Connect with us

ইস্টবেঙ্গল

অভূতপূর্ব প্রত্যাবর্তন! ঘরের মাঠে আল আরবিকে উড়িয়ে দিয়ে ইতিহাস লিখল ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটের খেলা চলছে। মহম্মদ রাশিদের ফ্রি কিক থেকে বক্সের মধ্যে হেড করলেন জয় গুপ্ত। বল জালে জড়াতেই জেগে উঠল যুবভারতীর গ্যালারি। লাল-হলুদ জনতার উচ্ছ্বাস তখন হাউইয়ের গতিতে আকাশ ছুঁয়েছে। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে অপ্রত্যাশিত পেনাল্টি থেকে গোল হজম করে ঘরের মাঠে হারের প্রমাদ গুনছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু পিছিয়ে থাকা লাল-হলুদ ব্রিগেড যে ক্ষুধার্ত বাঘের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর। নির্ধারিত সময়ের শেষে ফলাফল ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকায়, ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই বাজিমাত হাবাসের। অবশেষে ৪-১ গোলে আল আরবিকে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু-এর মূল পর্বে জায়গা করে নিল ইস্টবেঙ্গল।

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় ইস্টবেঙ্গলকে। প্রথমার্ধে দু’দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা মিলছিল না। বিরতির পর ম্যাচ জমে ওঠে। পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে যায় আল আরবি। সন্দীপ মান্ডির করা ভুলে পেনাল্টি পায় কুয়েতের ক্লাবটি। এরপর নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরান জয় গুপ্ত।

অতিরিক্ত সময় শুরু হতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণের সামনে কার্যত ভেঙে পড়ে আল-আরাবির রক্ষণ। পরপর তিনটি গোল করে ম্যাচের যাবতীয় উত্তেজনার অবসান ঘটায় লাল-হলুদ। শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়।

এই জয়ের ফলে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু-এর গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নিল ইস্টবেঙ্গল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এশীয় মঞ্চে এমন দাপুটে পারফরম্যান্স সমর্থকদের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে দিল। অতিরিক্ত সময়ে তিন গোল—এই রাত তাই ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কাছে হয়ে থাকল স্মরণীয়।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

প্রতিপক্ষের ডেরায় আত্মবিশ্বাসে ভরপুর আল আরবি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি উধাও। নীল আকাশের গায়ে ভাসা মেঘ প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা জানান দিচ্ছে। কিন্তু আল আরবির ফুটবলাররা মাঠে নামতেই প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু-এর প্রিলিমিনারি রাউন্ডে মাঠে নামার আগে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত কুয়েতের ক্লাবটি। কলকাতার আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ম্যাচের পাঁচদিন আগেই শহরে পা রেখেছে আল আরবি। তুরস্কে তিন সপ্তাহের প্রস্তুতি শিবির সম্পন্ন করে চারটি প্রীতি ম্যাচও খেলেছে তারা। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গলকে পরাস্ত করে এসিএল টু-এর মূল পর্বে জায়গা করে নিতে প্রস্তুত কুয়েতের এই ক্লাবটি। প্রতিপক্ষের প্রসঙ্গে গোরান সাবলিচ বলেন, “ইস্টবেঙ্গল যথেষ্ট ভাল দল। ম্যাচটা আমাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হতে চলেছে। বিশেষ করে নিজেদের মাঠে খেললে তাদের শক্তি আরও বৃদ্ধি পায়। তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী, লড়াই করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

বুধবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঘরের মাঠের সুবিধা পাবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবুও গ্যালারির শব্দব্রহ্মকে ভয় পাচ্ছে না আল আরবি। সাংবাদিক সম্মেলনে আল আরবির ফুটবলার এমানুয়েল ইওয়ালা বলেন, “ফুটবলে দর্শক ও সমর্থকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিশ্চিতভাবেই ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা ও সমর্থন ইস্টবেঙ্গলের থাকবে। কিন্তু সেই চাপ সামলানোর মতো মানসিকতা ও অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। আগামীকাল গ্যালারিভর্তি দর্শকের সামনে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের আছে।” এদিন শেষ মুহুর্তের অনুশীলন বিপক্ষের ডেরায় রণক্ষেত্রের জমি মাপলেন আল আরবির ফুটবলাররা। প্রয়োজনীয় রণকৌশল আগেই তৈরি করে ফেলেছেন দলের হেড কোচ গোরান সাবলিচ।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

ACL2 PRELIMINARY: অজুহাত মানতে রাজি নন হাবাস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক:এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২-এর প্রাথমিক পর্বের ম্যাচে আল আরবির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আর ৪৮ ঘণ্টাও বাকি নেই। তার আগেই বড় ধাক্কা ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। চোটের কারণে সোমবারও অনুশীলনে যোগ দেননি স্প্যানিশ ডিফেন্ডার নাচো মনসালভে। অন্যদিকে ভিসা সমস্যার জেরে এখনও শহরেই পৌঁছতে পারেননি নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার এফিয়ং।

দুই গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ফুটবলারকে ছাড়াই প্রস্তুতি চালাতে হচ্ছে লাল-হলুদকে, যা ম্যাচের আগে চাপ বাড়াচ্ছে।তবে প্রতিকূলতার মাঝেও আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। সোমবার অনুশীলন শেষে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের মাঠ ছাড়ার আগে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “বিদেশি ডিফেন্ডার ও স্ট্রাইকার না থাকায় চাপ রয়েছে ঠিকই, কিন্তু তা নিয়ে ভাবছি না। ড্রেসিংরুমে ফুটবলারদের বলে দিয়েছি, কোনও অজুহাত চলবে না। যা আছে, তা দিয়েই নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে ম্যাচ জেতার চেষ্টা করতে হবে।”

এদিনও অনুশীলনে দেখা যায়নি নাচোকে। ফলে ডিফেন্সে আনোয়ার আলির পাশে সন্দীপ মান্ডিকে নামানো হতে পারে। লেফট ব্যাকে জয় গুপ্তা এবং রাইট ব্যাকে হার্দিক ভাটের খেলার সম্ভাবনা প্রবল। মিডফিল্ডে রাশিদ ও জিকশনের জুটি ভারসাম্য রাখবে। আক্রমণভাগে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে ডানি রামিরেজ থাকবেন। লেফট উইংয়ে বিপিন এবং রাইট উইংয়ে এডমুন্ডকে দেখা যেতে পারে। স্ট্রাইকার হিসেবে শুরু করতে পারেন জেসিন টিকে। পরিবর্ত হিসেবে নামবেন ক্রিস ইকোনোমিডিস।এখন দেখার বিদেশী ডিফেন্ডার এবং স্ট্রাইকার বিহীন খানিকটা পিছিয়ে পড়া ইস্টবেঙ্গল ঠিক কতটা শক্তিশালী হয়ে লড়াই করতে পারে।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

নাচোকে নিয়ে মরশুমের শুরুতেই বিপাকে ইস্টবেঙ্গল, ছাড়তে গেলেও বহু সমীকরণ

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলে এই মুহূর্তে ইনভেস্টর নেই। দল গঠনের মূল দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কর্তারা। তারপরেও আইএসএল-এ লড়াই করার মত দল গড়তে সক্ষম হয়েছেন তারা। স্বাভাবিকভাবেই সব ফুটবলার নেওয়ার পর হাতে অতিরিক্ত অর্থ তেমন নেই। কিন্তু মরশুমের শুরুতেই যে ফুটবলার বদলের পরিস্থিতি। তাও আবার বিদেশি। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার নাচোকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে অসন্তোষ শুরু হয়ে গেছে কয়েকদিন আগে থেকেই। যখন ডুরান্ড কাপে দ্বিতীয় ম্যাচে কিছুক্ষণের জন্য মাঠে নেমেই পেশীতে হালকা চোট পেয়েছিলেন তিনি। তার জন্য দিনদুয়েক অনুশীলন করতে পারেননি। তারপর আবার অনুশীলনে ফেরেন। সাউথ ইউনাইটেড এর বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। কিন্তু বিরতিতে আবার চোটের জন্য তাকে তুলে নিতে হয়। এবার হাঁটুতে। এতটাই চোট যে রবিবার অনুশীলনে এলেন না। খুব স্বাভাবিকভাবেই এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু-এর যোগ্যতা অর্জন পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সম্পূর্ণ ভারতীয় রক্ষণ খেলাতে হবে কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে।

কিন্তু নাচোর কি হবে? তিনি যে সম্পূর্ণভাবে চোট সারাতে এসেছেন তা তো বোঝাই যাচ্ছে। কোচ নিজে পছন্দ করে নিয়ে এসেছেন। এখন নিজেই ঘনিষ্ঠ মহলে বলছেন পরিবর্ত লাগবে। বললেই তো হলো না। নাচোর চোট যদি গুরুতর না হয় তাহলে সেই চোট দেখিয়ে নিয়ম মেনে বিনা খরচে ছাড়া যাবে না। ছাড়তে হবে ক্ষতিপূরণ দিয়ে। অর্থাৎ নতুন করে অর্থের দায়ভার চাপবে ইস্টবেঙ্গলের উপর। এই মুহূর্তে সেটা করা ছাড়া ইস্টবেঙ্গলের উপায় নেই কারণ বিদেশী ডিফেন্ডার নিতেই হবে। শুধু আনোয়ার আলি ছাড়া স্টপারে তেমন গোটা মরশুম খেলে দেওয়ার মতো ভারতীয় ডিফেন্ডার নেই। জিকসন সিং গত বছর আইএসএল টা উতরে দিয়েছিলেন। বারবার তো তা হবে না। তাই নতুন বিদেশী ডিফেন্ডার নিতেই হবে।

পরিস্থিতি যা তাতে নতুন করে একটা বড় অংকের বোঝা চাপছে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের উপর। যাতে ধাক্কা খেতে চলেছে তাদের গোটা বছরের পরিকল্পনা।

Continue Reading

Trending