Connect with us

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

প্রস্তুতিতে ধাক্কা! শ্রীলঙ্কা সফরের আগে ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচ চার দিনের বদলে তিন দিনের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে ভারতীয় দলের প্রস্তুতিতে বড়সড় পরিবর্তন। আগে চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা থাকলেও, তা কমিয়ে তিন দিনের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। ফলে শুভমন গিলের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের প্রস্তুতিতে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

নতুন সূচি অনুযায়ী, ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত কলম্বোর ননডেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব (NCC) মাঠে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। এর আগে ভারতীয় দল ঘোষণার সময় বিসিসিআই জানিয়েছিল, সিরিজ শুরুর আগে চার দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ হবে। তবে হঠাৎ করেই ম্যাচের দৈর্ঘ্য এক দিন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, সে বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।

একটি বিবৃতিতে এসএলসি জানায়, ভারতীয় দল ৭-৯ আগস্ট তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। এরপর ১৫ থেকে ১৯ আগস্ট গল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় এবং শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে ২৩ থেকে ২৭ আগস্ট কলম্বোয়।

৪ আগস্ট শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ভারতীয় দলের। প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমে যাওয়ায় ব্যাটার ও বোলারদের ম্যাচ পরিস্থিতিতে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগও কিছুটা কমে গেল। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজের আগে দীর্ঘ প্রস্তুতি ম্যাচকে সবসময়ই গুরুত্ব দেয় দলগুলি।

ভারতের কাছে এই সিরিজের গুরুত্বও যথেষ্ট। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে পরাজয়ের ফলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের দৌড়ে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ভারত। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই দুই টেস্টের সিরিজে ভালো ফল করাই এখন শুভমন গিলদের প্রধান লক্ষ্য।

আইপিএল

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় রাহানের

Published

on

২০ বছরের আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের ইতি টানলেন অজিঙ্কা রাহানে। বৃহস্পতিবার সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করলেন ভারতের অভিজ্ঞ ব্যাটার। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক আবেগঘন ভিডিও বার্তায় ৩৮ বছর বয়সী রাহানে জানান, জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ের যেমন শুরু আছে, তেমনই শেষও আছে। তাঁর মতে, বিদায় জানানোর জন্য এটাই সঠিক সময়।

২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর ভারতের হয়ে ৮৫টি টেস্ট, ৯০টি একদিনের ম্যাচ এবং ২০টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন রাহানে। টেস্টে ১২টি শতরান ও ২৬টি অর্ধশতরানে ৫০৭৭ রান করেছেন তিনি। একদিনের ক্রিকেটে তাঁর সংগ্রহ ২৯৬২ রান, রয়েছে তিনটি শতরান। টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ৩৭৫ রান।

রাহানের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় নিঃসন্দেহে ২০২০-২১ সালের অস্ট্রেলিয়া সফর। বিরাট কোহলির অনুপস্থিতিতে চোটে জর্জরিত ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ঐতিহাসিক ২-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতেছিলেন তিনি। সেই সাফল্য ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম সেরা অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিদায়ী বার্তায় রাহানে বলেন, ছোটবেলা থেকে ভারতের জার্সি গায়ে খেলার স্বপ্ন নিয়েই বড় হয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে সবসময় দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ক্রিকেট তাঁকে যেমন জয় দিয়েছে, তেমন হারও শিখিয়েছে। তবে সমর্থকদের ভালোবাসার কাছে তিনি কখনও হারেননি বলেও উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে শেষবার ভারতের হয়ে খেলেছিলেন রাহানে। এরপর জাতীয় দলে আর সুযোগ না পেলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলেছেন এবং ২০২৩-২৪ মরশুমে মুম্বইকে রঞ্জি ট্রফির শিরোপা জিতিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ হলেও ক্রিকেটের সঙ্গ ছাড়ছেন না তিনি। আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের পাশে থেকে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন ভারতের ২৭৮ নম্বর টেস্ট ক্রিকেটার।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

নির্ভীক ক্রিকেটেই সিরিজ জয়, উচ্ছ্বসিত শ্রেয়স

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা টি-২০ সিরিজ হারের পর নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকে ঘিরে বাড়ছিল চাপ। তবে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় সেই চাপ অনেকটাই কমিয়ে দিল। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৩৫ রানের জয় তুলে নিয়ে ভারত সম্পূর্ণ আধিপত্যের সঙ্গে হোয়াইটওয়াশ করল জিম্বাবোয়েকে।সিরিজ জয়ের পর শ্রেয়স বলেন, দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তরুণ ক্রিকেটারদের নির্ভীক মানসিকতা। তাঁর কথায়, “ছেলেরা যেভাবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছে, সেটাই সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। অধিনায়ক হিসেবে আমি এমন শক্তি ও আত্মবিশ্বাসই দেখতে চাই। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতা অবশ্যই বিশেষ।” তিনি আরও বলেন, দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা প্রায় সমান হলেও আইপিএলে খেলার কারণে তারা অনেক পরিণত। তাই তিনি সবসময় ক্রিকেটারদের চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করেন, যাতে তারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। শ্রেয়সের মতে, দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচ জেতার মানসিকতা এবং কঠিন সময়ে শান্ত থাকার ক্ষমতাই ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।অন্যদিকে সিরিজ ও ম্যাচসেরা বৈভব সূর্যবংশী নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রস্তুতি ও দলের আস্থাকে। তিনি বলেন, “এখানে প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এই মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় আত্মবিশ্বাস ছিল। কোচ ও অধিনায়ক আমার ওপর ভরসা রেখেছেন, আমি শুধু নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে চেয়েছি।” বৈভব জানান, দলের জন্য ভালো শুরু এনে দেওয়াই ছিল তাঁর লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা হওয়াকে তিনি স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেন।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

জিম্বাবোয়েকে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজ জয় ভারতের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: প্রথম ম্যাচের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখেই জিম্বাবোয়ের মাটিতে আরও একবার দাপট দেখাল ভারত। হারারের মাঠে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিজেদের নামে করে নিল শ্রেয়স আইয়ারের দল। ব্যাট হাতে ঈশান কিষান ও তিলক বর্মার ঝোড়ো ইনিংসের পর বল হাতে ভারতীয় বোলারদের শৃঙ্খলিত পারফরম্যান্সে অসহায় আত্মসমর্পণ করল জিম্বাবোয়ে।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন ঈশান কিষান(৮১)। তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দেন তিলক বর্মা(৬০)। শেষদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৯ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ভারত। এই ইনিংসের সুবাদে এক ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক ২০০-প্লাস টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক স্কোরের বিশ্বরেকর্ডও স্পর্শ করে টিম ইন্ডিয়া।
২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবোয়ে। শুরুতে কিছুটা লড়াই করেন বেনেট(৩২)। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচে ফিরতে পারেনি জিম্বাবোয়ে। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণের সামনে ১৭.৫ ওভারে ১২৯ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবোয়ের ইনিংস। অভিষেক শর্মা তিন উইকেট নিয়ে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ঈশান কিষাণ। এই জয়ের ফলে আইয়ারের নেতৃত্বে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল ভারত।

Continue Reading

Trending