Connect with us

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2025: ম্যাচ হেরেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে বার্সেলোনা এবং পিএসজি। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম পর্বের ম্যাচে ঘরের মাঠে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বার্সেলোনা। তবে জয় পেলেও, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে স্বপ্নভঙ্গের কাহিনী কম নেই বার্সার। এর আগে রোমা, লিভারপুলের কাছে প্রথম পর্বে এগিয়ে থেকেও, দ্বিতীয় পর্বে পরাজিত হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যাত্রা শেষ হয়েছিল কাতালানদের। বুধবার ডর্টমুন্ডের ঘরের মাঠেও সেই আতঙ্কই তৈরি হয়েছিল। গুরাসির হ্যাটট্রিকে একসময় মনে হয়েছিল আবারও সেই পুরোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তিই হতে চলেছে। কিন্তু সেটা হয়নি। বেনসেবাইনির আত্মঘাতী গোলে একটি গোল পেয়ে যায় বার্সেলোনাও। এদিকে ৩-১ গোলে ম্যাচ হারলেও প্রথম পর্বে ৪-০ গোলে জয়ের সুবাদে, দুই পর্ব মিলিয়ে ৫-৩ গোলে ম্যাচ জিতে ৬ বছর পর আবারও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে উঠল হান্সি ফ্লিকের দল। একইভাবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আরেক ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার কাছে ৩-২ গোলে হেরেও শেষ চারে পৌঁছল পিএসজি। 

ঘরের মাঠে জিতে এই ম্যাচ খেলতে নামলেও, ডর্টমুন্ড নিজের ঘরের মাঠে যে যথেষ্ট বেগ দেবে বার্সেলোনাকে সেটা একপ্রকার জানা কথাই ছিল। ঠিক সেই মতোই সিগনাল এদুনা পার্কে ম্যাচের ১১ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গুরাসির গোলে এগিয়ে যায় ডর্টমুন্ড। প্রথমার্ধেই একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিলও হয়। যার ফলে প্রথমার্ধে আর গোল পরিশোধ করতে পারেনি নিকো কোভাচের দল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও গুরাসির গোলে ব্যবধান কমায় ডর্টমুন্ড। ঠিক যখনই মনে হচ্ছিল এই ম্যাচে ডর্টমুন্ডের সমতায় ফেরত শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেই সময়েই আত্মঘাতী গোল করে বসেন ডর্টমুন্ড বেনসেবাইনি। ফেরমিন লোপেজের ক্রস নিজের জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ফলে ব্যবধান হয় ২-১। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন সেরহৌ গুরাসি। তারপর আর ব্যবধান বাড়াতে পারেননি ডর্টমুন্ড ফুটবলাররা। যার ফলে ৩-১ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ। আগের পর্বে ৪-০ গোলে এগিয়ে থাকায় দুই পর্ব মিলিয়ে ৫-৩ গোলে ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছয় বার্সেলোনা। 

অপরদিকে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলে ম্যাচ জিতে থাকার সুবাদে, বুধবার অ্যাস্টন ভিলার কাছে ২-৩ গোলে ম্যাচ হেরেও, দুই পর্ব মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছয় পিএসজি। যদিও হাকিমি এবং নুনো মেন্দেজের গোলে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল পিএসজি। তারপর পরপর তিনটি গোল করে অ্যাস্টন ভিলা। গোল গুলি করেন জড়ান তিলেমানস, ম্যাকগিন এবং এনগোয়ো।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2026/27: শেষ সাত মিনিটে তিন গোল, রোমার মাঠে রিয়ালের অবিশ্বাস্য জয়

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : ম্যাচের ৮২ মিনিটেও ১-৩ গোলে পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। হার তখন প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু শেষ সাত মিনিটে তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল হোসে মরিনহোর দল। স্তাদিও অলিম্পিকোয় রোমাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিল রিয়াল।বুধবার রাতে রোমার মাঠে এই ম্যাচটি মরিনহোর কাছে ছিল বিশেষ। ২০২১-২২ মরসুমে রোমাকে কনফারেন্স লিগের শিরোপা জিতিয়েছিলেন পর্তুগিজ কোচ। প্রাক্তন কোচের প্রতি সম্মান জানিয়ে গ্যালারিতে একাধিক ব্যানার প্রদর্শন করেন রোমার সমর্থকেরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় উদ্‌যাপনের সুযোগ পেলেন না তাঁরা।

ম্যাচের ২০ মিনিটে মার্তেন ডে রুনের গোলে এগিয়ে যায় রোমা। মাতিয়াস সুলের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে প্রথম ছোঁয়ায় দুরন্ত শটে বল জালে জড়ান ডে রুন। তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সমতা ফেরায় রিয়াল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের শততম ম্যাচ খেলতে নামা কিলিয়ান এমবাপের শট রোমার জিয়ানলুকা মানচিনির গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে ঢুকে যায়। ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতায় এটি ছিল এমবাপের ৭২তম গোল।দ্বিতীয়ার্ধে ছয় মিনিটের ব্যবধানে দু’গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে রোমা। ৫১ মিনিটে ডোনিয়েল মালেনের শট ফেদেরিকো ভালভার্দের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় রোমা। এর পর ৫৭ মিনিটে মালেনের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান বেড়ে হয় ৩-১। প্রথমে অফসাইডের পতাকা উঠলেও ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনার পরে গোলের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

ম্যাচের শেষ ভাগে একের পর এক বদলি নামিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে রিয়াল। ৮৩ মিনিটে এন্দ্রিকের হেড থেকে ফিরে আসা বলে গোল করে ব্যবধান কমান কার্লোস এস্পি। দু’মিনিট পর আর্দা গুলেরের কর্নার থেকে হেডে ৩-৩ করেন এন্দ্রিক। তখনও নাটকের শেষ হয়নি। ৯০ মিনিটে গুলেরের আরও একটি সেট-পিস থেকে কাছ থেকে ভলিতে বল জালে পাঠান রুডিগার। ১-৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

দুই ম্যাচে দু’টি জয় নিয়ে গোলপার্থক্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের তালিকায় আট নম্বরে রয়েছে রিয়াল। অন্য দিকে, একটি ড্র ও একটি হারে দু’ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে ২৫ নম্বরে রোমা।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

UCL 2026/27: হালান্ডের জোড়া গোলেও রক্ষা নেই, সিটিকে হারাল পিএসজি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: প্রথমার্ধেই তিন গোলের ধাক্কা। বিরতির পর জোড়া গোল করে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারল না ম্যানচেস্টার সিটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে সিটিকে ৪-২ গোলে হারাল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)।

বুধবার রাতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পিএসজি। ১৩ মিনিটে দেজিরে দুয়ের গোলে এগিয়ে যায় তারা। দু’মিনিট পর দুয়ের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান বাড়ান উসমান দেম্বেলে। ৩২ মিনিটে ভিতিনিয়ার গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ফরাসি ক্লাবটি।

বিরতির পর তিনটি পরিবর্তন করেন সিটির কোচ এনজো মারেসকা। তাতে কিছুটা গতি ফেরে দলের খেলায়। ৫৩ মিনিটে ইলিমান এনদিয়ের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান কমান হালান্ড। সমতায় ফেরার আশায় আক্রমণের ঝড় তোলে সিটি। কিন্তু ৬২ মিনিটে ম্যাগনেস আকলিউশের শট গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার হাত ফসকে জালে ঢুকে যায়। ফের তিন গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি।৭৫ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৪-২ করেন হলান্ড। এর পরেও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন নরওয়ের স্ট্রাইকার। কিন্তু তাঁর প্রচেষ্টা আটকে দেন পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ। শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। তবে ফেরান টোরেসের স্পটকিক আটকে দেন দোন্নারুম্মা।

এই জয়ের ফলে দু’ম্যাচে ছ’পয়েন্ট নিয়ে গোলপার্থক্যে তালিকার শীর্ষে পিএসজি। অন্য দিকে, একটি জয় ও একটি হারে তিন পয়েন্ট নিয়ে ১৭ নম্বরে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

ঐতিহাসিক রাতে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে লড়াই করেও হার ভারতের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইতিহাসের মঞ্চে লড়াইটা শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষে কঠিনই হল। শনিবার সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলিতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের কাছে ০-৪ গোলে হারল ভারত। তবে বড় ব্যবধানে হারলেও ম্যাচের শুরুতে সাহসী ফুটবল উপহার দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে খালিদ জামিলের দল।
প্রথম ২৫ মিনিট ভারত বেশ সংগঠিত ছিল। জমাট রক্ষণে ব্রাজিলের আক্রমণ আটকে রেখে পাল্টা আক্রমণে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছিলেন মনবীর সিং, রায়ান উইলিয়ামসরা। কিন্তু ২৮ মিনিটে এস্তেভাও ডান দিক থেকে ভিতরে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে পেদ্রো ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে তুলে নেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তাঁর জায়গায় নামা স্যামুয়েল লিনোই হয়ে ওঠেন ম্যাচের নায়ক। ৫৮ মিনিটে পেদ্রোর পাস থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন তিনি। ইনজুরি সময়ে আরও একটি গোল করে নিজের জোড়া পূর্ণ করেন লিনো।
ভারতের গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধু প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুসের কয়েকটি প্রচেষ্টা আটকালেও দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রে তাঁর ভুল ব্রাজিলকে বড় সুবিধা দেয়। তবু ভারতীয় দলের লড়াই, বিশেষ করে ম্যাচের শুরুর দিকের রক্ষণাত্মক সংগঠন, এই ঐতিহাসিক ম্যাচ থেকে কিছু ইতিবাচক দিক তুলে দিয়েছে।
ফলাফল ভারতের পক্ষে না গেলেও ব্রাজিলের বিরুদ্ধে প্রথম সিনিয়র পুরুষদের আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামার অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হয়ে রইল।

Continue Reading

Trending