Connect with us

ফুটবল

SUPER CUP 2025: লজ্জার হার মহামেডানের। নর্থইস্টের কাছে গোলের মালা পড়ল সাদা-কালো ব্রিগেড। জানতে পড়ুন…

Published

on

সায়ন দে, ভুবনেশ্বর: গোটা মরশুম কখনও ক্লাবের অন্দরমহলে বিতর্ক, আবার কখনও ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বেতন না দেওয়ায় অনুশীলন বয়কট করা, সব মিলিয়ে চলতি মরশুম মহামেডানের প্রাপ্তি ছিল শুধুই হতাশা এবং ব্যর্থতা। সুপার কাপেও দল নামানো নিয়ে চলেছে একপ্রস্ত বিতর্ক। তবে বৃহস্পতিবার নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামলেও, জয়ের মানসিকতার অভাব ছিল ফুটবলারদের মধ্যে। সেই মতোই নর্থইস্টের কাছে ০-৬ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে সুপার কাপের যাত্রা শেষ করল মহামেডান স্পোর্টিং। নর্থইস্টের হয়ে এদিন হ্যাটট্রিক করেন আলাদিন আজারাই। একটি করে গোল করেন গিলেরমো ফার্নান্দেজ, নেস্টর আলবিয়াক এবং জিথিন এমএস। 

প্রথমার্ধের শুরুতেই নেস্টর আলবিয়াকের ক্রস থেকে গোল করে নর্থইস্টকে এগিয়ে দেন জিথিন এমএস। পরক্ষনেই আক্রমণে উঠে আসে মহামেডান ফুটবলাররাও। তবে আক্রমণে উঠলেও অপরপ্রান্তে গিলেরমোর বাড়ানো বল থেকে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন চলতি মরশুম আইএসএলের সর্বাধিক গোলদাতা আলাদিন আজারাই। ম্যাচের ৪২ মিনিটে আরও একটি গোল করেন নেস্টর আলবিয়াক। ফলে প্রথমার্ধে ০-৩ গোলে পিছিয়ে সাজঘরে ফেরে মহামেডান স্পোর্টিং। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও আক্রমণাত্মক মেজাজেই দেখা যায় নর্থইস্ট ফুটবলারদের। সেই সুবাদেই ম্যাচের ৫৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করেন আলাদিন আজারাই। ৬১ মিনিটে রবি হাঁসদার একটি শট বারে লেগে প্রতিহত হয়। ৬৬ মিনিটে ব্যবধান ৫-০ করেন গিলেরমো ফার্নান্দেজ। সংযুক্তি সময়ে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন আলাদিন আজারাই। ফলে ৬-০ গোলে মহামেডানকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা পাকা করল নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

ACL2: জয় হাতছাড়া, তবু এশিয়ার মঞ্চে লড়াইয়ের নাম ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: লড়াইয়ের আর এক নাম ইস্টবেঙ্গল। স্কোরবোর্ডে হয়তো শেষ পর্যন্ত লেখা থাকল ২-২। জয় এল না, তিন পয়েন্টও নয়। কিন্তু এশিয়ার মঞ্চে আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটে যে লড়াই দেখাল লাল-হলুদ, তার পর বারবার একটা কথাই বলা যায়—ভিনদেশিদের বিরুদ্ধে এই দেশের জবাব এখন ইস্টবেঙ্গলই দিতে পারে। ম্যাচের আগে থেকেই ছিল একাধিক সমস্যা। শরীর খারাপের কারণে দলের সঙ্গে আসতে পারেননি ক্রিস। দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন ছিল। তার উপর আক্রমণভাগেও ছিল ঘাটতি। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিই যেন ইস্টবেঙ্গলের লড়াই করার জেদ আরও বাড়িয়ে দিল।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা গেল ইস্টবেঙ্গলকে। মাত্র ৯ মিনিটেই এল প্রথম সাফল্য। রাশিদের বাড়ানো বল পেয়েছিলেন এডমুন্ড। তাঁর শট সেভ করেন আল হুসেইনের গোলরক্ষক। কিন্তু রিবাউন্ড চলে আসে রামিরেজের সামনে। দ্বিতীয়বার আর ভুল করেননি তিনি। জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন রামিরেজ। মাঝমাঠ থেকে উঠে এসে শুধু গোল করাই নয়, গোটা প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের খেলায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি।

তবে গোল হজম করেও চুপ করে বসে থাকেনি আল হুসেইন। ১৬ মিনিটে আরেফ হাইথামের ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোরালো শট অল্পের জন্য বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ১৮ মিনিটে জিভুলিচের ভুল থেকে বল পেয়ে যান গোগো। তাঁর শট থেকে কর্নার পায় আল হুসেইন। সেই কর্নার থেকে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন ইউসেফ। সামনে কার্যত ফাঁকা গোল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। বল ডিফ্লেক্ট হয়ে আবার কর্নার হয়। দ্বিতীয় কর্নার থেকে ইউসেফের জোরালো হেডার সরাসরি লক্ষ্যে ছিল। কিন্তু গোলের সামনে তখন প্রস্তুত প্রভসুখন গিল। দুর্দান্ত সেভে দলকে বাঁচান ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক।

বারবার অফসাইড ট্র্যাপে আল হুসেইনের ফুটবলারদের আটকে দিচ্ছিল ইস্টবেঙ্গল। রক্ষণভাগও নিজেদের জায়গা ধরে রাখার চেষ্টা করছিল। ৩৩ মিনিটে গোগোর দূরপাল্লার শট বাইরে চলে যায়। ৩৭ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসেছিলেন মাহমুদ আলমার্দি। বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়া সেই আক্রমণ দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করেন জিভুলিচ।

তার ঠিক এক মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। জয় গুপ্তার বাড়ানো বল আল হুসেইনের ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে পৌঁছে যায় এডমুন্ডের কাছে। সামনে তখন ফাঁকা গোল। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে বল বাইরে উড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে গোল হয়ে গেলে হয়তো ম্যাচের ছবিটাই অন্যরকম হতে পারত। হয়তো প্রথমার্ধেই তিন গোলের ব্যবধান তৈরি করে ফেলত ইস্টবেঙ্গল।

তবে এডমুন্ডের মিসের পরেও থামেনি লাল-হলুদ। ৪০ মিনিটে আবার রামিরেজ। এবার তাঁর কর্নার থেকে উঠে এলেন আনোয়ার আলি। নিখুঁত হেডারে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনোয়ার। রামিরেজের পা থেকে প্রথম গোল, তাঁর কর্নার থেকে আনোয়ারের দ্বিতীয় গোল—প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইয়ের দুই মুখ হয়ে উঠলেন এই দুজন। রক্ষণ সামলে শুধু নিজের কাজটুকু করেননি আনোয়ার, প্রয়োজনের সময় সামনে উঠে এসে দলকে এনে দিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গোল।

দুই গোলের লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নামে ইস্টবেঙ্গল। ৪৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে পড়ে গিয়ে পেনাল্টির আবেদন করেন আল হুসেইনের আরেফ। কিন্তু রেফারি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। উল্টে ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ে যাওয়ার অভিযোগে হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ৫২ মিনিটে আবার আল হুসেইনের আক্রমণ। একক নৈপুণ্যে সেই আক্রমণ আটকে দেন আনোয়ার আলি। প্রথমার্ধে গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধেও রক্ষণে বুক চিতিয়ে লড়াই চালিয়ে যান তিনি।

৫৫ মিনিটে আসিফ খানের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন রামিরেজ। গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার বল জালে রাখতে পারেননি তিনি। ৫৮ মিনিটে আসিফ খানের জায়গায় মাঠে নামেন বিপিন সিং। ইস্টবেঙ্গল তখনও ব্যবধান ধরে রাখার পাশাপাশি তৃতীয় গোলের সন্ধান করছে।

কিন্তু ৬১ মিনিটে ম্যাচে ফিরে আসে আল হুসেইন। অধিনায়ক আলমার্দি খারৌবারের মাইনাস থেকে বল পেয়ে গোল করে ব্যবধান কমান। ২-১। ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা। ৬২ মিনিটে বিপিন সিংয়ের শট গোলরক্ষকের হাতে গিয়ে আটকে যায়। ইস্টবেঙ্গলও তখন পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ৬৫ মিনিটে আবার গিল। ইউসেফের জোরালো শট। কিন্তু গোলের সামনে প্রভসুখন গিলের দুর্দান্ত সেভ। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলকে বাঁচিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।

৬৭ মিনিটে একসঙ্গে চারটি পরিবর্তন করে ইস্টবেঙ্গল। হার্দিক ভাটের জায়গায় আসেন গেহলট, এডমুন্ডের জায়গায় ডেভিড, রামিরেজের জায়গায় রেনিয়ার ফার্নান্ডেজ এবং জয় গুপ্তার জায়গায় দানু। রামিরেজের রাত তখন শেষ। কিন্তু মাঠ ছাড়ার আগে তিনি রেখে গেলেন দলের হয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল এবং আনোয়ারের গোলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্নার। মাঝমাঠে তাঁর লড়াইও ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রথমার্ধের অন্যতম বড় শক্তি।

৭৬ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন জিকশন। সময় তখন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ইস্টবেঙ্গল ২-১ এগিয়ে। মনে হচ্ছিল, এত প্রতিকূলতার পরও হয়তো এশিয়ার মঞ্চ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরবে লাল-হলুদ। কিন্তু ম্যাচ তখনও শেষ হয়নি।

৮৮ মিনিটে এল সেই ধাক্কা। অবাইদার ক্রস থেকে গোল করেন আহমেদ আসাফ। ২-২। শেষের দিকে সমতা ফিরিয়ে ম্যাচে পুরোপুরি ফিরে আসে আল হুসেইন। ইস্টবেঙ্গলের দুই গোলের লিড তখন অতীত। এতক্ষণ বুক দিয়ে আগলে রাখা তিন পয়েন্ট যেন হাতের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।

তবু শেষ মুহূর্তেও লড়াই থামেনি। ৯৩ মিনিটে আরেফের গোলমুখী শট। সেই বল যদি জালে ঢুকে যেত, তাহলে ম্যাচের ফল আরও ভয়াবহ হতে পারত। কিন্তু আবারও সামনে প্রভসুখন গিল। অসাধারণ সেভে দলকে ম্যাচে রাখলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে গোল হজম না করে অন্তত এক পয়েন্ট নিশ্চিত করলেন গিল।

শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরলাইন ২-২। তিন পয়েন্ট এল না। কিন্তু এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইটা থেকে গেল। দলের আক্রমণভাগে প্রয়োজনীয় ফুটবলার নেই, ক্রিস শরীর খারাপের জন্য নেই, একাধিক ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও সমস্যা ছিল। তারপরও আল হুসেইনের বিরুদ্ধে এশিয়ার মঞ্চে এমন ফুটবল খেলল ইস্টবেঙ্গল। রিজার্ভ বেঞ্চ আরেকটু ভালো পারফর্ম করতে পারলে হয়তো ম্যাচটা বেরিয়ে যেতে পারত। এডমুন্ডের সেই ফাঁকা গোলের সুযোগটাও যদি কাজে লাগত, তাহলে হয়তো তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ত লাল-হলুদ।

কিন্তু ফুটবল সবসময় হিসেব মেনে চলে না। কখনও কখনও জয় না পেয়েও একটি দল নিজেদের অন্যভাবে প্রতিষ্ঠা করে। এই ম্যাচে রামিরেজ গোল করে শুরুটা করেছিলেন, আনোয়ার গোল করে লিড বাড়িয়েছিলেন, আর প্রভসুখন গিল শেষ পর্যন্ত গোলের নিচে দাঁড়িয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন। বিশেষ করে গিল—আল হুসেইনের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাঁর সেভগুলোই ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচে রেখেছে।

ফলাফল ২-২। এক পয়েন্ট। কিন্তু সেই এক পয়েন্টের পিছনে রয়েছে ৯০ মিনিটের লড়াই, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই, ঘাটতির সঙ্গে লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই। জয় আসেনি, তবু মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়তে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। কারণ এশিয়ার মঞ্চে আবারও লাল-হলুদ বুঝিয়ে দিল—লড়াই করতে হলে নামটা এখনও ইস্টবেঙ্গল।

Continue Reading

ফুটবল

১৬ জনকে নিয়েই ভারতীয় দলের শিবির শুরু

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সামনে একের পর এক বড় পরীক্ষা। আসন্ন ফিফা উইন্ডোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, উরুগুয়ে এবং পানামার বিরুদ্ধে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ভারত। সেই কঠিন সূচির আগে প্রায় দেড় সপ্তাহের প্রস্তুতি শিবির চেয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ খালিদ জামিল। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী সোমবার বেঙ্গালুরুতে শুরু হল জাতীয় দলের ক্যাম্প। কিন্তু প্রথম দিনেই দেখা গেল ফুটবলার সংকট। ২৬ জনের স্কোয়াডের মধ্যে এদিন অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১৬ জন।
ইস্ট বেঙ্গল বর্তমানে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলতে জর্ডনে রয়েছে। ফলে দলের চার ফুটবলার আনোয়ার আলি, এডমুন্ড লালরিন্ডিকা, প্রভসুখন সিং গিল এবং জয় গুপ্তা পরে জাতীয় শিবিরে যোগ দেবেন। অন্যদিকে কলকাতা লিগে এখনও খেতাবের লড়াইয়ে রয়েছে মোহনবাগান। তাই মনবীর সিং এবং সাহাল আবদুল সামাদকে এখনই ছাড়েনি সবুজ-মেরুন শিবির। ১৯ সেপ্টেম্বর দলের লিগ ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাঁদের জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার কথা।
চোটের কারণে এই শিবিরে নেই অনিরুদ্ধ থাপা। আজ বেঙ্গালুরু শিবিরে যোগ দেবেন মেহেতাব।
একইসঙ্গে আইএসএলের প্রস্তুতির জন্য নিজেদের ম্যাচ থাকায় রায়ান উইলিয়ামস, আশিক কুরুনিয়ান এবং রিকি মেইতেইকেও এখনই ছাড়েনি বেঙ্গালুরু এফসি। ফেডারেশন সূত্রে খবর, বুধবার রাতেই তাঁদের জাতীয় শিবিরে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে পুরো দলকে হাতে পাচ্ছেন না খালিদ। পানামার বিরুদ্ধে ম্যাচ ২৫ সেপ্টেম্বর। ফলে ম্যাচের আগে পূর্ণ দল নিয়ে অনুশীলনের জন্য কোচের হাতে থাকছে মাত্র পাঁচ দিন।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

কারাবাও কাপে আর্সেনাল-লিভারপুলের দাপট, নজর কাড়লেন ১৬ বছরের ডাওম্যান

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: কারাবাও কাপের তৃতীয় রাউন্ডে জয় দিয়ে চতুর্থ রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করল আর্সেনাল ও লিভারপুল। ইপসউইচ টাউনকে ৪-২ গোলে হারাল আর্সেনাল। অন্যদিকে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে পরের রাউন্ডে পৌঁছে গেল লিভারপুল।
পোর্টম্যান রোডে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখায় আর্সেনাল। মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া ম্যাক্স ডাওম্যান সপ্তম মিনিটেই দুরন্ত একক প্রচেষ্টায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এদিন আর্সেনালের হয়ে জোড়া গোল করেন ডাওম্যান। তাঁর সঙ্গে গোলের তালিকায় নাম লেখান ননি মাদুয়েকে ও মিকেল মেরিনো। ফলে একসময় ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিকেল আর্তেতার দল। শেষ দিকে অনিস মেহমেতি ও প্রাক্তন আর্সেনাল ফুটবলার চুবা আকম গোল করলেও ম্যাচের ফল বদলাতে পারেনি ইপসউইচ।
অন্যদিকে অ্যানফিল্ডে টটেনহ্যামকে হারাল লিভারপুল। ২১ মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান কোডি গাকপো। তবে ৬৯ মিনিটে গ্যালাঘারের গোলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে টটেনহ্যাম। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে ২৫ গজ দূর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত করেন ডমিনিক সোবোস্লাই।

Continue Reading

Trending