Connect with us

আইএসএল

ISL 2025: এগিয়ে থাকলেও মোহনবাগানকে সমীহ করছেন জামশেদপুর ফুটবলার জর্ডান মারে। জানতে পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইএসএলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচে ঘরের মাঠে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে দারুণ জয় পেয়েছে জামশেদপুর এফসি। আগামী ৭ এপ্রিল বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে খেলতে নামবে খালিদ জামিলের দল। এক গোলে এগিয়ে থাকলেও মোহনবাগানের ঘরের মাঠে ম্যাচটি সহজ হবেনা, সেই কথা খুব ভালোমতই জানেন জামশেদপুর দলের সকলে। অপরদিকে ঘরের মাঠে চলতি মরশুম দারুন পারফরমেন্স করেছে বাগান শিবির। ফলে তাদের বিরুদ্ধে ম্যাচটা কঠিন হলেও, খেলতে মুখিয়ে রয়েছেন জামশেদপুরের আক্রমণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার জর্ডান মারে। তিনি বলেন, “মোহনবাগান তাদের ঘরের মাঠে দরুন ফুটবল খেলেছে। তারা ঘরের মাঠে পূর্ণ সমর্থন পাবে। আমাদের কাছে ম্যাচটা কঠিন হলেও নিজেদের সেরা ফুটবলটা খেলতে আমরা মুখিয়ে রয়েছি”।

নিজেদের ঘরের মাঠে মোহনবাগানকে হারিয়েই কলকাতায় এসেছে জামশেদপুর এফসি দল। সেই বিষয়ে জর্ডান মারে জানিয়েছেন, “আমরা প্রথম ম্যাচটা জিতেছি ঠিকই কিন্তু এই ম্যাচটা আমাদের ০-০ ব্যবধানেই শুরু করার মানসিকতা নিয়ে খেলতে হবে এবং জেতার জন্য খেলতে হবে। আমাদের ঘরের মাঠেও আমরা সমর্থকদের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি। এবারে মোহনবাগানের পালা। তাদের সমর্থকেরা তাদের সমর্থন করলেও আমাদের ফোকাসড থাকতে হবে এবং ম্যাচে ভালো ফল করতে হবে”। গত ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখার কারণে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে খেলতে পারবেন না রক্ষণের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার স্টিফেন এজে এবং আশুতোষ মেহতা। সেই বিষয়ে মারে বলেন, “স্টিফেন এবং আশুতোষ গোটা মরশুম জুড়ে দারুন ফুটবল খেলেছে। তাদের পরের ম্যাচে আমরা পাবো না। তবে সেই জায়গায় যারা ফুটবল খেলবে তাদের বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচে খেলতে হবে। মোহনবাগান দলে দারুন ফরেন ফুটবলাররা রয়েছেন। ফলে তাদের রুখতে বাড়তি তাগিদ দেখাতে হবে। আমাদের দলের সাপোর্ট স্টাফেরা আমাদের যথেষ্ট উৎসাহিত করে। তাই আমরাও চেষ্টা করব ভালো ফুটবলটা খেলে ম্যাচে ভালো ফল করার”।

এছাড়াও দলের হেড কোচ খালিদ জামিল, যিনি একমাত্র ভারতীয় কোচ হিসেবে এই আইএসএলে কোচিং করাচ্ছে। তার অধীনেই জামশেদপুর এফসি সেমিফাইনাল খেলছে। সেই বিষয়ে জর্ডান মারে বলেন, “একজন ভারতীয় কোচ হিসেবে একটা দলকে আইএসএলের সেমিফাইনালে নিয়ে যাওয়াটা সহজ নয়। খালিদ সেটা করে দেখিয়েছে। উনি দারুন কোচ। আমাদের দলকে উনি যেভাবে উজ্জীবিত করেন সেটা সত্যিই অনবদ্য। এর আগেও আমি যখন ভারতে খেলেছি, তখন থেকেই আমি দেখছি খালিদ কিভাবে ফুটবলারদের চয়ন করেন এবং তাদের তৈরি করেন। তাই আমি চাইব খালিদ এভাবেই কাজ করুক এবং ভারতীয় ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যাক”।

আইএসএল

মুম্বই সিটি এফসির চার বিদেশিকে বিদায়

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: দলের চার বিদেশি ফুটবলারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাল মুম্বই সিটি এফসি। বিদায়ী তালিকায় রয়েছেন ফিনিশ মিডফিল্ডার জনি কাউকো, পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো রেইস, স্পেনীয় মিডফিল্ডার হোর্জে অর্টিজ মেন্দোজা এবং আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হোর্জে পেরেয়রা দিয়াজ।মুম্বইয়ের জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের হয়ে অবদান রেখেছেন চার ফুটবলারই। তবে নতুন মরশুমের দলগঠনের পরিকল্পনায় তাঁদের সঙ্গে আর সম্পর্ক এগিয়ে না নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব। আনুষ্ঠানিক বার্তায় চার ফুটবলারকে বিদায় জানিয়ে তাঁদের ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি।নতুন মরশুমে তাই চার বিদেশির জায়গায় নতুন মুখের সন্ধানে নামতে চলেছে মুম্বই। দলগঠনে এই পরিবর্তন আগামী মরশুমে আইএসএলে মুম্বইয়ের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

Continue Reading

আইএসএল

বেঙ্গালুরুর আক্রমণভাগে নতুন অস্ত্র, মন্টেনেগ্রোর পেরোভিচকে সই করাল ব্লুজ

Published

on


রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৬-২৭ মরশুমের আগে দল গোছানোর কাজে আরও একধাপ এগোল বেঙ্গালুরু এফসি। মন্টেনেগ্রোর স্ট্রাইকার মিহাইলো পেরোভিচকে দলে নিল ব্লুজ। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষস্তরের ক্লাব পেরসেবায়া সুরাবায়ার সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর ফ্রি ট্রান্সফারে বেঙ্গালুরুতে যোগ দিচ্ছেন ২৮ বছরের এই ফরোয়ার্ড।
নতুন মরশুমের জন্য এটি বেঙ্গালুরুর চতুর্থ বিদেশি সই। ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে পেরোভিচের। সার্বিয়া, ইউক্রেন এবং স্লোভেনিয়ার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব ফুটবলেও নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি। গত মরশুমে ইন্দোনেশিয়ান সুপার লিগে পেরসেবায়ার হয়ে ২৮টি ম্যাচে ছ’টি গোল করেন এই মন্টেনেগ্রো তারকা।
শুধু ক্লাব ফুটবলেই নয়, জাতীয় দলের জার্সিতেও পেরোভিচের অভিজ্ঞতা রয়েছে। মন্টেনেগ্রোর হয়ে এখনও পর্যন্ত সাতটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবং একটি গোল রয়েছে তাঁর নামের পাশে।
পেরোভিচকে এনে বেঙ্গালুরু মূলত আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে। দলের ফরোয়ার্ড লাইনে ইতিমধ্যেই রয়েছেন ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম বড় নাম সুনীল ছেত্রী, রায়ান উইলিয়ামস এবং এন শিবশক্তি। তাঁদের সঙ্গে পেরোভিচের সংযোজন বেঙ্গালুরুর আক্রমণে আরও বিকল্প তৈরি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মরশুমে তাই পেরোভিচের পারফরম্যান্সের দিকে নজর থাকবে ব্লুজ সমর্থকদের।

Continue Reading

আইএসএল

“আইএসএলে খেলাই ছিল বাবার একমাত্র স্বপ্ন” — ভ্যালাঙ্কা আলেমাও

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইএসএলে খেলার স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এ বার সেই স্বপ্নই পূরণ হল চার্চিল ব্রাদার্সের। টাটা স্টিল মাত্র ১০০ টাকার নামমাত্র মূল্যে জামশেদপুর এফসির মালিকানা ও আইএসএলে খেলার স্পোর্টিং লাইসেন্স চার্চিল ব্রাদার্সের হাতে তুলে দেওয়ার পরই দেশের সর্বোচ্চ লিগে জায়গা করে নিল গোয়ার ঐতিহ্যশালী ক্লাব। চার দশকের বেশি ইতিহাস, একাধিক জাতীয় ট্রফি এবং দু’টি জাতীয় লিগ খেতাব রয়েছে চার্চিলের ঝুলিতে।

চার্চিল ব্রাদার্সের সিইও তথা মালিক চার্চিল আলেমাওয়ের মেয়ে ভ্যালাঙ্কা আলেমাও বলছেন, “কিছু যাত্রা যেন আগে থেকেই লেখা থাকে।” তাঁর কথায়, গত বছরের মার্চে আই-লিগের সময় থেকে শুরু হয়েছিল তাঁদের লড়াই। ২০২৫ সালের আই-লিগ জয়ের পরও নানা জটিলতায় আইএসএলে জায়গা নিশ্চিত হয়নি। আদালতের লড়াই, ক্রীড়া সালিশি আদালতে যাওয়া—সব পেরিয়ে অবশেষে সেই অধ্যায় শেষ। “বাবার চোখে আইএসএলে খেলার ক্ষুধা দেখতাম। এটাই ছিল তাঁর একমাত্র স্বপ্ন। এখন আমাদের লক্ষ্যও একটাই—শীর্ষে থাকা,” জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা।

১৯৮৮ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে চার্চিল ব্রাদার্সের পথচলা শুরু হলেও আলেমাও পরিবার তারও বহু আগে থেকে ক্লাবটি চালাচ্ছে। প্রায় পাঁচ দশকের ফুটবল-সম্পর্ক তাঁদের। ২০০৮-০৯ এবং ২০১২-১৩ মরসুমে আই-লিগ জিতে ভারতসেরা হয়েছিল চার্চিল। জাতীয় লিগ ও আই-লিগ মিলিয়ে সাত বার রানার্সও হয়েছে তারা।

তবে চার্চিলের আইএসএল-যাত্রা এমন সময়ে, যখন ভারতীয় ফুটবল আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত। অর্থসঙ্কটের কারণে জামশেদপুর সরে গিয়েছে। একাধিক ক্লাব নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজছে, অনেকে খরচ কমাচ্ছে। তার মধ্যেই চার্চিলের দাবি, অর্থের সমস্যা সামলে দল গড়া হবে।

টাটা স্টিলের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী জামশেদপুরের চুক্তিবদ্ধ ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের আর্থিক দায়িত্বও নেবে চার্চিল। প্রায় ১২ জন ফুটবলার ছাড়াও কোচ ওয়েন কোয়েল এবং সহকারী কোচ আলেকজান্ডার স্টুয়ার্টের চুক্তি রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দল নিয়ে পরিষ্কার ছবি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা। চুক্তি সম্মান করে খেলোয়াড় ও কোচরা থাকতে চাইলে তাঁদের রাখার কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

চার্চিলের লক্ষ্য স্পষ্ট—দেশীয় প্রতিভাকে গুরুত্ব দিয়ে শক্তিশালী ভারতীয় ও কার্যকর বিদেশি ফুটবলার নিয়ে দল গড়ে আইএসএলে শুধু অংশ নেওয়া নয়, ট্রফির জন্য লড়াই করা।

Continue Reading

Trending