Connect with us

ইস্টবেঙ্গল

SUPER CUP 2025: সুপার কাপের বোধনেই বিসর্জন লাল-হলুদ ব্রিগেডের

Published

on



নিজস্ব প্রতিনিধি: একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে সুপার কাপ অভিযান শুরু করেও, বোধনের দিনেই বিসর্জনের বাজনা বাজল লাল-হলুদ শিবিরে। প্রথম ম্যাচেই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে হেরে সুপার কাপ থেকে বিদায় নিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। অফসাইড আর ভাগ্য বাধা হয়ে না দাঁড়ালে কেরালার বিরুদ্ধে লজ্জার হার নিয়ে ঘরে ফিরতে হত অস্কার ব্রুজোর দলকে।

প্রথমার্ধের শুরুতেই প্রায় গোলমুখ খুলে ফেলেছিলেন কেরালা ফুটবলার জেসুস জিমিনেজ। তবে গোল আসেনি। পাল্টা আক্রমনে আসে ইস্টবেঙ্গলও। ৮ মিনিটে একটি গোলমুখি শটও নেন রিচার্ড সেলিস। পরক্ষণে আক্রমনে উঠে আসে কেরালাও। ম্যাচের ২২ মিনিটে বামপ্রান্ত থেকে পিভি বিষ্ণুর ভাসানো ক্রস থেকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন মেসি বোউলি। ম্যাচের বয়স তখন ৩৮ মিনিট। বারবার আক্রমণের ফলে একসময় লাল-হলুদ ডিফেন্সের ভুলে পেনাল্টি পায় কেরালা। তবে জেসুস জিমিনেজের সেই পেনাল্টি ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক প্রভসুখান গিল প্রথমবার দারুনভাবে রুখে দিলেও, রেফারির সিদ্ধান্তে আরও একবার পেনাল্টি নেওয়ার সুযোগ পায় কেরালা। দ্বিতীয়বারে আর ভুল আর করেননি জেসুস। গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ফলে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে মাঠ ছাড়ে ইস্টবেঙ্গল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুটি পরিবর্তন আনেন অস্কার। রাকিপ এবং জিকশনের জায়গায় মাঠে আসেন সউল ক্রেসপো এবং নিশু কুমার। অপরদিকে পাল্টা আক্রমণে আধিপত্য বেশি থাকে কেরালার। ৫৬ মিনিটে জেসুস জিমিনেজের গোল বাতিলও হয় অফসাইডের কারণে। ম্যাচের ৬৩ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ’পায়ের দুরন্ত শটে গোল করে ইস্টবেঙ্গলের কফিনে শেষ পেরেকটি পোতেন নোয়া সাদিউ। পরে আরও দুটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয় কেরালার, নাহলে ব্যবধান আরও বাড়তো। শেষের দিকে গোলের মরিয়া চেষ্টা চালাযন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। তবুও গোল তুলে আনতে ব্যার্থ হন তারা। ফলে শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে ম্যাচ হারে মাঠ ছাড়ে ইস্টবেঙ্গলকে।

আইএসএল

শিল্ড ফাইনালেই এএফসির মহড়া হাবাসের

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদন: “ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে আমরা ১০০ শতাংশ তৈরি।” সাংবাদিক সম্মেলনে ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেস হাবাসের এই কথা যে শুধু কথার কথা নয়, তা প্রমাণ করতে মরিয়া তিনি। তবে এএফসি-র ম্যাচও রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ১৩ অক্টোবর ঘরের মাঠে আল শর্টার বিরুদ্ধে নামার আগে শিল্ড ফাইনালেই মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নিজের দলের অ্যাসিড টেস্ট সেরে নিতে চাইছেন হাবাস। সেই লক্ষ্যেই বুধবার নিজেদের মাঠে নিভৃতে অনুশীলন সারলেন রাশিদ-রামিরেজরা।

পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলে এদিনই ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন এডমুন্ড, আনোয়ার আলি, জয় গুপ্তা ও প্রভসুখন গিল। তবে সূত্রের খবর, ডার্বিতে গোলের নিচে গিল শুরু করবেন, নাকি ফুর্বা লাচেনপা সেই সিদ্ধান্ত হবে ম্যাচের দিন সকালে। জাতীয় দলে সব ম্যাচে খেলায় আনোয়ারকে শুরু না করানোর সম্ভাবনাই বেশি। সে ক্ষেত্রে আগের ম্যাচের জিভুলিচ-নুঙ্গা জুটির উপরই ভরসা রাখবেন হাবাস। দুই প্রান্তে লেফট ব্যাকে খেলবেন হার্দিক ভাট এবং রাইট ব্যাকে সন্দীপ মান্ডি।মাঝমাঠে জিকশন সিংয়ের সঙ্গে রাশিদ। নম্বর টেনে ডানি রামিরেজ। রাইট উইংয়ে থাকতে পারেন ক্রিস ইকোনোমিডিস। ফরোয়ার্ড হিসেবে ডেভিড নাকি এডমুন্ড কে শুরু করবেন সেটিও সম্ভবত ম্যাচের দিন সকালে ঠিক করবেন হাবাস। লেফট উইংয়ে শেষ ম্যাচে বিষ্ণু নজর কাড়লেও জয় গুপ্তার খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় দলে বেশি গেম টাইম না পাওয়ায় তাঁকে শুরু করাতে পারেন হাবাস। না হলে বিষ্ণুই থাকবেন। পরবর্তীতে আসতে পারেন একে লোবা ও লুকাস জোলিনস্কি ।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

উৎসবের আবহে বদলার কলকাতা ডার্বি! ব্যাকফুটে প্যানোস, আত্মবিশ্বাসী ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: শহর জুড়ে পুজোর আমেজ। ঢাউস হোর্ডিং আর আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠছে তিলোত্তমা। তবে সেই আমেজকে ছাপিয়ে যাচ্ছে কলকাতা ডার্বির উন্মাদনা। বৃহস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আইএফএ শিল্ড ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ডার্বি হারের স্মৃতি এখনও টাটকা সবুজ-মেরুন শিবিরে। তাই এবার প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিসের কাছে বদলার বড় ম্যাচ।

অন্যদিকে, সম্মান বজায় রাখার লড়াই আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দলে। ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসিকে উড়িয়ে দিয়ে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেই আত্মবিশ্বাসের ছাপ কোচের চোখে-মুখেও স্পষ্ট। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ বলেন, “ফাইনালের জন্য আমরা ১০০ শতাংশ প্রস্তুত। প্রতিপক্ষ মোহনবাগানকে সম্মান জানিয়েই বলছি, আমার দলের উপর যথেষ্ট বিশ্বাস রয়েছে।” ডুরান্ড কাপ ফাইনালে জয়ের প্রসঙ্গ টেনে হাবাস বলেন, “আগের ডার্বির সঙ্গে এই ম্যাচের কোনও মিল নেই। এখন পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। আমাদের সামনে এএফসির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও রয়েছে।”

অন্যদিকে পিছিয়ে থেকেও প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবতে নারাজ বাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিস। মাথার উপর সমূহ চাপ নিয়েও অবিচলিত থাকতে চাইছেন তিনি। মাঠে নামার চব্বিশ ঘণ্টা আগে সাংবাদিক সম্মেলনে প্যানোস বলেন, “আমাদের দল যথেষ্ট শক্তিশালী। আমাদের দলস সাহাল, মনবীর, ছাংতের মত ফুটবলার আছে। প্রতিপক্ষের উচিৎ আমাদের নিয়ে ভাবা।” তিনি আরও বলেন, “কোনও কোচই চায় না ম্যাচ টাই-ব্রেকারে গড়াক। আশা রাখছি নব্বই মিনিটেই ম্যাচের নিষ্পত্তি হবে।” জেমি ম্যাকলারেনের অনুপস্থিতিতে ডার্বিতে আক্রমণের গুরুদায়িত্ব থাকবে লি এরউইনের উপর। প্রথমবার কলকাতা ডার্বি খেলবেন তিনি। অনুশীলন শেষে মাঠ ছাড়ার সময় এরউইন বলেন, “অন্য সব ম্যাচের মত এটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা ম্যাচ। ডার্বি নিয়ে আলাদা করে উত্তেজিত নই। তবে আমরা জেতার জন্য প্রস্তুত।”

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

১৫ বছরের চুক্তিতে মহিলা ফুটবলের দুই লিগের বাণিজ্যিক স্বত্ব ক্যাপ্রি স্পোর্টসের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: মহিলা ফুটবলের দুই সর্বভারতীয় লিগের বাণিজ্যিক স্বত্ব এবার দীর্ঘমেয়াদে পেল ক্যাপ্রি স্পোর্টস। ১৫ বছরের চুক্তিতে ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগ (IWL) এবং ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগ ২-এর বাণিজ্যিক স্বত্ব তাদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা গতকাল ঘোষণা করেছে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (AIFF)।

প্রসঙ্গত, দুই মহিলা লিগের বাণিজ্যিক স্বত্ব পাওয়ার জন্য দরপত্র জমা দিয়েছিল একমাত্র ক্যাপ্রি স্পোর্টসই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাদেরই স্বত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির দাবি জানানোয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা সময় লেগেছিল। শেষ পর্যন্ত ক্যাপ্রি স্পোর্টসের সেই দাবিতেই সম্মতি দিয়েছে ফেডারেশন।

ফলে আগামী ১৫ বছর ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগ এবং ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগ ২-এর বাণিজ্যিক দিক পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে ক্যাপ্রি স্পোর্টসের হাতে। মহিলা ফুটবলের দুই গুরুত্বপূর্ণ লিগকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি এই চুক্তি ভারতীয় মহিলা ফুটবলের বাণিজ্যিক পরিকাঠামোয় নতুন অধ্যায় খুলতে পারে।

Continue Reading

Trending