আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
ICC CT 2025: ভারতের সাথে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আইসিসির বিরুদ্ধে
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: দীর্ঘ আট বছর পর ক্রিকেট দুনিয়ায় ফিরেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। আর ইতিমধ্যেই সেই প্রতিযোগিতা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। সরাসরি আইসিসির বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন একাধিক ক্রিকেটাররা। উঠেছে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও। আর সেই পক্ষপাতিত্ব অন্য কারুর সাথে নয়, উঠেছে ভারতের বিরুদ্ধে। অর্থাৎ তাদের দাবি অনুযায়ী ভারতের সাথে পক্ষপাতিত্ব করছে আইসিসি।
কিন্তু কেন এমন অভিযোগ? চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হচ্ছে পাকিস্তানের করাচিতে। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার টিম ইন্ডিয়াকে পাকিস্তানে গিয়ে খেলার অনুমতি দেয়নি। আর তাই হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করে ভারতের সবকটি ম্যাচ রাখা হয়েছে নিরপেক্ষ ভেন্যু দুবাইতে। এই ঘটনারই প্রতিবাদ জানিয়েছেন একাধিক প্রাক্তন এবং বর্তমান ক্রিকেটাররা।
সম্প্রতি চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাঠে নামতে পারেন নি প্যাট কামিন্স। সেই কামিন্সের সুরে অভিযোগ স্পষ্ট। বলেছেন, “ভারত এমনিতেই শক্তিশালী দল। সেখানে এত বড় একটা প্রতিযোগিতা ফিরে এসেছে সেটার থেকেও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের নির্বাচনকে। নির্দিষ্ট একটি স্থানে খেলার জন্য বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে ভারত।” একই সুর শোনা গেছে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার নাসির হোসেন এবং মাইকেল অ্যাথার্টন এর কথাতেও। “নিঃসন্দেহে ভারত শক্তিশালী দল, কিন্তু এটা অস্বীকার করার জায়গা আছে কি যে ভারত শুধুমাত্র দুবাইতে খেলছে? সেক্ষেত্রে একই রকম আবহাওয়া একই রকম পিচ, বড় সুবিধে দিচ্ছে ভারতকে। যেখানে অন্য দলগুলিকে এক শহর থেকে অন্য শহর ছুটে বেড়াতে হচ্ছে এবং প্রত্যেকটি শহরের আবহাওয়ার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে সেখানেই ভারত শুধুমাত্র দুবাইতে ম্যাচ খেলার কারণে এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে না। এমনকি দুবাই বেছে নেওয়ার পেছনে ভারতের অন্যতম বড় কারণ হল তাদের স্পিনার অ্যাডভান্টেজ। পিচের সঙ্গে তারা পরিচিত এবং সেক্ষেত্রে যদি সেমিফাইনাল বা ফাইনাল খেলে ভারত তাহলে আগে থেকেই বেশ কিছুটা বাড়তি সুবিধাও পাবে। তাছাড়া যেখানে লাহোর করাচি বা রাউলপিন্ডির ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা প্রথম একাদশ বেছে নিতে হচ্ছে অন্যান্য দলগুলিকে সেখানে ভারত সেট টিম নিয়ে প্রতিবার খেলতে নামছে। এটা বড় সুবিধে ছাড়া আর কী হতে পারে?” ইংল্যান্ডের আরও এক প্রাক্তন বোলার মুখ খুলেছেন এই প্রসঙ্গে। জোনাথন অ্যাডমিনের সুরে ছিল যথেষ্ট পরিমাণ আগ্রাসন। “ভারতকে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তা তো স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা খেলতে নামার সময় নিজের পছন্দের মাঠ বা পিঠ বেছে নেওয়া যায় না। কিন্তু ভারত যেহেতু পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি হয়নি, সেক্ষেত্রে দুবাইকে বেছে নেওয়া ছাড়া আর কোন রাস্তা খোলা ছিল না। তবে বিষয়টা অত্যন্ত হাস্যকর এবং লজ্জাজনক। তার থেকেও বড় কথা একটা দেশ এত বছর পর যখন প্রতিযোগিতা আয়োজন করছে তখন তারা অন্য দেশে গিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে এটা তাদের কাছে কতটা অপমানজনক? আমি সত্যিই জানি না এরকম ভাবে কতদিন পক্ষপাতিত চলবে। ভারত এবং আইসিসি দুজনের পক্ষেই কিন্তু বিষয়টা অস্বস্তিকর হওয়া উচিত।”
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিম ঘোষণা করার পর গৌতম গম্ভীর এবং অজিত আগারকারকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাদের স্পিনার নির্বাচন নিয়ে। সেটাও যে একটা চালাকি ছিল এমনটাই মনে করছেন ইংল্যান্ডের অনেক ক্রিকেটারই। পাঁচজন স্পিনার খেলানো নিঃসন্দেহে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভাল ফল এনে দিয়েছে ভারতকে। যেহেতু দুবাইয়ের পিচ সম্পর্কে ভারতের আগেই ধারণা ছিল সেক্ষেত্রে বড় সুবিধেও পেয়েছে ভারত। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে মুখ খোলেনি আইসিসি। তবে এই অভিযোগের কোন পাল্টা পাওয়া যায় কি না তা সময় বলবে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
নির্ভীক ক্রিকেটেই সিরিজ জয়, উচ্ছ্বসিত শ্রেয়স
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা টি-২০ সিরিজ হারের পর নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকে ঘিরে বাড়ছিল চাপ। তবে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় সেই চাপ অনেকটাই কমিয়ে দিল। সিরিজের শেষ ম্যাচে ৩৫ রানের জয় তুলে নিয়ে ভারত সম্পূর্ণ আধিপত্যের সঙ্গে হোয়াইটওয়াশ করল জিম্বাবোয়েকে।সিরিজ জয়ের পর শ্রেয়স বলেন, দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তরুণ ক্রিকেটারদের নির্ভীক মানসিকতা। তাঁর কথায়, “ছেলেরা যেভাবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছে, সেটাই সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। অধিনায়ক হিসেবে আমি এমন শক্তি ও আত্মবিশ্বাসই দেখতে চাই। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জেতা অবশ্যই বিশেষ।” তিনি আরও বলেন, দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা প্রায় সমান হলেও আইপিএলে খেলার কারণে তারা অনেক পরিণত। তাই তিনি সবসময় ক্রিকেটারদের চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করেন, যাতে তারা নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। শ্রেয়সের মতে, দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচ জেতার মানসিকতা এবং কঠিন সময়ে শান্ত থাকার ক্ষমতাই ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।অন্যদিকে সিরিজ ও ম্যাচসেরা বৈভব সূর্যবংশী নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রস্তুতি ও দলের আস্থাকে। তিনি বলেন, “এখানে প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে এই মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় আত্মবিশ্বাস ছিল। কোচ ও অধিনায়ক আমার ওপর ভরসা রেখেছেন, আমি শুধু নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে চেয়েছি।” বৈভব জানান, দলের জন্য ভালো শুরু এনে দেওয়াই ছিল তাঁর লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার ম্যাচসেরা ও সিরিজসেরা হওয়াকে তিনি স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
জিম্বাবোয়েকে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজ জয় ভারতের
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: প্রথম ম্যাচের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখেই জিম্বাবোয়ের মাটিতে আরও একবার দাপট দেখাল ভারত। হারারের মাঠে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিজেদের নামে করে নিল শ্রেয়স আইয়ারের দল। ব্যাট হাতে ঈশান কিষান ও তিলক বর্মার ঝোড়ো ইনিংসের পর বল হাতে ভারতীয় বোলারদের শৃঙ্খলিত পারফরম্যান্সে অসহায় আত্মসমর্পণ করল জিম্বাবোয়ে।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন ঈশান কিষান(৮১)। তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দেন তিলক বর্মা(৬০)। শেষদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২১৯ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ভারত। এই ইনিংসের সুবাদে এক ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক ২০০-প্লাস টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক স্কোরের বিশ্বরেকর্ডও স্পর্শ করে টিম ইন্ডিয়া।
২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবোয়ে। শুরুতে কিছুটা লড়াই করেন বেনেট(৩২)। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচে ফিরতে পারেনি জিম্বাবোয়ে। ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণের সামনে ১৭.৫ ওভারে ১২৯ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবোয়ের ইনিংস। অভিষেক শর্মা তিন উইকেট নিয়ে বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন ঈশান কিষাণ। এই জয়ের ফলে আইয়ারের নেতৃত্বে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল ভারত।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
ক্রিস গেইলের রেকর্ড ভেঙে ছক্কার রেকর্ড রোহিতের
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : ভারত সিরিজ হারলেও ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন রোহিত শর্মা। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ১১০ বলে ১৩৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর ইনিংসে ছিল ১৭টি চার ও ৫টি ছয়। এই পাঁচটি ছক্কার সৌজন্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে SENA (দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া) দেশগুলির বিরুদ্ধে সর্বাধিক ছয়ের নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিনি। এতদিন ৩৪২টি ছয় নিয়ে শীর্ষে ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিস গেইল। রোহিত সেই রেকর্ড ভেঙে পৌঁছে গেলেন ৩৪৬টি ছয়ে। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বিরাট কোহলি, তাঁর ঝুলিতে ১৮২টি ছয়। ব্যক্তিগত এই ঐতিহাসিক কীর্তি ভারতের পরাজয়ের হতাশার মাঝেও রোহিতের ইনিংসকে স্মরণীয় করে রাখল।
-
ফুটবল2 months agoFIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার
-
ফুটবল1 month agoFIFA WC 2026: আলজেরিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা
-
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট2 months agoজাতীয় দলে বৈভব, পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা; বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল2 months agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল2 months agoFIFA WC 2026: বিশ্বকাপের মঞ্চে বাধা, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না ওমর আব্দুলকাদির
-
ক্রিকেট2 months agoBT20L: অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত! চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ল নভাস রয়্যালস পুরুলিয়া
-
ফুটবল2 months ago৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় মেয়েরা
-
ফুটবল1 month agoFIFA WC 2026: এক ভুলেই সর্বনাশ কোরিয়ার, নকআউটে জায়গা পাকা মেক্সিকোর
