Connect with us

Uncategorized

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ড্র করেই এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের যাত্রা শুরু করল ভারত…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: মঙ্গলবার এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের প্রথম ম্যাচে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আটকে গেল ভারত। গোলশূন্য ড্র করেই অভিযান শুরু করল সুনীল ছেত্রী, লিস্টন কোলাসোরা। শিলংয়ের জহরলাল নেহেরু স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এদিন প্রচুর সমর্থক ভির জমিয়েছিলেন এই হাই ভোল্টেজ ম্যাচকে উপভোগ করতে। কিন্তু খুব বেশি উপভোজ্ঞ হলনা এই ম্যাচ। প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ ফুটবল খেললেও, দ্বিতীয়ার্ধে জ্বলে ওঠে মানোলো মার্কুয়েজের ছেলেরা। তবে বাংলাদেশ দলে ছিলেন সদ্য ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলে আসা হামজা চৌধুরী। আর সেই হামজার একক দক্ষতার কাছেই আটকে গেল ভারত। 

ম্যাচ শুরুর দিকে ভারতের রক্ষণকে বেশ চাপে রেখেছিল বাংলাদেশ ফুটবলাররা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভুল করে বসেন গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। তার ভুলে বক্সের ভেতর বল পেয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলার মোরসালিন কিন্তু সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেননি তিনি। ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় নিশ্চিত গোল খাওয়া থেকে ভারতকে বাঁচান শুভাশিস বোস৷ গোল লাইন সেভ করেন তিনি। অপরদিকে ৩১ মিনিটের মাথায় ম্যাচের প্রথম গোলের সুযোগ পেয়েছিল ভারত। কিন্তু সেই সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন ফারুক চৌধুরী। প্রথমার্ধে বিশাল কাইথের একক দক্ষতায় আরও একবার নিশ্চিত গোল খাওয়া থেকে বাঁচে ভারত। ফলে ০-০ ফলাফলে শেষ হয় প্রথমার্ধ। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন ভারতীয় ফুটবলাররা। মুহুর্মুহু বাংলাদেশ রক্ষণে আক্রমণ তুলে আনে ভারত। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর ক্রসে মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন সুনীল ছেত্রী। মিনিট দুয়েক পর আবারও লিস্টনের কর্ণার থেকে হেড করেছিলেন সুনীল, কিন্তু এবারে বাংলাদেশের রক্ষাকর্তা হয়ে দাঁড়ান সেই হামজা চৌধুরী। ৬৩ মিনিটে লিস্টনের ভাসানো কর্ণার বক্সের ভেতর পেয়েও উড়িয়ে দেন সুনীল। গোল গুলি করতে পারলে হয়ত একাই হ্যাটট্রিক করতে পারতেন কিংবদন্তি সুনীল ছেত্রী। পাঁচ মিনিটের মধ্যে দূরপাল্লা শট নেন শুভাশিস বসু, তবে অল্পের জন্য সেটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৭৩ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বল থেকে ফ্রি হেডার হাতছাড়া করেন শুভাশিস। ম্যাচের শেষের দিকে ফাহিমের দূরপাল্লার শট রুখে আবারও ভারতকে ম্যাচে রেখে দেন সেই গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। ফলে অজস্র গোল মিসের কারণেই এক পয়েন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হল ভারতকে।

Uncategorized

ট্রফি বিতর্কে নিজেদের বক্তব্য রাখল বিসিসিআই

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : মাঠে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জিতলেও এশিয়া কাপের ট্রফি হাতে নিয়ে দেশে ফিরতে পারেনি ভারতীয় মহিলা দল। পুরুষ দলের মতোই এবারও ট্রফি তুলে দেওয়ার দায়িত্বে থাকা মহসিন নাকবির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেনি ভারত। কেন এমন সিদ্ধান্ত, তার নেপথ্যের ছবিটা এবার প্রকাশ্যে আনলেন বিসিসিআই কর্তারা।

বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্ল জানান, ফাইনালের আগেই নাকবিকে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর কথায়, “আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছিলাম। ঠিক করেছিলাম, ওঁর (নাকবি) হাত থেকে ট্রফি নেব না। এটা আমাদের মিলিত সিদ্ধান্ত ছিল। ওঁকে সবটা জানিয়েও দিয়েছিলাম।”

বিসিসিআইয়ের তরফে বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেন, “মহসিন নকভির হাত থেকে আমরা কখনওই ট্রফি নিতে চাইনি। তার পরেও আমরা তাঁকে জোড়া বিকল্প দিয়েছিলাম। কিন্তু নকভি দুটো প্রস্তাবই খারিজ করে দেন। নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। তাই আমরা ট্রফি নিইনি।” তার সাথে তিনি আরও যোগ করেন “কেউ যদি গোঁয়াড় হয়ে সমস্যা সমাধান করতে না চান তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, বিসিসিআই খুব তাড়াতাড়ি ট্রফি দুটো দেশে নিয়ে আসবে।”

Continue Reading

Uncategorized

DURAND CUP 2026: এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে ধ্বংস মোহনবাগান

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘ ২২ বছরের প্রতীক্ষার অবসান! এডমুন্ড লালরিনডিকার অনবদ্য হ্যাটট্রিকের সৌজন্যে চির প্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্টকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের হয়ে আরেকটি গোল করেন বিপিন সিং। প্রসঙ্গত মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল মোহনবাগান। তবে ফাইনালে তার মধুর প্রতিশোধ নিল ইস্টবেঙ্গল।

রবিবার ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটের মধ্যেই মোহনবাগান যখন পরপর চারবার ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সে আঘাত হানে, তখন মনে হয়েছিল এবারও হয়তো শেষ হাসি হাসবে বাগান ব্রিগেড। তবে লাল-হলুদ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের গেম প্ল্যানে পুরোপুরি ধরাশায়ী হয়ে যায় প্যানোসের বাগান। ম্যাচ শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যেই মহম্মদ রাশিদের পাস থেকে অনবদ্য ফিনিশ করেন বিপিন। যদিও তারপরেও নিজের গেম প্ল্যানে পরিবর্তন আনেন নি বাগান কোচ। সমীর জেলকোভিচ এবং অনিরুদ্ধ থাপাকে গোটা প্রথমার্ধ জুড়েই ভুল জায়গায় খেলিয়ে গেলেন প্যানোস। ফলস্বরূপ বিপিনের গোলের দুই মিনিটের মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় গোলটি করে যান এডমুন্ড। মুহূর্তে উচ্ছ্বাসে ভেসে যায় লাল-হলুদ জনতা। ২২ মিনিটে ঠান্ডা মাথায় ফের গোল করে যান এডমুন্ড। ডানি রামিরেজের পাস থেকে বল পেয়ে একে একে আলবার্তো, ভেকে এবং বিশাল কাইথকে কাটিয়ে বিশ্বমানের গোল করে যান এডমুন্ড। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই লাল-হলুদ ডিফেন্সের ভুলে একটি গোল শোধ করে দেন মনবীর সিং। তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার এক মিনিট আগেই নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে কার্যত বাগানের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন এডমুন্ড। আর এই গোলের সাথেই ভাইচুং ভুটিয়ার পরে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে কলকাতা ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করা দ্বিতীয় ফুটবলার হলেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে একে একে মিগুয়েল, দীপক টাংরি, সাহাল, কিয়ান নাসিরি এবং লালরিনজুয়ালা ছাংতেকে নামিয়ে দেন বাগান কোচ প্যানোস। তবে তাতেও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে রাশিদ, জেসিনরা সুযোগ নষ্ট না করলে এবং বিশাল দ্বিতীয়ার্ধে দুটি অনবদ্য সেভ না করলে, বাগানে হয়তো ফের ১৯৭৫ এর লজ্জা ফিরে আসত।

Continue Reading

Uncategorized

DURAND CUP 2026:ডার্বির আগে অজুহাত নয়, ট্রফিকেই পাখির চোখ হাবাসের

Published

on

রে স্পোর্টজে ওয়েব ডেস্ক: মরশুমের দ্বিতীয় কলকাতা ডার্বি এবার আরও স্পেশাল। কারণ ডুরান্ড কাপের ফাইনাল। তবে ট্রফির লড়াইয়ের আগে অবশ্য প্রচলিত প্রস্তুতির পথে হাঁটলেন না ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। মাঠে অনুশীলনের বদলে হোটেলেই ফুটবলারদের নিয়ে করলেন টিম মিটিং ও জিম সেশন। কারণ হিসেবে তিনি জানালেন, “আগামীকালের ম্যাচের ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। গত কয়েক দিনে অনেক পরিশ্রম হয়েছে, আর্দ্রতাও একটা বিষয়। তাই সুপার কমপেনসেশন মেনে এদিন বিশ্রাম দিয়েছি।”
ডার্বির উত্তেজনা যে আলাদা, তা মানছেন হাবাস। তবে সেই আবেগ যেন দলের পরিকল্পনাকে প্রভাবিত না করে, সেটাই তাঁর বার্তা। তাঁর কথায়, “এটা কলকাতার জন্য বিশেষ ম্যাচ। তবে ডার্বিকেও অন্য ম্যাচের মতো খেলতে হবে। আবেগ ১০০ শতাংশ থাকবে, কিন্তু সেটাকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে সঠিক মুহূর্ত বেছে নিতে হবে। আমি জেতার জন্য ১০০ শতাংশ দেব।”
বিষ্ণুর চোট নিয়েও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে দল। রেফারিং নিয়ে কোনও অভিযোগের জায়গা রাখতে চান না হাবাস। তিনি বলেন, “বিষ্ণুর হয়তো অ্যালাইনমেন্ট নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। তবে রেফারিকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। আমি চাই না আমাদের পক্ষে বাড়তি কিছু দেওয়া হোক, সবকিছু নিরপেক্ষ হওয়া উচিত।”
গোলরক্ষকদের নিয়েও আত্মবিশ্বাসী তিনি। বিশাল কেইথের প্রশংসা করে বলেন, “ও খুব ভালো গোলরক্ষক। গিল ও লাচেনপাও একই মানের। এই বিভাগ নিয়ে আমি খুশি। আশা করি, কাল আমাদের গোলরক্ষককে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে না।”
এফিয়ংয়ের অনুপস্থিতিকেও ঢাল করছেন না হাবাস। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “কোনো অজুহাত চলবে না। রেফারি, আবহাওয়া, স্ট্রাইকারের অভাব, কিছুই নয়।” শেষমেশ তাঁর হিসাব একটাই—“যে দল বেশি ধৈর্য ধরে খেলবে এবং বেশি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে পারবে, তারাই জিতবে।”

Continue Reading

Trending