ফুটবল
চ্যাম্পিয়ন হতে মুখিয়ে বোরহা। বিস্তারিত পড়ুন…
সায়ন দে, ভুবনেশ্বর: আইএসএলের সবথেকে ধারাবাহিক দলের মধ্যে একটি হল এফসি গোয়া। চলতি মরশুম মানোলো মার্কুয়েজের তত্ত্বাবধানে দারুন ছন্দে রয়েছে গোটা দল। আইএসএলে ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হলেও, সুপার কাপে সেই স্বপ্ন নিয়েই খেলতে নেমেছে গোয়া। প্রথম ম্যাচে গোকুলাম কেরালা এবং কোয়ার্টার ফাইনালে পঞ্জাব এফসিকে হারিয়ে সুপার কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছে তারা। আগামী বুধবার মোহনবাগানের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে গোয়া। পঞ্জাব ম্যাচে গোল করে দলকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার বোরহা হেরেরা। ম্যাচের আগের দিন রে স্পোর্টজকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিলেন তিনি।
রে স্পোর্টজ: ইস্টবেঙ্গলের হয়ে আপনি সুপার কাপ জিতেছেন। এবছর আপনার দল এফসি গোয়া ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে। কি বলবেন?
বোরহা: ইস্টবেঙ্গলের হয়ে সুপার কাপ জেতাটা আমার কাছে একটা আলাদা প্রাপ্তি। কিন্তু এখন আমি গোয়ার ফুটবলার। সুপার কাপের সেমিফাইনালে আমরা শুধুমাত্র আমাদের কঠিন পরিশ্রমের কারণেই পৌঁছেছি।
রে স্পোর্টজ: আইএসএলে ভাল খেলেও ট্রফি হাতছাড়া হয়েছে। সুপার কাপ নিয়ে কতটা আশাবাদী?
বোরহা: আমাদের মানসিকতা পরিষ্কার, আমরা জিততে চাই। সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আমাদের দল প্রস্তুত।
রে স্পোর্টজ: সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হলে এএফসিতে খেলার সুযোগ রয়েছে। সেখানে খেলতে কতটা মুখিয়ে রয়েছেন?
বোরহা: প্রত্যেকটা ফুটবলারের স্বপ্ন থাকে বড় মঞ্চে খেলার। তাই এএফসির মতো বড় মঞ্চে খেলতে আমি মুখিয়ে রয়েছি।
রে স্পোর্টজ: পঞ্জাব ম্যাচে আপনার গোলেই সমতায় ফিরেছে গোয়া। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ মোহনবাগান। এই ম্যাচের জন্য আপনার ব্যক্তিগত লক্ষ্য কি?
বোরহা: পঞ্জাবের বিরুদ্ধে গোলটা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে আমার লক্ষ্য একটাই, ম্যাচ জেতার জন্য দলকে সাহায্য করা।
রে স্পোর্টজ: সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কি বার্তা দেবেন?
বোরহা: সমর্থকদের ভালবাসাই আমাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। তাদের জন্য প্রতিটা ম্যাচে লড়াই করব।
ফুটবল
খিদিরপুরের রক্ষণে আটকে পয়েন্ট খোয়াল মোহনবাগান
রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: কলকাতা লিগে টানা দ্বিতীয় জয়ের আশা নিয়ে মাঠে নেমেছিল মোহনবাগান। কিন্তু সুসংগঠিত খিদিরপুর এসসির রক্ষণ ভাঙতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১-১ ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল সবুজ-মেরুন শিবিরকে। শুরু থেকেই মেহতাব হোসেনের দল সায়ন ব্যানার্জি ও রবিলাল মান্ডিকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে বাগানের আক্রমণের ধার কমিয়ে দেয়। উল্টে সপ্তম মিনিটেই ডেভিড মোতলার দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২৭ মিনিটে কিয়ান নাসিরির নিখুঁত ক্রস থেকে সন্দীপ মালিক গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন।
বিরতির পরেই পাল্টা জবাব দেয় খিদিরপুর। ৪৮ মিনিটে তুহিন সিকদারের গোলে সমতা ফেরে। এরপর সুহেলের সামনে সহজ সুযোগ এলেও তিনি লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ম্যাচের শেষদিকে একের পর এক পরিবর্তন করে আক্রমণে গতি আনার চেষ্টা করেন বাস্তব রায়। সায়নের ব্যাকভলি, কিয়ানের ফ্রি-কিক কিংবা সংযোজিত সময়ে রবিলাল মান্ডির শক্তিশালী দূরপাল্লার শট—কোনওটাই জালে জড়ায়নি। ফলে লড়াইয়ে ভরপুর ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।
ফুটবল
FIFA WC 2026: “৯০ মিনিট শেষ না হওয়া পর্যন্ত হারি না”—ফাইনালে উঠে বার্তা মেসির
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালের নাটকীয় জয় শেষে মিক্স জোনে দাঁড়িয়ে আবেগঘন কণ্ঠে দলের সাফল্যের গল্প শোনালেন অধিনায়ক নিজেই। তাঁর কথায়, এই যাত্রা শুধু জয়ের নয়, বিশ্বাস, লড়াই আর প্রত্যাবর্তনের গল্প।
মেসি জানালেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই নিজের লক্ষ্য ঠিক করে নিয়েছিলেন তিনি। “আমার ব্যক্তিগত টার্গেট ছিল অন্তত সেমিফাইনালে পৌঁছানো। সেই লক্ষ্য আমরা পূরণ করেছি, কিন্তু তার থেকেও বড় কথা—আমরা আবার ফাইনালে উঠেছি,” বলেন তিনি। কথার মাঝেই স্পষ্ট ছিল তৃপ্তি, তবে থামেননি সেখানেই। সামনে আরও বড় লক্ষ্য যে অপেক্ষা করছে, সেটাও মনে করিয়ে দিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
এই বিশ্বকাপের পথে আর্জেন্টিনাকে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার চোট সমস্যায় ভুগেছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেন, “এই দলে অনেক চোট সমস্যা রয়েছে। তবুও আমরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছি। বাইরে থেকে অনেকেই বলেছিল, এবারে আমরা ভালো করতে পারব না। কিন্তু এই দল মাঠে নেমে প্রমাণ করেছে, আমরা কী করতে পারি।”
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচ নিয়েও খোলাখুলি কথা বলেন তিনি। শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল চাপ, শারীরিক লড়াই আর স্নায়ুর পরীক্ষা। “ম্যাচের আগে স্নায়ুকে ধরে রাখা সহজ ছিল না। এমন বড় ম্যাচে নামার আগে চাপ থাকবেই। কিন্তু আমরা নিজেদের বিশ্বাসে অটল ছিলাম,” বলেন মেসি।
ম্যাচের শেষদিকে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় ছিনিয়ে আনে আর্জেন্টিনা—যা এই দলের অন্যতম বড় শক্তি হয়ে উঠেছে। সেই মানসিকতার কথাই তুলে ধরলেন অধিনায়ক। “এই দল বিশ্বাস করে, ৯০ মিনিট শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ম্যাচ হারি না। যতক্ষণ সময় আছে, ততক্ষণ লড়াই চালিয়ে যাই। সেই বিশ্বাসটাই আমাদের বারবার ফিরিয়ে এনেছে,” স্পষ্ট মেসির বক্তব্য।
আর্জেন্টিনার এই সাফল্যের পেছনে শুধু তারকাদের ভূমিকা নয়, গোটা দলের ঐক্য এবং আত্মবিশ্বাসও বড় কারণ বলে মনে করছেন তিনি। তরুণ ও অভিজ্ঞ ফুটবলারদের মিশেলে তৈরি এই দল কঠিন মুহূর্তে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে। সেই ঐক্যের ফলই আজ ফাইনালের মঞ্চে জায়গা করে নেওয়া।তবে এখানেই থেমে থাকতে রাজি নন মেসি। সামনে এখন একটাই লক্ষ্য—আরও একবার বিশ্বকাপ জেতা। “এখন আমাদের একটাই লক্ষ্য, আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া। আমরা জানি, কাজটা কঠিন। কিন্তু আমরা প্রস্তুত,” দৃঢ় কণ্ঠে বলেন তিনি।
ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে তাই আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। সমালোচনাকে পেছনে ফেলে, চোট-আঘাতের বাধা পেরিয়ে, নিজেদের বিশ্বাসে ভর করে আবারও বিশ্ব ফুটবলের মঞ্চে শিরোপার লড়াইয়ে নামতে চলেছে মেসির দল। এবার শেষ হাসিটাও কি তাদেরই হবে? সেই উত্তর মিলবে ফাইনালের মঞ্চেই।
ফুটবল
FIFA WC 2026: উত্তেজনার মাঝে মেসি-বেলিংহাম, পরে ব্যাখ্যায় জল ঢাললেন ইংলিশ তারকা
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মহারণের শুরুতেই লিওনেল মেসি ও জুড বেলিংহামের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ঘিরে চর্চা ছড়াল সামাজিক মাধ্যমে। ম্যাচের প্রথম দিকেই এক ফাউলকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি হন দুই তারকা। বেলিংহামের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা মেসির ছবি মুহূর্তে ভাইরাল হয়, তৈরি হয় নানা জল্পনা।
ম্যাচ শেষে অবশ্য পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডার। তাঁর কথায়, “আসলে আমরা একটি ফাউল নিয়েই কথা বলছিলাম, এর বাইরে কিছু নয়। সবাই বিষয়টা বড় করে দেখাতে চাইবে, কিন্তু বিশেষ কিছু ঘটেনি।” বেলিংহাম জানান, তিনি নিজের ওপর হওয়া ফাউলের প্রসঙ্গ তুলতেই মেসি পাল্টা তাঁর ওপর হওয়া ফাউলের কথা বলেন। “আমি শুধু বলেছিলাম, তুমি যথেষ্ট শক্তিশালী, সামলে নিতে পারবে—এতেই শেষ,” যোগ করেন তিনি।
মাঠে উত্তেজনা থাকলেও শেষ হাসি হেসেছে আর্জেন্টিনা। ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড এবং শেষ দশ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখেছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে জিতে টানা আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।হারের হতাশা সত্ত্বেও মেসির বিপক্ষে খেলাকে বড় অভিজ্ঞতা হিসেবেই দেখছেন বেলিংহাম। তাঁর কথায়, “মেসির বিপক্ষে মাঠে নামা সম্মানের, কোনও বিরূপতা নেই—শুধু হারটাই কষ্ট দিচ্ছে।”
-
ফুটবল1 month agoFIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার
-
ফুটবল1 month agoFIFA WC 2026: আলজেরিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা
-
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট1 month agoজাতীয় দলে বৈভব, পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা; বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল1 month agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল1 month agoFIFA WC 2026: বিশ্বকাপের মঞ্চে বাধা, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না ওমর আব্দুলকাদির
-
ফুটবল1 month ago৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় মেয়েরা
-
ক্রিকেট1 month agoBT20L: অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত! চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ল নভাস রয়্যালস পুরুলিয়া
-
ফুটবল4 weeks agoFIFA WC 2026: এক ভুলেই সর্বনাশ কোরিয়ার, নকআউটে জায়গা পাকা মেক্সিকোর
