Connect with us

আইএসএল

ISL 2025: ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকেই আইএসএল কাপ জয় মোহনবাগানের। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি মরশুমে ইতিহাস গড়লো মোহনবাগান। আইএসএলের ইতিহাসে মুম্বই সিটি এফসির পর, দ্বিতীয় দল হিসেবে একই মরশুম শিল্ড এবং কাপ জয়ের নজির গড়ল হোসে মোলিনার দল। শুধু তাই নয়, চলতি মরশুম ঘরের মাঠে অপরাজিত থেকেই চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। শনিবার আইএসএলের মেগা ফাইনালে পিছিয়ে পড়েও বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ২-১ গোলে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল হোসে মোলিনার দল। মোহনবাগানের হয়ে গোল করলেন জেসন কামিন্স এবং জেমি ম্যাকলারেন।

ম্যাচের প্রথম পনেরো মিনিট বেঙ্গালুরু এফসিকে বেশ চাপে রেখেছিলেন কামিন্স, ম্যাকলারেনরা। ১৪ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে থাপার জোরালো শট রুখে দিয়ে বেঙ্গালুরু এফসিকে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন রাহুল ভেকে। মিনিট চারেক পরেই ম্যাকলারেনের জন্য বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন মনবীর। কিন্তু বলের কাছে পৌঁছাতে পারেননি জেমি। পরের মিনিটেই নগুয়েরার কর্নার থেকে হেড করেছিলেন সুনীল ছেত্রী। মোহনবাগানের হয়ে অনিবার্য পতন রক্ষা করেন শুভাশিস। এরপর প্রথমার্ধে আর খুঁজে পাওয়া গেল না পরিচিত সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। একের পর এক আক্রমণ তুলে এনে বাগান রক্ষণকে একেবারে নাস্তানাবুদ করে তুলেছিলেন সুনীল ছেত্রী, এডগার মেণ্ডেজরা।ম্যাচের ৩৮ মিনিটে আরও একটা সুযোগ নষ্ট করেন রায়ান উইলিয়ামস। প্রথমার্ধের সংযোজিত সময়ে সুনীল ছেত্রীর হেডার অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ফলে ০-০ ফলাফলেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মোহনবাগানকে আরও চেপে ধরে জেরার্ড জারাগোজার দল। প্রথম মিনিটেই রায়ান উইলিয়ামসের শট বাঁচিয়ে পতন রোধ করেন বিশাল কাইথ। কিন্তু তার পরেই গোল হজম করতে হয় মোহনবাগানকে। ৪৯ মিনিটে আলবার্তো রদ্রিগেজের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। এই গোলটি হজম করতেই নড়েচড়ে বসে হোসে মোলিনার দল। আক্রমণ উঠে আসতে শুরু করেন সবুজ-মেরুণের ফুটবলাররাও। এছাড়া ম্যাচে জোড়া দুটি পরিবর্তন আনেন হোসে মোলিনা। লিস্টন কোলাসো এবং অনিরুদ্ধ থাপাকে তুলে নিয়ে তিনি মাঠে নামান সাহাল আব্দুল সামাদ এবং আশিক কুড়ুনিয়ানকে। তার পরেই ভাগ্য বদল হয় মোহনবাগানের। ম্যাচের ৭০ মিনিটে কামিন্সের বাড়ানো ক্রস বক্সের ভেতর হাতে লাগিয়ে বসেন বেঙ্গালুরু ডিফেন্ডার চিঙ্গলেনসানা সিংহ। ফলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি কামিন্স। এদিকে নির্ধারিত নব্বই মিনিটে ম্যাচের ফলাফল অমীমাংসিত থাকায়, খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সংযোজিত সময়ের প্রথম মিনিটেই গ্রেগ স্টুয়ার্টের ঠিকানা লেখা পাস থেকে গোল করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন অস্ট্রেলিয়ান বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন। অবশেষে বেঙ্গালুরু বারংবার আক্রমণে উঠলেও জমাট ছিল বাগান রক্ষণ। ফলে ২-১ গোলে বেঙ্গালুরু এফসিকে হারিয়ে আইএসএল কাপ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান।

আইএসএল

জামশেদপুর ছেড়ে ওড়িশায় ঋত্বিক দাস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: পাঁচ বছর জামশেদপুর এফসি-তে কাটানোর পর ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন ঠিকানা হল বাঙালি রাইট উইঙ্গার ঋত্বিক দাসের। চলতি মরসুমে ওড়িশা এফসি-তে যোগ দিলেন বার্নপুরের এই ফুটবলার। ভারতের জাতীয় দলের জার্সিতে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।মোহন বাগান সেইল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা ঋত্বিকের ফুটবলজীবন শুরু হয় কলকাতার ময়দান থেকেই। পরবর্তী সময়ে ক্যালকাটা কাস্টমস্ ক্লাব, কালীঘাট মিলন সংঘ, রিয়াল কাশ্মীর এফসি এবং কেরল ব্লাস্টার্সের মতো দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর জামশেদপুর এফসি-তে ছিলেন ঋত্বিক।এ বার আইএসএল শুরুর আগে তাঁকে দলে নিয়ে আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করে নিল ভুবনেশ্বরের ওড়িশা এফসি। নতুন ক্লাবে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়াই লক্ষ্য ঋত্বিকের।

Continue Reading

আইএসএল

‘ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি’, আম্মানে আবেগী হিজাজি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৩-এর মাঝামাঝি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন জর্ডনের ডিফেন্ডার হিজাজি মাহের। দক্ষিণ এশিয়ার কোনও ক্লাবে সেটিই ছিল তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা। মরসুম গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাল-হলুদ রক্ষণে নিজের জায়গা পাকা করে নেন তিনি। ধারাবাহিকতা ও দৃঢ়তার জন্য দ্রুতই জায়গা করে নেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের হৃদয়ে।

ইস্টবেঙ্গলের ২০২৩-২৪ সুপার কাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হিজাজির। টুর্নামেন্টের সেরা ডিফেন্ডার নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি দু’টি গুরুত্বপূর্ণ গোলও করেছিলেন তিনি। লাল-হলুদ জার্সিতে মোট ৪২টি ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেন এই লম্বা সেন্টার-ব্যাক। ইস্টবেঙ্গলকে প্রথম এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে যোগ্যতা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তাঁর। তবে ২০২৪-২৫ মরসুমের শেষ দিকে হাঁটুর চোট তাঁকে মাঠের বাইরে ছিটকে দেয়।

মাঠের বাইরেও তাঁর সহজ-সরল আচরণ তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। এ বার জর্ডনে ইস্টবেঙ্গল দল। আল-হুসেইনের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ ডি-র প্রথম ম্যাচের আগে প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করতে দলের হোটেলে হাজির হন হিজাজি। তাঁকে বিশেষ সংস্করণের লাল-হলুদ এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু জার্সি উপহার দেন ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ বিনো জর্জ।

প্রাক্তন ক্লাবের সঙ্গে ফের দেখা হওয়ার মুহূর্তে আবেগপ্রবণ হিজাজি বলেন, “অনেক দিন পর প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করে খুব ভাল লাগছে। জর্ডনে সবাইকে স্বাগত। ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি! ইস্টবেঙ্গল এবং আল-হুসেইন দুটোই আমার প্রাক্তন ক্লাব। দু’দলকেই শুভেচ্ছা। ভাল দল জিতুক।”

ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের ভালবাসা নিয়েও আবেগ প্রকাশ করেন তিনি। “ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের খুব মিস করি। এখনও ইনস্টাগ্রামে তাঁদের কাছ থেকে শত শত মেসেজ পাই। দু’মরসুম এমন আবেগপ্রবণ সমর্থকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। সুপার কাপ জয়ের পর কলকাতায় ফেরার দিনটা আমার কেরিয়ারের সেরা দিন হয়ে থাকবে। এমন নিঃশর্ত ভালবাসা অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন। কলকাতার খাবারও মিস করি, বিশেষ করে আলু দেওয়া বিরিয়ানি।”

২০২৬-এ ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল ও ডুরান্ড কাপ জয়ের প্রতিটি ম্যাচও জর্ডন থেকে দেখেছেন হিজাজি। তাঁর কথায়, “আমি জর্ডন থেকে ইস্টবেঙ্গলের সব ম্যাচ দেখি। আইএসএল ও ডুরান্ড কাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখেছি। ক্লাবের সাফল্যে আমি খুব খুশি। এক অর্থে ২০২৪-এর সুপার কাপ জয়ের মাধ্যমে আমরা এই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরুটা করেছিলাম। গত ১৮ মাসে ক্লাব যেভাবে সেই সাফল্যের উপর ভিত্তি করে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, তা অসাধারণ। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র জন্য ইস্টবেঙ্গলকে শুভেচ্ছা। হাবাসের অধীনে দল ভাল করবে বলেই আমি নিশ্চিত।”

Continue Reading

আইএসএল

ম্যাকলারেনের সেই সেভ থেকে ব্রাজিলের সামনে, গিলের নতুন যাত্রা; অকপট প্রবসুখন সিং গিল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ২০২৩ সাল থেকে গোলপোস্টের নিচে পাহারায় প্রভসুখন সিংহ গিল। লাল-হলুদ জার্সিতে ইতিমধ্যেই ৯০টি ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে তাঁর। ক্লাবে এটি তাঁর চতুর্থ মরসুম। এই সময়ের মধ্যে তিনটি বড় ঘরোয়া ট্রফি জিতেছেন গিল—২০২৩-২৪ সুপার কাপ, ২০২৫-২৬ আইএসএল এবং ২০২৬-এর ১৩৫তম ডুরান্ড কাপ। এর পাশাপাশি ২০২৩ ডুরান্ড কাপ, ২০২৫ আইএফএ শিল্ড ও ২০২৫ সুপার কাপে রানার্স হয়ে রুপোর পদকও পেয়েছেন তিনি।জুনে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে আরও দু’মরসুমের চুক্তি বাড়িয়েছেন পঞ্জাবের এই গোলরক্ষক। এবার এসেছে জাতীয় দলের ডাকও। পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে আসন্ন আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলিতে ভারতীয় দলে রয়েছেন গিল। ২০১৭ ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলেছেন, অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অধিনায়কও ছিলেন। তবে এখনও সিনিয়র জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়নি তাঁর। ২০২১-২২ আইএসএলের গোল্ডেন গ্লাভ জয়ী গিল এ বার সেই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া।জর্ডনে আল-হুসেইনের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচের আগে ইস্টবেঙ্গল মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের যাত্রার কথা বলেন তিনি।

ইস্টবেঙ্গলে নিজের যাত্রা নিয়ে গিল বলেন, “আমার যাত্রাটা অসাধারণ। দল হিসেবে অনেক ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। প্রথম মরসুমটা মিশ্র অভিজ্ঞতার ছিল। ২০২৩ ডুরান্ডের ফাইনালে হেরেছিলাম, আইএসএলেও শুরুটা খারাপ হয়েছিল। কিন্তু সুপার কাপ জিতে ১২ বছর পর ক্লাবকে জাতীয় ট্রফি জিতিয়েছিলাম এবং এএফসি প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিয়েছিলাম।”

পরের মরসুমের কঠিন সময়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। “দীর্ঘ জয়হীন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। তবু আমরা একসঙ্গে থেকেছি। আইএসএলে অল্পের জন্য সেরা ছয়ে ঢুকতে পারিনি। সেই অভিজ্ঞতাই ২০২৫-২৬ মরসুমে প্রতিটি প্রতিযোগিতায় ভাল করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আইএফএ শিল্ড ও সুপার কাপের ফাইনালে উঠেছি, শেষে আইএসএল জিতেছি। এ মরসুমেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বে উঠেছি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেছি।”

২০২৫-২৬ আইএসএলের ডার্বিতে জেমি ম্যাকলারেনের বিরুদ্ধে তাঁর সেই অতিরিক্ত সময়ের সেভ এখনও গিলের কাছে বিশেষ। তাঁর কথায়, “ওটা পুরোপুরি ইনস্টিংক্ট থেকে হয়েছিল। একমাত্র লক্ষ্য ছিল বলটা আটকানো। পরে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দেখে বুঝেছিলাম, আইএসএল জয়ে ওই অবদানের গুরুত্ব কতটা। অনেকে আমাকে সেই মুহূর্তটা পায়ে ট্যাটু করাতে বলেছিলেন। প্রথমে রাজি ছিলাম না, কিন্তু মা জোর করায় করিয়েছি। এই ট্যাটুই আমার একমাত্র ট্যাটু থাকবে, কারণ মুহূর্তটা অসাধারণ ছিল। অনেকে ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে এমিলিয়ানো মার্তিনেসের সেভের সঙ্গে তুলনা করেন—এটা আমার কাছে বিরাট প্রশংসা।”

ডুরান্ড কাপে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে পেনাল্টি সেভ নিয়েও তাঁর বক্তব্য, “ইস্টবেঙ্গলে আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি প্রতিযোগিতা জেতা। প্রথম ম্যাচে ডার্বিতে হারলেও, যেখানে দু’দলেরই প্রস্তুতি প্রায় ছিল না, আমরা পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক ছিলাম এবং ফাইনালে আধিপত্য দেখিয়েছি। এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচে এবং পরে টাইব্রেকারে পেনাল্টি বাঁচানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল ঠিকই, কিন্তু আমি এটাকে কর্তব্য হিসেবেই দেখি। শেষ রক্ষাকর্তা হিসেবে কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে বাঁচানোই আমার কাজ।”

সমর্থকদের নিয়ে গিল বলেন, “বড় ক্লাবের হয়ে খেলার জন্যই এমন মুহূর্তের অপেক্ষা থাকে—ট্রফি জেতার জন্য। সমর্থকদের মুখে হাসি দেখলে আরও পরিশ্রম করতে ইচ্ছে করে। প্রতিটি অনুশীলনে সেরাটা দেওয়ার তাগিদ তৈরি হয়।”

এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু নিয়েও আত্মবিশ্বাসী গিল। “আমরা খুব শক্তিশালী দল। বেশির ভাগ ফুটবলার বহু বছর ধরে একসঙ্গে খেলছি, তাই বোঝাপড়া অসাধারণ। জুলাই থেকে প্রস্তুতি শুরু করেছি। হাবাসের কোচিংয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-তে নিজেদের সেরাটা দেব। সমর্থক এবং দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।”

শেষে জাতীয় দলের ডাক প্রসঙ্গে গিলের বার্তা, “পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ফ্রেন্ডলির জন্য জাতীয় দলে ডাক পাওয়া বিরাট সম্মানের। ক্লাবের হয়ে সব সময় সেরাটা দিয়েছি। এ বার জাতীয় দলের হয়েও সেই পারফরম্যান্স করতে চাই। এটা বিশাল সুযোগ এবং আমি এর পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করতে চাই।”

Continue Reading

Trending