Connect with us

ফুটবল

FIFA WC 2026: ফের অঘটন! প্রথম ম্যাচেই কঙ্গোর কাছে আটকে গেল পর্তুগাল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘কে’-তে অঘটনের সাক্ষী থাকল সমর্থকরা। শক্তিশালী পর্তুগালকে রুখে দিয়ে মূল্যবান এক পয়েন্ট ছিনিয়ে নিল ডিআর কঙ্গো। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের শেষে ১-১ ব্যবধানে ড্র হয় ম্যাচটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। ইউরোপীয় দলটির তারকা ফুটবলারদের ঘিরে ছিল সমর্থকদের বিপুল প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন দেখা যায় প্রথমার্ধে, যখন আক্রমণের ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যায় পর্তুগাল।
তবে পিছিয়ে পড়েও ভেঙে পড়েনি ডিআর কঙ্গো। বরং দ্বিতীয়ার্ধে আরও সংগঠিত ফুটবল খেলতে শুরু করে আফ্রিকার দলটি। মাঝমাঠে দৃঢ়তা এবং দ্রুত পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে পর্তুগালের রক্ষণে চাপ বাড়াতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টারই ফল মেলে। সমতা ফেরানো গোলে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে কঙ্গো শিবির।
বাকি সময়ে জয়ের মরিয়া চেষ্টা চালায় দুই দলই। পর্তুগাল একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও কঙ্গোর রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় আর গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি। অপরদিকে কঙ্গোও কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ শানিয়ে চমক দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে হতাশা নেমে আসে পর্তুগাল শিবিরে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্টের আশা করলেও সন্তুষ্ট থাকতে হল এক পয়েন্ট নিয়েই। অন্যদিকে ডিআর কঙ্গোর কাছে এই ড্র কার্যত জয়ের সমান। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা জানিয়ে দিল, গ্রুপ ‘কে’-তে তাদের হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।
এই ফলাফলের ফলে গ্রুপের লড়াই আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠল। পরবর্তী ম্যাচগুলিতে পর্তুগালকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে, আর ডিআর কঙ্গো চাইবে এই আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে।

ফুটবল

FIFA WC 2026: কেউই খেলতে চায় না’— তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দেশঁর

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শনিবার (ভারতীয় সময় ভোররাতে) মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই চমকে দেওয়া মন্তব্য করলেন ফ্রান্সের বিদায়ী কোচ দিদিয়ের দেশঁ। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দিলেন, এই ম্যাচ খেলতে ফ্রান্স যেমন আগ্রহী নয়, তেমনই ইংল্যান্ডও নয়। তবু জাতীয় দলের দায়িত্ববোধ থেকেই মাঠে নেমে জয়ের লক্ষ্যে খেলবে তাঁর দল।
স্পেনের কাছে সেমিফাইনালে ০-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপের ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙেছে ফ্রান্সের। সেই হতাশার আবহেই সাংবাদিক বৈঠকে দেশঁ বলেন, “এটা কোনও প্রীতি ম্যাচ নয়। এটা বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। আমাদের কর্তব্য শেষ পর্যন্ত পালন করতে হবে। ইংল্যান্ডও এই ম্যাচ খেলতে চায় না, আমরাও চাই না। কিন্তু এই প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে আমাদের খেলতেই হবে।”
১৪ বছরের দীর্ঘ অধ্যায় শেষে ফ্রান্সের কোচের পদ ছাড়ছেন দেশঁ। তাই নিজের শেষ ম্যাচটি জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে চান তিনি। দেশঁর কথায়, “ফ্রান্সের জার্সি গায়ে চাপালেই দায়িত্ববোধ চলে আসে। আমি চাই, আমরা তৃতীয় স্থান অর্জন করে এই অভিযান শেষ করি। এটা আমার শেষ ম্যাচ, তবে আমি চাই না বিদায়ের মুহূর্তটা কান্নায় ভরে উঠুক। জীবন এগিয়ে চলবে।”
দেশঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়েছেন ফরাসি ডিফেন্ডার ইব্রাহিম কোনাতে। তাঁর মতে, সেমিফাইনালে হারের পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে কারওই ভালো লাগে না। তবু দলের সকলেই বিদায়ী কোচকে জয় উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। কোনাতে বলেন, “দেশঁ আমাদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। তাঁর শেষ ম্যাচে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে চাই এবং ব্রোঞ্জ জিতে তাঁকে সম্মান জানাতে চাই।”
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নভঙ্গের পর এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই হতাশার হলেও, ব্রোঞ্জ পদক জয়ের লড়াইয়ে মর্যাদার প্রশ্ন জড়িয়ে রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই মাঠে নামবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড।

Continue Reading

ফুটবল

FIFA WC 2026: ইয়ামালের প্রশংসায় মেসি, তবে ফাইনালে ছাড় নয় স্পেনকে…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে নিয়ে অকপট প্রশংসা করলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, ফাইনালে ইয়ামালকে থামাতে নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে আর্জেন্টিনা।
এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ইয়ামালের খেলা অনুসরণ করছেন এবং সবসময় তার সাফল্য কামনা করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইয়ামাল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী।
মেসির ভাষায়, “ইয়ামালের সামনে অসাধারণ একটি ক্যারিয়ার পড়ে রয়েছে। ইতিহাস গড়ার বড় সুযোগও তার সামনে। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, অন্তত এবার যেন সেটা না হয়।”
প্রতিপক্ষ হলেও ইয়ামালের প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে সে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। আমি তার জন্য শুভকামনা জানাই। তার খেলা দেখাটা সত্যিই দারুণ অনুভূতি।”
তবে প্রশংসার পাশাপাশি ফাইনালের লড়াই নিয়ে নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন মেসি। তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করব যেন ইয়ামাল তার সেরা খেলাটা খেলতে না পারে। যদিও সেটা সহজ হবে না।”
মেসি মনে করেন, স্পেনকে শুধু একজন খেলোয়াড়ের দল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তার কথায়, “স্পেন শুধু ইয়ামালকে নিয়েই নয়। তাদের দলে আরও অনেক অসাধারণ ফুটবলার রয়েছে। দলগত ফুটবলও তারা অসাধারণ খেলে। তবে আমাদেরও নিজেদের শক্তি রয়েছে।”
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মেসির এই মন্তব্যে যেমন উঠে এসেছে তরুণ প্রতিভার প্রতি শ্রদ্ধা, তেমনি ফুটে উঠেছে শিরোপা ধরে রাখার জন্য আর্জেন্টিনার দৃঢ় প্রত্যয়ও। এখন দেখার বিষয়, ফাইনালের মহারণে অভিজ্ঞ মেসির আর্জেন্টিনা জয়ী হয়, নাকি ইতিহাস গড়ে নতুন প্রজন্মের তারকা লামিন ইয়ামালের স্পেন।

Continue Reading

ফুটবল

FIFA WC 2026: বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্য দ্বৈরথ

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: বিশ্বকাপের ফাইনাল মানেই সেরা দুই দলের লড়াই। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মুখোমুখি হওয়া ম্যাচটি শুধু দুই ফুটবল পরাশক্তির সংঘর্ষ নয়, এটি এক শিক্ষক ও তাঁর প্রাক্তন ছাত্রেরও আবেগঘন পুনর্মিলন। রবিবার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং স্পেনের প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

২০১৭ সালে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের লাস রোসাস কোচিং সেন্টারে প্রো-লাইসেন্স কোর্স করার সময় দে লা ফুয়েন্তের অধীনেই প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন স্কালোনি। সেই সময় শিক্ষক হিসেবে হাতে-কলমে আধুনিক ফুটবলের নানা দিক শিখিয়েছিলেন স্প্যানিশ কোচ। প্রায় এক দশক পর ভাগ্যের পরিহাসে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এবার একে অপরের প্রতিপক্ষ তাঁরা।

দুই কোচের পথচলা অবশ্য ছিল ভিন্ন। ২০১৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ব্যর্থতার পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পেয়েছিলেন স্কালোনি। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুতে অনেক প্রশ্ন উঠলেও সময়ই প্রমাণ করেছে তাঁর সামর্থ্য। তাঁর হাত ধরেই ২০২১ ও ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ফিনালিসিমার শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।

অন্যদিকে, ক্লাব ফুটবলে খুব বেশি সাফল্য না পেলেও স্পেনের বয়সভিত্তিক দলগুলির দায়িত্বে অসাধারণ কাজ করেন দে লা ফুয়েন্তে। অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২১ ও অলিম্পিক দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার পর জাতীয় দলের দায়িত্ব পান তিনি। তাঁর অধীনে স্পেন জেতে উয়েফা নেশনস লিগ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ। এবার বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ফাইনালে পৌঁছেছে লা রোহা।

স্কালোনি একাধিকবার প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, কোচিং জীবনের শুরুতে দে লা ফুয়েন্তের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা তাঁর ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একইভাবে দে লা ফুয়েন্তেও বারবার প্রশংসা করেছেন তাঁর প্রাক্তন ছাত্রের। এমনকি স্কালোনিকে তিনি “মাস্টার” বলেও উল্লেখ করেছেন, যা একজন শিক্ষকের কাছ থেকে বিরল সম্মান।

ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর দে লা ফুয়েন্তে জানিয়েছিলেন, তিনি আর্জেন্টিনার বিপক্ষেই খেলতে চেয়েছিলেন। কারণ, ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজের হাতে গড়ে তোলা এক ছাত্রের বিপক্ষে লড়াই করার সুযোগ জীবনে খুব কমই আসে।

বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্রফির লড়াইয়ের আড়ালে তাই আরেকটি গল্পও সমানভাবে আলোচনায়—মাদ্রিদের এক শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু হওয়া শিক্ষক-ছাত্রের সম্পর্ক, যা এবার পৌঁছে গেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে। রবিবার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুধু দুই দেশের নয়, দুই প্রজন্মের দুই সফল কোচের দর্শন ও কৌশলেরও এক ঐতিহাসিক লড়াই দেখবে ফুটবল বিশ্ব।

Continue Reading

Trending