Connect with us

আইএসএল

ISL 2024/25: জেসন কামিন্স এবং আপুইয়ার দুরন্ত গোলে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল মোহনবাগান

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রথম লেগের ম্যাচে জামশেদপুরে ঘরের মাঠে গিয়ে ১-২ ব্যবধানে ম্যাচ হাতে হয়েছিল মোহনবাগানকে। তবে ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটি খেলতে নামার আগে কিছুটা সুবিধেজনক জায়গায় ছিল জোসে মোলিনার দল। কার্ড সমস্যার কারণে এদিন জামশেদপুর দলে ছিলেন না রক্ষণের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার স্টিফেন এজে এবং আশুতোষ মেহতা। ছিলেন না মোবাসীর রহমানও। তবুও নব্বই মিনিটে জামশেদপুরের রক্ষণকে পরাস্ত করতে পায়ের ঘাম মাথায় উঠেছিল জেসন কামিন্স, জেমি ম্যাকলারেনদের। এদিকে নিজেদের ঘরের মাঠে এগিয়ে থাকার সুবাদে, যুবভারতীতে শুরু থেকেই রক্ষণকে আটোসাটো রেখেই ফুটবল খেলতে শুরু করে খালিদ জামিলের দল। তবুও একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিল মোহনবাগান। প্রথমার্ধে একাই হ্যাটট্রিক করতে পারতেন কামিন্স। তবে দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করেন তিনি। শেষ মুহুর্তে আপুইয়ার দুর্দান্ত গোলে ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে, টানা তৃতীয়বারের জন্য আইএসএলের ফাইনালে উঠল মোহনবাগান।

ম্যাচের ৭ মিনিটের মাথায় একটি মাটি ঘেঁষা গোলমুখী শট নিয়েছিলেন বাগান ফুটবলার অনিরুদ্ধ থাপা। তবে সেই শট রুখতে অসুবিধে হয়নি জামশেদপুর গোলরক্ষক আলবিনো গোমসকে। ১৬ মিনিটে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন জেসন কামিন্স। বক্সের মধ্যে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও উড়িয়ে দেন তিনি। ১৯ মিনিটে আরও একটা সুযোগ পায় মোহনবাগান। কর্ণার থেকে উড়ে আসা বলে শট নেন টম অলড্রেড। ফিরতি বলে জেমি ম্যাকলারেনের দুরন্ত ভলি গোল লাইন থেকে বাঁচিয়ে দেন সৌরভ দাস। ৩৫ মিনিটে আশিকের বাড়ানো বল বক্সের মধ্যে পেয়ে গিয়েছিলেন কামিন্স। কিন্তু দুর্বল শটে কাজের কাজটা করে উঠতে পারেননি তিনি। মিনিট দুয়েক পরেই আরও একবার সুযোগ নষ্ট করেছেন সেই কামিন্স।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জামশেদপুর ফুটবলার প্রনয় হালদারের হাতে বল লাগায় পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান জেসন কামিন্স। অপরদিকে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে জেমি ম্যাকলারেনের হেডার বাঁচিয়ে দেন আলবিনো। কিছুক্ষণ পরেই একটি গোলমুখী শট নিয়েছিলেন আশিস রাই, তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে ফাঁকা শট বাইরে মেরে বসেন অনিরুদ্ধ থাপা। তবে যুবভারতী অপেক্ষা করছিল এক দর্শনীয় গোল দেখার জন্য। ম্যাচের সংযোজিত সময়ে বক্সের বাইরে থেকে বুলেট শট জামশেদপুর গোলরক্ষক আলবিনো গোমসকে পরাস্ত করে বল জালে ঢোকান আপুইয়া। ফলে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ফাইনালে খেলার টিকিট পাকা করেন বাগান ফুটবলাররা।

আইএসএল

মুম্বই সিটি এফসির চার বিদেশিকে বিদায়

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: দলের চার বিদেশি ফুটবলারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানাল মুম্বই সিটি এফসি। বিদায়ী তালিকায় রয়েছেন ফিনিশ মিডফিল্ডার জনি কাউকো, পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো রেইস, স্পেনীয় মিডফিল্ডার হোর্জে অর্টিজ মেন্দোজা এবং আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হোর্জে পেরেয়রা দিয়াজ।মুম্বইয়ের জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের হয়ে অবদান রেখেছেন চার ফুটবলারই। তবে নতুন মরশুমের দলগঠনের পরিকল্পনায় তাঁদের সঙ্গে আর সম্পর্ক এগিয়ে না নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব। আনুষ্ঠানিক বার্তায় চার ফুটবলারকে বিদায় জানিয়ে তাঁদের ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছাও জানিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি।নতুন মরশুমে তাই চার বিদেশির জায়গায় নতুন মুখের সন্ধানে নামতে চলেছে মুম্বই। দলগঠনে এই পরিবর্তন আগামী মরশুমে আইএসএলে মুম্বইয়ের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

Continue Reading

আইএসএল

বেঙ্গালুরুর আক্রমণভাগে নতুন অস্ত্র, মন্টেনেগ্রোর পেরোভিচকে সই করাল ব্লুজ

Published

on


রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৬-২৭ মরশুমের আগে দল গোছানোর কাজে আরও একধাপ এগোল বেঙ্গালুরু এফসি। মন্টেনেগ্রোর স্ট্রাইকার মিহাইলো পেরোভিচকে দলে নিল ব্লুজ। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষস্তরের ক্লাব পেরসেবায়া সুরাবায়ার সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর ফ্রি ট্রান্সফারে বেঙ্গালুরুতে যোগ দিচ্ছেন ২৮ বছরের এই ফরোয়ার্ড।
নতুন মরশুমের জন্য এটি বেঙ্গালুরুর চতুর্থ বিদেশি সই। ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে পেরোভিচের। সার্বিয়া, ইউক্রেন এবং স্লোভেনিয়ার পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব ফুটবলেও নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি। গত মরশুমে ইন্দোনেশিয়ান সুপার লিগে পেরসেবায়ার হয়ে ২৮টি ম্যাচে ছ’টি গোল করেন এই মন্টেনেগ্রো তারকা।
শুধু ক্লাব ফুটবলেই নয়, জাতীয় দলের জার্সিতেও পেরোভিচের অভিজ্ঞতা রয়েছে। মন্টেনেগ্রোর হয়ে এখনও পর্যন্ত সাতটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবং একটি গোল রয়েছে তাঁর নামের পাশে।
পেরোভিচকে এনে বেঙ্গালুরু মূলত আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে। দলের ফরোয়ার্ড লাইনে ইতিমধ্যেই রয়েছেন ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম বড় নাম সুনীল ছেত্রী, রায়ান উইলিয়ামস এবং এন শিবশক্তি। তাঁদের সঙ্গে পেরোভিচের সংযোজন বেঙ্গালুরুর আক্রমণে আরও বিকল্প তৈরি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মরশুমে তাই পেরোভিচের পারফরম্যান্সের দিকে নজর থাকবে ব্লুজ সমর্থকদের।

Continue Reading

আইএসএল

“আইএসএলে খেলাই ছিল বাবার একমাত্র স্বপ্ন” — ভ্যালাঙ্কা আলেমাও

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: আইএসএলে খেলার স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এ বার সেই স্বপ্নই পূরণ হল চার্চিল ব্রাদার্সের। টাটা স্টিল মাত্র ১০০ টাকার নামমাত্র মূল্যে জামশেদপুর এফসির মালিকানা ও আইএসএলে খেলার স্পোর্টিং লাইসেন্স চার্চিল ব্রাদার্সের হাতে তুলে দেওয়ার পরই দেশের সর্বোচ্চ লিগে জায়গা করে নিল গোয়ার ঐতিহ্যশালী ক্লাব। চার দশকের বেশি ইতিহাস, একাধিক জাতীয় ট্রফি এবং দু’টি জাতীয় লিগ খেতাব রয়েছে চার্চিলের ঝুলিতে।

চার্চিল ব্রাদার্সের সিইও তথা মালিক চার্চিল আলেমাওয়ের মেয়ে ভ্যালাঙ্কা আলেমাও বলছেন, “কিছু যাত্রা যেন আগে থেকেই লেখা থাকে।” তাঁর কথায়, গত বছরের মার্চে আই-লিগের সময় থেকে শুরু হয়েছিল তাঁদের লড়াই। ২০২৫ সালের আই-লিগ জয়ের পরও নানা জটিলতায় আইএসএলে জায়গা নিশ্চিত হয়নি। আদালতের লড়াই, ক্রীড়া সালিশি আদালতে যাওয়া—সব পেরিয়ে অবশেষে সেই অধ্যায় শেষ। “বাবার চোখে আইএসএলে খেলার ক্ষুধা দেখতাম। এটাই ছিল তাঁর একমাত্র স্বপ্ন। এখন আমাদের লক্ষ্যও একটাই—শীর্ষে থাকা,” জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা।

১৯৮৮ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে চার্চিল ব্রাদার্সের পথচলা শুরু হলেও আলেমাও পরিবার তারও বহু আগে থেকে ক্লাবটি চালাচ্ছে। প্রায় পাঁচ দশকের ফুটবল-সম্পর্ক তাঁদের। ২০০৮-০৯ এবং ২০১২-১৩ মরসুমে আই-লিগ জিতে ভারতসেরা হয়েছিল চার্চিল। জাতীয় লিগ ও আই-লিগ মিলিয়ে সাত বার রানার্সও হয়েছে তারা।

তবে চার্চিলের আইএসএল-যাত্রা এমন সময়ে, যখন ভারতীয় ফুটবল আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত। অর্থসঙ্কটের কারণে জামশেদপুর সরে গিয়েছে। একাধিক ক্লাব নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজছে, অনেকে খরচ কমাচ্ছে। তার মধ্যেই চার্চিলের দাবি, অর্থের সমস্যা সামলে দল গড়া হবে।

টাটা স্টিলের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী জামশেদপুরের চুক্তিবদ্ধ ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের আর্থিক দায়িত্বও নেবে চার্চিল। প্রায় ১২ জন ফুটবলার ছাড়াও কোচ ওয়েন কোয়েল এবং সহকারী কোচ আলেকজান্ডার স্টুয়ার্টের চুক্তি রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দল নিয়ে পরিষ্কার ছবি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ভ্যালাঙ্কা। চুক্তি সম্মান করে খেলোয়াড় ও কোচরা থাকতে চাইলে তাঁদের রাখার কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

চার্চিলের লক্ষ্য স্পষ্ট—দেশীয় প্রতিভাকে গুরুত্ব দিয়ে শক্তিশালী ভারতীয় ও কার্যকর বিদেশি ফুটবলার নিয়ে দল গড়ে আইএসএলে শুধু অংশ নেওয়া নয়, ট্রফির জন্য লড়াই করা।

Continue Reading

Trending