Connect with us

ফুটবল

SUPER CUP 2025: সাহাল-সুহেলের গোলে সেমিফাইনালে মোহনবাগান; গোল মিসের হ্যাটট্রিক জেসুস জিমিনেজের। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

সায়ন দে, ভুবনেশ্বর: সুপার কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে শক্তিশালী কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান। আর সেই ম্যাচে ২-১ গোলে জয় পেল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। মোহনবাগানের হয়ে এদিন দুটি গোল করেন সাহাল আব্দুল সামাদ এবং সুহেল আহমেদ ভাট। কেরালার হয়ে সংযুক্তি সময়ে একমাত্র গোলটি করেন শ্রীকুট্টান। পাশাপাশি সুপার কাপের সেমিফাইনালে প্রবেশ করে গেল বাস্তব রায়ের দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ফুটবল খেলতে শুরু করেন কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলাররা। তবে বল নিজেদের দখলে রেখে খেলতে শুরু করে মোহনবাগানও। ১১ মিনিটে একটি ফ্রি-কিক পায় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তবে গোল তুলে আনতে ব্যর্থ হন তারা। প্রথম কোয়ার্টারে গোল না এলেও, দ্বিতীয় কোয়ার্টার শুরু হতেই, ২২ মিনিটের মাথায় সাহাল আব্দুল সামাদের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বক্সের ভেতরে কেরালা গোলরক্ষক শচীন সুরেশকে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন এই প্রাক্তন কেরালা ব্লাস্টার্সের ফুটবলার। পরক্ষণেই আক্রমণে ওঠে কেরালাও। ২৮ মিনিটে একটি গোলমুখী শট নেন নোয়া সাদিউয়। ৩০ মিনিটে কেরালার একটি আক্রমণ দারুণভাবে রুখে দেন বাগান ডিফেন্ডার দীপেন্দু বিশ্বাস। ৩৮ মিনিটে হরমিপাম রুইভার শট দারুণভাবে রুখে দেন বাগান গোলরক্ষক ধীরাজ সিংহ। ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন আশিক কুরুনিয়ান। সংযুক্ত সময়ে বক্সের ভেতর থেকে একটি শট নিয়েছিলেন মহম্মদ আইমেন, তবে সেই শট অল্পের জন্য চলে যায় বার উঁচিয়ে। ফলে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে মোহনবাগান। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একটি পরিবর্তন আনেন কেরালা কোচ ডেভিড কাতালা। আইমেনের জায়গায় তিনি মাঠে আনেন ক্বমে পেপরাকে। আক্রমনে ধার বাড়িয়েও লাভ কিছুই হয়নি কেরালার। ম্যাচের ৫১ মিনিটে আশিক কুরুনিয়ানের বাড়ানো বল থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান সুহেল আহমেদ ভাট। দ্বিতীয় গোল হজম করার পর গোলের মরিয়া চেষ্টা করেন কেরালা ফুটবলাররা। এদিকে ৬৪ এবং ৬৭ মিনিটে সহজ দুটি গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন জেসুস জিমিনেজ। পরক্ষণেই ক্বামে পেপরার আরও একটি গোলমুখী শট রুখে দেন বাগান গোলরক্ষক। ৮৫ মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ নষ্ট করেন জেসুস জিমিনেজ। বলা ভাল গোল মিসের হ্যাটট্রিক করেছেন এদিন জিমিনেজ। ৯০ মিনিটের সংযুক্তি সময়ে একটি গোল করে কেরালার ব্যবধান কমান পরিবর্ত হিসেবে নামা শ্রীকুট্টান। অবশেষে ২-১ ফলাফলে ম্যাচ জিতে নেয় মোহনবাগান।

ফুটবল

সবুজ-মেরুনে রাহুল ভেকে, রক্ষণে বাড়তি ভরসা মোহনবাগানের

Published

on

নতুন মরসুমের আগে রক্ষণ আরও শক্তিশালী করল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ভারতের জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার রাহুল ভেকে এক বছরের চুক্তিতে যোগ দিলেন সবুজ-মেরুন শিবিরে। মূলত সেন্টার-ব্যাক হলেও রাইট-ব্যাক হিসেবেও সমান স্বচ্ছন্দ তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে ৫০টির বেশি ম্যাচ খেলার পাশাপাশি অধিনায়কত্বও করেছেন রাহুল। গত কয়েক বছরে আইএসএলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সেট-পিস থেকে গোল করার দক্ষতাও দেখিয়েছেন তিনি।এর আগে কলকাতার ফুটবলে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে রাহুলের। ডার্বির আবহ, সমর্থকদের আবেগ এবং শহরের ফুটবল সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত তিনি। চুক্তি সইয়ের পর এমবি এসজি মিডিয়াকে রাহুল বলেন, “যে কোনও ভারতীয় ফুটবলারের কাছেই মোহনবাগানে খেলার স্বপ্ন থাকে। দেশের সেরা ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত এবং রোমাঞ্চিত। এখানে জাতীয় দলের অনেক সতীর্থ রয়েছে। তাই মানিয়ে নিতে সমস্যা হবে না। কোচ সুযোগ দিলে নিজের সেরাটা দিতে প্রস্তুত।”কেরল ব্লাস্টার্স, মুম্বই সিটি ও বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে আইএসএল-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই রাহুলের মন্তব্য, “বিপক্ষে খেলতে গিয়ে দেখেছি মোহনবাগান কতটা শক্তিশালী দল। এবারও দেশের সেরা দল হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। ট্রফি জিতেছি, কিন্তু এবার লক্ষ্য সবুজ-মেরুন জার্সিতে ডার্বি জেতা এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়া। শুধু আইএসএল নয়, সব প্রতিযোগিতাতেই সাফল্যের জন্য দল গঠন করে মোহনবাগান। এই মানসিকতা আমার সঙ্গে মেলে।”ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলার স্মৃতিও তুলে ধরেছেন রাহুল। তিনি বলেন, “কলকাতা আমার কাছে নতুন নয়। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ডার্বিতে গোল করেছিলাম এবং জিতেছিলাম। এবার সেই ছবিটা উল্টে দেওয়ার সুযোগ এসেছে। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডার্বিতে জিততে ও গোল করতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়েই চুক্তিতে সই করেছি। দেখা যাক, সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারি কি না।”

Continue Reading

ফুটবল

FIFA WC 2026: ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু ইংল্যান্ডের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এল’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে দুরন্ত সূচনা করল ইংল্যান্ড। আক্রমণাত্মক ফুটবল, দ্রুত পাসিং এবং গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতায় ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই আধিপত্য বজায় রাখে ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইংল্যান্ড আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে থাকে। দলের অধিনায়ক হ্যারি কেন নিজের অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোল করেন, যার মধ্যে একটি ছিল পেনাল্টি থেকে। মাঝমাঠে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেন জুড বেলিংহ্যাম। তাঁর একটি দুর্দান্ত গোল ইংল্যান্ডকে আরও এগিয়ে দেয়। ম্যাচের শেষদিকে মার্কাস র‍্যাশফোর্ড গোল করে জয়ের ব্যবধান নিশ্চিত করেন।
অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়া সহজে হার মানেনি। মার্টিন বাতুরিনা এবং পেতার মুসার গোলে তারা লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিল। তবে ইংল্যান্ডের ধারালো আক্রমণ এবং সংগঠিত রক্ষণভাগের সামনে শেষ পর্যন্ত তাদের সেই চেষ্টা সফল হয়নি।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘এল’-এ গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করল ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। অপরদিকে, পরবর্তী ম্যাচগুলিতে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল ক্রোয়েশিয়া।
ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ড শিবিরে ছিল উৎসবের আবহ। সমর্থকদের আশা, এই জয় বিশ্বকাপে আরও বড় সাফল্যের পথে দলের প্রথম পদক্ষেপ হয়ে থাকবে।

Continue Reading

ফুটবল

FIFA WC 2026: ফের অঘটন! প্রথম ম্যাচেই কঙ্গোর কাছে আটকে গেল পর্তুগাল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘কে’-তে অঘটনের সাক্ষী থাকল সমর্থকরা। শক্তিশালী পর্তুগালকে রুখে দিয়ে মূল্যবান এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নিল ডিআর কঙ্গো। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের শেষে ১-১ ব্যবধানে ড্র হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। ইউরোপীয় দলটির তারকা ফুটবলারদের ঘিরে ছিল সমর্থকদের বিপুল প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন দেখা যায় প্রথমার্ধে, যখন আক্রমণের ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যায় পর্তুগাল।
তবে পিছিয়ে পড়েও ভেঙে পড়েনি ডিআর কঙ্গো। বরং দ্বিতীয়ার্ধে আরও সংগঠিত ফুটবল খেলতে শুরু করে আফ্রিকার দলটি। মাঝমাঠে দৃঢ়তা এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে পর্তুগালের রক্ষণে চাপ বাড়াতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টারই ফল মেলে। সমতা ফেরানো গোলে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে কঙ্গো শিবির।
বাকি সময়ে জয়ের মরিয়া চেষ্টা চালায় দুই দলই। পর্তুগাল একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও কঙ্গোর রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় আর গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি। অপরদিকে কঙ্গোও কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ শানিয়ে চমক দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে হতাশা নেমে আসে পর্তুগাল শিবিরে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্টের আশা করলেও সন্তুষ্ট থাকতে হল এক পয়েন্ট নিয়েই। অন্যদিকে ডিআর কঙ্গোর কাছে এই ড্র কার্যত জয়ের সমান। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা জানিয়ে দিল, গ্রুপ ‘কে’-তে তাদের হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।
এই ফলাফলের ফলে গ্রুপের লড়াই আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠল। পরবর্তী ম্যাচগুলিতে পর্তুগালকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে, আর ডিআর কঙ্গো চাইবে এই আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে।

Continue Reading

Trending