Connect with us

আইএসএল

ISL 2024/25: মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করলেও নিজের দলের প্রতি আস্থা রাখছেন খালিদ জামিল। জানতে পড়ুন… 

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইএসএলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচ খেলতে, বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে শক্তিশালী মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে খালিদ জামিলের জামশেদপুর এফসি। তার আগে নক আউট পর্যায়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে প্রবেশ করেছে জাভি হার্নান্দেজরা। অপরদিকে চলতি মরশুম দারুন ছন্দে রয়েছে জোসে মোলিনার মোহনবাগান দল। আইএসএল শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, গোটা মরশুম দারুন ফুটবল খেলেছেন বাগান দলের সকল ফুটবলাররা। ফলে সেমিফাইনাল ম্যাচে মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন খালিদ জামিল। শুধু তাই নয়, সেমিফাইনাল ম্যাচটি যে বাকি ম্যাচের থেকে আলাদা, সেই বিষয়টিকেও স্বীকার করেছেন খালিদ। ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে এসে খালিদ জামিল বলেন, “বাকি ম্যাচগুলির থেকে এই ম্যাচটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটা হোম-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ। ফলে দুটি ম্যাচের ছকও আলাদা হবে। আমরা একটা খুবই শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামবো। কিন্তু আমাদের এটা মাথায় রাখতে হবে যে আমরা ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে খেলছি। তাই এই ম্যাচে আমাদের যতটা সম্ভব ভালো ফল করার দিকেই এগোতে হবে। সেকেন্ড লেগের ম্যাচের আগে নিজেদের সুবিধেজনক জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। মোহনবাগান খুবই শক্তিশালী দল। তাদের যথেষ্ট শ্রদ্ধা করি। তবে আমাদের প্রতিটা মুহূর্তে লড়াই করতে হবে”।

মোহনবাগান দল সম্পর্কে খালিদ জামিল বলেন, “মোহনবাগান দল খুবই শক্তিশালী এবং তাদের দলে যথেষ্ট বড় মাপের ফুটবলাররা রয়েছেন। তাদের সেই এক্সপেরিয়েন্সটাই মোহনবাগানকে আরও সুবিধে দিয়েছে। আমার দলের ফুটবলারদের সেই বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। তবে আমার মনে হয় মোহনবাগানও আমাদের ফুটবলারদের নিয়ে ভাববে। এই পর্যায়ের ম্যাচে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা আবশ্যিক। তাই নিজেদের সচেতন থেকে এই ম্যাচটা খেলতে হবে আমাদের”। অপরদিকে জামশেদপুরকে সেমিফাইনালে নিয়ে আসতে পেরে খুবই খুশি খালিদ জামিল। তিনি বলেন, “ক্লাবের জন্য এটা খুবই আনন্দের একটা মুহূর্ত। প্রতিটা ফুটবলার যথেষ্ট ভালো ফুটবল খেলেছে এবং সমর্থকেরাও যথেষ্ট পরিমাণে আমাদের সমর্থন করেছে। দলের অন্দরমহলের পরিবেশটাও এই মুহূর্তে খুব ভাল জায়গায় রয়েছে। ম্যানেজমেন্টও আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। এবারে কঠোর পরিশ্রম করে একটা দল হিসেবে পারফর্ম করাটাই কাজ আমাদের”।

বাগান কোচ জোসে মোলিনা জানিয়েছেন ঘরের মাঠে জামশেদপুর খেললেও, যথেষ্ট চাপে থাকবে তারা। সেই বিষয়ে খালিদ জামিল বলেছেন, “তিনি একদম সঠিক কথা বলেছেন। ঘরের মাঠে সেমিফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচ খেলা মানেই, একটা বড় চাহিদা থাকে সমর্থকদের। তবে চাপটা ফুটবলের একটা অঙ্গ। আমাদের সেই জিনিসটা মাথায় রেখেই নিজেদের উজ্জীবিত করে, ভাল পারফর্ম করার জন্য ফুটবলটা খেলতে হবে”। এদিকে গত মরশুম মোহনবাগান যেই আক্রমণাত্মক ফুটবলটা খেলেছে, সেই কারণে মোহনবাগানকে ফেভারিট হিসেবে মনে করছে অনেকেই। তবে সেই বিষয়টিকে মানতে নারাজ খালিদ জামিল। তিনি বলেন, “ফুটবলে কেউ ফেভারিট হয়না। বিশেষত সেমিফাইনালের মতো পর্যায়ে এসে। অবশ্যই তারা যথেষ্ট ভালো দল এবং তারা এই মরশুম অনেক সাফল্য পেয়েছে। কিন্তু আমরাও যথেষ্ট শক্তিশালী দল। দিনের শেষে মাঠে কোন দল ভালো খেলছে সেটার উপরেই খেলার রেজাল্ট নির্ভর করে। তাই এই ম্যাচে কোন দল ফেভারিট নয়”। ঘরের মাঠে সেমিফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচটি খেলার বিষয়ে নিজের মানসিকতা জানিয়েছেন কোচ খালিদ জামিল। তিনি বলেন, “আমাদের পরিকল্পনা থাকবে ঘরের মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফুটবলটা খেলা। তার জন্য প্রতিটা ফুটবলারকে দায়িত্ব নিয়ে ফুটবল খেলতে হবে। ম্যাচের ফল কি হবে সেটা আমার জানা নেই। তবে আমরা ভাল ফলের জন্য লড়াই করব”। 

এছাড়াও সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার মহম্মদ সানান। চলতি মরশুমে জামশেদপুর জার্সি গায়ে দারুন ফুটবল খেলেছেন তিনি। পাশাপাশি সেমিফাইনালে প্রবেশ করেছে তার দল। সেই বিষয়ে সানান বলেন, “চলতি মরশুমে আমাদের দল অনেক চড়াই, উতরাই পর করেছে। কিন্তু আমরা অনুশীলনে নিজেদের কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে গেছি। নিজেদের আরও উন্নতি করার জন্য আমরা পরিশ্রম করেছি। আমার সতীর্থরাও অনেক সমর্থন করেছে আমায়, ফলে আমরা সকলেই দলের সঙ্গে একটা ভাল বন্ডিং তৈরি করেছি। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের লক্ষ্য সেমিফাইনালে ভাল ফল করা। এটা অনেক বড় ম্যাচ। তবে আমরা তৈরি আমাদের সমর্থকদের জন্য, দলের জন্য একটা ভাল ফল করতে”।

আইএসএল

সবুজ-মেরুনে নতুন যুগের শুরু, ডার্বি জয়ের বার্তা দিয়েই আত্মপ্রকাশ প্যানোসের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : অপেক্ষার অবসান। এক বছরের চুক্তিতে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন গ্রিসের প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস, যিনি ফুটবল মহলে ‘প্যানোস’ নামেই বেশি পরিচিত। সার্জিও লোবেরার অধ্যায় শেষ হতেই নতুন দায়িত্ব পেলেন আইএসএলে পঞ্জাব এফসির প্রাক্তন কোচ।
ভারতে গত দু’বছরে পঞ্জাবের হয়ে নিজের কোচিং দর্শনের ছাপ রেখেছেন ৫১ বছর বয়সি এই গ্রিক কোচ। সীমিত সম্পদ নিয়েও আক্রমণাত্মক, গতিশীল এবং সাহসী ফুটবল খেলিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আইএসএলের শেষ মরশুমে আটকে দিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে। অভিজ্ঞ ফুটবলার ও তরুণ প্রতিভার মধ্যে ভারসাম্য গড়ে তোলাই তাঁর অন্যতম বড় শক্তি। সেই কারণেই সবুজ-মেরুন কর্তাদের নজরে এসেছেন তিনি।
দায়িত্ব নিয়েই প্যানোস জানিয়ে দিলেন, সামনে থাকা সবচেয়ে বড় লড়াই—কলকাতা ডার্বি—নিয়ে তাঁর ভাবনা। তিনি বলেন, “কলকাতা ডার্বি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই। আমি জানি এই ম্যাচ সমর্থক, ফুটবলার এবং ক্লাবের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক মানুষের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এমন ম্যাচের প্রস্তুতি শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে হয় না; প্রয়োজন নিখুঁত পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস। আমরা প্রতিপক্ষকে যথাযোগ্য সম্মান জানাব, তবে একই সঙ্গে সাহসী ফুটবল খেলব এবং মোহনবাগানের ঐতিহ্যের সঙ্গে মানানসই জয়ের মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামব।”
মোহনবাগানের সমর্থকদের উদ্দেশেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন নতুন কোচ। তাঁর কথায়, “একটি কথা আছে-‘প্রত্যাশার চাপ থাকাটাই সৌভাগ্যের বিষয়।’ বড় ক্লাবে প্রত্যাশার চাপ থাকবেই। মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগই ক্লাবের সবচেয়ে বড় শক্তি। প্রতি দিন কঠোর পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব ও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাস অর্জন করতে চাই। প্রতি সপ্তাহে জয়ের প্রতিশ্রুতি দিতে পারব না, তবে এমন একটি দল উপহার দেব, যারা সাহস, শৃঙ্খলা এবং জয়ের মানসিকতা নিয়ে প্রতিটি ম্যাচ খেলবে। মোহনবাগান দল নিয়ে তার বক্তব্য “আমি মনে করি আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিভাবান দল রয়েছে। একজন কোচ হিসেবে উন্নতির সুযোগ সবসময় থাকে, তবে আমার লক্ষ্য বর্তমান ফুটবলারদের সেরাটা বের করে আনা। শুধু ব্যক্তিগত প্রতিভা নয়, সাফল্যের জন্য প্রয়োজন ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সঠিক মানসিকতা।”
এখন দেখার, কথা মতো মাঠেও কি নতুন ছন্দ এনে সবুজ-মেরুনকে আরও সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন প্যানোস।

Continue Reading

আইএসএল

ISL 2025: গোয়া দল ছাড়লেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। জানতে পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৩-২৪ আইএসএল মরশুমে মোহনবাগান দলে সই করেছিলেন আলবেনিয়ার ফুটবলার আরমান্দো সাদিকু। বাগান জার্সিতে প্রায় প্রতি ম্যাচেই শুরু করতেন তিনি। বেশ কিছু গোলও ছিল তার। তবে এই মরশুম বাংলার ক্লাব মোহনবাগান ছেড়ে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন এফসি গোয়া দলে। আর সেখানে গিয়ে নিজেকে নতুনভাবে ফিরে পেয়েছিলেন সাদিকু। দুরান্ড, আইএসএলের পাশাপাশি গোয়ার ঘরোয়া লিগেও গোলের বন্যা বইয়েছিলেন তিনি। এছাড়া ২০২৪-২৫ আইএসএল মরশুমে গোয়ার জার্সি গায়ে ২৪টি ম্যাচ খেলে করেছেন ১০টি গোল এবং দুটি অ্যাসিস্ট। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে হেরে আইএসএল যাত্রা শেষ করেছে এফসি গোয়া। আর মরশুম শেষ হতেই গোয়া দল থেকে বিদায় নিলেন আরমান্দো সাদিকু। গোয়া দলের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি। নিজেদের সমাজমাধ্যম সেই কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করেছে এফসি গোয়া। এবারে দেখার গোয়া দল ছেড়ে আইএসএলের অন্য কোনও দলে খেলেন কিনা সাদিকু।

Continue Reading

আইএসএল

ISL 2025: ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকেই আইএসএল কাপ জয় মোহনবাগানের। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি মরশুমে ইতিহাস গড়লো মোহনবাগান। আইএসএলের ইতিহাসে মুম্বই সিটি এফসির পর, দ্বিতীয় দল হিসেবে একই মরশুম শিল্ড এবং কাপ জয়ের নজির গড়ল হোসে মোলিনার দল। শুধু তাই নয়, চলতি মরশুম ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকেই চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। শনিবার আইএসএলের মেগা ফাইনালে পিছিয়ে পড়েও বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ২-১ গোলে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল হোসে মোলিনার দল। মোহনবাগানের হয়ে গোল করলেন জেসন কামিন্স এবং জেমি ম্যাকলারেন।

ম্যাচের প্রথম পনেরো মিনিট বেঙ্গালুরু এফসিকে বেশ চাপে রেখেছিলেন কামিন্স, ম্যাকলারেনরা। ১৪ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে থাপার জোরালো শট রুখে দিয়ে বেঙ্গালুরু এফসিকে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন রাহুল ভেকে। মিনিট চারেক পরেই ম্যাকলারেনের জন্য বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন মনবীর। কিন্তু বলের কাছে পৌঁছাতে পারেননি জেমি। পরের মিনিটেই নগুয়েরার কর্নার থেকে হেড করেছিলেন সুনীল ছেত্রী। মোহনবাগানের হয়ে অনিবার্য পতন রক্ষা করেন শুভাশিস। এরপর প্রথমার্ধে আর খুঁজে পাওয়া গেল না পরিচিত সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। একের পর এক আক্রমণ তুলে এনে বাগান রক্ষণকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রী, এডগার মেণ্ডেজরা।ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আরও একটা সুযোগ নষ্ট করেন রায়ান উইলিয়ামস। প্রথমার্ধের সংযোজিত সময়ে সুনীল ছেত্রীর হেডার অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ফলে ০-০ ফলাফলেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মোহনবাগানকে আরও চেপে ধরে জেরার্ড জারাগোজার দল। প্রথম মিনিটেই রায়ান উইলিয়ামসের শট বাঁচিয়ে পতন রোধ করেন বিশাল কাইথ। কিন্তু তার পরেই গোল হজম করতে হয় মোহনবাগানকে। ৪৯ মিনিটে আলবার্তো রদ্রিগেজের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। এই গোলটি হজম করতেই নড়েচড়ে বসে হোসে মোলিনার দল। আক্রমণ উঠে আসতে শুরু করেন সবুজ-মেরুণের ফুটবলাররাও। এছাড়া ম্যাচে জোড়া দুটি পরিবর্তন আনেন হোসে মোলিনা। লিস্টন কোলাসো এবং অনিরুদ্ধ থাপাকে তুলে নিয়ে তিনি মাঠে নামান সাহাল আব্দুল সামাদ এবং আশিক কুড়ুনিয়ানকে। তার পরেই ভাগ্য বদল হয় মোহনবাগানের। ম্যাচের ৭০ মিনিটে কামিন্সের বাড়ানো ক্রস বক্সের ভেতর হাতে লাগিয়ে বসেন বেঙ্গালুরু ডিফেন্ডার চিঙ্গলেনসানা সিংহ। ফলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি কামিন্স। এদিকে নির্ধারিত নব্বই মিনিটে ম্যাচের ফলাফল অমীমাংসিত থাকায়, খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সংযোজিত সময়ের প্রথম মিনিটেই গ্রেগ স্টুয়ার্টের ঠিকানা লেখা পাস থেকে গোল করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন। অবশেষে বেঙ্গালুরু বারংবার আক্রমণে উঠলেও জমাট ছিল বাগান রক্ষণ। ফলে ২-১ গোলে বেঙ্গালুরু এফসিকে হারিয়ে আইএসএল কাপ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান।

Continue Reading

Trending