আন্তর্জাতিক ফুটবল
ACL2: জয় হাতছাড়া, তবু এশিয়ার মঞ্চে লড়াইয়ের নাম ইস্টবেঙ্গল
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: লড়াইয়ের আর এক নাম ইস্টবেঙ্গল। স্কোরবোর্ডে হয়তো শেষ পর্যন্ত লেখা থাকল ২-২। জয় এল না, তিন পয়েন্টও নয়। কিন্তু এশিয়ার মঞ্চে আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটে যে লড়াই দেখাল লাল-হলুদ, তার পর বারবার একটা কথাই বলা যায়—ভিনদেশিদের বিরুদ্ধে এই দেশের জবাব এখন ইস্টবেঙ্গলই দিতে পারে। ম্যাচের আগে থেকেই ছিল একাধিক সমস্যা। শরীর খারাপের কারণে দলের সঙ্গে আসতে পারেননি ক্রিস। দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন ছিল। তার উপর আক্রমণভাগেও ছিল ঘাটতি। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিই যেন ইস্টবেঙ্গলের লড়াই করার জেদ আরও বাড়িয়ে দিল।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা গেল ইস্টবেঙ্গলকে। মাত্র ৯ মিনিটেই এল প্রথম সাফল্য। রাশিদের বাড়ানো বল পেয়েছিলেন এডমুন্ড। তাঁর শট সেভ করেন আল হুসেইনের গোলরক্ষক। কিন্তু রিবাউন্ড চলে আসে রামিরেজের সামনে। দ্বিতীয়বার আর ভুল করেননি তিনি। জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন রামিরেজ। মাঝমাঠ থেকে উঠে এসে শুধু গোল করাই নয়, গোটা প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের খেলায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি।
তবে গোল হজম করেও চুপ করে বসে থাকেনি আল হুসেইন। ১৬ মিনিটে আরেফ হাইথামের ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোরালো শট অল্পের জন্য বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ১৮ মিনিটে জিভুলিচের ভুল থেকে বল পেয়ে যান গোগো। তাঁর শট থেকে কর্নার পায় আল হুসেইন। সেই কর্নার থেকে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন ইউসেফ। সামনে কার্যত ফাঁকা গোল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। বল ডিফ্লেক্ট হয়ে আবার কর্নার হয়। দ্বিতীয় কর্নার থেকে ইউসেফের জোরালো হেডার সরাসরি লক্ষ্যে ছিল। কিন্তু গোলের সামনে তখন প্রস্তুত প্রভসুখন গিল। দুর্দান্ত সেভে দলকে বাঁচান ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক।
বারবার অফসাইড ট্র্যাপে আল হুসেইনের ফুটবলারদের আটকে দিচ্ছিল ইস্টবেঙ্গল। রক্ষণভাগও নিজেদের জায়গা ধরে রাখার চেষ্টা করছিল। ৩৩ মিনিটে গোগোর দূরপাল্লার শট বাইরে চলে যায়। ৩৭ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসেছিলেন মাহমুদ আলমার্দি। বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়া সেই আক্রমণ দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করেন জিভুলিচ।
তার ঠিক এক মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। জয় গুপ্তার বাড়ানো বল আল হুসেইনের ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে পৌঁছে যায় এডমুন্ডের কাছে। সামনে তখন ফাঁকা গোল। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে বল বাইরে উড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে গোল হয়ে গেলে হয়তো ম্যাচের ছবিটাই অন্যরকম হতে পারত। হয়তো প্রথমার্ধেই তিন গোলের ব্যবধান তৈরি করে ফেলত ইস্টবেঙ্গল।
তবে এডমুন্ডের মিসের পরেও থামেনি লাল-হলুদ। ৪০ মিনিটে আবার রামিরেজ। এবার তাঁর কর্নার থেকে উঠে এলেন আনোয়ার আলি। নিখুঁত হেডারে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনোয়ার। রামিরেজের পা থেকে প্রথম গোল, তাঁর কর্নার থেকে আনোয়ারের দ্বিতীয় গোল—প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইয়ের দুই মুখ হয়ে উঠলেন এই দুজন। রক্ষণ সামলে শুধু নিজের কাজটুকু করেননি আনোয়ার, প্রয়োজনের সময় সামনে উঠে এসে দলকে এনে দিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গোল।
দুই গোলের লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নামে ইস্টবেঙ্গল। ৪৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে পড়ে গিয়ে পেনাল্টির আবেদন করেন আল হুসেইনের আরেফ। কিন্তু রেফারি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। উল্টে ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ে যাওয়ার অভিযোগে হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ৫২ মিনিটে আবার আল হুসেইনের আক্রমণ। একক নৈপুণ্যে সেই আক্রমণ আটকে দেন আনোয়ার আলি। প্রথমার্ধে গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধেও রক্ষণে বুক চিতিয়ে লড়াই চালিয়ে যান তিনি।
৫৫ মিনিটে আসিফ খানের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন রামিরেজ। গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার বল জালে রাখতে পারেননি তিনি। ৫৮ মিনিটে আসিফ খানের জায়গায় মাঠে নামেন বিপিন সিং। ইস্টবেঙ্গল তখনও ব্যবধান ধরে রাখার পাশাপাশি তৃতীয় গোলের সন্ধান করছে।
কিন্তু ৬১ মিনিটে ম্যাচে ফিরে আসে আল হুসেইন। অধিনায়ক আলমার্দি খারৌবারের মাইনাস থেকে বল পেয়ে গোল করে ব্যবধান কমান। ২-১। ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা। ৬২ মিনিটে বিপিন সিংয়ের শট গোলরক্ষকের হাতে গিয়ে আটকে যায়। ইস্টবেঙ্গলও তখন পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ৬৫ মিনিটে আবার গিল। ইউসেফের জোরালো শট। কিন্তু গোলের সামনে প্রভসুখন গিলের দুর্দান্ত সেভ। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলকে বাঁচিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
৬৭ মিনিটে একসঙ্গে চারটি পরিবর্তন করে ইস্টবেঙ্গল। হার্দিক ভাটের জায়গায় আসেন গেহলট, এডমুন্ডের জায়গায় ডেভিড, রামিরেজের জায়গায় রেনিয়ার ফার্নান্ডেজ এবং জয় গুপ্তার জায়গায় দানু। রামিরেজের রাত তখন শেষ। কিন্তু মাঠ ছাড়ার আগে তিনি রেখে গেলেন দলের হয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল এবং আনোয়ারের গোলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্নার। মাঝমাঠে তাঁর লড়াইও ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রথমার্ধের অন্যতম বড় শক্তি।
৭৬ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন জিকশন। সময় তখন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ইস্টবেঙ্গল ২-১ এগিয়ে। মনে হচ্ছিল, এত প্রতিকূলতার পরও হয়তো এশিয়ার মঞ্চ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরবে লাল-হলুদ। কিন্তু ম্যাচ তখনও শেষ হয়নি।
৮৮ মিনিটে এল সেই ধাক্কা। অবাইদার ক্রস থেকে গোল করেন আহমেদ আসাফ। ২-২। শেষের দিকে সমতা ফিরিয়ে ম্যাচে পুরোপুরি ফিরে আসে আল হুসেইন। ইস্টবেঙ্গলের দুই গোলের লিড তখন অতীত। এতক্ষণ বুক দিয়ে আগলে রাখা তিন পয়েন্ট যেন হাতের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।
তবু শেষ মুহূর্তেও লড়াই থামেনি। ৯৩ মিনিটে আরেফের গোলমুখী শট। সেই বল যদি জালে ঢুকে যেত, তাহলে ম্যাচের ফল আরও ভয়াবহ হতে পারত। কিন্তু আবারও সামনে প্রভসুখন গিল। অসাধারণ সেভে দলকে ম্যাচে রাখলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে গোল হজম না করে অন্তত এক পয়েন্ট নিশ্চিত করলেন গিল।
শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরলাইন ২-২। তিন পয়েন্ট এল না। কিন্তু এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইটা থেকে গেল। দলের আক্রমণভাগে প্রয়োজনীয় ফুটবলার নেই, ক্রিস শরীর খারাপের জন্য নেই, একাধিক ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও সমস্যা ছিল। তারপরও আল হুসেইনের বিরুদ্ধে এশিয়ার মঞ্চে এমন ফুটবল খেলল ইস্টবেঙ্গল। রিজার্ভ বেঞ্চ আরেকটু ভালো পারফর্ম করতে পারলে হয়তো ম্যাচটা বেরিয়ে যেতে পারত। এডমুন্ডের সেই ফাঁকা গোলের সুযোগটাও যদি কাজে লাগত, তাহলে হয়তো তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ত লাল-হলুদ।
কিন্তু ফুটবল সবসময় হিসেব মেনে চলে না। কখনও কখনও জয় না পেয়েও একটি দল নিজেদের অন্যভাবে প্রতিষ্ঠা করে। এই ম্যাচে রামিরেজ গোল করে শুরুটা করেছিলেন, আনোয়ার গোল করে লিড বাড়িয়েছিলেন, আর প্রভসুখন গিল শেষ পর্যন্ত গোলের নিচে দাঁড়িয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন। বিশেষ করে গিল—আল হুসেইনের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাঁর সেভগুলোই ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচে রেখেছে।
ফলাফল ২-২। এক পয়েন্ট। কিন্তু সেই এক পয়েন্টের পিছনে রয়েছে ৯০ মিনিটের লড়াই, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই, ঘাটতির সঙ্গে লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই। জয় আসেনি, তবু মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়তে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। কারণ এশিয়ার মঞ্চে আবারও লাল-হলুদ বুঝিয়ে দিল—লড়াই করতে হলে নামটা এখনও ইস্টবেঙ্গল।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
ঐতিহাসিক রাতে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে লড়াই করেও হার ভারতের
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইতিহাসের মঞ্চে লড়াইটা শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষে কঠিনই হল। শনিবার সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলিতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের কাছে ০-৪ গোলে হারল ভারত। তবে বড় ব্যবধানে হারলেও ম্যাচের শুরুতে সাহসী ফুটবল উপহার দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে খালিদ জামিলের দল।
প্রথম ২৫ মিনিট ভারত বেশ সংগঠিত ছিল। জমাট রক্ষণে ব্রাজিলের আক্রমণ আটকে রেখে পাল্টা আক্রমণে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছিলেন মনবীর সিং, রায়ান উইলিয়ামসরা। কিন্তু ২৮ মিনিটে এস্তেভাও ডান দিক থেকে ভিতরে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে পেদ্রো ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে তুলে নেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তাঁর জায়গায় নামা স্যামুয়েল লিনোই হয়ে ওঠেন ম্যাচের নায়ক। ৫৮ মিনিটে পেদ্রোর পাস থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন তিনি। ইনজুরি সময়ে আরও একটি গোল করে নিজের জোড়া পূর্ণ করেন লিনো।
ভারতের গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধু প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুসের কয়েকটি প্রচেষ্টা আটকালেও দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রে তাঁর ভুল ব্রাজিলকে বড় সুবিধা দেয়। তবু ভারতীয় দলের লড়াই, বিশেষ করে ম্যাচের শুরুর দিকের রক্ষণাত্মক সংগঠন, এই ঐতিহাসিক ম্যাচ থেকে কিছু ইতিবাচক দিক তুলে দিয়েছে।
ফলাফল ভারতের পক্ষে না গেলেও ব্রাজিলের বিরুদ্ধে প্রথম সিনিয়র পুরুষদের আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামার অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হয়ে রইল।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
কলকাতায় পা রাখার আগেই পেলে এবং মোহনবাগানকে নিয়ে বিশেষ বার্তা ব্রাজিলের
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ভারতের বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচের আগে কলকাতায় পেলের স্মৃতি উসকে দিল ব্রাজিল ফুটবল। কলকাতায় পা রাখার আগেই নিজেদের সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ৪৯ বছর আগে ফুটবলের রাজা পেলের এই শহরে আসার কথা স্মরণ করল তারা। বিশেষ করে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক ম্যাচের উল্লেখ করেছে ব্রাজিল।
১৯৭৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ফুটবলজীবনের শেষ পর্বে নিউ ইয়র্ক কসমসের জার্সি পরে কলকাতার মাটিতে পা রেখেছিলেন পেলে। তাঁকে এক ঝলক দেখতে সেদিন বিমানবন্দরে ভিড় জমিয়েছিলেন অসংখ্য মানুষ। এরপর ইডেন গার্ডেন্সে ঐতিহ্যশালী মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন ফুটবলের কিংবদন্তি।
ব্রাজিলের বার্তায় বলা হয়েছে, পেলের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে গোটা শহর কার্যত উৎসবে মেতে উঠেছিল। কিংবদন্তিকে দেখতে ইডেন গার্ডেন্সে দর্শকদের ঢল নেমেছিল। ম্যাচটি শেষ হয়েছিল ২-২ গোলে। পেলে সেই ম্যাচে প্রায় ৩০ মিনিট মাঠে ছিলেন। তাঁর সতীর্থদের মধ্যে ছিলেন ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের অধিনায়ক কার্লোস আলবের্তো তোরেসও।
প্রায় পাঁচ দশক পর ফের ব্রাজিল কলকাতায়। আর সেই ম্যাচের আগে পেলের স্মৃতি স্মরণ করে ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আরও উসকে দিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
কোচের সঙ্গে সংঘাত, পর্তুগাল শিবির ছাড়লেন রোনাল্ডো! অবসরের জল্পনা…
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: পর্তুগাল শিবিরে আচমকাই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কোচ জর্জে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে অনুশীলন শিবির ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো—এমনই দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এর পাশাপাশি, পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।
নরওয়ে ও ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ম্যাচে রোনাল্ডোর অনুপস্থিতি নিয়ে আগেই আলোচনা হয়েছিল। সেই সময় থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, তিনি কি আর জাতীয় দলের জার্সিতে খেলবেন? পরিস্থিতি আরও জটিল হয় জেসুসের মন্তব্যের পর। পর্তুগালের কোচ স্পষ্ট করে জানান, দলের খেলোয়াড়দের কখন খেলাবেন বা কতক্ষণ মাঠে রাখবেন, সেই সিদ্ধান্ত একান্তই তাঁর। কোনও ফুটবলার তাঁর সিদ্ধান্ত বদলাতে পারবেন না।
যদিও জেসুস দাবি করেছিলেন, রোনাল্ডোর সঙ্গে তাঁর কোনও সমস্যা নেই। তাঁর কথায়, চোটের কারণে আগের দিন রোনাল্ডো অনুশীলন করেননি, তবে পরের দিন তিনি অনুশীলনে যোগ দেবেন।
কিন্তু বাস্তবে রোনাল্ডোকে অনুশীলনে দেখা যায়নি। বরং কয়েক মিনিটের মধ্যেই পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের একটি কালো ভ্যানে করে পার্কেন স্টেডিয়াম থেকে তাঁকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। ফলে রোনাল্ডোর জাতীয় দল-ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।
-
ফুটবল4 months agoFIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার
-
ফুটবল4 months agoFIFA WC 2026: আলজেরিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা
-
ফুটবল4 months agoFIFA WC 2026: এক ভুলেই সর্বনাশ কোরিয়ার, নকআউটে জায়গা পাকা মেক্সিকোর
-
ফুটবল4 months ago৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় মেয়েরা
-
ফুটবল4 months agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল2 months agoমোহনবাগানে ‘মিজো ফ্ল্যাশ’ ছাংতে
-
আইএসএল2 months agoব্রাজিল ম্যাচের পর আইএসএল, সম্ভাব্য শুরু ১৫ অক্টোবর
-
ফুটবল4 months agoFIFA WC 2026: জার্মান ঝড়ে বিধ্বস্ত কুরাকাও, ৭-১ গোলের বিশাল জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের
