Connect with us

ফুটবল

FIFA WC 2026: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে কাঁপিয়ে বিদায় কেপ ভার্দের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: মায়ামিতে ১২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে অবশেষে প্রি-কোয়ার্টারের টিকিট নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা। তবে সাড়ে পাঁচ লক্ষ মানুষের দেশ কেপ ভার্দে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন পরীক্ষা নেবে, তা কেউ ভাবেনি। দু’বার এগিয়েও সমতা ধরে রাখতে পারেনি লিওনেল মেসির দল। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে আর্জেন্টিনা, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মিশর।

ম্যাচের শুরু থেকেই নির্ভীক ফুটবল খেলেছে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দে। আর্জেন্টিনার রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে চাপে রেখেছিল তারা। ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের অসাধারণ লম্বা পাস ধরে নিখুঁত ফিনিশে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। কিন্তু তাতেও ভেঙে পড়েনি আফ্রিকার দলটি। দুর্দান্ত সংগঠিত ফুটবল আর জোনাল মার্কিংয়ে মেসিকে আটকে রেখে বারবার ম্যাচে ফিরে এসেছে তারা।

প্রচণ্ড গরমে কুলিং জ্যাকেট পরে মাঠে নামা আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচেই স্বস্তিতে থাকতে পারেনি। কেপ ভার্দের রক্ষণে আটকে গিয়ে বারবার অধৈর্য হয়ে উঠেছিল মেসিরা। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আক্রমণ রুখে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। মেসির একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচ গড়ান অতিরিক্ত সময়ে।

তবে শেষ হাসিটা হেসেছে আর্জেন্টিনাই। অতিরিক্ত সময়ে মেসির তৈরি করা আক্রমণ থেকে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো জয়সূচক গোল করে দলকে শেষ ষোলোয় তুলে দেন। ম্যাচ শেষে কেপ ভার্দের ফুটবলারদের জড়িয়ে ধরেন মেসি। তাদের অসাধারণ লড়াইয়ের স্বীকৃতি যেন সেখানেই।

বিদায় নিলেও প্রথম বিশ্বকাপেই চোখে চোখ রেখে লড়াই করে নতুন অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছে কেপ ভার্দে। আর আর্জেন্টিনা বুঝে গেল, শিরোপা ধরে রাখার পথে সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা।

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: ডার্বির আগেও অজুহাত মানতে নারাজ হাবাস

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদন: মরশুমের দ্বিতীয় কলকাতা ডার্বি, তাও ডুরান্ড কাপের ফাইনাল। মহারণের আগে মাঠে অনুশীলন না করিয়ে হোটেলেই দলকে প্রস্তুত করালেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। প্রথমে টিম মিটিং, পরে জিম সেশন। হাবাস বললেন, “আগামীকালের ম্যাচের ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। গত কয়েক দিনে অনেক পরিশ্রম হয়েছে, আর্দ্রতাও একটা বিষয়। তাই সুপার কমপেনসেশন মেনে এদিন বিশ্রাম দিয়েছি।”

ডার্বির গুরুত্ব মেনেও আবেগ নিয়ন্ত্রণের বার্তা হাবাসের। তাঁর কথায়, “এটা কলকাতার জন্য বিশেষ ম্যাচ। তবে ডার্বিকেও অন্য ম্যাচের মতো খেলতে হবে। আবেগ ১০০ শতাংশ থাকবে, কিন্তু সেটাকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে সঠিক মুহূর্ত বেছে নিতে হবে। আমি জেতার জন্য ১০০ শতাংশ দেব।”

বিষ্ণুর চোট ও রেফারিং নিয়েও সতর্ক হাবাস। “বিষ্ণুর হয়তো অ্যালাইনমেন্ট নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। তবে রেফারিকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। আমি চাই না আমাদের পক্ষে বাড়তি কিছু দেওয়া হোক, সবকিছু নিরপেক্ষ হওয়া উচিত,” বলেন তিনি।

গোলরক্ষক বিশাল কেইথের প্রশংসা করে কোচের বক্তব্য, “ও খুব ভালো গোলরক্ষক। গিল ও লাচেনপাও একই মানের। এই বিভাগ নিয়ে আমি খুশি। আশা করি, কাল আমাদের গোলরক্ষককে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে না।”

এফিয়ংকে না পাওয়াও অজুহাত নয়। হাবাস স্পষ্ট, “সেরা ফুটবলারকে পেলে দল সম্পূর্ণ হয়, কিন্তু এখন সেটা সম্ভব নয়। কোনো অজুহাত চলবে না। রেফারি, আবহাওয়া, স্ট্রাইকারের অভাব, কিছুই নয়।” শেষে বলেন, “যে দল বেশি ধৈর্য ধরে খেলবে এবং বেশি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে পারবে, তারাই জিতবে। ”

Continue Reading

আইএসএল

মুম্বই সিটি এফসির চার বিদেশিকে বিদায়

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: দলের চার বিদেশি ফুটবলারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাল মুম্বই সিটি এফসি। বিদায়ী তালিকায় রয়েছেন ফিনিশ মিডফিল্ডার জনি কাউকো, পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো রেইস, স্পেনীয় মিডফিল্ডার হোর্জে অর্টিজ মেন্দোজা এবং আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হোর্জে পেরেয়রা দিয়াজ।মুম্বইয়ের জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের হয়ে অবদান রেখেছেন চার ফুটবলারই। তবে নতুন মরশুমের দলগঠনের পরিকল্পনায় তাঁদের সঙ্গে আর সম্পর্ক এগিয়ে না নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব। আনুষ্ঠানিক বার্তায় চার ফুটবলারকে বিদায় জানিয়ে তাঁদের ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি।নতুন মরশুমে তাই চার বিদেশির জায়গায় নতুন মুখের সন্ধানে নামতে চলেছে মুম্বই। দলগঠনে এই পরিবর্তন আগামী মরশুমে আইএসএলে মুম্বইয়ের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

Continue Reading

ফুটবল

DURAND CUP 2026:ফাইনালের আগে ডুরান্ড কমিটিকে তোপ প্যানাজিওটিসের, ডার্বি জিততে মরিয়া মোহনবাগান

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: শুরুটা হয়েছিল ডার্বি দিয়ে, এবার সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতার লড়াইতেই শেষ হবে এই বছরের ডুরান্ড কাপের অধ্যায়। রবিবার ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ট্রফির পাশাপাশি সম্মানের লড়াইয়ের আগে অবশ্য ডুরান্ড কমিটির বিরুদ্ধে ফের সরব সবুজ-মেরুন কোচ প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিস।
গ্রুপে সেরা হয়েও সেমিফাইনালের জন্য বাইরে যেতে হওয়া নিয়ে আগেই ক্ষোভ জানিয়েছিলেন তিনি। ফাইনালের আগে সেই প্রসঙ্গ টেনে কোচ বললেন, “আমরা সূচি নিয়ে এবং বিশেষ করে গ্রুপ পর্বে প্রথম ও সেরা দল হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সঙ্গে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে, তাতে সত্যিই হতাশ। মাত্র ছয় দিনের মধ্যে আমাদের তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে, যার মাঝে একটি ম্যাচের জন্য বাইরে ভ্রমণ করতে হয়েছে। গতকাল আমাদের কোনো অনুশীলনও হয়নি। এখন আমরা অনুশীলনে যাব। সেখানে দেখে নিতে হবে খেলোয়াড়রা ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে।”
ফাইনালে দলের পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে চারটি জায়গাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন প্যানাজিওটিস—ফিটনেস, টেকনিক, ট্যাকটিক্স এবং মানসিক প্রস্তুতি। তবে সময়ের অভাবই এখন তাঁর বড় চিন্তা। একই সঙ্গে ফুটবলারদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ফাইনাল কে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে রেফারিদেরও বড় দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মোহনবাগান কোচ।
এদিন তাঁর সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন সমীর জেলকোভিচ। জীবনের প্রথম ডার্বি খেলতে মুখিয়ে এই ফুটবলার বলেন, “আগামীকাল আমার প্রথম ডার্বি এবং দলের হয়ে এটি আমার তৃতীয় ম্যাচ হতে চলেছে। ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচের অংশ হতে পেরে আমি খুবই খুশি এবং গর্বিত। আমি একটু দেরিতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছি। তবে সবকিছুই ভালভাবে এগোচ্ছে। খুব দ্রুতই দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পেরেছি। গত মরশুম থেকে দলের অনেক খেলোয়াড়কেই আমি চিনি। তাই মানিয়ে নিতে আমার খুব একটা সমস্যা হয়নি। আশা করছি, আগামীকাল আমরা একটি দল হিসাবে খেলব ও নিজেদের সেরাটা মাঠে তুলে ধরতে পারব। আর সবচেয়ে বড় কথা, আশা করছি আগামীকাল আমরা এই ম্যাচে জয় পাব।”

Continue Reading

Trending