Connect with us

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

ICC CHAMPIONS TROPHY 2025: সমীহ নয়, ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে পাকিস্তান

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ১৯শে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তবে প্রতিযোগিতা শুরুর আগে থেকেই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিকে আইসিসির প্রতিযোগিতা গুলিতে ভারতের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পাকিস্তান। এক দিনের বিশ্বকাপেও ৮-০ ফলে এগিয়ে ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এগিয়ে ৭-১ ব্যবধানে। শুধুমাত্র এই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই ভারতের সঙ্গে সমানে রয়েছে পাকিস্তান। এমনকি ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ১৮০ রানে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পাকিস্তান। এদিকে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক দেশ পাকিস্তান। যেই কারণে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচকে আলাদা গুরুত্ব দেওয়ার কথা হলেও “জয়টাই প্রধান লক্ষ্য” এমনটাই বলছেন পাকিস্তানের সহ অধিনায়ক সলমন আগা।

পিসিবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সলমন আগা জানিয়েছেন, “আমি লাহোরের ছেলে। এবারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। ফলে খুব উত্তেজিত লাগছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে পাকিস্তানের। ফলে নিজের শহরে ট্রফি জিততে পারলে স্বপ্ন সত্যি হবে”। অপরদিকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একই গ্রুপে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই বড় ম্যাচ। এদিকে এই মহারণ নিয়ে সহ অধিনায়ক সলমন আগা বলেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সম্পূর্ণ আলাদা একটা পরিবেশের খেলা। অনেকে বলেন এটাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যাচ। কিন্তু আমার কাছে এটা আর বাকি ম্যাচের মতোই একটা ম্যাচ। যেকোনো একটা ম্যাচ জেতার আগেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভারত যদি এই ম্যাচ জিতেও প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন না হতে পারে তাহলে কি লাভ? তবে আমরা যদি ভারতের কাছে হেরেও প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন হতে পারি তা হলে সেটা অনেক বড় প্রাপ্তি। তাই বলে এমন নয় যে আমরা ভারতের বিরুদ্ধে জিততে চাইছি না। ভারতকে হারাতে আমরা সব রকম চেষ্টা করব। দলের সকলে এই ম্যাচের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে আমি মরিয়া চেষ্টা চালাবো”।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

প্রস্তুতিতে ধাক্কা! শ্রীলঙ্কা সফরের আগে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচ চার দিনের বদলে তিন দিনের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে ভারতীয় দলের প্রস্তুতিতে বড়সড় পরিবর্তন। আগে চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও, তা কমিয়ে তিন দিনের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। ফলে শুভমন গিলের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের প্রস্তুতিতে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

নতুন সূচি অনুযায়ী, ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত কলম্বোর ননডেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব (NCC) মাঠে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। এর আগে ভারতীয় দল ঘোষণার সময় বিসিসিআই জানিয়েছিল, সিরিজ শুরুর আগে চার দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ হবে। তবে হঠাৎ করেই ম্যাচের দৈর্ঘ্য এক দিন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।

একটি বিবৃতিতে এসএলসি জানায়, ভারতীয় দল ৭-৯ আগস্ট তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এরপর ১৫ থেকে ১৯ আগস্ট গল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় এবং শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২৩ থেকে ২৭ আগস্ট কলম্বোয়।

৪ আগস্ট শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ভারতীয় দলের। প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমে যাওয়ায় ব্যাটার ও বোলারদের ম্যাচ পরিস্থিতিতে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগও কিছুটা কমে গেল। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজের আগে দীর্ঘ প্রস্তুতি ম্যাচকে সবসময়ই গুরুত্ব দেয় দলগুলি।

ভারতের কাছে এই সিরিজের গুরুত্বও যথেষ্ট। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে পরাজয়ের ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের দৌড়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ভারত। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই দুই টেস্টের সিরিজে ভালো ফল করাই এখন শুভমন গিলদের প্রধান লক্ষ্য।

Continue Reading

আইপিএল

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় রাহানের

Published

on

২০ বছরের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের ইতি টানলেন অজিঙ্কা রাহানে। বৃহস্পতিবার সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করলেন ভারতের অভিজ্ঞ ব্যাটার। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক আবেগঘন ভিডিও বার্তায় ৩৮ বছর বয়সী রাহানে জানান, জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ের যেমন শুরু আছে, তেমনই শেষও আছে। তাঁর মতে, বিদায় জানানোর জন্য এটাই সঠিক সময়।

২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর ভারতের হয়ে ৮৫টি টেস্ট, ৯০টি একদিনের ম্যাচ এবং ২০টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন রাহানে। টেস্টে ১২টি শতরান ও ২৬টি অর্ধশতরানে ৫০৭৭ রান করেছেন তিনি। একদিনের ক্রিকেটে তাঁর সংগ্রহ ২৯৬২ রান, রয়েছে তিনটি শতরান। টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ৩৭৫ রান।

রাহানের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় নিঃসন্দেহে ২০২০-২১ সালের অস্ট্রেলিয়া সফর। বিরাট কোহলির অনুপস্থিতিতে চোটে জর্জরিত ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ঐতিহাসিক ২-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতেছিলেন তিনি। সেই সাফল্য ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম সেরা অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিদায়ী বার্তায় রাহানে বলেন, ছোটবেলা থেকে ভারতের জার্সি গায়ে খেলার স্বপ্ন নিয়েই বড় হয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে সবসময় দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ক্রিকেট তাঁকে যেমন জয় দিয়েছে, তেমন হারও শিখিয়েছে। তবে সমর্থকদের ভালোবাসার কাছে তিনি কখনও হারেননি বলেও উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে শেষবার ভারতের হয়ে খেলেছিলেন রাহানে। এরপর জাতীয় দলে আর সুযোগ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলেছেন এবং ২০২৩-২৪ মরশুমে মুম্বইকে রঞ্জি ট্রফির শিরোপা জিতিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ হলেও ক্রিকেটের সঙ্গ ছাড়ছেন না তিনি। আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের পাশে থেকে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন ভারতের ২৭৮ নম্বর টেস্ট ক্রিকেটার।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

নির্ভীক ক্রিকেটেই সিরিজ জয়, উচ্ছ্বসিত শ্রেয়স

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা টি-২০ সিরিজ হারের পর নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকে ঘিরে বাড়ছিল চাপ। তবে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় সেই চাপ অনেকটাই কমিয়ে দিল। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৩৫ রানের জয় তুলে নিয়ে ভারত সম্পূর্ণ আধিপত্যের সঙ্গে হোয়াইটওয়াশ করল জিম্বাবোয়েকে।সিরিজ জয়ের পর শ্রেয়স বলেন, দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তরুণ ক্রিকেটারদের নির্ভীক মানসিকতা। তাঁর কথায়, “ছেলেরা যেভাবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছে, সেটাই সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। অধিনায়ক হিসেবে আমি এমন শক্তি ও আত্মবিশ্বাসই দেখতে চাই। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতা অবশ্যই বিশেষ।” তিনি আরও বলেন, দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা প্রায় সমান হলেও আইপিএলে খেলার কারণে তারা অনেক পরিণত। তাই তিনি সবসময় ক্রিকেটারদের চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করেন, যাতে তারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। শ্রেয়সের মতে, দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচ জেতার মানসিকতা এবং কঠিন সময়ে শান্ত থাকার ক্ষমতাই ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।অন্যদিকে সিরিজ ও ম্যাচসেরা বৈভব সূর্যবংশী নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রস্তুতি ও দলের আস্থাকে। তিনি বলেন, “এখানে প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এই মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় আত্মবিশ্বাস ছিল। কোচ ও অধিনায়ক আমার ওপর ভরসা রেখেছেন, আমি শুধু নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে চেয়েছি।” বৈভব জানান, দলের জন্য ভালো শুরু এনে দেওয়াই ছিল তাঁর লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা হওয়াকে তিনি স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেন।

Continue Reading

Trending