Connect with us

আন্তর্জাতিক ফুটবল

নেইমারের জোড়া গোলে হার বাঁচাল সান্টোস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব সান্টোস আবারও ভরসা পেল তাদের মহাতারকা নেইমারের কাছ থেকে। ব্রাজিলিয়ান সিরি-আ-র ম্যাচে চাপের মুখে থাকা সান্টোস ঘরের মাঠে ক্যাপেকোয়েন্সের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করল। দলের হয়ে দুই গোলই করেন নেইমার।
ভিলা বেলমিরোর দর্শকদের সামনে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চেয়েছিল সান্টোস। প্রথমার্ধের ৩৫ মিনিটে অসাধারণ ব্যক্তিগত দক্ষতায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন নেইমার। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নিখুঁত ফিনিশিংয়ে মুগ্ধ হন সমর্থকরা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ছবি বদলে যায়। ক্যাপেকোয়েন্স দ্রুত দুটি গোল করে এগিয়ে যায়। পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি সান্টোস। শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে নেইমার সমতা ফেরান এবং দলকে নিশ্চিত হারের হাত থেকে বাঁচান।
বিশ্বকাপের পর চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে নেইমারের নিয়মিত মাঠে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু এদিন তাঁর পারফরম্যান্স দেখিয়ে দিল, এখনও বড় ম্যাচে দলের পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই ব্রাজিলিয়ান তারকার।
এই ড্রয়ের ফলে লিগে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পেল সান্টোস। তবে রক্ষণভাগের দুর্বলতা নিয়ে চিন্তা থেকেই যাচ্ছে কোচের। আগামী ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকতা ফেরানোই এখন সান্টোসের মূল লক্ষ্য।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

মেসি-রোনাল্ডো যুগের অবসানের ইঙ্গিত, ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেন

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মানের লড়াইয়ে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দীর্ঘ আধিপত্যের অবসানের ইঙ্গিত দিল ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর। এ বার বর্ষসেরা পুরুষ ফুটবলার নির্বাচিত হলেন বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ডের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। ২৫ বছর পর তাঁর হাত ধরেই ব্যালন ডি’অর ফিরল ইংল্যান্ডে। এর আগে ২০০১ সালে এই পুরস্কার জিতেছিলেন মাইকেল ওয়েন।
পুরুষদের বিভাগে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে। তৃতীয় হয়েছেন বার্সেলোনা ও স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল। চতুর্থ স্থানে রদ্রি এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছেন মেসি। সপ্তম স্থানে ওসমান দেম্বেলে এবং অষ্টম স্থানে আর্লিং হালান্ড। তরুণ ফুটবলারদের বিভাগে সেরা নির্বাচিত হয়েছেন ইয়ামাল। মহিলাদের বিভাগে বর্ষসেরা হয়েছেন স্পেনের অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। এটি তাঁর তৃতীয় ব্যালন ডি’অর ফেমিনাঁ খেতাব। দ্বিতীয় স্থানে ইওয়া পাজর এবং তৃতীয় স্থানে খাদিজা শ রয়েছেন।
পুরুষদের সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন উনাই সিমন। মহিলাদের বিভাগে এই সম্মান পেয়েছেন কাতা কোল। মহিলাদের তরুণ প্রতিভার পুরস্কার জিতেছেন ভিকি লোপেজ। সর্বোচ্চ গোলদাতার জন্য জার্ড মুলার পুরস্কার পেয়েছেন কেন এবং মহিলাদের বিভাগে চারলিন কোরাল। পুরুষদের বর্ষসেরা ক্লাব প্যারিস সাঁ জাঁ এবং মহিলাদের বিভাগে বার্সেলোনা। পুরুষদের সেরা কোচ স্পেনের লুইস দে লা ফুয়েন্তে, মহিলাদের বিভাগে বার্সেলোনার পেরে রোমেউ। মানবিক কাজ ও সামাজিক প্রভাবের জন্য সক্রেটিস পুরস্কার পেয়েছেন ইংল্যান্ডের বুকায়ো সাকা।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2026/27: শেষ সাত মিনিটে তিন গোল, রোমার মাঠে রিয়ালের অবিশ্বাস্য জয়

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : ম্যাচের ৮২ মিনিটেও ১-৩ গোলে পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। হার তখন প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু শেষ সাত মিনিটে তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল হোসে মরিনহোর দল। স্তাদিও অলিম্পিকোয় রোমাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল রিয়াল।বুধবার রাতে রোমার মাঠে এই ম্যাচটি মরিনহোর কাছে ছিল বিশেষ। ২০২১-২২ মরসুমে রোমাকে কনফারেন্স লিগের শিরোপা জিতিয়েছিলেন পর্তুগিজ কোচ। প্রাক্তন কোচের প্রতি সম্মান জানিয়ে গ্যালারিতে একাধিক ব্যানার প্রদর্শন করেন রোমার সমর্থকেরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় উদ্‌যাপনের সুযোগ পেলেন না তাঁরা।

ম্যাচের ২০ মিনিটে মার্তেন ডে রুনের গোলে এগিয়ে যায় রোমা। মাতিয়াস সুলের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে প্রথম ছোঁয়ায় দুরন্ত শটে বল জালে জড়ান ডে রুন। তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরায় রিয়াল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নামা কিলিয়ান এমবাপের শট রোমার জিয়ানলুকা মানচিনির গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে ঢুকে যায়। ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় এটি ছিল এমবাপের ৭২তম গোল।দ্বিতীয়ার্ধে ছয় মিনিটের ব্যবধানে দু’গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে রোমা। ৫১ মিনিটে ডোনিয়েল মালেনের শট ফেদেরিকো ভালভার্দের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় রোমা। এর পর ৫৭ মিনিটে মালেনের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান বেড়ে হয় ৩-১। প্রথমে অফসাইডের পতাকা উঠলেও ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনার পরে গোলের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

ম্যাচের শেষ ভাগে একের পর এক বদলি নামিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে রিয়াল। ৮৩ মিনিটে এন্দ্রিকের হেড থেকে ফিরে আসা বলে গোল করে ব্যবধান কমান কার্লোস এস্পি। দু’মিনিট পর আর্দা গুলেরের কর্নার থেকে হেডে ৩-৩ করেন এন্দ্রিক। তখনও নাটকের শেষ হয়নি। ৯০ মিনিটে গুলেরের আরও একটি সেট-পিস থেকে কাছ থেকে ভলিতে বল জালে পাঠান রুডিগার। ১-৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

দুই ম্যাচে দু’টি জয় নিয়ে গোলপার্থক্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের তালিকায় আট নম্বরে রয়েছে রিয়াল। অন্য দিকে, একটি ড্র ও একটি হারে দু’ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে ২৫ নম্বরে রোমা।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2026/27: হালান্ডের জোড়া গোলেও রক্ষা নেই, সিটিকে হারাল পিএসজি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: প্রথমার্ধেই তিন গোলের ধাক্কা। বিরতির পর জোড়া গোল করে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারল না ম্যানচেস্টার সিটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সিটিকে ৪-২ গোলে হারাল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)।

বুধবার রাতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পিএসজি। ১৩ মিনিটে দেজিরে দুয়ের গোলে এগিয়ে যায় তারা। দু’মিনিট পর দুয়ের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান বাড়ান উসমান দেম্বেলে। ৩২ মিনিটে ভিতিনিয়ার গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফরাসি ক্লাবটি।

বিরতির পর তিনটি পরিবর্তন করেন সিটির কোচ এনজো মারেসকা। তাতে কিছুটা গতি ফেরে দলের খেলায়। ৫৩ মিনিটে ইলিমান এনদিয়ের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান কমান হালান্ড। সমতায় ফেরার আশায় আক্রমণের ঝড় তোলে সিটি। কিন্তু ৬২ মিনিটে ম্যাগনেস আকলিউশের শট গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার হাত ফসকে জালে ঢুকে যায়। ফের তিন গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।৭৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৪-২ করেন হলান্ড। এর পরেও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন নরওয়ের স্ট্রাইকার। কিন্তু তাঁর প্রচেষ্টা আটকে দেন পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ। শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। তবে ফেরান টোরেসের স্পটকিক আটকে দেন দোন্নারুম্মা।

এই জয়ের ফলে দু’ম্যাচে ছ’পয়েন্ট নিয়ে গোলপার্থক্যে তালিকার শীর্ষে পিএসজি। অন্য দিকে, একটি জয় ও একটি হারে তিন পয়েন্ট নিয়ে ১৭ নম্বরে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।

Continue Reading

Trending