Connect with us

আইএসএল

শহরে এলেন সামির, মোহনবাগানের মাঝমাঠে নতুন ভরসা

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: মোহনবাগানের নতুন মরসুমের প্রস্তুতিতে যোগ দিতে শহরে চলে এলেন সামির জেলিকোভিচ। আজ সকালেই কলকাতায় পা রাখেন ২৮ বছর বয়সী বসনিয়াক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। গত মরসুমে প্রথম বার ভারতে এসে পাঞ্জাব এফসির হয়ে নজর কেড়েছিলেন তিনি। আইএসএলে ১৩টি ম্যাচে দু’টি গোলও করেছিলেন সামির।

এবার তাঁর ঠিকানা সবুজ-মেরুন। মাঝমাঠে রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে খেলা তৈরি করার দায়িত্বও থাকবে সামিরের কাঁধে। ফলে নতুন মরসুমে মোহনবাগানের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নির্ভর করবে এই বসনিয়াক ফুটবলারের পারফরম্যান্সের উপর।

ভারতীয় ফুটবলে প্রথম মরসুমেই নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন সামির। সেই পারফরম্যান্সের পর তাঁকে দলে নিয়ে মাঝমাঠের রক্ষণাত্মক জায়গাটি আরও শক্তিশালী করতে চাইছে মোহনবাগান। কলকাতায় এসে এ বার নতুন সতীর্থদের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়ে দলের প্রস্তুতিতে যোগ দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। নতুন মরসুমে সবুজ-মেরুনের মাঝমাঠে সামির কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, এখন সেটাই দেখার।

আইএসএল

শিল্ড ফাইনালেই এএফসির মহড়া হাবাসের

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদন: “ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে আমরা ১০০ শতাংশ তৈরি।” সাংবাদিক সম্মেলনে ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেস হাবাসের এই কথা যে শুধু কথার কথা নয়, তা প্রমাণ করতে মরিয়া তিনি। তবে এএফসি-র ম্যাচও রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ১৩ অক্টোবর ঘরের মাঠে আল শর্টার বিরুদ্ধে নামার আগে শিল্ড ফাইনালেই মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নিজের দলের অ্যাসিড টেস্ট সেরে নিতে চাইছেন হাবাস। সেই লক্ষ্যেই বুধবার নিজেদের মাঠে নিভৃতে অনুশীলন সারলেন রাশিদ-রামিরেজরা।

পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলে এদিনই ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন এডমুন্ড, আনোয়ার আলি, জয় গুপ্তা ও প্রভসুখন গিল। তবে সূত্রের খবর, ডার্বিতে গোলের নিচে গিল শুরু করবেন, নাকি ফুর্বা লাচেনপা সেই সিদ্ধান্ত হবে ম্যাচের দিন সকালে। জাতীয় দলে সব ম্যাচে খেলায় আনোয়ারকে শুরু না করানোর সম্ভাবনাই বেশি। সে ক্ষেত্রে আগের ম্যাচের জিভুলিচ-নুঙ্গা জুটির উপরই ভরসা রাখবেন হাবাস। দুই প্রান্তে লেফট ব্যাকে খেলবেন হার্দিক ভাট এবং রাইট ব্যাকে সন্দীপ মান্ডি।মাঝমাঠে জিকশন সিংয়ের সঙ্গে রাশিদ। নম্বর টেনে ডানি রামিরেজ। রাইট উইংয়ে থাকতে পারেন ক্রিস ইকোনোমিডিস। ফরোয়ার্ড হিসেবে ডেভিড নাকি এডমুন্ড কে শুরু করবেন সেটিও সম্ভবত ম্যাচের দিন সকালে ঠিক করবেন হাবাস। লেফট উইংয়ে শেষ ম্যাচে বিষ্ণু নজর কাড়লেও জয় গুপ্তার খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় দলে বেশি গেম টাইম না পাওয়ায় তাঁকে শুরু করাতে পারেন হাবাস। না হলে বিষ্ণুই থাকবেন। পরবর্তীতে আসতে পারেন একে লোবা ও লুকাস জোলিনস্কি ।

Continue Reading

আইএসএল

শিল্ডে নেই মহামেডান, ৫৩ ফুটবলার নিয়ে শিল্ডে ইস্টবেঙ্গল

Published

on

আইএফএ-র সঙ্গে বৈঠকের পরেও নিজেদের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তেই অনড় রইল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ফলে এ বার আইএফএ শিল্ডে খেলছে না তারা। বৈঠকের পর ক্লাবের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শিল্ডে না খেলার সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।

অন্য দিকে, উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে না চাইলেও আইএফএ শিল্ডে থাকছে ইস্টবেঙ্গল। আগামী কাল, ২২ সেপ্টেম্বর উদ্বোধনী ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল বনাম মহামেডান ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। মহামেডান সরে যাওয়ায় সেই ম্যাচ আর হচ্ছে না। তবে প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে না লাল-হলুদ। এই আসরে খেলার জন্য সিনিয়র ও রিজার্ভ দল মিলিয়ে মোট ৫৩ জন ফুটবলারকে ইতিমধ্যেই রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে ইস্টবেঙ্গল।

এখন মহামেডানের পরিবর্তে কোন দল গ্রুপ এ-তে খেলবে, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আইএফএ। বিকল্প ক্লাব চূড়ান্ত হলেই গ্রুপ এ-র পরিবর্তিত ক্রীড়াসূচি ঘোষণা করা হবে। ফলে গ্রুপ এ-র ম্যাচগুলি নিয়ে আপাতত তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

তবে গ্রুপ বি-র সূচিতে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। আগামী পরশু, ২৩ সেপ্টেম্বর মোহনবাগান মাঠে মোহনবাগান বনাম শ্রীনিদি ডেকান এফসি ম্যাচ দিয়ে শুরু হতে চলেছে এ বারের আইএফএ শিল্ড। মহামেডানের সরে দাঁড়ানোয় উদ্বোধনী ম্যাচ বদলে গেলেও ২৩ সেপ্টেম্বর থেকেই প্রতিযোগিতার বল গড়াচ্ছে।

Continue Reading

আইএসএল

CFL 2026: দশ জনের লড়াইয়ে লিগ ফিরল বাগানে

Published

on

সৌরভ মুখার্জী, বারাসাত: শাপমুক্তি! শুভাশিস, মনবীরদের হাত ধরেই আট বছরের অপেক্ষার অবসান। ২০১৮ সালের পর এবার বাস্তব রায়ের হাত ধরে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। ম্যাচের বয়স তখন ৫৯ মিনিট, বক্সের মধ্যে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ছেন দীপপ্রভাত ঘোষ। সেই পথ দিয়েই মাঠে নামলেন সায়ন ব্যানার্জি। শনিবার বারাসাত স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের লিগ জয়ের নায়ক তিনি। মহামেডান স্পোর্টিংকে ৩-২ গোলে হারিয়ে আট বছর পর ঘরোয়া লিগ ঘরে তুললো সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। দশ জনের লড়াকু লড়াইয়ে কলকাতা লিগের তাজ উঠল বাস্তব রায়ের মাথায়। মোহনবাগানের হয়ে জোড়া গোল করে ম্যাচের সেরা হলে সাহাল আব্দুল সামাদ।

শুরু থেকেই মহামেডান স্পোর্টিংয়ের উপর আক্রমণের চাপ বজায় রাখে মোহনবাগান। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে গোলও পেতে পারতেন সাহাল-মনবীররা। তবে প্রথম গোলের জন্য ২৬ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। মনবীরের বাড়ানো বল বক্সের মধ্যে ভাসিয়েছিলেন ছাংতে। ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন সাহাল। ৪১ মিনিটে ইসরাফিলের শট বাঁচিয়ে দলের পতন রোধ করেন রবিলাল মান্ডি। পরের মিনিটেই মহামেডানকে সমতায় ফেরান রেমসাঙ্গা।

দ্বিতীয়ার্ধে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের আক্রমণের চাপে প্রায় নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল বাগান রক্ষণে। চাপের মুখে ভুল করে বসেন শুভাশিস বোস এবং রাহুল ভেকে। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো লম্বা বল ক্লিয়ার করতে পারেননি তারা। পতন রোধ করতে বক্সের মধ্যে অবধারিত ফাউল করেন গোলরক্ষক দীপপ্রভাত ঘোষ। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। পেনাল্টি থেকে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন মহিতোষ। ৭০ মিনিটে মোহনবাগানকে আবারও সমতায় ফেরান সাহাল আব্দুল সামাদ। অবশেষে ৭৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন সায়ন ব্যানার্জি। শেষ কয়েক মিনিট মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও ম্যাচের ফলাফল বদলাতে পারেনি মহামেডান স্পোর্টিং।

Continue Reading

Trending