Connect with us

ইস্টবেঙ্গল

নাচোকে নিয়ে মরশুমের শুরুতেই বিপাকে ইস্টবেঙ্গল, ছাড়তে গেলেও বহু সমীকরণ

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলে এই মুহূর্তে ইনভেস্টর নেই। দল গঠনের মূল দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কর্তারা। তারপরেও আইএসএল-এ লড়াই করার মত দল গড়তে সক্ষম হয়েছেন তারা। স্বাভাবিকভাবেই সব ফুটবলার নেওয়ার পর হাতে অতিরিক্ত অর্থ তেমন নেই। কিন্তু মরশুমের শুরুতেই যে ফুটবলার বদলের পরিস্থিতি। তাও আবার বিদেশি। স্প্যানিশ ডিফেন্ডার নাচোকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে অসন্তোষ শুরু হয়ে গেছে কয়েকদিন আগে থেকেই। যখন ডুরান্ড কাপে দ্বিতীয় ম্যাচে কিছুক্ষণের জন্য মাঠে নেমেই পেশীতে হালকা চোট পেয়েছিলেন তিনি। তার জন্য দিনদুয়েক অনুশীলন করতে পারেননি। তারপর আবার অনুশীলনে ফেরেন। সাউথ ইউনাইটেড এর বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। কিন্তু বিরতিতে আবার চোটের জন্য তাকে তুলে নিতে হয়। এবার হাঁটুতে। এতটাই চোট যে রবিবার অনুশীলনে এলেন না। খুব স্বাভাবিকভাবেই এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু-এর যোগ্যতা অর্জন পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সম্পূর্ণ ভারতীয় রক্ষণ খেলাতে হবে কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে।

কিন্তু নাচোর কি হবে? তিনি যে সম্পূর্ণভাবে চোট সারাতে এসেছেন তা তো বোঝাই যাচ্ছে। কোচ নিজে পছন্দ করে নিয়ে এসেছেন। এখন নিজেই ঘনিষ্ঠ মহলে বলছেন পরিবর্ত লাগবে। বললেই তো হলো না। নাচোর চোট যদি গুরুতর না হয় তাহলে সেই চোট দেখিয়ে নিয়ম মেনে বিনা খরচে ছাড়া যাবে না। ছাড়তে হবে ক্ষতিপূরণ দিয়ে। অর্থাৎ নতুন করে অর্থের দায়ভার চাপবে ইস্টবেঙ্গলের উপর। এই মুহূর্তে সেটা করা ছাড়া ইস্টবেঙ্গলের উপায় নেই কারণ বিদেশী ডিফেন্ডার নিতেই হবে। শুধু আনোয়ার আলি ছাড়া স্টপারে তেমন গোটা মরশুম খেলে দেওয়ার মতো ভারতীয় ডিফেন্ডার নেই। জিকসন সিং গত বছর আইএসএল টা উতরে দিয়েছিলেন। বারবার তো তা হবে না। তাই নতুন বিদেশী ডিফেন্ডার নিতেই হবে।

পরিস্থিতি যা তাতে নতুন করে একটা বড় অংকের বোঝা চাপছে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের উপর। যাতে ধাক্কা খেতে চলেছে তাদের গোটা বছরের পরিকল্পনা।

ইস্টবেঙ্গল

হাই প্রেসিং অনুশীলন আল আরবির

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: নতুন মরশুম এখনও শুরু হয়নি কুয়েতে, ২৫ আগস্ট থেকে পর্দা উঠবে তাঁদের ঘরোয়া লিগের। তার আগেই ১২ আগস্ট এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর যোগ্যতা অর্জনকারী ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হতে হবে আল আরবিকে। সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না কুয়েতের এই ক্লাব।

তুরস্কে চারটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নির্ধারিত সময়ের চারদিন আগেই কলকাতায় পৌঁছে যায় আল আরবি। প্রথম দিন হোটেলে জিম সেশন সারার পর দ্বিতীয় দিন থেকেই যুবভারতীর ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুশীলনে নেমে পড়ে লুকাস শ্যালনরা। সন্ধ্যা ছ’টায় অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় কুড়ি মিনিট আগেই মাঠে পৌঁছে যান ফুটবলার ও কোচিং স্টাফরা। মূল লক্ষ্য ছিল কলকাতার আবহাওয়ার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া।

মজার ঘটনা, পাশের মাঠে অনুশীলন করছিল মোহনবাগান। তাদেরই প্রতিপক্ষ ভেবে প্রথমে খানিক বিভ্রান্ত হন আল আরবির ফুটবলাররা। তবে দ্রুতই ফোকাস ফেরে অনুশীলনে। কোচ গোরান সাবলিচ রিজার্ভ দলকে ইস্টবেঙ্গলের কৌশলে সাজিয়ে ডাবল পিভট ও হাই প্রেসিং অনুশীলন করান। এর বিপরীতে মূল দলকে ৩-৪-৩ ফর্মেশনে কাউন্টার প্রেস ও লং বল কাউন্টার করিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন। এভাবেই প্রায় দু’ঘন্টার কড়া অনুশীলনে দলকে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন সাবলিচ।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: পাঁচ গোলের ঝড়ে কোয়ার্টারের পথে ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: ডুরান্ড কাপে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার সাউথ ইউনাইটেড এফসিকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আশা আরও জোরালো করল লাল-হলুদ শিবির।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় ইস্টবেঙ্গলকে। একের পর এক আক্রমণে সাউথ ইউনাইটেডের রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয় তারা। প্রথমার্ধেই গোলের দেখা পেয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় লাল-হলুদ। বিরতির পরেও একই গতিতে আক্রমণ চালিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। পরপর আরও চারটি গোল করে ম্যাচের যাবতীয় উত্তেজনা কার্যত শেষ করে দেয় তারা।
ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগ এ দিন ছিল দুর্দান্ত ছন্দে। মাঝমাঠ থেকেও আক্রমণ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন দলের ফুটবলাররা। বিপক্ষকে খুব বেশি সুযোগ না দিয়ে রক্ষণভাগও ছিল যথেষ্ট সংগঠিত। ফলে ৯০ মিনিটে সাউথ ইউনাইটেডের পক্ষে ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ তৈরি হয়নি।
৫-০ ব্যবধানের এই বড় জয় শুধু তিন পয়েন্টই এনে দেয়নি, দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে। ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বে পরের ম্যাচগুলিতে এই ছন্দ ধরে রাখতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার সম্ভাবনা আরও বাড়বে ইস্টবেঙ্গলের।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

সেরাদের সম্মানিত করল ভারতসেরা ক্লাব ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১০৭ বছরে পা দিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। শনিবার নজরুল মঞ্চে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হল ইস্টবেঙ্গল দিবস। সকাল থেকেই ক্লাব তাঁবুতে ছিল উৎসবের আবহ। প্রধান প্রতিষ্ঠাতা সুরেশচন্দ্র চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিনের সূচনা হয়। এরপর ক্লাবের পতাকা উত্তোলন ও বিশেষ কেক কেটে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কর্তারা। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার, ক্লাব আধিকারিক, সদস্য ও সমর্থকেরা।সন্ধ্যায় নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, দলের প্রধান কোচ আন্তোনিও হাবাস-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। মঞ্চে উঠতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকেরা।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হয় গায়ক রূপঙ্কর বাগচি, অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়কে। প্রসেনজিতের হাতে ‘সুপার অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেন হাবাস। উদ্বোধনী ভাষণে ক্লাব সভাপতি মুরারি লাল লোহিয়া বলেন, “যতই তুফান আসুক, নৌকা ডুবে যাবে, কিন্তু মশাল জ্বলতে থাকবে।” পাশাপাশি হাবাসের নেতৃত্বে আরও ট্রফি জয়ের আশাও প্রকাশ করেন তিনি। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, “শুধু আইএসএল নয়, ইস্টবেঙ্গল সব লিগ ও ট্রফি জিতুক।”

এদিন ‘ভারত গৌরব’ সম্মানে ভূষিত হন অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব সান্যাল ও সুরকার প্রীতম চক্রবর্তী। তাঁদের আজীবন সদস্যপদও দেয় ক্লাব। সম্মান গ্রহণ করে সঞ্জীব সান্যাল পুরনো স্মৃতির কথা তুলে ধরেন। প্রীতম বলেন, ছোটবেলায় কখনও মাঠে, কখনও রেডিওয় ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখেছেন। এরপর তিনি গানও পরিবেশন করেন। এছাড়া জীবনকৃতি সম্মান পান বলাই মুখোপাধ্যায় ও তরুণ দে। বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন আনোয়ার আলি ও সাথী দেবনাথ, সেরা কোচ বিনো জর্জ এবং এমার্জিং প্লেয়ার এডমুন্ড লালরিনডিকা। সব মিলিয়ে লাল-হলুদ আবেগে ভরপুর এক স্মরণীয় সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল নজরুল মঞ্চ।

Continue Reading

Trending