Connect with us

ইস্টবেঙ্গল

ফিরতি ডার্বি ড্র! এগিয়ে রইল ইস্টবেঙ্গল।

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক: অনূর্ধ্ব-১৭ যুব লিগের প্রথম ডার্বিতে বড় জয় পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। যদিও ডার্বির হার ভুলে ঘুরে দাঁড়ায় বাস্তব রায়ের মোহনবাগান। ফিরতি ডার্বিতে মাঠে নামার আগে দু’পক্ষই ৬ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে ছিল। আজ ইস্টবেঙ্গলের ঘরের মাঠে ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে পারলে শীর্ষে চলে আসতে পারত মোহনবাগান। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না বাস্তব রায়ের ছেলেরা। শুরু থেকেই আক্রমণের ঝাঁঝ বেশি ছিল ইস্টবেঙ্গলের খেলায়। দুই প্রান্ত থেকে একের পর এক আক্রমণ আছড়ে পড়ে মোহনবাগানের পেনাল্টি বক্সে। গোলের নিচে এদিন অনবদ্য খেললেন সবুজ-মেরুন গোলরক্ষক নন্দন রায়। একক কৃতিত্বে ম্যাচ বাঁচিয়ে রাখলেন তিনি। নাহলে ২১ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল।

প্রথমার্ধের শেষ দিকেও বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছেও গোলমুখ খুলতে পারেননি লাল-হলুদ ফুটবলাররা। প্রথমার্ধের সংযোজিত সময়ের একেবারে শেষ দিকে প্রায় গোল করে ফেলেছিল মোহনবাগান। সে যাত্রায় ইস্টবেঙ্গলকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক দীপ বর্মন।

শীর্ষে উঠতে হলে আজ জিততেই হত মোহনবাগানকে। তাই দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে সবুজ-মেরুন ফুটবলার রাত। শুরুতেই প্রায় গোলও করে ফেলেছিলেন কেশব খাটিক। কিন্তু দীপ বর্মনের অনবদ্য প্রয়াস ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। দ্বিতীয়ার্ধের সংযোজিত সময়ে সুপার সাব হতে পারতেন সাইনাক ঘোষ। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহুর্তে প্রীতম গায়েনের পরিবর্তে মাঠে আসেন সাইনাক ঘোষ। দূর থেকে দূরপাল্লার শটে লক্ষ্য ভেদ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু অল্পের জন্য তার শর্ট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শেষ পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-১৭ যুব লিগের দ্বিতীয় ডার্বি গোল শূন্যভাবেই শেষ হয়। গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে গ্রুপ শীর্ষেই রইল ইস্টবেঙ্গল।

আইএসএল

ISL: আইএসএলে ফিরতি ডার্বি জিতে লিগ শীর্ষে মোহনবাগান

Published

on

সৌরভ রায়: অঙ্কের বিচারে প্রতিপক্ষের থেকে বহু যোজন এগিয়ে থেকেই মাঠে নেমেছিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দল। ম্যাচ শেষে সেটাই প্রমাণিত। নব্বই মিনিটের লড়াইয়ে ৩-১ গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারালো মোহনবাগান। ম্যাচের বয়স তখন সবে ১২ মিনিট। বাগান গোলরক্ষকের ভুলে পেনাল্টি পেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। সেই পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করতে পারলে ম্যাচের ফল কি হতে পারতো তা বলা মুশকিল। তবে ক্লেইটন সিলভার দুরন্ত স্পটকিক শরীর ছুঁড়ে বাঁচিয়ে দেন বিশাল। বিশালের দস্তানার জোরেই যেন ইস্টবেঙ্গলকে ফুতকারে উড়িয়ে দিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।

আইএসএলের ফিরতি ডার্বির প্রথমার্ধ মোহনবাগানের হলে দ্বিতীয়ার্ধটা অবশ্যই ইস্টবেঙ্গলের। ২৭ মিনিটে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন জেসন কামিন্স। দিমিত্রি পেত্রাতোসের জোরালো শট গিলের হাতে বাঁধা পায়। ফিরতি বল জালে জড়াতে ভুল করেননি কামিন্স। মাত্র দশ মিনিটের ব্যবধানে লিড দ্বিগুণ করেন লিস্টন কোলাসো। এক্ষেত্রেও গোলের নেপথ্যের কারিগর সেই দিমিত্রি। বক্সের মধ্যে গোল লক্ষ্য করে দুরন্ত একটি শট নেন দিমিত্রি। সেই শট পোস্টে লেগে আবার তাঁর কাছেই ফিরে আসে। ওতপাতা শিকারির মত গোলমুখে অপেক্ষা করছিলেন লিস্টন কোলাসো। এবার দিমিত্রির নিখু পাস খুঁজে নেয় লিস্টনকে। আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। বিরতির বাঁশি বাজার কিছু আগে মোহনবাগানের তৃতীয় গোলটি আসে পেনাল্টি থেকে। সাজঘরে যাওয়ার আগেই মোহনবাগানের পক্ষে ব্যবধান ৩-০ করে ফেলেন দিমিত্রি।

দ্বিতীয়ার্ধে দলে কিছু পরিবর্তন এনেই খেলার রাশ হাতে নিয়ে নেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। তারই ফলস্বরূপ ৫৩ মিনিটের মাথায় ব্যবধান কমায় ইস্টবেঙ্গল। বক্সের বাইরে থেকে মাপা বল বাড়ান ক্লেইটন। সেই বল বক্সের মধ্যে রিসিভ করেই শূন্যেই ভলিতে শট নেন সউল ক্রেসপো। এর কিছু পরেই ক্লেইটনের দুর্দান্ত একটি হেডার রুখে দেন বিশাল। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান বক্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে আনে ইস্টবেঙ্গল। যদিও শেষ পর্যন্ত আর গোল ব্যবধান কমাতে পারেনি লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৩-১ গোলে ডার্বি জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষ স্থান দখল করল মোহনবাগান।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

Super Cup 2024: ২-০ গোলে জামশেদপুর এফসিকে উড়িয়ে দিয়ে সুপার কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

Published

on

সৌমজিৎ দে, ভুবনেশ্বর: বৃষ্টিস্নাত কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে তখন সবে সুপার কাপের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল বনাম জামশেদপুর এফসির প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে। হিজাজি মাহিরের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে লাল-হলুদ ব্রিগেড। হঠাৎ দেখা গেল সব ফুটবলার ড্রেসিংরুমে চলে গেলেও জামশেদপুর টিম ম্যানেজমেন্টের একজন দ্বিতীয়ার্ধে যে দিকে দুর্গ সামলাবেন প্রভসুখন, সেখানে সাইড লাইনের ধারে একটি নীল রুমাল রেখে এলেন। স্বভাবতই বোঝা গেল এই নির্দেশ এসেছে দলের হেড কোচ খালিদ জামিলের কাছ থেকেই। ভারতীয় ফুটবলে এমন কথা প্রচলিত আছে যে, খেলার মাঝে এমন তুকতাক প্রায়ই করে থাকেন খালিদ। এদিন আদৌ তিনি সেই কাজ করেছিলেন কিনা, তা খালিদই বলতে পারবেন, তবে তা একেবারেই কাজে এল না। এদিন মাঠে লাল হলুদের তেজ এতটাই প্রখর ছিল যে তাতে পুড়ে ছারখার হয়ে গেল জামশেদপুর এফসি। ক্লেইটন সিলভার পেনাল্টি মিস সত্ত্বেও ২-০ গোলে জিতে ডুরান্ড কাপের পরে এবারে সুপার কাপেরও ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল।

ম্যাচের শুরুতে তিন মিনিটের মাথায় একটি জোরালো পেনাল্টির আবেদন করে ইস্টবেঙ্গল। সেট পিস থেকে একটি আক্রমণের সময় বক্সের মধ্যে সিভেরিও পড়ে গেলেও সেই আবেদন নাকচ করে দেন রাহুল কুমার গুপ্তা। তবে এরপর থেকে ধীরে ধীরে মাঝ মাঠে নিজেদের লোক বাড়াতে থাকে লাল-হলুদ ব্রিগেড। বক্সের মধ্যে একের পর এক আক্রমণের ঝড় তুলতে থাকেন ক্লেইটন, ক্রেসপোরা। শেষমেষ ১৯ মিনিটে সেট পিস থেকে ম্যাচের প্রথম গোল তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। ক্লেইটন কর্নার নিলে তাতে মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন সিভেরিও। বল পান সল ক্রেসপো। তিনি বক্সের মধ্যে থাকা হিজাজি মাহেরকে মাপা বল বাড়ালে, ঠান্ডা মাথায় তা গোলে ঠেলেন জর্ডনের এই ডিফেন্ডার। যদিও এরপরে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে থাকে জামশেদপুর। ৩৩ মিনিটের মাথায় সমর্থকদের হৃদস্পন্দন প্রায় থামিয়ে দিয়েছিলেন গিল। তাচিকাওয়ার দূরপাল্লার শট তার হাতে থাকলেও মাঠ ভিজে থাকার কারণে বল ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষকের হাত থেকে ছিটকে বেরিয়ে প্রায় গোলে ঢুকে যাচ্ছিল। কোনওরকমে আবার বলের নাগাল পেয়ে বিপদ এড়ান গিল। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে দারুন কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ম্যাচের দ্বিতীয় গোল তুলে নেওয়ার দারুন সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। তবে বিষ্ণুর শট দারুণভাবে বাঁচিয়ে দেন জামশেদপুর গোলরক্ষক রেহেনেশ টিপি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৭ মিনিটের মাথায় ম্যাচের দ্বিতীয় গোল তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। ওভারল্যাপে নন্দকুমারকে লক্ষ্য করে দারুন একটি বল বাড়ান নিশু কুমার। সেই বল নন্দ আবার নিশুকে দিলে তা তিনি বক্সের মধ্যে থাকা সিভেরিওকে বাড়ান। সেখান থেকে গোল করতে ভুল করেননি তিনি। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৮১ মিনিটে পরিবর্ত হিসেবে নামা সায়ন ব্যানার্জিকে বক্সের মধ্যে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা জোরালো শট নিলেও তা সোজা ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জামশেদপুর। ৮৫ মিনিটের মাথায় এলসিনহোর হেড কোনওরকমে আঙুল ছুঁইয়ে বারের উপর দিয়ে পাঠান লাল-হলুদ গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল। ২-০ গোলে জামশেদপুর এফসিকে উড়িয়ে দিয়ে সুপার কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেরা।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

Super Cup 2024: জামশেদপুর এফসিকে হারিয়ে সুপার কাপে ফাইনালে ওঠাই লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলের

Published

on

সৌমজিৎ দে, ভুবনেশ্বর: চলতি সুপার কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে না দেখলে অবাক হওয়ার মত বিষয়ই হবে। কারণ কুয়াদ্রাতের দল যে ছন্দে রয়েছে তাতে আশায় বুক বাঁধছেন লাল-হলুদ সমর্থকেরা। মঙ্গলবার ভুবনেশ্বরের ক্যাপিটাল ফুটবল এরিনায় ইস্টবেঙ্গল অনুশীলন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এএফসি এশিয়ান কাপে ভারতের ম্যাচ দেখে অনুশীলনে আসে লাল-হলুদ ব্রিগেড। অনুশীলন শুরুর আগে প্রায় আধঘন্টা কোচ এবং ফুটবলারদের মধ্যে রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলে। সেমিফাইনাল ম্যাচের আগে অনুশীলনে বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেল লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। এদিন পুরোদমে অনুশীলন করলেন ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের অন্যতম সেরা অস্ত্র মান্দার রাও দেশাই। যদিও বুধবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কার্ড সমস্যার জন্য বোরহাকে পাবেন না কুয়াদ্রাত। তার জায়গায় প্রথম একাদশে জায়গা করে নিতে পারেন বিষ্ণু।

দীর্ঘ ১২ বছর পর সর্বভারতীয় স্তরের কোন ট্রফি জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। সুপার কাপের গ্রুপ পর্বে যে ছন্দে দেখা গেছে লাল- হলুদ ব্রিগেডকে তাতে বড় অঘটন না ঘটলে ফাইনালে দেখা যাবে কার্লেস কুয়াদ্রাতের দলকে। অন্যদিকে ডার্বি জিতে টগবগ করে ফুটছেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে কুয়াদ্রাত বললেন “আমরা শেষ তিনটে ম্যাচ নব্বই মিনিটেই জিতেছি। তাই আমাদের লক্ষ্য থাকবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ম্যাচ জেতার।” টানা আট ম্যাচ অপরাজিত রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তবুও নক আউটে বিপক্ষ জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট সমীহ করছেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। তিনি বললেন “জামশেদপুর খালিদ আসার পরে খুবই ভালো ফুটবল খেলছে। ওরা পিছিয়ে থেকেও অনেক ম্যাচে ফিরে এসেছে। খালিদ জামিল ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে অনেক বেশি ওয়াকিবহাল।” তবে নিজেদের শক্তি নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি আরও যোগ করেন “আমরাও প্রতিপক্ষ দলগুলির থেকে ভালো বলেই, সুপার কাপের তিনটি ম্যাচ জিতেছি।” আইএসএলে তেমন গোল করতে না পারলেও সুপার কাপে ভালো গোল পাওয়ায় আশাবাদী লাল-হলুদের হেড স্যার। ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ যেভাবে প্রতিটি ম্যাচে অটুট থেকেছে তাতে বিপক্ষ দলকে গোল পেতে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হবে। তবে জামশেদপুর এফসির মত দলের বিরুদ্ধে জয় পেতে নব্বই মিনিট লড়াই করতে হবে বলেই মনে করছেন কার্লেস কুয়াদ্রাত।

Continue Reading

Trending