Connect with us

ইস্টবেঙ্গল

২২ সেপ্টেম্বর ইস্টবেঙ্গল-মহামেডান ম্যাচ দিয়ে শুরু আইএফএ শিল্ড

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: প্রকাশিত হল ২০২৬-২৭ আইএফএ শিল্ডের ক্রীড়াসূচি। ছ’টি দলকে দু’টি গ্রুপে ভাগ করে এ বার অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতা। গ্রুপ ওয়ানে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও পাঞ্জাব এফসি। গ্রুপ টু-তে রয়েছে মোহনবাগান, শ্রীনিদি ডেকান এফসি এবং নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি।

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এ বারের আইএফএ শিল্ড। যদিও এই ম্যাচের ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। পরের দিন, ২৩ সেপ্টেম্বর ঘরের মাঠে শ্রীনিদি ডেকান এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে মোহনবাগান।

এর পর গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলি হবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী। ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল। তবে সেমিফাইনালের ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফাইনালের তারিখ ও ভেন্যু সম্পর্কে এখনও কোনও ঘোষণা করেনি আইএফএ।

আইএসএল

‘ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি’, আম্মানে আবেগী হিজাজি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৩-এর মাঝামাঝি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন জর্ডনের ডিফেন্ডার হিজাজি মাহের। দক্ষিণ এশিয়ার কোনও ক্লাবে সেটিই ছিল তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা। মরসুম গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাল-হলুদ রক্ষণে নিজের জায়গা পাকা করে নেন তিনি। ধারাবাহিকতা ও দৃঢ়তার জন্য দ্রুতই জায়গা করে নেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের হৃদয়ে।

ইস্টবেঙ্গলের ২০২৩-২৪ সুপার কাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হিজাজির। টুর্নামেন্টের সেরা ডিফেন্ডার নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি দু’টি গুরুত্বপূর্ণ গোলও করেছিলেন তিনি। লাল-হলুদ জার্সিতে মোট ৪২টি ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেন এই লম্বা সেন্টার-ব্যাক। ইস্টবেঙ্গলকে প্রথম এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে যোগ্যতা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তাঁর। তবে ২০২৪-২৫ মরসুমের শেষ দিকে হাঁটুর চোট তাঁকে মাঠের বাইরে ছিটকে দেয়।

মাঠের বাইরেও তাঁর সহজ-সরল আচরণ তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। এ বার জর্ডনে ইস্টবেঙ্গল দল। আল-হুসেইনের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ ডি-র প্রথম ম্যাচের আগে প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করতে দলের হোটেলে হাজির হন হিজাজি। তাঁকে বিশেষ সংস্করণের লাল-হলুদ এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু জার্সি উপহার দেন ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ বিনো জর্জ।

প্রাক্তন ক্লাবের সঙ্গে ফের দেখা হওয়ার মুহূর্তে আবেগপ্রবণ হিজাজি বলেন, “অনেক দিন পর প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করে খুব ভাল লাগছে। জর্ডনে সবাইকে স্বাগত। ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি! ইস্টবেঙ্গল এবং আল-হুসেইন দুটোই আমার প্রাক্তন ক্লাব। দু’দলকেই শুভেচ্ছা। ভাল দল জিতুক।”

ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের ভালবাসা নিয়েও আবেগ প্রকাশ করেন তিনি। “ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের খুব মিস করি। এখনও ইনস্টাগ্রামে তাঁদের কাছ থেকে শত শত মেসেজ পাই। দু’মরসুম এমন আবেগপ্রবণ সমর্থকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। সুপার কাপ জয়ের পর কলকাতায় ফেরার দিনটা আমার কেরিয়ারের সেরা দিন হয়ে থাকবে। এমন নিঃশর্ত ভালবাসা অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন। কলকাতার খাবারও মিস করি, বিশেষ করে আলু দেওয়া বিরিয়ানি।”

২০২৬-এ ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল ও ডুরান্ড কাপ জয়ের প্রতিটি ম্যাচও জর্ডন থেকে দেখেছেন হিজাজি। তাঁর কথায়, “আমি জর্ডন থেকে ইস্টবেঙ্গলের সব ম্যাচ দেখি। আইএসএল ও ডুরান্ড কাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখেছি। ক্লাবের সাফল্যে আমি খুব খুশি। এক অর্থে ২০২৪-এর সুপার কাপ জয়ের মাধ্যমে আমরা এই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরুটা করেছিলাম। গত ১৮ মাসে ক্লাব যেভাবে সেই সাফল্যের উপর ভিত্তি করে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, তা অসাধারণ। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র জন্য ইস্টবেঙ্গলকে শুভেচ্ছা। হাবাসের অধীনে দল ভাল করবে বলেই আমি নিশ্চিত।”

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

ইস্টবেঙ্গলে ক্রোয়েশিয়ান ডিফেন্ডারের আগমনের দিনে, পাকা হল মোহনবাগানের ষষ্ঠ বিদেশি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ডুরান্ড কাপের সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই দলবদলের বাজারে ফের সক্রিয় ইস্টবেঙ্গল। ট্রফি জয়ের পরদিনই ক্রোয়েশিয়ান ডিফেন্ডার দিয়েগো জিভুলিচকে এক বছরের চুক্তিতে সই করানোর কথা সরকারিভাবে জানাল লাল-হলুদ শিবির। এএফসি-র ম্যাচের আগে রক্ষণে আরও একটি বিকল্প তৈরি হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে দলে।
জিভুলিচের বয়সভিত্তিক আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিজ্ঞতা রয়েছে। ক্রোয়েশিয়ার অনূর্ধ্ব-১৮ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। কলকাতায় আসার আগে ক্রোয়েশিয়ার ক্লাব এনকে রুডসের জার্সিতে মাঠে ছিলেন এই ডিফেন্ডার। তাঁর শেষ ম্যাচ ছিল ১৪ আগস্ট।
তবে নতুন বিদেশিকে নাচো মানসলভের বিকল্প হিসেবে আনা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করেনি ইস্টবেঙ্গল। চোটের কারণে নাচো কবে মাঠে ফিরবেন, সেটিও এখনও নিশ্চিত নয়। ফলে এএফসি-র আগে জিভুলিচের আগমন হাবাসের হাতে রক্ষণ সাজানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সুযোগ তৈরি করবে।
অন্যদিকে বিদেশি কোটার দৌড়ে পিছিয়ে নেই মোহনবাগানও। সবুজ-মেরুন শিবিরের ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে স্কটিশ ফুটবলার লি আরউইনের নাম উঠে আসছে। তাঁর সঙ্গে ক্লাবের আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে বলে খবর। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি মোহনবাগান।
ফলে ইস্টবেঙ্গলের সরকারি ঘোষণার পর এবার সবুজ-মেরুন সমর্থকদের নজর ক্লাবের পরবর্তী ঘোষণার দিকে।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: ডার্বির আগেও অজুহাত মানতে নারাজ হাবাস

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদন: মরশুমের দ্বিতীয় কলকাতা ডার্বি, তাও ডুরান্ড কাপের ফাইনাল। মহারণের আগে মাঠে অনুশীলন না করিয়ে হোটেলেই দলকে প্রস্তুত করালেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। প্রথমে টিম মিটিং, পরে জিম সেশন। হাবাস বললেন, “আগামীকালের ম্যাচের ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। গত কয়েক দিনে অনেক পরিশ্রম হয়েছে, আর্দ্রতাও একটা বিষয়। তাই সুপার কমপেনসেশন মেনে এদিন বিশ্রাম দিয়েছি।”

ডার্বির গুরুত্ব মেনেও আবেগ নিয়ন্ত্রণের বার্তা হাবাসের। তাঁর কথায়, “এটা কলকাতার জন্য বিশেষ ম্যাচ। তবে ডার্বিকেও অন্য ম্যাচের মতো খেলতে হবে। আবেগ ১০০ শতাংশ থাকবে, কিন্তু সেটাকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে সঠিক মুহূর্ত বেছে নিতে হবে। আমি জেতার জন্য ১০০ শতাংশ দেব।”

বিষ্ণুর চোট ও রেফারিং নিয়েও সতর্ক হাবাস। “বিষ্ণুর হয়তো অ্যালাইনমেন্ট নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। তবে রেফারিকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। আমি চাই না আমাদের পক্ষে বাড়তি কিছু দেওয়া হোক, সবকিছু নিরপেক্ষ হওয়া উচিত,” বলেন তিনি।

গোলরক্ষক বিশাল কেইথের প্রশংসা করে কোচের বক্তব্য, “ও খুব ভালো গোলরক্ষক। গিল ও লাচেনপাও একই মানের। এই বিভাগ নিয়ে আমি খুশি। আশা করি, কাল আমাদের গোলরক্ষককে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে না।”

এফিয়ংকে না পাওয়াও অজুহাত নয়। হাবাস স্পষ্ট, “সেরা ফুটবলারকে পেলে দল সম্পূর্ণ হয়, কিন্তু এখন সেটা সম্ভব নয়। কোনো অজুহাত চলবে না। রেফারি, আবহাওয়া, স্ট্রাইকারের অভাব, কিছুই নয়।” শেষে বলেন, “যে দল বেশি ধৈর্য ধরে খেলবে এবং বেশি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে পারবে, তারাই জিতবে। ”

Continue Reading

Trending