Connect with us

ইস্টবেঙ্গল

ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবৃদ্ধি বিষ্ণুর

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: গত মরশুমে দারুন দল গড়েও চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তাই আসন্ন মরশুম শুরু হওয়ার আগেই, পুরো দলের খোলনলচে পাল্টানোর পাশাপাশি, যে কয়েকজন ফুটবলার লাল-হলুদের হয়ে ভালো পারফর্ম করেছেন তাদেরকে ধরে রাখাই লক্ষ্য ছিল ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের। এবারে সেই লক্ষ্যে এক ধাপ এগোলেন তারা। দলের তারকা উইঙ্গার পিভি বিষ্ণুর সঙ্গে দু’বছরের চুক্তিবৃদ্ধি করল ইমামি কর্তৃপক্ষ। ফলে আরও তিন বছর লাল-হলুদ জার্সি গায়েই মাঠে নামবেন ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম সেরা এই উইঙ্গার। প্রসঙ্গত ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বিষ্ণুর আরও এক বছর চুক্তি থাকলেও, একটা সময় পর্যন্ত চুক্তি বাড়াতে রাজি ছিলেন না বিষ্ণু।

গত মরশুম চলাকালীনই তাঁকে পরবর্তী সময়ের জন্য বিশাল অংকের অফার দেয় মুম্বই সিটি এফসি। সেই সময় বিষ্ণুকে ক্লাবে ডেকে কর্তারা দীর্ঘ সময় বোঝালেও, তিনি চুক্তিবৃদ্ধি করেননি। চলতি মরশুমের পরে এমন খবরও সামনে আসে যে লাল-হলুদের চির প্রতিদ্বন্দ্বি মোহনবাগান বিষ্ণুকে অফার করেছে। যদিও রে স্পোর্টজের তরফ থেকে আমরা বলতে পারি যে সবুজ মেরুনের তরফ থেকে তাঁকে কোনওরকম অফার করা হয়নি। সেই কারণে এই ব্যাপারে তখন কোনও আপডেট দেওয়া হয়নি। ইস্টবেঙ্গলের লড়াই ছিল শুধুমাত্র মুম্বইয়ের সঙ্গেই। অবশেষে সেই লড়াই জিতল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট এবং আরও তিন বছরের জন্য ইস্টবেঙ্গলই থাকছেন বিষ্ণু।

ইস্টবেঙ্গল

Durand Cup 2026:মরশুমের প্রথম ডার্বির রং সবুজ-মেরুন

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : কলকাতা ডার্বি দিয়েই শুরু হল ২০২৬ ডুরান্ড কাপ। আর মরশুমের প্রথম বড় ম্যাচেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করল মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে সাহাল আব্দুল সামাদের একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করল সবুজ-মেরুন শিবির। নতুন কোচ প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিস অভিষেক ম্যাচেই পেলেন স্মরণীয় জয়। অন্যদিকে প্রথম কলকাতা ডার্বি পরাজিত হলেন হাবাস।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল মোহনবাগানের কাছে। প্রথমার্ধে দুই দলেরই রক্ষণে ছিল যথেষ্ট সংগঠিত। ৬ মিনিটে রোহিত দানুর নিচু শট সহজেই আটকান বিশাল কাইথ। ২৪ মিনিটে সাহালের শট জেকসনের হাতে লাগলেও রেফারি পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন। ৪৪ মিনিটে আপুইয়াকে ফাউল করায় ভালো জায়গায় ফ্রি-কিক পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি মোহনবাগান। প্রথমার্ধ গোলশূন্য অবস্থাতেই শেষ হয়।

বিরতির পরই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায়। ৫২ মিনিটে কিয়ান নাসিরির দুর্দান্ত প্রেসিং থেকে বল দখল করে বক্সে ঢুকে নিচু ক্রস বাড়ান তিনি। মনবীর সিং বল মিস করলেও ফাঁকায় থাকা সাহাল আব্দুল সামাদ সহজেই জালে বল জড়িয়ে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন। ৫৯ মিনিটে ম্যাচে ফেরার লক্ষ্যে রোহিত কুমার ও রোহিত দানুকে তুলে রশিদ এবং পি ভি বিষ্ণুকে নামান ইস্টবেঙ্গল কোচ।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে লাল-হলুদ। ৬২ মিনিটে এডমুন্ডের আক্রমণ এবং বিষ্ণুর দূরপাল্লার শট সেভ করেন বিশাল। ৮৭ মিনিটে বিষ্ণুর ক্রসে রামিরেজ পা ছোঁয়ালেও বল পোস্টে লেগে বাইরে চলে যায়। অতিরিক্ত সময়ে রামিরেজের ক্রস থেকে রাশিদের শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন বিশাল। সাহাল গোল করলেও সবুজ-মেরুনের জয়ের নায়ক হলেন বিশাল কাইথ।

শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই ডুরান্ড কাপে অভিযান শুরু করল মোহনবাগান। অন্যদিকে, হেরে শুরু হলেও গ্রুপ পর্বে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকছে ইস্টবেঙ্গলের সামনে।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: ডার্বির আগে প্রস্তুতি নিয়েই চিন্তায় হাবাস, অতীত ভুলে শুধু ইস্টবেঙ্গলের জয়ের লক্ষ্য

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: কলকাতা ডার্বি তাঁর কাছে নতুন নয়। মোহনবাগানের ডাগআউট থেকে একাধিকবার ডার্বির স্বাদ পেয়েছেন, সাফল্যও এসেছে। তবে এবার ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা। লাল-হলুদের কোচ হিসেবে প্রথমবার কলকাতা ডার্বিতে নামার আগে অতীতকে পিছনে ফেলে শুধুই বর্তমান নিয়ে ভাবছেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, এখন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে জেতানো।
ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে হাবাস জানান, মোহনবাগানের সঙ্গে তাঁর আবেগের সম্পর্ক থাকলেও সেই অধ্যায় এখন অতীত। তিনি বলেন, “আমি কোনও নস্ট্যালজিয়ায় ভুগছি না। মোহনবাগান একটি ভালো দল এবং ওদের কোচও ভালো। কিন্তু এখন আমার সমস্ত মনোযোগ ইস্টবেঙ্গলকে ঘিরেই। মাঠে নামব শুধু জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। মোহনবাগানের প্রতি আমার সম্মান রয়েছে, তবে এখন আমি শুধু ইস্টবেঙ্গলের কোচ।”
তবে ম্যাচের আগে সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে প্রস্তুতির ঘাটতি। নতুন দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর হাতে খুব কম সময় পেয়েছেন বলে জানান স্প্যানিশ কোচ। তাঁর কথায়, “ফুটবলারদের সঙ্গে এখনও পুরোপুরি পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়নি। মাত্র কয়েকটি অনুশীলন করেছি। কে কোন ভূমিকায় সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ, তা বোঝার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে প্রস্তুতির সময় অবশ্যই কম।”
তবুও দলের মানসিকতা নিয়ে আশাবাদী হাবাস। তাঁর বিশ্বাস, ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের লড়াই করার মানসিকতা রয়েছে। “এই দলটার মধ্যে লড়াকু মানসিকতা আছে। সময় কম হলেও ছেলেরা শেখার চেষ্টা করছে। আমরা প্রতিদিন উন্নতি করছি এবং সেই ধারাই ধরে রাখতে চাই,” বলেন তিনি।
দলগঠন এখনও সম্পূর্ণ হয়নি বলেও স্বীকার করেছেন হাবাস। তিনি জানান, ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার আগে আরও অন্তত দু’জন মানসম্পন্ন ভারতীয় ফুটবলারকে দলে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে বর্তমানে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের উপরও তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
ডার্বির আগে অবশ্য চোটের ধাক্কাও রয়েছে লাল-হলুদ শিবিরে। হাবাস নিশ্চিত করেছেন, বরিস সিং এবং দানিশ ফারুক এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। তাঁদের ফিরতে আরও প্রায় দু’সপ্তাহ সময় লাগবে। ফলে ডুরান্ড কাপের শেষের দিকে তাঁদের মাঠে দেখা যেতে পারে।
সব মিলিয়ে, ডার্বির আগে আবেগ নয়, বাস্তবতাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন আন্তোনিও হাবাস। প্রস্তুতির সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েও লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়েই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে নামতে প্রস্তুত ইস্টবেঙ্গল।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: নিরুত্তাপ ডার্বিতে রঙ ছড়াতে মরিয়া ইস্ট-মোহন

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: আন্তোনিও লোপেজ হাবাস বনাম প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিস। একদিকে অভিজ্ঞ মস্তিষ্ক, অন্যদিকে প্রথমবারের জন্য ডার্বির ডাগআউটে বসতে চলা মোহনবাগান কোচ। মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বির ছবিটা যেন দুই ভিন্ন মেরুর লড়াই। কোচ হিসাবে কখনও ডার্বি হারেননি হাবাস। এবার লাল-হলুদ শিবিরে যোগ দিয়ে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই চ্যালেঞ্জ স্প্যানিশ কোচের। তবে মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বির আগের রাতে উন্মাদনার চেনা ছবির লেশমাত্র নেই। এমনিতেই মরশুমের প্রথম ম্যাচ, তার উপর পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাবে বড় ম্যাচ নিয়ে প্রত্যাশা কমেছে সমর্থকদের। তবুও নিরুত্তাপ ডার্বিতে রঙ ছড়াতে মরিয়া ইস্ট-মোহন।

মরশুমের প্রথম ডার্বিতে সম্ভবত বিদেশিহীন প্রথম একাদশ নিয়েই মাঠে নামবে দুই প্রধান। বাগান কোচ প্যানাজিওটিস বলেন, “আমাদের দলে দেশের সেরা ফুটবলাররা রয়েছে। তাই শক্তির বিচারে আমরা কখনোই দুর্বল দল নই। আমার কাছে সব ম্যাচই ডার্বি। তাই ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে জিততেই মাঠে নামব আমরা।” ভারতীয় ফুটবলে ইতিমধ্যেই নিজের অস্তিত্ব জানান দিয়েছেন দিলেম্পেরিস। সাধারণত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতেই ভালোবাসেন। সবুজ-মেরুন শিবিরেও সেই মানসিকতাই সঞ্চার করতে চান তিনি। এই প্রসঙ্গে প্যানোসের সংযোজন, “আমি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতেই ভালোবাসি। মোহনবাগানেও সেটাই করতে চাই। তবে এতো কম সময় বিশাল কিছু প্রত্যাশা করার জায়গা নেই।”

অন্যদিকে, বড় ম্যাচে মাঠে নামার আগে নিজেকে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত রাখলেন ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। তিনি বলেন, “এই ডার্বি ভিষণ কঠিন ম্যাচ। আমরা পর্যাপ্ত অনুশীলনের সময় পাইনি। এই ধরণের কম সময়ের মধ্যে দলের মানসিকতা, কৌশল এবং ফুটবলারদের খেলা বিশ্লেষণ করা বেশ কঠিন।বর্তমান পরিস্থিতির ওপর দাঁড়িয়ে আমাদের সেরাটা দিতে হবে।” এর আগে মোহনবাগান কোচ হিসাবে ডার্বি জিতেছেন হাবাস। যদিও পুরোনো স্মৃতি মুছে ফেলেই মাঠে নামতে চাইছেন লাল-হলুদের স্প্যানিশ হেড কোচ। হাবাস বলেন, “অতীত নিয়ে ভাবছি না। মোহনবাগানকে আমি সম্মান করি। কিন্তু এখন আমি ইস্টবেঙ্গলের কোচ। তাই ইস্টবেঙ্গলের জন্যই লড়াই করবো।”

Continue Reading

Trending