Connect with us

Uncategorized

বিচ্ছেদে শিলমোহর, আলাদা হলেন চাহল-ধনশ্রী

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বহুদিন ধরেই তাদের বিচ্ছেদের খবর নিয়ে চলছিল নানা জল্পনা। এবার সেই জল্পনাতেই শিলমোহর পড়তে চলেছে। অবশেষে সরকারিভাবে আলাদা হতে চলেছেন ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহল এবং তার স্ত্রী ধনশ্রী বর্মা।

দীর্ঘদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট চোখে পড়েছিল সকলের। যা থেকে অনেকেই অনুমান করেছিলেন হয়তো আলাদা পথে হাঁটছেন চাহল এবং ধনশ্রী। তবে দুজনের কেউই কখনো মুখ খোলেননি এই প্রসঙ্গে। তবে সূত্রের খবর বৃহস্পতিবার উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে বান্দ্রা কোর্টে সমস্ত সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আরো জানা গেছে কোর্টের জাজ তাদের আদেশ দিয়েছিলেন কাউন্সিলিং করানোর এবং দীর্ঘ ৪৫ মিনিট কাউন্সিলর এর সাথে কথা বলার পর তারা দুজনেই ঐক্যমতে বিচ্ছেদ চেয়েছেন। জানা গেছে গত দেড় বছর ধরে আলাদা থাকছিলেন দুজনে এবং বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে পারস্পরিক আদর্শের পার্থক্যকেই প্রধান হিসেবে দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটের সময় সরকারিভাবে এই সিদ্ধান্তে শিলমোহর পরে।

প্রসঙ্গত এদিনই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছিলেন চাহল যেখানে তিনি লেখেন, “আমার অজান্তেই ভগবান আমাকে এতবার বাঁচিয়েছেন যে আমি গুনে শেষ করতে পারব না। তিনি আমাকে আগাগোড়া রক্ষা করে এসেছেন। ধন্যবাদ ভগবানকে আমার পাশে থাকার জন্য।” অন্যদিকে ধনশ্রীও নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন, যেখানে লেখা ছিল “ফ্রম স্ট্রেসড টু ব্লেসড। ভাবতে অবাক লাগে না যে ভগবান কিভাবে আমাদের চিন্তাগুলোকে আশীর্বাদে পাল্টে দেন? কোন বিষয়ে চিন্তিত থাকলে জানবেন তার সমাধান রয়েছে। আপনি অযথা সেই বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে পারেন অথবা ভগবানের কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারেন। আর ভগবান যা করেন তা সব সময় মঙ্গলের জন্যই করেন।” যদিও দুজনের লেখাতেই বিচ্ছেদের কথা নেই তবে দুজনেই যে নিজেদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অনড় তা স্পষ্ট বোঝা গেছে এই লেখা থেকে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Uncategorized

ট্রফি বিতর্কে নিজেদের বক্তব্য রাখল বিসিসিআই

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : মাঠে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জিতলেও এশিয়া কাপের ট্রফি হাতে নিয়ে দেশে ফিরতে পারেনি ভারতীয় মহিলা দল। পুরুষ দলের মতোই এবারও ট্রফি তুলে দেওয়ার দায়িত্বে থাকা মহসিন নাকবির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেনি ভারত। কেন এমন সিদ্ধান্ত, তার নেপথ্যের ছবিটা এবার প্রকাশ্যে আনলেন বিসিসিআই কর্তারা।

বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল জানান, ফাইনালের আগেই নাকবিকে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর কথায়, “আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছিলাম। ঠিক করেছিলাম, ওঁর (নাকবি) হাত থেকে ট্রফি নেব না। এটা আমাদের মিলিত সিদ্ধান্ত ছিল। ওঁকে সবটা জানিয়েও দিয়েছিলাম।”

বিসিসিআইয়ের তরফে বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেন, “মহসিন নকভির হাত থেকে আমরা কখনওই ট্রফি নিতে চাইনি। তার পরেও আমরা তাঁকে জোড়া বিকল্প দিয়েছিলাম। কিন্তু নকভি দুটো প্রস্তাবই খারিজ করে দেন। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। তাই আমরা ট্রফি নিইনি।” তার সাথে তিনি আরও যোগ করেন “কেউ যদি গোঁয়াড় হয়ে সমস্যা সমাধান করতে না চান তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, বিসিসিআই খুব তাড়াতাড়ি ট্রফি দুটো দেশে নিয়ে আসবে।”

Continue Reading

Uncategorized

DURAND CUP 2026: এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে ধ্বংস মোহনবাগান

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘ ২২ বছরের প্রতীক্ষার অবসান! এডমুন্ড লালরিনডিকার অনবদ্য হ্যাটট্রিকের সৌজন্যে চির প্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্টকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের হয়ে আরেকটি গোল করেন বিপিন সিং। প্রসঙ্গত মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল মোহনবাগান। তবে ফাইনালে তার মধুর প্রতিশোধ নিল ইস্টবেঙ্গল।

রবিবার ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটের মধ্যেই মোহনবাগান যখন পরপর চারবার ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সে আঘাত হানে, তখন মনে হয়েছিল এবারও হয়তো শেষ হাসি হাসবে বাগান ব্রিগেড। তবে লাল-হলুদ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের গেম প্ল্যানে পুরোপুরি ধরাশায়ী হয়ে যায় প্যানোসের বাগান। ম্যাচ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যেই মহম্মদ রাশিদের পাস থেকে অনবদ্য ফিনিশ করেন বিপিন। যদিও তারপরেও নিজের গেম প্ল্যানে পরিবর্তন আনেন নি বাগান কোচ। সমীর জেলকোভিচ এবং অনিরুদ্ধ থাপাকে গোটা প্রথমার্ধ জুড়েই ভুল জায়গায় খেলিয়ে গেলেন প্যানোস। ফলস্বরূপ বিপিনের গোলের দুই মিনিটের মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় গোলটি করে যান এডমুন্ড। মুহূর্তে উচ্ছ্বাসে ভেসে যায় লাল-হলুদ জনতা। ২২ মিনিটে ঠান্ডা মাথায় ফের গোল করে যান এডমুন্ড। ডানি রামিরেজের পাস থেকে বল পেয়ে একে একে আলবার্তো, ভেকে এবং বিশাল কাইথকে কাটিয়ে বিশ্বমানের গোল করে যান এডমুন্ড। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই লাল-হলুদ ডিফেন্সের ভুলে একটি গোল শোধ করে দেন মনবীর সিং। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার এক মিনিট আগেই নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে কার্যত বাগানের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন এডমুন্ড। আর এই গোলের সাথেই ভাইচুং ভুটিয়ার পরে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে কলকাতা ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করা দ্বিতীয় ফুটবলার হলেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে একে একে মিগুয়েল, দীপক টাংরি, সাহাল, কিয়ান নাসিরি এবং লালরিনজুয়ালা ছাংতেকে নামিয়ে দেন বাগান কোচ প্যানোস। তবে তাতেও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে রাশিদ, জেসিনরা সুযোগ নষ্ট না করলে এবং বিশাল দ্বিতীয়ার্ধে দুটি অনবদ্য সেভ না করলে, বাগানে হয়তো ফের ১৯৭৫ এর লজ্জা ফিরে আসত।

Continue Reading

Uncategorized

DURAND CUP 2026:ডার্বির আগে অজুহাত নয়, ট্রফিকেই পাখির চোখ হাবাসের

Published

on

রে স্পোর্টজে ওয়েব ডেস্ক: মরশুমের দ্বিতীয় কলকাতা ডার্বি এবার আরও স্পেশাল। কারণ ডুরান্ড কাপের ফাইনাল। তবে ট্রফির লড়াইয়ের আগে অবশ্য প্রচলিত প্রস্তুতির পথে হাঁটলেন না ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। মাঠে অনুশীলনের বদলে হোটেলেই ফুটবলারদের নিয়ে করলেন টিম মিটিং ও জিম সেশন। কারণ হিসেবে তিনি জানালেন, “আগামীকালের ম্যাচের ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। গত কয়েক দিনে অনেক পরিশ্রম হয়েছে, আর্দ্রতাও একটা বিষয়। তাই সুপার কমপেনসেশন মেনে এদিন বিশ্রাম দিয়েছি।”
ডার্বির উত্তেজনা যে আলাদা, তা মানছেন হাবাস। তবে সেই আবেগ যেন দলের পরিকল্পনাকে প্রভাবিত না করে, সেটাই তাঁর বার্তা। তাঁর কথায়, “এটা কলকাতার জন্য বিশেষ ম্যাচ। তবে ডার্বিকেও অন্য ম্যাচের মতো খেলতে হবে। আবেগ ১০০ শতাংশ থাকবে, কিন্তু সেটাকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে সঠিক মুহূর্ত বেছে নিতে হবে। আমি জেতার জন্য ১০০ শতাংশ দেব।”
বিষ্ণুর চোট নিয়েও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে দল। রেফারিং নিয়ে কোনও অভিযোগের জায়গা রাখতে চান না হাবাস। তিনি বলেন, “বিষ্ণুর হয়তো অ্যালাইনমেন্ট নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। তবে রেফারিকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। আমি চাই না আমাদের পক্ষে বাড়তি কিছু দেওয়া হোক, সবকিছু নিরপেক্ষ হওয়া উচিত।”
গোলরক্ষকদের নিয়েও আত্মবিশ্বাসী তিনি। বিশাল কেইথের প্রশংসা করে বলেন, “ও খুব ভালো গোলরক্ষক। গিল ও লাচেনপাও একই মানের। এই বিভাগ নিয়ে আমি খুশি। আশা করি, কাল আমাদের গোলরক্ষককে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে না।”
এফিয়ংয়ের অনুপস্থিতিকেও ঢাল করছেন না হাবাস। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “কোনো অজুহাত চলবে না। রেফারি, আবহাওয়া, স্ট্রাইকারের অভাব, কিছুই নয়।” শেষমেশ তাঁর হিসাব একটাই—“যে দল বেশি ধৈর্য ধরে খেলবে এবং বেশি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে পারবে, তারাই জিতবে।”

Continue Reading

Trending