Connect with us

ফুটবল

DURAND CUP 2026: ‘আমার কাছে প্রতিটি ম্যাচই ডার্বি’, জয়ের বার্তা দিয়েই মোহনবাগান অধ্যায়ের সূচনা দিলেম্পেরিসের

Published

on



রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: কলকাতা ডার্বি দিয়েই মোহনবাগান অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে গ্রিক কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিসের। প্রথম ম্যাচেই ইস্টবেঙ্গলের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হলেও চাপ নয়, আত্মবিশ্বাসই ঝরে পড়ল তাঁর কথায়। শুক্রবার ম্যাচ-পূর্ব সাংবাদিক বৈঠকে দিমপেরিস জানিয়ে দিলেন, তাঁর কাছে প্রতিটি ম্যাচই ডার্বির সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং লক্ষ্য একটাই—জয়।
পঞ্জাব এফসি-তে দু’বছরের সফল অধ্যায়ের পর দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহনবাগানের দায়িত্ব নিয়েছেন দিমপেরিস। কলকাতায় আসার পর থেকেই ডার্বির আবহ তাঁকে রোমাঞ্চিত করেছে। তাঁর কথায়, “ডার্বি দিয়েই যাত্রা শুরু করতে পারছি, এটাই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ফুটবলের আসল সৌন্দর্যই প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। মোহনবাগানের ইতিহাস, সমর্থকদের আবেগ এবং প্রত্যাশা আমাকে আরও উদ্বুদ্ধ করছে।”
তবে ডার্বিকে আলাদা গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। গ্রিক কোচের বক্তব্য, “আমার কাছে প্রতিটি ম্যাচই ডার্বি। প্রতিটি অনুশীলনও ডার্বির মতো। প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামি।”
প্রস্তুতির সময় কম পাওয়া নিয়ে অবশ্য উদ্বেগ লুকোননি দিমপেরিস। মাত্র কয়েক দিনের অনুশীলনে দলকে নিজের দর্শনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয় বলেই মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, “ফুটবলাররা এখনও পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো প্রস্তুত নয়। নতুন কৌশল এবং নতুন ভাবনা আত্মস্থ করার জন্য সময় প্রয়োজন। তবে যে সময় পেয়েছি, তাতে ছেলেরা দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। কাল আমরা নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দেব।”
মোহনবাগানের ভারতীয় ফুটবলারদের ওপরও পূর্ণ আস্থা রয়েছে তাঁর। দিমপেরিস বলেন, “গত দু’বছর ধরে ভারতীয় ফুটবল দেখছি। আমার দলে দেশের সেরা ভারতীয় ফুটবলাররা রয়েছে। বিদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ভারতীয়দের নিয়েও আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।”
নিজের ফুটবল দর্শন সম্পর্কেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন নতুন কোচ। বলের দখল রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চান তিনি। বল হারানোর সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত প্রেসিং, সংগঠিত রক্ষণ এবং দ্রুত আক্রমণে ওঠাই হবে তাঁর দলের বৈশিষ্ট্য। তবে এত অল্প সময়ে সবকিছু নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
দিমপেরিসের কথায়, “তিন দিনের অনুশীলনে কোনও দলকে পুরোপুরি বদলে দেওয়া যায় না। যদি সব পরিকল্পনা কাল মাঠে পুরোপুরি সফল না-ও হয়, তার জন্য ফুটবলারদের দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। তবুও আমরা এমন ফুটবল খেলতে চাই, যাতে সমর্থকেরা আনন্দ পান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারি।”

ফুটবল

DURAND CUP 2026: আজারাইয়ের জোড়া গোলে নর্থইস্টের বড় জয়

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ১৩৫তম ডুরান্ড কাপে বুধবার অসমের দুই ক্লাবের লড়াইয়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি ৪-১ গোলে পরাজিত করল কার্বি আংলং মর্নিং স্টার এফসি-কে। গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় হাইল্যান্ডারদের। ৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে আলাইদ্দিন আজারাই গোল করে নর্থইস্টকে এগিয়ে দেন। তবে ২৭ মিনিটে সেড্রিক জুনিয়রের গোলে সমতা ফেরায় মর্নিং স্টার। প্রথমার্ধ ১-১ গোলে শেষ হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ৪৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে আবার এগিয়ে দেন আজারাই। এরপর ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ায় গুয়াহাটির দল। ৮৩ মিনিটে ম্যাকার্টন লুইস নিকসনের গোলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-১। সংযোজিত সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে নবাগত স্পেনীয় ফরোয়ার্ড এথিয়ান গঞ্জালেজ গোল করে জয়ের ব্যবধান ৪-১ করেন। এই জয়ের ফলে টুর্নামেন্টে টানা ভালো পারফরম্যান্স বজায় রাখল গত দুইবারের চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেড।

এর আগে দিনের প্রথম ম্যাচে শিলং লাজং এফসি ৫-০ গোলে উড়িয়ে দেয় মুম্বে এফসি-কে। শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের সংযোজিত সময়েই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় লাজং। ৪৫’+১ মিনিটে অভয় গুরুং এবং ৪৫’+৩ মিনিটে ট্রেমিকি লামুরং গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে এভারব্রাইটসন সানা মাইলিয়েম্পদা জোড়া গোল (৫২’, ৬৪’) করেন এবং ৮৮ মিনিটে ফিগো সিন্ডাই গোল করে ৫-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন।

Continue Reading

ফুটবল

ভবানীপুরের বাঙালি ব্রিগেডের সামনে আত্মসমর্পণ মোহনবাগানের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সাহিল হরিজন ও রবি হাঁসদার গোলে শুক্রবার মোহনবাগানকে ১-২ গোলে হারাল ভবানীপুর। প্রি-সিজন অনেক আগে শুরু করলেও কলকাতা লিগে পুরনো সমস্যাতেই ফিরল মোহনবাগান। টানা দুই ম্যাচে হার তাদের পরের পর্বের লড়াইকে কঠিন করে তুলেছে। ডুরান্ড কাপে উজ্জ্বল কিয়ান নাসিরি ও সুহেল ভাট কলকাতা লিগে এখনও নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না। বিশেষ করে ডুরান্ডের শেষ ম্যাচে জোড়া গোল করা সুহেল এদিন বক্সের আশপাশে কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। ম্যাচ শেষে গ্যালারি জুড়ে উঠল গো ব্যাক স্লোগান। প্রশ্ন উঠছে কোচ হিসাবে বাস্তব রায়ের ভূমিকা নিয়েও।
শুরু থেকেই ম্যাচের ছন্দ ছিল ভবানীপুরের দখলে। ১৭ মিনিটে সুহেলের পাস থেকে কিয়ান নাসিরির গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ২৪ মিনিটে শুভঙ্করের শট অসাধারণ দক্ষতায় আটকে দেন গোলরক্ষক দ্বিপ্রভাত। ৩৫ মিনিটে বারে লেগে ফিরতে হয় মোহনবাগানকে। বিরতির আগেই সাহিলের নিশ্চিত গোলও রুখে দেন দ্বিপ্রভাত।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় ভবানীপুর। ৭০ মিনিটে অভিষেকের ফ্রি-কিক এবং ফিরতি বলে কুন্তলের শট—দুটোই বাঁচিয়ে দলকে ম্যাচে রাখেন দ্বিপ্রভাত। তবে দীপেন্দুর চোটে মাঠ ছাড়া মোহনবাগানের রক্ষণে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়। সেই সুযোগেই ৮০ মিনিটে সাহিল গোল করে ভবানীপুরকে এগিয়ে দেন। ছয় মিনিট পরে বিভানের গোলে সমতা ফিরলেও, সেই গোলের নেপথ্যে ছিল প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগের ভুল। ৮৭ মিনিটে রবি হাঁসদার দূরপাল্লার দুরন্ত শট ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের পর ভবানীপুর কোচ রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “মোহনবাগানকে আমি আগেও হারিয়েছি, আবার হারালাম। মোহনবাগান বড় ক্লাব, ওদের অনেক সুবিধা। তবে আমাদের ছেলেরা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে।” পাশাপাশি তাঁর প্রশ্ন, “যদি এটা ডেভেলপমেন্ট টিম হয়, তাহলে সেখানে ২৮-২৯ বছরের ফুটবলার খেলছে কীভাবে?” ম্যাচসেরা সাহিল বলেন, “আমি এই বিষয়ে মুখে কিছু বলব না। মাঠে করে দেখাব, সেখান থেকেই মানুষ উত্তর পাবে।” রবি হাঁসদার কথায়, “মোহনবাগান আমার প্রিয় দল। তাদের বিরুদ্ধে গোল করতে পেরে ভালো লাগছে।” অন্যদিকে মোহনবাগান কোচ বাস্তব রায়ের আক্ষেপ, “আমার দুই প্রধান ডিফেন্ডার চোট পেয়ে উঠে যাওয়াতেই ম্যাচটা ঘেঁটে গেল। তারপরও আমরা জিততে পারতাম।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: পাঁচ গোলের ঝড়ে কোয়ার্টারের পথে ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: ডুরান্ড কাপে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার সাউথ ইউনাইটেড এফসিকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আশা আরও জোরালো করল লাল-হলুদ শিবির।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় ইস্টবেঙ্গলকে। একের পর এক আক্রমণে সাউথ ইউনাইটেডের রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয় তারা। প্রথমার্ধেই গোলের দেখা পেয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় লাল-হলুদ। বিরতির পরেও একই গতিতে আক্রমণ চালিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। পরপর আরও চারটি গোল করে ম্যাচের যাবতীয় উত্তেজনা কার্যত শেষ করে দেয় তারা।
ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগ এ দিন ছিল দুর্দান্ত ছন্দে। মাঝমাঠ থেকেও আক্রমণ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন দলের ফুটবলাররা। বিপক্ষকে খুব বেশি সুযোগ না দিয়ে রক্ষণভাগও ছিল যথেষ্ট সংগঠিত। ফলে ৯০ মিনিটে সাউথ ইউনাইটেডের পক্ষে ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ তৈরি হয়নি।
৫-০ ব্যবধানের এই বড় জয় শুধু তিন পয়েন্টই এনে দেয়নি, দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে। ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বে পরের ম্যাচগুলিতে এই ছন্দ ধরে রাখতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার সম্ভাবনা আরও বাড়বে ইস্টবেঙ্গলের।

Continue Reading

Trending