ইস্টবেঙ্গল
SUPER CUP 2025: কেরালাকে ছন্দে ফেরাতে মরিয়া ডেভিড
সৌরভ রায়, ভুবনেশ্বর: সুপার কাপ অভিযান শুরু করার আগে কেরালা ব্লাস্টার্স দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ ডেভিড কাতালা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হওয়ার আগে রে স্পোর্টজকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিলেন ডেভিড।
রে স্পোর্টজ: কেরালার হয়ে প্রথম প্রতিযোগিতায় নামার আগে কতটা আশাবাদী?
ডেভিড: এই সুযোগটা পেয়ে আমি কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছি। চেষ্টা করব নিজের সেরাটা দিয়ে ক্লাবের জন্য ভালো কিছু করতে।
রে স্পোর্টজ: আইএসএলে ব্যর্থতার পর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব?
ডেভিড: আইএসএলে ভাল ফল করেনি কেরালা। তবে সুপার কাপে নিজেদের সেরাটা দিতে মরিয়া থাকবেন ফুটবলাররা।
রে স্পোর্টজ: ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হতে কতটা প্রস্তুত?
ডেভিড: ইস্টবেঙ্গলের পরিস্থিতিও আমাদের মতই। আমার মনে হয় তারাও এই প্রতিযোগিতায় ভাল ফল করতে মরিয়া থাকবে।
রে স্পোর্টজ: ছন্দে নেই ইস্টবেঙ্গলও। কেরালা কী এগিয়ে থাকবে?
ডেভিড: ম্যাচটা সমান সমান হবে। ইস্টবেঙ্গল ভাল দল। তাই আমাদের নিজেদের সেরাটা দিয়ে এই ম্যাচে খেলতে হবে।
রে স্পোর্টজ: ৬ জন বিদেশিকে পাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। বাড়তি সুবিধা হবে?
ডেভিড: একদমই না। ফুটবলে এসবের মাহাত্ম্য নেই। মাঠে দুই দলেরই ১১ জন ফুটবলার খেলবেন।
রে স্পোর্টজ: সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কি বলবেন?
ডেভিড: এই পর্যায়ে এসে সমর্থকদের সমর্থনটা ফুটবলারদের প্রয়োজন। আমি আশাবাদী তারা দলকে পূর্ণ সমর্থন করবেন”।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
ACL2: জয় হাতছাড়া, তবু এশিয়ার মঞ্চে লড়াইয়ের নাম ইস্টবেঙ্গল
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: লড়াইয়ের আর এক নাম ইস্টবেঙ্গল। স্কোরবোর্ডে হয়তো শেষ পর্যন্ত লেখা থাকল ২-২। জয় এল না, তিন পয়েন্টও নয়। কিন্তু এশিয়ার মঞ্চে আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটে যে লড়াই দেখাল লাল-হলুদ, তার পর বারবার একটা কথাই বলা যায়—ভিনদেশিদের বিরুদ্ধে এই দেশের জবাব এখন ইস্টবেঙ্গলই দিতে পারে। ম্যাচের আগে থেকেই ছিল একাধিক সমস্যা। শরীর খারাপের কারণে দলের সঙ্গে আসতে পারেননি ক্রিস। দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন ছিল। তার উপর আক্রমণভাগেও ছিল ঘাটতি। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিই যেন ইস্টবেঙ্গলের লড়াই করার জেদ আরও বাড়িয়ে দিল।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা গেল ইস্টবেঙ্গলকে। মাত্র ৯ মিনিটেই এল প্রথম সাফল্য। রাশিদের বাড়ানো বল পেয়েছিলেন এডমুন্ড। তাঁর শট সেভ করেন আল হুসেইনের গোলরক্ষক। কিন্তু রিবাউন্ড চলে আসে রামিরেজের সামনে। দ্বিতীয়বার আর ভুল করেননি তিনি। জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন রামিরেজ। মাঝমাঠ থেকে উঠে এসে শুধু গোল করাই নয়, গোটা প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের খেলায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি।
তবে গোল হজম করেও চুপ করে বসে থাকেনি আল হুসেইন। ১৬ মিনিটে আরেফ হাইথামের ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোরালো শট অল্পের জন্য বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ১৮ মিনিটে জিভুলিচের ভুল থেকে বল পেয়ে যান গোগো। তাঁর শট থেকে কর্নার পায় আল হুসেইন। সেই কর্নার থেকে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন ইউসেফ। সামনে কার্যত ফাঁকা গোল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। বল ডিফ্লেক্ট হয়ে আবার কর্নার হয়। দ্বিতীয় কর্নার থেকে ইউসেফের জোরালো হেডার সরাসরি লক্ষ্যে ছিল। কিন্তু গোলের সামনে তখন প্রস্তুত প্রভসুখন গিল। দুর্দান্ত সেভে দলকে বাঁচান ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক।
বারবার অফসাইড ট্র্যাপে আল হুসেইনের ফুটবলারদের আটকে দিচ্ছিল ইস্টবেঙ্গল। রক্ষণভাগও নিজেদের জায়গা ধরে রাখার চেষ্টা করছিল। ৩৩ মিনিটে গোগোর দূরপাল্লার শট বাইরে চলে যায়। ৩৭ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসেছিলেন মাহমুদ আলমার্দি। বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়া সেই আক্রমণ দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করেন জিভুলিচ।
তার ঠিক এক মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। জয় গুপ্তার বাড়ানো বল আল হুসেইনের ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে পৌঁছে যায় এডমুন্ডের কাছে। সামনে তখন ফাঁকা গোল। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে বল বাইরে উড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে গোল হয়ে গেলে হয়তো ম্যাচের ছবিটাই অন্যরকম হতে পারত। হয়তো প্রথমার্ধেই তিন গোলের ব্যবধান তৈরি করে ফেলত ইস্টবেঙ্গল।
তবে এডমুন্ডের মিসের পরেও থামেনি লাল-হলুদ। ৪০ মিনিটে আবার রামিরেজ। এবার তাঁর কর্নার থেকে উঠে এলেন আনোয়ার আলি। নিখুঁত হেডারে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনোয়ার। রামিরেজের পা থেকে প্রথম গোল, তাঁর কর্নার থেকে আনোয়ারের দ্বিতীয় গোল—প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইয়ের দুই মুখ হয়ে উঠলেন এই দুজন। রক্ষণ সামলে শুধু নিজের কাজটুকু করেননি আনোয়ার, প্রয়োজনের সময় সামনে উঠে এসে দলকে এনে দিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গোল।
দুই গোলের লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নামে ইস্টবেঙ্গল। ৪৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে পড়ে গিয়ে পেনাল্টির আবেদন করেন আল হুসেইনের আরেফ। কিন্তু রেফারি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। উল্টে ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ে যাওয়ার অভিযোগে হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ৫২ মিনিটে আবার আল হুসেইনের আক্রমণ। একক নৈপুণ্যে সেই আক্রমণ আটকে দেন আনোয়ার আলি। প্রথমার্ধে গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধেও রক্ষণে বুক চিতিয়ে লড়াই চালিয়ে যান তিনি।
৫৫ মিনিটে আসিফ খানের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন রামিরেজ। গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার বল জালে রাখতে পারেননি তিনি। ৫৮ মিনিটে আসিফ খানের জায়গায় মাঠে নামেন বিপিন সিং। ইস্টবেঙ্গল তখনও ব্যবধান ধরে রাখার পাশাপাশি তৃতীয় গোলের সন্ধান করছে।
কিন্তু ৬১ মিনিটে ম্যাচে ফিরে আসে আল হুসেইন। অধিনায়ক আলমার্দি খারৌবারের মাইনাস থেকে বল পেয়ে গোল করে ব্যবধান কমান। ২-১। ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা। ৬২ মিনিটে বিপিন সিংয়ের শট গোলরক্ষকের হাতে গিয়ে আটকে যায়। ইস্টবেঙ্গলও তখন পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ৬৫ মিনিটে আবার গিল। ইউসেফের জোরালো শট। কিন্তু গোলের সামনে প্রভসুখন গিলের দুর্দান্ত সেভ। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলকে বাঁচিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
৬৭ মিনিটে একসঙ্গে চারটি পরিবর্তন করে ইস্টবেঙ্গল। হার্দিক ভাটের জায়গায় আসেন গেহলট, এডমুন্ডের জায়গায় ডেভিড, রামিরেজের জায়গায় রেনিয়ার ফার্নান্ডেজ এবং জয় গুপ্তার জায়গায় দানু। রামিরেজের রাত তখন শেষ। কিন্তু মাঠ ছাড়ার আগে তিনি রেখে গেলেন দলের হয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল এবং আনোয়ারের গোলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্নার। মাঝমাঠে তাঁর লড়াইও ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রথমার্ধের অন্যতম বড় শক্তি।
৭৬ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন জিকশন। সময় তখন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ইস্টবেঙ্গল ২-১ এগিয়ে। মনে হচ্ছিল, এত প্রতিকূলতার পরও হয়তো এশিয়ার মঞ্চ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরবে লাল-হলুদ। কিন্তু ম্যাচ তখনও শেষ হয়নি।
৮৮ মিনিটে এল সেই ধাক্কা। অবাইদার ক্রস থেকে গোল করেন আহমেদ আসাফ। ২-২। শেষের দিকে সমতা ফিরিয়ে ম্যাচে পুরোপুরি ফিরে আসে আল হুসেইন। ইস্টবেঙ্গলের দুই গোলের লিড তখন অতীত। এতক্ষণ বুক দিয়ে আগলে রাখা তিন পয়েন্ট যেন হাতের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।
তবু শেষ মুহূর্তেও লড়াই থামেনি। ৯৩ মিনিটে আরেফের গোলমুখী শট। সেই বল যদি জালে ঢুকে যেত, তাহলে ম্যাচের ফল আরও ভয়াবহ হতে পারত। কিন্তু আবারও সামনে প্রভসুখন গিল। অসাধারণ সেভে দলকে ম্যাচে রাখলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে গোল হজম না করে অন্তত এক পয়েন্ট নিশ্চিত করলেন গিল।
শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরলাইন ২-২। তিন পয়েন্ট এল না। কিন্তু এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইটা থেকে গেল। দলের আক্রমণভাগে প্রয়োজনীয় ফুটবলার নেই, ক্রিস শরীর খারাপের জন্য নেই, একাধিক ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও সমস্যা ছিল। তারপরও আল হুসেইনের বিরুদ্ধে এশিয়ার মঞ্চে এমন ফুটবল খেলল ইস্টবেঙ্গল। রিজার্ভ বেঞ্চ আরেকটু ভালো পারফর্ম করতে পারলে হয়তো ম্যাচটা বেরিয়ে যেতে পারত। এডমুন্ডের সেই ফাঁকা গোলের সুযোগটাও যদি কাজে লাগত, তাহলে হয়তো তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ত লাল-হলুদ।
কিন্তু ফুটবল সবসময় হিসেব মেনে চলে না। কখনও কখনও জয় না পেয়েও একটি দল নিজেদের অন্যভাবে প্রতিষ্ঠা করে। এই ম্যাচে রামিরেজ গোল করে শুরুটা করেছিলেন, আনোয়ার গোল করে লিড বাড়িয়েছিলেন, আর প্রভসুখন গিল শেষ পর্যন্ত গোলের নিচে দাঁড়িয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন। বিশেষ করে গিল—আল হুসেইনের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাঁর সেভগুলোই ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচে রেখেছে।
ফলাফল ২-২। এক পয়েন্ট। কিন্তু সেই এক পয়েন্টের পিছনে রয়েছে ৯০ মিনিটের লড়াই, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই, ঘাটতির সঙ্গে লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই। জয় আসেনি, তবু মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়তে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। কারণ এশিয়ার মঞ্চে আবারও লাল-হলুদ বুঝিয়ে দিল—লড়াই করতে হলে নামটা এখনও ইস্টবেঙ্গল।
আইএসএল
‘ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি’, আম্মানে আবেগী হিজাজি
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৩-এর মাঝামাঝি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন জর্ডনের ডিফেন্ডার হিজাজি মাহের। দক্ষিণ এশিয়ার কোনও ক্লাবে সেটিই ছিল তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা। মরসুম গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাল-হলুদ রক্ষণে নিজের জায়গা পাকা করে নেন তিনি। ধারাবাহিকতা ও দৃঢ়তার জন্য দ্রুতই জায়গা করে নেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের হৃদয়ে।
ইস্টবেঙ্গলের ২০২৩-২৪ সুপার কাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হিজাজির। টুর্নামেন্টের সেরা ডিফেন্ডার নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি দু’টি গুরুত্বপূর্ণ গোলও করেছিলেন তিনি। লাল-হলুদ জার্সিতে মোট ৪২টি ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেন এই লম্বা সেন্টার-ব্যাক। ইস্টবেঙ্গলকে প্রথম এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে যোগ্যতা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তাঁর। তবে ২০২৪-২৫ মরসুমের শেষ দিকে হাঁটুর চোট তাঁকে মাঠের বাইরে ছিটকে দেয়।
মাঠের বাইরেও তাঁর সহজ-সরল আচরণ তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। এ বার জর্ডনে ইস্টবেঙ্গল দল। আল-হুসেইনের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ ডি-র প্রথম ম্যাচের আগে প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করতে দলের হোটেলে হাজির হন হিজাজি। তাঁকে বিশেষ সংস্করণের লাল-হলুদ এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু জার্সি উপহার দেন ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ বিনো জর্জ।
প্রাক্তন ক্লাবের সঙ্গে ফের দেখা হওয়ার মুহূর্তে আবেগপ্রবণ হিজাজি বলেন, “অনেক দিন পর প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করে খুব ভাল লাগছে। জর্ডনে সবাইকে স্বাগত। ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি! ইস্টবেঙ্গল এবং আল-হুসেইন দুটোই আমার প্রাক্তন ক্লাব। দু’দলকেই শুভেচ্ছা। ভাল দল জিতুক।”
ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের ভালবাসা নিয়েও আবেগ প্রকাশ করেন তিনি। “ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের খুব মিস করি। এখনও ইনস্টাগ্রামে তাঁদের কাছ থেকে শত শত মেসেজ পাই। দু’মরসুম এমন আবেগপ্রবণ সমর্থকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। সুপার কাপ জয়ের পর কলকাতায় ফেরার দিনটা আমার কেরিয়ারের সেরা দিন হয়ে থাকবে। এমন নিঃশর্ত ভালবাসা অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন। কলকাতার খাবারও মিস করি, বিশেষ করে আলু দেওয়া বিরিয়ানি।”
২০২৬-এ ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল ও ডুরান্ড কাপ জয়ের প্রতিটি ম্যাচও জর্ডন থেকে দেখেছেন হিজাজি। তাঁর কথায়, “আমি জর্ডন থেকে ইস্টবেঙ্গলের সব ম্যাচ দেখি। আইএসএল ও ডুরান্ড কাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখেছি। ক্লাবের সাফল্যে আমি খুব খুশি। এক অর্থে ২০২৪-এর সুপার কাপ জয়ের মাধ্যমে আমরা এই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরুটা করেছিলাম। গত ১৮ মাসে ক্লাব যেভাবে সেই সাফল্যের উপর ভিত্তি করে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, তা অসাধারণ। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র জন্য ইস্টবেঙ্গলকে শুভেচ্ছা। হাবাসের অধীনে দল ভাল করবে বলেই আমি নিশ্চিত।”
ইস্টবেঙ্গল
২২ সেপ্টেম্বর ইস্টবেঙ্গল-মহামেডান ম্যাচ দিয়ে শুরু আইএফএ শিল্ড
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: প্রকাশিত হল ২০২৬-২৭ আইএফএ শিল্ডের ক্রীড়াসূচি। ছ’টি দলকে দু’টি গ্রুপে ভাগ করে এ বার অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতা। গ্রুপ ওয়ানে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও পাঞ্জাব এফসি। গ্রুপ টু-তে রয়েছে মোহনবাগান, শ্রীনিদি ডেকান এফসি এবং নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি।
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এ বারের আইএফএ শিল্ড। যদিও এই ম্যাচের ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। পরের দিন, ২৩ সেপ্টেম্বর ঘরের মাঠে শ্রীনিদি ডেকান এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে মোহনবাগান।
এর পর গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলি হবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী। ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল। তবে সেমিফাইনালের ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফাইনালের তারিখ ও ভেন্যু সম্পর্কে এখনও কোনও ঘোষণা করেনি আইএফএ।
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: আলজেরিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা
-
ফুটবল3 months agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: এক ভুলেই সর্বনাশ কোরিয়ার, নকআউটে জায়গা পাকা মেক্সিকোর
-
ফুটবল3 months ago৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় মেয়েরা
-
ফুটবল2 months agoমোহনবাগানে ‘মিজো ফ্ল্যাশ’ ছাংতে
-
আইএসএল1 month agoব্রাজিল ম্যাচের পর আইএসএল, সম্ভাব্য শুরু ১৫ অক্টোবর
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: জার্মান ঝড়ে বিধ্বস্ত কুরাকাও, ৭-১ গোলের বিশাল জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের
