Connect with us

ফুটবল

শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা জিততে মহারণে গুরু-শিষ্য লড়াই

Published

on

সৌরভ রায়, নিউ জার্সি: দীর্ঘ লড়াই শেষে মহারণের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব। রবিবার বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা এবং স্পেন। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বজয়ের হাতছানি লিওনেল মেসিদের সামনে। অন্যদিকে, ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে মরিয়া স্পেন। একদিকে গুরু বনাম শিষ্যের লড়াই, অন্যদিকে মেসি বনাম ইয়ামাল। নিউ জার্সির মেগা ম্যাচ যেন সত্যিই যুদ্ধের শেষ রাত। ইতিহাসের প্রথম অধিনায়ক হিসাবে নিজের দেশকে তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন লিওনেল মেসি। একবার শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা অর্জন করেছেন, আরও একবার বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি ছোঁয়ার হাতছানি। তাই চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ ধাপে এসে আর কোনও ভুল করতে চান না লিওনেল মেসিরা। লড়াই কঠিন হলেও, চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল স্পেন। এখনও পর্যন্ত মাত্র একটি গোল হজম করেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ফলে কুকুরেয়া, কুবারসিদের রক্ষণ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হবে মেসি, মার্টিনেজদের। অন্যদিকে, আর্জেন্টাইন রক্ষণ দুর্বল হলেও আক্রমণের ঝাঁঝ অনেক বেশি। দূর্গের শেষ প্রহরী এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে এক হাড্ডাহাড্ডি ডুয়েলের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

মেগা ম্যাচে মাঠে নামার চব্বিশ ঘণ্টা আগে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই অনুশীলন করলেন লিওনেল মেসিরা। শুরুতে বল পায়ে পাসিংয়ের মহড়া, ফিজিক্যাল ট্রেনিং এবং ফান গেমে অংশ নিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। বড় ম্যাচের আগে দলকে চাপমুক্ত রাখতে এটাই লিওনেল স্কালোনির টোটকা। স্থানীয় সময় সকাল ১১:৩০ টায় অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, বাধ সাধল বৃষ্টি। বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের কারণে দীর্ঘক্ষণ জিনেই গা ঘামালেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা। যদিও খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাদের। বৃষ্টি থামতেই মাঠে নামলেন মেসি, মার্টিনেজ, রডরিগো ডি’পলরা। দুটি ভাগে ভাগ করে মাঠে নেমেই শুরু করলেন পাসিংয়ের অনুশীলন। ফিটনেসের দিকেও কড়া নজর দিলেন স্কালোনি। পরে আবার বৃষ্টি নামলেও, আবহাওয়ার ভ্রুকুটিকে উপেক্ষা করেই স্পেন বধের প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা। বল পায়ে ফুটবলারদের উপর কড়া নজর রাখলেন স্কালোনি। তাঁর হাত ধরেই ২০২২ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। আরও একবার বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছেন স্কালোনি।

বিশ্বকাপ ফাইনালে আরও এক লড়াই আলাদা করে উন্মাদনা বাড়িয়েছে। স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে একসময় কোচিং শিখিয়েছিলেন লিওনেল স্কালোনিকে। প্রায় এক দশক পর গুরু-শিষ্য মুখোমুখি বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে। আবার একরত্তি ইয়ামালের সঙ্গে তরুণ মেসির ফটোশুটের ছবিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল। একদিকে যখন বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত আর্জেন্টাইন, তখন বৃষ্টির কারণেই অনুশীলন বাতিল করল স্পেন। ফাইনালে মাঠে নামার আগে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা চিন্তায় রাখছে দুই দলকে। কানাডায় সৃষ্টি দাবানলের প্রভাব পড়েছে আমেরিকার পরিবেশে। প্রবল বায়ুদূষণের কারণে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। যদিও শনিবারের বৃষ্টি অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে। সূত্রের খবর, রবিবার মেগা ফাইনালের দিন আবহাওয়ার প্রভাব ম্যাচের উপর পড়বে না। তবে ফাইনালে মাঠে নামার আগে সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আইএসএল

কলকাতায় প্যানস, দ্রাজিচ ও অ্যালেক্সকে দলে নিয়ে শক্তি বাড়াল সবুজ-মেরুন শিবির

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : নতুন মরসুমের আগে দল গঠনে গতি বাড়াল মোহনবাগান। রবিবার সকালেই কলকাতায় পৌঁছে গেলেন সবুজ-মেরুনের নতুন হেড কোচ প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিস। বিমানবন্দরে সবুজ-মেরুন উত্তরীয়, ফুল ও মালা দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান ক্লাব কর্তারা এবং সমর্থকেরা। অনুরাগীদের সঙ্গে হাসিমুখে সেলফিও তোলেন তিনি। বিকেলে কলকাতা লিগের খেলা দেখতে পৌঁছে গেলেন মোহনবাগান গ্রাউন্ডে। এদিকে বুধবার কলকাতায় আসছেন নতুন বিদেশি মিডফিল্ডার ড্রাজিচ। দু’বছরের চুক্তিতে যোগ দেওয়া সার্বিয়ান ফুটবলার গত দুই মরসুমে এফসি গোয়ার হয়ে নিজের সৃজনশীল ফুটবলে নজর কেড়েছেন। ক্লাবে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বলেন, “ভারতে আসার আগে থেকেই কলকাতা ডার্বি সম্পর্কে শুনেছি। এটা এশিয়ার অন্যতম সেরা ডার্বি। আইএসএল খেলার সময় দেখেছি এই ম্যাচ নিয়ে ক্লাব সমর্থকদের আবেগ এবং উন্মাদনা থাকে। এটা একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা হবে। যেকোনও ফুটবলারের কাছেই স্বপ্ন থাকে এরকম ম্যাচ খেলার। আমিও এই উত্তেজনা উপভোগ করতে চাই। কলকাতা ডার্বির উত্তেজনা এবং পরিবেশ দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।” রক্ষণভাগের শক্তি বাড়াতে তিন বছরের চুক্তিতে মোহনবাগান সই করাল সেন্টার-ব্যাক অ্যালেক্স সাজিকে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই রক্ষণ আরও মজবুত করতে এই ভারতীয় ফুটবলারকে দলে টেনেছে সবুজ-মেরুন শিবির।

Continue Reading

ফুটবল

CFL 2026: নতুন কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিসকে জয় উপহার দিল মোহনবাগান…

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: নতুন হেড কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিসের সামনে জয়ের হাসি ফিরল মোহনবাগান শিবিরে। দীর্ঘক্ষণ কালীঘাটের শক্ত রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হলেও শেষ ১৬ মিনিটে তিন গোল করে দাপুটে জয়ে মাঠ ছাড়ল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। রবিবার মোহনবাগান মাঠে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে কালীঘাটকে হারিয়ে কলকাতা লিগে আবারও জয়ের সরণীতে ফিরল মোহনবাগান।
রবিবারের বিকেলে মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরির মাঝেই ছুটির দিনের সুযোগে গ্যালারি ভরিয়ে দেন বাগান সমর্থকেরা। আর সেই ম্যাচেই প্রথমবার মাঠে উপস্থিত থেকে দলের খেলা খুঁটিয়ে দেখলেন সদ্য দায়িত্ব নেওয়া গ্রিক কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস। সকালে কলকাতায় পৌঁছেই তিনি সরাসরি চলে আসেন মোহনবাগান মাঠে। তাঁর নির্দেশেই কলকাতা লিগের দলে সুযোগ পান সিনিয়র দলের একাধিক ফুটবলার— বিশাল কাইথ, সাহাল আব্দুল সামাদ, অনিরুদ্ধ থাপা, কিয়ান নাসিরি, সুহেল ভাটরা।
তবে তারকা-সমৃদ্ধ দল নিয়েও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি মোহনবাগান। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল সবুজ-মেরুনদের। কিন্তু কালীঘাটের সুশৃঙ্খল রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ হয়। সুহেল, কিয়ানদের একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় দলকে। ফলে গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যেতে হয় মোহনবাগানকে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কোচ বাস্তব রায়। তিনি একাধিক পরিবর্তন এনে মাঠে নামান লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিং ও সন্দীপ মালিককে। সেই পরিবর্তনের ফল মিলতেও বেশি সময় লাগেনি। দুই উইং দিয়ে দ্রুতগতির আক্রমণে কালীঘাটের রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয় মোহনবাগান।
ম্যাচের ৭৪ মিনিটে বক্সের ভিতরে সন্দীপ মালিককে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। স্পট-কিক থেকে নির্ভুল শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মনবীর সিং। সেই গোলের পরই আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় সবুজ-মেরুন শিবির। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তন্ময়। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে জয়ের সিলমোহর দেন দীপেন্দু বিশ্বাস।
গোল না পেলেও ম্যাচজুড়ে নজর কেড়েছেন সায়ন ব্যানার্জি। দুই প্রান্তে তাঁর অবিরাম দৌড়, আক্রমণ গড়ে তোলার দক্ষতা এবং রক্ষণে সাহায্য করার মানসিকতা নতুন কোচের নজর কেড়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। নিজের পারফরম্যান্সে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বড় মঞ্চে সুযোগ পেলে দলের ভরসা হতে পারেন।
তবে জয় এলেও দলের ম্যাচ-ফিটনেস নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। সিনিয়র দলের একাধিক ফুটবলারকে এখনও পুরো ছন্দে দেখা যায়নি। ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডার্বি অপেক্ষা করছে। ফলে সময় খুবই কম।
সেই কারণেই গোটা ম্যাচ জুড়ে নোটবুক হাতে প্রতিটি মুহূর্ত পর্যবেক্ষণ করেছেন প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস। কোন জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন, কার ভূমিকা কী হবে— সবই খুঁটিয়ে দেখেছেন নতুন কোচ। সোমবার ফুটবলারদের সঙ্গে বৈঠক করে মঙ্গলবার থেকে পূর্ণোদ্যমে অনুশীলন শুরু করবে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। ডার্বির আগে এই জয় যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াল, তেমনই নতুন কোচের কাছে দলের শক্তি ও দুর্বলতার ছবিটাও অনেকটাই স্পষ্ট করে দিল।

Continue Reading

ফুটবল

FIFA WC 2026: রেকর্ড ভেঙেও তৃপ্ত নন এমবাপে

Published

on



রে স্পোর্টজ প্রতিবেদন: বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড গড়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ২২-এ পৌঁছে লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন ফ্রান্স অধিনায়ক। কিন্তু ব্যক্তিগত এই কীর্তি তাঁকে আনন্দ দিতে পারেনি। কারণ, তাঁর চোখে সবচেয়ে বড় আক্ষেপ— বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতে না পারা।
ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে হেরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ শেষ করার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এমবাপে বলেন, ব্যক্তিগত রেকর্ডের চেয়ে দলগত সাফল্যই তাঁর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ফরাসি তারকা বলেন, “আমি চাই প্রতিবারই দলের জন্য গোল করতে। এত গোল করা অবশ্যই বিশেষ অনুভূতি, কিন্তু এই রেকর্ড না পেলেও যদি ফাইনালে খেলতে পারতাম, সেটাই বেশি পছন্দ করতাম।”
রোববারের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সাবেক সতীর্থ লিওনেল মেসির ওপর ভরসা প্রকাশ করেন এমবাপে। হাসিমুখেই তাঁর মন্তব্য, “লিও তো সব সময়ই গোল করে। ফাইনালেও সে অবশ্যই গোল করবে।”
বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে এমবাপে বলেন, এই মুহূর্তে তিনি রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন না। তাঁর কথায়, “ক্যারিয়ার শেষ হলে হয়তো বুঝতে পারব আমি কিংবদন্তিদের একজনের পাশে নিজের নাম লিখিয়েছি। কিন্তু এখন আমার মাথায় শুধু দলের জন্য আরও ভালো কিছু করতে না পারার আক্ষেপ।”
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ফ্রান্স। সেই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের ব্যাখ্যায় এমবাপে স্বীকার করেন, শুরুটা ছিল দলের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো।
তিনি বলেন, “প্রথমার্ধ দেখে সমর্থকরা হতাশ হলে আমি তাদের দোষ দেব না। আমরা মানুষ, খারাপ দিন আসতেই পারে। প্রথম ৪৫ মিনিটে আমরা নিজেদের মতো খেলতেই পারিনি।”
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল বলেও জানান তিনি। এমবাপের ভাষায়, “বিরতির পর আমরা অনেক ভালো ফুটবল খেলেছি, অনেক বেশি আবেগ নিয়ে লড়েছি। দ্বিতীয়ার্ধ জিতেছি, কিন্তু ম্যাচটা আর ফিরিয়ে আনতে পারিনি।”
এই ম্যাচ দিয়েই ফ্রান্সের কোচ হিসেবে শেষবারের মতো ডাগআউটে দাঁড়ালেন দিদিয়ের দেশম। দীর্ঘদিনের কোচকে জয় উপহার দিতে না পারার আক্ষেপও ঝরে পড়ে এমবাপের কণ্ঠে।
তিনি বলেন, “আমরা ওনার জন্য বিশেষ কিছু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রথমার্ধে যেভাবে খেলেছি, তাতে মনে হয়েছে আমরা তাঁকে হতাশ করেছি। তবে এই একটি ম্যাচ তাঁর অসাধারণ অবদানকে কখনও ম্লান করতে পারবে না। ফরাসি ফুটবলের জন্য তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ।”
ব্যক্তিগত রেকর্ডের রাতেও তাই এমবাপের কণ্ঠে ছিল না উচ্ছ্বাস, ছিল শুধুই অপূর্ণতার আক্ষেপ। আর সেই আক্ষেপের মাঝেও ফুটবল বিশ্বের নজর ঘুরিয়ে দিলেন আরেক কিংবদন্তির দিকে— তাঁর বিশ্বাস, বিশ্বকাপের ফাইনালে আবারও গোল করবেন লিওনেল মেসি।

Continue Reading

Trending