আন্তর্জাতিক ফুটবল
ফিফাকে আইনি চিঠি উয়েফার, আরও চাপে ইনফান্তিনো
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অধিকার বিক্রির প্রস্তাব প্রত্যাহার করলেও বিতর্ক থেকে মুক্তি পাচ্ছে না ফিফা। ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা উয়েফা এবার ফিফা এবং মার্কিন ব্যবসায়ী জোশুয়া কুশনারের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি শুরু করেছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনোকে ছয় পাতার একটি আইনি চিঠিও পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উয়েফা স্পষ্ট জানিয়েছে, বিশ্বকাপ সংক্রান্ত বিতর্কিত পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত কোনও নথি, ই-মেল, আর্থিক তথ্য বা প্রশাসনিক দলিল যেন পরিবর্তন বা গোপন না করা হয়। একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ফিফার ১৮ জন শীর্ষ কর্তা এবং জোশুয়া কুশনারকেও। উয়েফার দাবি, তদন্তে প্রয়োজন হতে পারে এমন সমস্ত তথ্যপ্রমাণ অক্ষত রাখতে হবে।
অন্যদিকে, ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। আগামী বছরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে তিনি টানা চতুর্থবারের জন্য লড়াই করতে চান। তবে ইউরোপের একাধিক সদস্য দেশ তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ওয়েলস তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। যদিও আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু দেশের সমর্থন এখনও ইনফান্তিনোর পক্ষেই রয়েছে। তবুও ইউরোপীয় দেশগুলির অবস্থান তাঁর পুনর্নির্বাচনের পথে বড় বাধা হয়ে উঠতে পারে। বিশ্ব ফুটবলের প্রশাসনে এই নতুন আইনি লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্ন আগামী কয়েক মাসে ফিফার ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
সেভিয়াকে হারিয়ে বার্সার দাপুটে জয়, হ্যাটট্রিক রাফিনহার
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সেভিয়ার মাঠে দাপুটে জয় তুলে নিল বার্সেলোনা। ১৯ সেপ্টেম্বরের ম্যাচে ঘরের দলকে ৩–১ গোলে হারিয়ে লিগে নিজেদের শক্তি আরও একবার প্রমাণ করল কাতালান ক্লাবটি।
বার্সেলোনার জয়ের মূল কারিগর রাফিনহা। দুরন্ত পারফরম্যান্সে একাই তিনটি গোল করে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে ম্যাচের বড় সময়ই চাপে ছিল সেভিয়ার রক্ষণ।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণ তৈরি করতে থাকে বার্সেলোনা। সেভিয়া পাল্টা আক্রমণে সুযোগ তৈরি করলেও বার্সার আক্রমণভাগের ধার সামলাতে পারেনি। রাফিনহার গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও স্পষ্টভাবে চলে যায় অতিথিদের হাতে।
শেষ পর্যন্ত ৩–১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। গুরুত্বপূর্ণ এই জয়ের পাশাপাশি রাফিনহার হ্যাটট্রিকও ম্যাচের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হয়ে থাকল।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
ACL2: জয় হাতছাড়া, তবু এশিয়ার মঞ্চে লড়াইয়ের নাম ইস্টবেঙ্গল
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: লড়াইয়ের আর এক নাম ইস্টবেঙ্গল। স্কোরবোর্ডে হয়তো শেষ পর্যন্ত লেখা থাকল ২-২। জয় এল না, তিন পয়েন্টও নয়। কিন্তু এশিয়ার মঞ্চে আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটে যে লড়াই দেখাল লাল-হলুদ, তার পর বারবার একটা কথাই বলা যায়—ভিনদেশিদের বিরুদ্ধে এই দেশের জবাব এখন ইস্টবেঙ্গলই দিতে পারে। ম্যাচের আগে থেকেই ছিল একাধিক সমস্যা। শরীর খারাপের কারণে দলের সঙ্গে আসতে পারেননি ক্রিস। দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন ছিল। তার উপর আক্রমণভাগেও ছিল ঘাটতি। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিই যেন ইস্টবেঙ্গলের লড়াই করার জেদ আরও বাড়িয়ে দিল।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা গেল ইস্টবেঙ্গলকে। মাত্র ৯ মিনিটেই এল প্রথম সাফল্য। রাশিদের বাড়ানো বল পেয়েছিলেন এডমুন্ড। তাঁর শট সেভ করেন আল হুসেইনের গোলরক্ষক। কিন্তু রিবাউন্ড চলে আসে রামিরেজের সামনে। দ্বিতীয়বার আর ভুল করেননি তিনি। জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন রামিরেজ। মাঝমাঠ থেকে উঠে এসে শুধু গোল করাই নয়, গোটা প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের খেলায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি।
তবে গোল হজম করেও চুপ করে বসে থাকেনি আল হুসেইন। ১৬ মিনিটে আরেফ হাইথামের ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোরালো শট অল্পের জন্য বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ১৮ মিনিটে জিভুলিচের ভুল থেকে বল পেয়ে যান গোগো। তাঁর শট থেকে কর্নার পায় আল হুসেইন। সেই কর্নার থেকে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন ইউসেফ। সামনে কার্যত ফাঁকা গোল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। বল ডিফ্লেক্ট হয়ে আবার কর্নার হয়। দ্বিতীয় কর্নার থেকে ইউসেফের জোরালো হেডার সরাসরি লক্ষ্যে ছিল। কিন্তু গোলের সামনে তখন প্রস্তুত প্রভসুখন গিল। দুর্দান্ত সেভে দলকে বাঁচান ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক।
বারবার অফসাইড ট্র্যাপে আল হুসেইনের ফুটবলারদের আটকে দিচ্ছিল ইস্টবেঙ্গল। রক্ষণভাগও নিজেদের জায়গা ধরে রাখার চেষ্টা করছিল। ৩৩ মিনিটে গোগোর দূরপাল্লার শট বাইরে চলে যায়। ৩৭ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে এসেছিলেন মাহমুদ আলমার্দি। বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়া সেই আক্রমণ দুর্দান্তভাবে প্রতিহত করেন জিভুলিচ।
তার ঠিক এক মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। জয় গুপ্তার বাড়ানো বল আল হুসেইনের ডিফেন্ডারদের গায়ে লেগে পৌঁছে যায় এডমুন্ডের কাছে। সামনে তখন ফাঁকা গোল। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে বল বাইরে উড়িয়ে দেন তিনি। সেই মুহূর্তে গোল হয়ে গেলে হয়তো ম্যাচের ছবিটাই অন্যরকম হতে পারত। হয়তো প্রথমার্ধেই তিন গোলের ব্যবধান তৈরি করে ফেলত ইস্টবেঙ্গল।
তবে এডমুন্ডের মিসের পরেও থামেনি লাল-হলুদ। ৪০ মিনিটে আবার রামিরেজ। এবার তাঁর কর্নার থেকে উঠে এলেন আনোয়ার আলি। নিখুঁত হেডারে বল জালে পাঠিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনোয়ার। রামিরেজের পা থেকে প্রথম গোল, তাঁর কর্নার থেকে আনোয়ারের দ্বিতীয় গোল—প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইয়ের দুই মুখ হয়ে উঠলেন এই দুজন। রক্ষণ সামলে শুধু নিজের কাজটুকু করেননি আনোয়ার, প্রয়োজনের সময় সামনে উঠে এসে দলকে এনে দিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গোল।
দুই গোলের লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নামে ইস্টবেঙ্গল। ৪৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে পড়ে গিয়ে পেনাল্টির আবেদন করেন আল হুসেইনের আরেফ। কিন্তু রেফারি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। উল্টে ইচ্ছাকৃতভাবে পড়ে যাওয়ার অভিযোগে হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। ৫২ মিনিটে আবার আল হুসেইনের আক্রমণ। একক নৈপুণ্যে সেই আক্রমণ আটকে দেন আনোয়ার আলি। প্রথমার্ধে গোল করার পর দ্বিতীয়ার্ধেও রক্ষণে বুক চিতিয়ে লড়াই চালিয়ে যান তিনি।
৫৫ মিনিটে আসিফ খানের কাছ থেকে বল পেয়েছিলেন রামিরেজ। গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এবার বল জালে রাখতে পারেননি তিনি। ৫৮ মিনিটে আসিফ খানের জায়গায় মাঠে নামেন বিপিন সিং। ইস্টবেঙ্গল তখনও ব্যবধান ধরে রাখার পাশাপাশি তৃতীয় গোলের সন্ধান করছে।
কিন্তু ৬১ মিনিটে ম্যাচে ফিরে আসে আল হুসেইন। অধিনায়ক আলমার্দি খারৌবারের মাইনাস থেকে বল পেয়ে গোল করে ব্যবধান কমান। ২-১। ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা। ৬২ মিনিটে বিপিন সিংয়ের শট গোলরক্ষকের হাতে গিয়ে আটকে যায়। ইস্টবেঙ্গলও তখন পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ৬৫ মিনিটে আবার গিল। ইউসেফের জোরালো শট। কিন্তু গোলের সামনে প্রভসুখন গিলের দুর্দান্ত সেভ। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলকে বাঁচিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
৬৭ মিনিটে একসঙ্গে চারটি পরিবর্তন করে ইস্টবেঙ্গল। হার্দিক ভাটের জায়গায় আসেন গেহলট, এডমুন্ডের জায়গায় ডেভিড, রামিরেজের জায়গায় রেনিয়ার ফার্নান্ডেজ এবং জয় গুপ্তার জায়গায় দানু। রামিরেজের রাত তখন শেষ। কিন্তু মাঠ ছাড়ার আগে তিনি রেখে গেলেন দলের হয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল এবং আনোয়ারের গোলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্নার। মাঝমাঠে তাঁর লড়াইও ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রথমার্ধের অন্যতম বড় শক্তি।
৭৬ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন জিকশন। সময় তখন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ইস্টবেঙ্গল ২-১ এগিয়ে। মনে হচ্ছিল, এত প্রতিকূলতার পরও হয়তো এশিয়ার মঞ্চ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরবে লাল-হলুদ। কিন্তু ম্যাচ তখনও শেষ হয়নি।
৮৮ মিনিটে এল সেই ধাক্কা। অবাইদার ক্রস থেকে গোল করেন আহমেদ আসাফ। ২-২। শেষের দিকে সমতা ফিরিয়ে ম্যাচে পুরোপুরি ফিরে আসে আল হুসেইন। ইস্টবেঙ্গলের দুই গোলের লিড তখন অতীত। এতক্ষণ বুক দিয়ে আগলে রাখা তিন পয়েন্ট যেন হাতের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।
তবু শেষ মুহূর্তেও লড়াই থামেনি। ৯৩ মিনিটে আরেফের গোলমুখী শট। সেই বল যদি জালে ঢুকে যেত, তাহলে ম্যাচের ফল আরও ভয়াবহ হতে পারত। কিন্তু আবারও সামনে প্রভসুখন গিল। অসাধারণ সেভে দলকে ম্যাচে রাখলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে গোল হজম না করে অন্তত এক পয়েন্ট নিশ্চিত করলেন গিল।
শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরলাইন ২-২। তিন পয়েন্ট এল না। কিন্তু এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের লড়াইটা থেকে গেল। দলের আক্রমণভাগে প্রয়োজনীয় ফুটবলার নেই, ক্রিস শরীর খারাপের জন্য নেই, একাধিক ফুটবলারের ফিটনেস নিয়েও সমস্যা ছিল। তারপরও আল হুসেইনের বিরুদ্ধে এশিয়ার মঞ্চে এমন ফুটবল খেলল ইস্টবেঙ্গল। রিজার্ভ বেঞ্চ আরেকটু ভালো পারফর্ম করতে পারলে হয়তো ম্যাচটা বেরিয়ে যেতে পারত। এডমুন্ডের সেই ফাঁকা গোলের সুযোগটাও যদি কাজে লাগত, তাহলে হয়তো তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ত লাল-হলুদ।
কিন্তু ফুটবল সবসময় হিসেব মেনে চলে না। কখনও কখনও জয় না পেয়েও একটি দল নিজেদের অন্যভাবে প্রতিষ্ঠা করে। এই ম্যাচে রামিরেজ গোল করে শুরুটা করেছিলেন, আনোয়ার গোল করে লিড বাড়িয়েছিলেন, আর প্রভসুখন গিল শেষ পর্যন্ত গোলের নিচে দাঁড়িয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন। বিশেষ করে গিল—আল হুসেইনের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাঁর সেভগুলোই ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচে রেখেছে।
ফলাফল ২-২। এক পয়েন্ট। কিন্তু সেই এক পয়েন্টের পিছনে রয়েছে ৯০ মিনিটের লড়াই, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই, ঘাটতির সঙ্গে লড়াই এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই। জয় আসেনি, তবু মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়তে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। কারণ এশিয়ার মঞ্চে আবারও লাল-হলুদ বুঝিয়ে দিল—লড়াই করতে হলে নামটা এখনও ইস্টবেঙ্গল।
আন্তর্জাতিক ফুটবল
কারাবাও কাপে আর্সেনাল-লিভারপুলের দাপট, নজর কাড়লেন ১৬ বছরের ডাওম্যান
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: কারাবাও কাপের তৃতীয় রাউন্ডে জয় দিয়ে চতুর্থ রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করল আর্সেনাল ও লিভারপুল। ইপসউইচ টাউনকে ৪-২ গোলে হারাল আর্সেনাল। অন্যদিকে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে পরের রাউন্ডে পৌঁছে গেল লিভারপুল।
পোর্টম্যান রোডে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখায় আর্সেনাল। মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া ম্যাক্স ডাওম্যান সপ্তম মিনিটেই দুরন্ত একক প্রচেষ্টায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এদিন আর্সেনালের হয়ে জোড়া গোল করেন ডাওম্যান। তাঁর সঙ্গে গোলের তালিকায় নাম লেখান ননি মাদুয়েকে ও মিকেল মেরিনো। ফলে একসময় ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিকেল আর্তেতার দল। শেষ দিকে অনিস মেহমেতি ও প্রাক্তন আর্সেনাল ফুটবলার চুবা আকম গোল করলেও ম্যাচের ফল বদলাতে পারেনি ইপসউইচ।
অন্যদিকে অ্যানফিল্ডে টটেনহ্যামকে হারাল লিভারপুল। ২১ মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান কোডি গাকপো। তবে ৬৯ মিনিটে গ্যালাঘারের গোলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে টটেনহ্যাম। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে ২৫ গজ দূর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত করেন ডমিনিক সোবোস্লাই।
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: আলজেরিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা
-
ফুটবল3 months agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: এক ভুলেই সর্বনাশ কোরিয়ার, নকআউটে জায়গা পাকা মেক্সিকোর
-
ফুটবল4 months ago৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় মেয়েরা
-
ফুটবল2 months agoমোহনবাগানে ‘মিজো ফ্ল্যাশ’ ছাংতে
-
আইএসএল1 month agoব্রাজিল ম্যাচের পর আইএসএল, সম্ভাব্য শুরু ১৫ অক্টোবর
-
ফুটবল3 months agoFIFA WC 2026: জার্মান ঝড়ে বিধ্বস্ত কুরাকাও, ৭-১ গোলের বিশাল জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের
