাইকার। কিন্তু তাঁর প্রচেষ্টা আটকে দেন পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ। শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। তবে ফেরান টোরেসের স্পটকিক আটকে দেন দোন্নারুম্মা।

এই জয়ের ফলে দু’ম্যাচে ছ’পয়েন্ট নিয়ে গোলপার্থক্যে তালিকার শীর্ষে পিএসজি। অন্য দিকে, একটি জয় ও একটি হারে তিন পয়েন্ট নিয়ে ১৭ নম্বরে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।

Continue Reading

Trending