Connect with us

আইএসএল

ISL 2024/25: নিজেদের দলের উপরে ভরসা রেখেই মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলতে চান নিখিল বাড়লা। জানতে পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: টাটা ফুটবল একাডেমি থেকে আবির্ভাব হয় জামশেদপুর সিনিয়র দলে। সেখানে এসে চলতি মরশুম দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছেন জামশেদপুরের তরুণ ফুটবলার নিখিল বাড়লা। ঘরের মাঠে মোহনবাগানকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম লেগে হারিয়ে ইতিমধ্যে অ্যাডভান্টেজ পজিশনে জামশেদপুর। তবে দ্বিতীয় লেগে মোহনবাগানের ঘরের মাঠে মুখোমুখি হবেন খালিদ জামিলের ফুটবলাররা। তবে সেই বিষয়টিকে সমীহ করলেও নিজেদের খেলার উপরে আস্থা রাখছেন নিখিল। শনিবার অনুশীলন শেষে নিখিল বলেন, “গত ম্যাচে আমরা দারুণ ফুটবল খেলেছি। আমরা আশা করব সেই খেলাটাকেই এই ম্যাচেও ধরে রাখতে এবং একটা পজেটিভ রেজাল্ট করতে।”

টাটা ফুটবল একাডেমি থেকে উঠে এসে এখন জামশেদপুর দলে নিয়মিত খেলছেন নিখিল। সেই বিষয়ে তিনি বলেন, “টাটা ফুটবল একাডেমিতে খেলার পর জামশেদপুরের সিনিয়র দলের সুযোগ পেয়ে আমার খুব ভাল লাগছে। আমি চার বছর একাডেমিতে ছিলাম এবং আইএসএলে আমার তিন বছর হয়ে গেছে। শুরু থেকে আমি সবটা দেখছি এবং সেটাই আমি সব থেকে বেশি উজ্জীবিত করেছে।” এক গোলে এগিয়ে থাকলেও পরবর্তী ম্যাচটা কিন্তু জামশেদপুরকে খেলতে হবে মোহনবাগানের ঘরের মাঠে। অসংখ্য পরিমাণ সবুজ-মেরুন সমর্থক মাঠ ভরাবেন সেদিন তাদের প্রিয় দলকে সমর্থন করতে। যদিও সেই বিষয়ে একদমই চিন্তিত নন নিখিল। তিনি বলেন, “একজন ফুটবলার হিসেবে আমরা জানি যে অ্যাওয়ে ম্যাচে এত সমর্থকদের সামনে সেমিফাইনালের মত ম্যাচে খেলাটা একটু কঠিন হয়। তবে আমরা নিজেদেরকে সেই ভাবে মোটিভেট করছি। আমরা চেষ্টা করছি আমরা গত ম্যাচে যেরকম ভাল ফুটবলটা খেলেছি, সেই ভাবেই এই ম্যাচও আমরা সেটাকে যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।”

দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই ফুটবলার স্টিফেন এজে এবং আশুতোষ মেহতাকে পরবর্তী ম্যাচে পাবেনা জামশেদপুর। সেই বিষয়ে নিখিল বলেন, “তাদের দুজনের না থাকাটাই একটু হলেও অসুবিধা হবে, তবে আমাদের দলেও ফুটবলার রয়েছেন সেই জায়গায় খেলার মত। এবারে দেখার কোচ তাঁদেরকে কীভাবে ব্যবহার করেন।” এছাড়াও ভারতীয় কোচ হিসেবে খালিদ জামিল ইতিমধ্যেই জামশেদপুরকে সেমিফাইনালে নিয়ে গেছেন। যদি ফাইনালে নিয়ে যেতে পারেন, সেক্ষেত্রে ভারতীয় কোচ হিসেবে এটা একটা নজির তৈরি হবে, কারণ আইএসএলে ইতিমধ্যে একমাত্র ভারতীয় কোচ হিসেবে কোন দলের দায়িত্বে রয়েছেন একমাত্র খালিদ। সেই বিষয়ে নিখিল বলেন, “আমাদের কোচ খুবই ভাল এবং একজন ভারতীয় কোচ হওয়ায় আমাদেরও খুব সুবিধা হয় তাঁর সঙ্গে বোঝাপড়াটা করতে। তবে আমরা চেষ্টা করব যেন তাঁর নির্দেশে ভাল ফুটবলটা খেলে আমরা ফাইনালে পৌঁছতে পারি।”

আইএসএল

মুম্বই সিটি এফসির চার বিদেশিকে বিদায়

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: দলের চার বিদেশি ফুটবলারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাল মুম্বই সিটি এফসি। বিদায়ী তালিকায় রয়েছেন ফিনিশ মিডফিল্ডার জনি কাউকো, পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো রেইস, স্পেনীয় মিডফিল্ডার হোর্জে অর্টিজ মেন্দোজা এবং আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হোর্জে পেরেয়রা দিয়াজ।মুম্বইয়ের জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের হয়ে অবদান রেখেছেন চার ফুটবলারই। তবে নতুন মরশুমের দলগঠনের পরিকল্পনায় তাঁদের সঙ্গে আর সম্পর্ক এগিয়ে না নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব। আনুষ্ঠানিক বার্তায় চার ফুটবলারকে বিদায় জানিয়ে তাঁদের ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি।নতুন মরশুমে তাই চার বিদেশির জায়গায় নতুন মুখের সন্ধানে নামতে চলেছে মুম্বই। দলগঠনে এই পরিবর্তন আগামী মরশুমে আইএসএলে মুম্বইয়ের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

Continue Reading

আইএসএল

বেঙ্গালুরুর আক্রমণভাগে নতুন অস্ত্র, মন্টেনেগ্রোর পেরোভিচকে সই করাল ব্লুজ

Published

on


রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৬-২৭ মরশুমের আগে দল গোছানোর কাজে আরও একধাপ এগোল বেঙ্গালুরু এফসি। মন্টেনেগ্রোর স্ট্রাইকার মিহাইলো পেরোভিচকে দলে নিল ব্লুজ। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষস্তরের ক্লাব পেরসেবায়া সুরাবায়ার সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর ফ্রি ট্রান্সফারে বেঙ্গালুরুতে যোগ দিচ্ছেন ২৮ বছরের এই ফরোয়ার্ড।
নতুন মরশুমের জন্য এটি বেঙ্গালুরুর চতুর্থ বিদেশি সই। ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে পেরোভিচের। সার্বিয়া, ইউক্রেন এবং স্লোভেনিয়ার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব ফুটবলেও নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি। গত মরশুমে ইন্দোনেশিয়ান সুপার লিগে পেরসেবায়ার হয়ে ২৮টি ম্যাচে ছ’টি গোল করেন এই মন্টেনেগ্রো তারকা।
শুধু ক্লাব ফুটবলেই নয়, জাতীয় দলের জার্সিতেও পেরোভিচের অভিজ্ঞতা রয়েছে। মন্টেনেগ্রোর হয়ে এখনও পর্যন্ত সাতটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবং একটি গোল রয়েছে তাঁর নামের পাশে।
পেরোভিচকে এনে বেঙ্গালুরু মূলত আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে। দলের ফরোয়ার্ড লাইনে ইতিমধ্যেই রয়েছেন ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম বড় নাম সুনীল ছেত্রী, রায়ান উইলিয়ামস এবং এন শিবশক্তি। তাঁদের সঙ্গে পেরোভিচের সংযোজন বেঙ্গালুরুর আক্রমণে আরও বিকল্প তৈরি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মরশুমে তাই পেরোভিচের পারফরম্যান্সের দিকে নজর থাকবে ব্লুজ সমর্থকদের।

Continue Reading

আইএসএল

“আইএসএলে খেলাই ছিল বাবার একমাত্র স্বপ্ন” — ভ্যালাঙ্কা আলেমাও

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইএসএলে খেলার স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এ বার সেই স্বপ্নই পূরণ হল চার্চিল ব্রাদার্সের। টাটা স্টিল মাত্র ১০০ টাকার নামমাত্র মূল্যে জামশেদপুর এফসির মালিকানা ও আইএসএলে খেলার স্পোর্টিং লাইসেন্স চার্চিল ব্রাদার্সের হাতে তুলে দেওয়ার পরই দেশের সর্বোচ্চ লিগে জায়গা করে নিল গোয়ার ঐতিহ্যশালী ক্লাব। চার দশকের বেশি ইতিহাস, একাধিক জাতীয় ট্রফি এবং দু’টি জাতীয় লিগ খেতাব রয়েছে চার্চিলের ঝুলিতে।

চার্চিল ব্রাদার্সের সিইও তথা মালিক চার্চিল আলেমাওয়ের মেয়ে ভ্যালাঙ্কা আলেমাও বলছেন, “কিছু যাত্রা যেন আগে থেকেই লেখা থাকে।” তাঁর কথায়, গত বছরের মার্চে আই-লিগের সময় থেকে শুরু হয়েছিল তাঁদের লড়াই। ২০২৫ সালের আই-লিগ জয়ের পরও নানা জটিলতায় আইএসএলে জায়গা নিশ্চিত হয়নি। আদালতের লড়াই, ক্রীড়া সালিশি আদালতে যাওয়া—সব পেরিয়ে অবশেষে সেই অধ্যায় শেষ। “বাবার চোখে আইএসএলে খেলার ক্ষুধা দেখতাম। এটাই ছিল তাঁর একমাত্র স্বপ্ন। এখন আমাদের লক্ষ্যও একটাই—শীর্ষে থাকা,” জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা।

১৯৮৮ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে চার্চিল ব্রাদার্সের পথচলা শুরু হলেও আলেমাও পরিবার তারও বহু আগে থেকে ক্লাবটি চালাচ্ছে। প্রায় পাঁচ দশকের ফুটবল-সম্পর্ক তাঁদের। ২০০৮-০৯ এবং ২০১২-১৩ মরসুমে আই-লিগ জিতে ভারতসেরা হয়েছিল চার্চিল। জাতীয় লিগ ও আই-লিগ মিলিয়ে সাত বার রানার্সও হয়েছে তারা।

তবে চার্চিলের আইএসএল-যাত্রা এমন সময়ে, যখন ভারতীয় ফুটবল আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত। অর্থসঙ্কটের কারণে জামশেদপুর সরে গিয়েছে। একাধিক ক্লাব নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজছে, অনেকে খরচ কমাচ্ছে। তার মধ্যেই চার্চিলের দাবি, অর্থের সমস্যা সামলে দল গড়া হবে।

টাটা স্টিলের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী জামশেদপুরের চুক্তিবদ্ধ ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের আর্থিক দায়িত্বও নেবে চার্চিল। প্রায় ১২ জন ফুটবলার ছাড়াও কোচ ওয়েন কোয়েল এবং সহকারী কোচ আলেকজান্ডার স্টুয়ার্টের চুক্তি রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দল নিয়ে পরিষ্কার ছবি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা। চুক্তি সম্মান করে খেলোয়াড় ও কোচরা থাকতে চাইলে তাঁদের রাখার কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

চার্চিলের লক্ষ্য স্পষ্ট—দেশীয় প্রতিভাকে গুরুত্ব দিয়ে শক্তিশালী ভারতীয় ও কার্যকর বিদেশি ফুটবলার নিয়ে দল গড়ে আইএসএলে শুধু অংশ নেওয়া নয়, ট্রফির জন্য লড়াই করা।

Continue Reading

Trending