ফুটবল
DURAND CUP 2026: শিলংয়ে বাগানের প্রতিপক্ষ উচ্চতা আর আবহাওয়া
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই শিলংয়ের পাহাড়ে বৃষ্টির আমেজ। বৃহস্পতিবার গোটা দিন জুড়েই বজ্র-বিদ্যুৎ সহ প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এরই মাঝে শিলংয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে ডুরান্ড কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির মুখোমুখি হবে মোহনবাগান। পাহাড়ে মোহনবাগানের আসল প্রতিপক্ষ আবহাওয়া আর উচ্চতা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০০০ ফুট উপরে অবস্থিত শিলংয়ের জওহরলাল নেহেরু ফুটবল স্টেডিয়াম। শেষবার মোহনবাগান যখন এই মাঠে আই লিগের ম্যাচ খেলেছিল, তখন ফলাফল ছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের পক্ষে। তারপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়েছে, বদলেছে ভারতীয় ফুটবলের মানচিত্র। শুধু বদলায়নি উত্তর ভারতের ফুটবল উন্মাদনা। ডুরান্ড কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল নিয়ে ইতিমধ্যেই শিলংয়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে।
বুধবার সকালে দুই দফায় কলকাতা থেকে শিলং উড়ে গিয়েছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। যদিও হাতে গোনা কয়েকজন সরাসরি বিমান না পাওয়ায়, গুয়াহাটি থেকে সড়কপথেই শিলং পাড়ি দিয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয় গোরখা ট্রেনিং গ্রাউন্ডে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি সারেন লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। আবহাওয়া আর উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই প্রধান লক্ষ্য বাগান ফুটবলারদের। তবে কলকাতার সঙ্গে আবহাওয়ার যেমন পার্থক্য রয়েছে, তেমনই তাপমাত্রার তারতম্যও রয়েছে। ফলে এই উচ্চতায় নব্বই মিনিট ম্যাচ খেলতে হলে যে ফিটনেস প্রয়োজন, তা এখনও তৈরি হয়নি জেমি ম্যাকলারেন, মিগুয়েল ফিগুয়েরাদের।
প্রসঙ্গত ডেজান দ্রাজিচকে ছাড়াই শিলংয়ে সেমিফাইনাল খেলতে গেছে মোহনবাগান। দলের সঙ্গে রয়েছেন মিগুয়েল এবং ছাংতেও। দ্রাজিচের অভাব ঢাকতে শুরু থেকেই ম্যাকলারেনকে ব্যবহার করা হতে পারে। ছাংতেকে প্রথম একাদশে দেখলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তবে ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবহার করা হবে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগুয়েল ফিগুয়েরাকে। অন্যদিকে, শুরু থেকেই খেলবেন আপুইয়া। ডিফেন্সে আলবার্তোর সঙ্গে জুটি বাধবেন রাহুল ভেকে। দুই উইংয়ে পুরোনো জুটি লিস্টন-মনবীর ফিরতে পারেন। বাকি দলে পরিবর্তনের সম্ভবনা নেই। তবে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির বিরুদ্ধে শুরুতে গোল তুলে নিয়ে ফাইনালের টিকিট পাকা করতে চান প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিস। শেষ দু’বার ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসিকে আলাদা করে সমীহ করছেন না বাগান কোচ। বরং প্রতিপক্ষের ডেরায় নিজেদের ফেভারিট মানছেন প্যানোস।
আইএসএল
ম্যাকলারেনের সেই সেভ থেকে ব্রাজিলের সামনে, গিলের নতুন যাত্রা; অকপট প্রবসুখন সিং গিল
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ২০২৩ সাল থেকে গোলপোস্টের নিচে পাহারায় প্রভসুখন সিংহ গিল। লাল-হলুদ জার্সিতে ইতিমধ্যেই ৯০টি ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে তাঁর। ক্লাবে এটি তাঁর চতুর্থ মরসুম। এই সময়ের মধ্যে তিনটি বড় ঘরোয়া ট্রফি জিতেছেন গিল—২০২৩-২৪ সুপার কাপ, ২০২৫-২৬ আইএসএল এবং ২০২৬-এর ১৩৫তম ডুরান্ড কাপ। এর পাশাপাশি ২০২৩ ডুরান্ড কাপ, ২০২৫ আইএফএ শিল্ড ও ২০২৫ সুপার কাপে রানার্স হয়ে রুপোর পদকও পেয়েছেন তিনি।জুনে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে আরও দু’মরসুমের চুক্তি বাড়িয়েছেন পঞ্জাবের এই গোলরক্ষক। এবার এসেছে জাতীয় দলের ডাকও। পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে আসন্ন আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলিতে ভারতীয় দলে রয়েছেন গিল। ২০১৭ ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলেছেন, অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অধিনায়কও ছিলেন। তবে এখনও সিনিয়র জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়নি তাঁর। ২০২১-২২ আইএসএলের গোল্ডেন গ্লাভ জয়ী গিল এ বার সেই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া।জর্ডনে আল-হুসেইনের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচের আগে ইস্টবেঙ্গল মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের যাত্রার কথা বলেন তিনি।
ইস্টবেঙ্গলে নিজের যাত্রা নিয়ে গিল বলেন, “আমার যাত্রাটা অসাধারণ। দল হিসেবে অনেক ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। প্রথম মরসুমটা মিশ্র অভিজ্ঞতার ছিল। ২০২৩ ডুরান্ডের ফাইনালে হেরেছিলাম, আইএসএলেও শুরুটা খারাপ হয়েছিল। কিন্তু সুপার কাপ জিতে ১২ বছর পর ক্লাবকে জাতীয় ট্রফি জিতিয়েছিলাম এবং এএফসি প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিয়েছিলাম।”
পরের মরসুমের কঠিন সময়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। “দীর্ঘ জয়হীন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। তবু আমরা একসঙ্গে থেকেছি। আইএসএলে অল্পের জন্য সেরা ছয়ে ঢুকতে পারিনি। সেই অভিজ্ঞতাই ২০২৫-২৬ মরসুমে প্রতিটি প্রতিযোগিতায় ভাল করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আইএফএ শিল্ড ও সুপার কাপের ফাইনালে উঠেছি, শেষে আইএসএল জিতেছি। এ মরসুমেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বে উঠেছি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেছি।”
২০২৫-২৬ আইএসএলের ডার্বিতে জেমি ম্যাকলারেনের বিরুদ্ধে তাঁর সেই অতিরিক্ত সময়ের সেভ এখনও গিলের কাছে বিশেষ। তাঁর কথায়, “ওটা পুরোপুরি ইনস্টিংক্ট থেকে হয়েছিল। একমাত্র লক্ষ্য ছিল বলটা আটকানো। পরে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দেখে বুঝেছিলাম, আইএসএল জয়ে ওই অবদানের গুরুত্ব কতটা। অনেকে আমাকে সেই মুহূর্তটা পায়ে ট্যাটু করাতে বলেছিলেন। প্রথমে রাজি ছিলাম না, কিন্তু মা জোর করায় করিয়েছি। এই ট্যাটুই আমার একমাত্র ট্যাটু থাকবে, কারণ মুহূর্তটা অসাধারণ ছিল। অনেকে ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে এমিলিয়ানো মার্তিনেসের সেভের সঙ্গে তুলনা করেন—এটা আমার কাছে বিরাট প্রশংসা।”
ডুরান্ড কাপে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে পেনাল্টি সেভ নিয়েও তাঁর বক্তব্য, “ইস্টবেঙ্গলে আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি প্রতিযোগিতা জেতা। প্রথম ম্যাচে ডার্বিতে হারলেও, যেখানে দু’দলেরই প্রস্তুতি প্রায় ছিল না, আমরা পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক ছিলাম এবং ফাইনালে আধিপত্য দেখিয়েছি। এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচে এবং পরে টাইব্রেকারে পেনাল্টি বাঁচানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল ঠিকই, কিন্তু আমি এটাকে কর্তব্য হিসেবেই দেখি। শেষ রক্ষাকর্তা হিসেবে কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে বাঁচানোই আমার কাজ।”
সমর্থকদের নিয়ে গিল বলেন, “বড় ক্লাবের হয়ে খেলার জন্যই এমন মুহূর্তের অপেক্ষা থাকে—ট্রফি জেতার জন্য। সমর্থকদের মুখে হাসি দেখলে আরও পরিশ্রম করতে ইচ্ছে করে। প্রতিটি অনুশীলনে সেরাটা দেওয়ার তাগিদ তৈরি হয়।”
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু নিয়েও আত্মবিশ্বাসী গিল। “আমরা খুব শক্তিশালী দল। বেশির ভাগ ফুটবলার বহু বছর ধরে একসঙ্গে খেলছি, তাই বোঝাপড়া অসাধারণ। জুলাই থেকে প্রস্তুতি শুরু করেছি। হাবাসের কোচিংয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-তে নিজেদের সেরাটা দেব। সমর্থক এবং দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।”
শেষে জাতীয় দলের ডাক প্রসঙ্গে গিলের বার্তা, “পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ফ্রেন্ডলির জন্য জাতীয় দলে ডাক পাওয়া বিরাট সম্মানের। ক্লাবের হয়ে সব সময় সেরাটা দিয়েছি। এ বার জাতীয় দলের হয়েও সেই পারফরম্যান্স করতে চাই। এটা বিশাল সুযোগ এবং আমি এর পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করতে চাই।”
আন্তর্জাতিক ফুটবল
ব্রাজিল-উরুগুয়ের বিরুদ্ধে নামার আগে রোমাঞ্চিত থাপা
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের FIFA আন্তর্জাতিক উইন্ডো ভারতের কাছে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই বিশেষ অনিরুদ্ধ থাপার জন্য। প্রায় দু’বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ২৮ বছরের এই মিডফিল্ডার। শেষ বার ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে মরিশাসের বিরুদ্ধে ভারতের জার্সিতে খেলেছিলেন তিনি। এ বার দেশের মাটিতে এক ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে ফেরার অপেক্ষায় থাপা।
২৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে পানামার বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। এরপর ৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবং ৬ অক্টোবর দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।
এই দুই ম্যাচ নিয়ে উচ্ছ্বসিত থাপা। তিনি বলেন, “সবাই জানে ব্রাজিল ও উরুগুয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ওদের বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে। একজন ফুটবলার হিসেবে ভারতের মাটিতে, দেশের সমর্থকদের সামনে ওদের বিরুদ্ধে খেলা আমার কাছে জীবনে একবার পাওয়া সুযোগ। আমি দেশের হয়ে খেলতে, নিজেকে পরীক্ষা করতে এবং দল হিসেবে আমরা কতটা ভালো, সেটা দেখতে মুখিয়ে রয়েছি। ওদের বিরুদ্ধে খেলে আমরা অনেক অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে পারি।”
২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা তিন দলের বিরুদ্ধে নামার সুযোগ ভারতীয় শিবিরে স্বাভাবিক ভাবেই উত্তেজনা তৈরি করেছে। তবে মাঠে নামার পর সেই উত্তেজনা সরিয়ে নিজেদের খেলায় মন দিতে চান থাপা। তাঁর কথায়, “এই ম্যাচগুলি নিয়ে আমরা যখন কথা বলি, তখন রোমাঞ্চ হয়। বিশেষ করে দেশের মাটিতে এই দলগুলির বিরুদ্ধে খেলার কথা ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়। কিন্তু মাঠে নামার পর বিষয়টা ১১ জন বনাম ১১ জন। আমাদের নিজেদের সেরাটা দিতে হবে এবং সেরা ফুটবল খেলতে হবে।”
মাঝমাঠের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সামলাতে গিয়ে শৃঙ্খলা ও সংযমকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন থাপা। তিনি বলেন, “আমাদের মোটিভেটেড থাকতে হবে, একই সঙ্গে শৃঙ্খলাবদ্ধও হতে হবে। দল হিসেবে শান্ত ও সংগঠিত থাকতে হবে এবং ৯০ মিনিট পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। কারণ এই দলগুলি আমাদের উপর চাপ তৈরি করবে। আমরা যদি ভুল কম করতে পারি, সেটাই ইতিবাচক হবে। মাঝমাঠ ও রক্ষণের মধ্যে যোগাযোগ খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। ওদের মান, ছোট জায়গায় খেলা এবং দ্রুত বল সরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ।”
নিজেদের সংগঠন ও দলগত পারফরম্যান্সেই জোর থাপার। তিনি বলেন, “দুই দলেরই অসাধারণ মান রয়েছে। আমাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ থেকে একসঙ্গে খেলতে হবে এবং দেশের জার্সির জন্য লড়াই করতে হবে। আমরা ঘরের মাঠে, সমর্থকদের সামনে খেলব। তাই নিজেদের সেরাটা দিতে হবে।”
শুধু ম্যাচের ফল নয়, এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়াকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন থাপা। তাঁর কথায়, “৯০ মিনিটে আমরা কী করি, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে ম্যাচের পর আমরা কী শিখলাম, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাঠে এই ধরনের দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ আমরা খুব বেশি পাই না।”
শেষে সমর্থকদের মাঠে এসে পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে থাপা বলেন, “এই মানের দলগুলি ভারতে এসে ভারতের বিরুদ্ধে খেলছে। সমর্থকদের জন্যও এটা বিরল সুযোগ। আপনারা মাঠে আসুন, বরাবরের মতো আমাদের সমর্থন করুন। আমরা দেশের জন্য নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।”
ফুটবল
CFL 2026: পাঁচ গোলে কোল ইন্ডিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পেল মোহনবাগান
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের শুরুতেই গোলের বন্যা। কলকাতা লিগের প্রথম ম্যাচে কোল ইন্ডিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আত্মবিশ্বাস ফেরানোর বার্তা দিল মোহনবাগান। বড় ম্যাচের পর একাদশে একাধিক বদল এনেও আক্রমণের ধার এতটুকু কমেনি সবুজ-মেরুনের। প্রথমার্ধেই পাঁচ গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তারা। যদিও বিরতির পর গতি ও ফিটনেসে কিছুটা অভাব দেখা যায়, যার সুযোগে একটি গোল পরিশোধ করে কোল ইন্ডিয়া।
শুরুটা অবশ্য খুব একটা সহজ ছিল না। প্রথম ১৫ মিনিট সংগঠিত রক্ষণে মোহনবাগানের আক্রমণ আটকে রাখে কোল ইন্ডিয়া। কিন্তু ২১ মিনিটে সেই প্রতিরোধ ভাঙেন মনবীর সিং। সাহাল আব্দুল সামাদের নিখুঁত পাস ধরে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
এর পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সবুজ-মেরুনকে। ৩৪ মিনিটে সাহাল নিজেই গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তার তিন মিনিট পরই সন্দীপ মালিকের দুর্দান্ত গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে মোহনবাগান। ৩৮ মিনিটে কিয়ান নাসিরির গোলে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৪-০। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আসে পঞ্চম গোল। বক্সের মধ্যে মনবীরকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। স্পট কিক থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে প্রথমার্ধেই কোল ইন্ডিয়ার লড়াই কার্যত শেষ করে দেন মনবীর।
বিরতির পর অবশ্য ম্যাচের চেহারা কিছুটা বদলায়। হ্যাটট্রিকের হাতছানি থাকলেও একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন মনবীর। ৭৪ মিনিটে সন্দীপের পাস থেকে সায়ন ব্যানার্জির শট আটকে দেন কোল ইন্ডিয়ার গোলরক্ষক সঞ্জয় কুমার। ফিরতি বলেও গোল করতে ব্যর্থ হন মনবীর। এর কিছুক্ষণ পর কোল ইন্ডিয়ার পাল্টা আক্রমণে নিজেদের বক্সে হাতে বল লাগিয়ে বসেন রাজ বাসফোর। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান ইরফান সরদার। শেষ দিকে আর কোনও বিপদ হতে দেয়নি মোহনবাগান। ৫-১ গোলের জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের অভিযান শুরু করে স্বস্তি নিয়েই মাঠ ছাড়ে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: আলজেরিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা
-
ফুটবল3 months agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: এক ভুলেই সর্বনাশ কোরিয়ার, নকআউটে জায়গা পাকা মেক্সিকোর
-
ফুটবল3 months ago৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় মেয়েরা
-
ফুটবল1 month agoমোহনবাগানে ‘মিজো ফ্ল্যাশ’ ছাংতে
-
আইএসএল1 month agoব্রাজিল ম্যাচের পর আইএসএল, সম্ভাব্য শুরু ১৫ অক্টোবর
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: জার্মান ঝড়ে বিধ্বস্ত কুরাকাও, ৭-১ গোলের বিশাল জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের
