Connect with us

ক্রিকেট

সমালোচকদের এক হাত বুমরাহের

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক – পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছোট ছোট তিনটি স্পেল। আর তাতেই কুপোকাত বাবর আজমের দল। রবিবার নিউইয়র্কে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল তাঁদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাত্র ১১৯ রান ডিফেন্ড করতে সক্ষম হয়। আর তার পিছনে সবথেকে বড় কারণ হলেন জসপ্রীত বুমরাহ। নিজের প্রথম স্পেলে বাবর, দ্বিতীয় স্পেল্লে মহম্মদ রিজওয়ান এবং তৃতীয় এবং শেষ স্পেলে ইফতিকার আহমেদ। এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটে নিয়েছেন বুমরাহ।

এমন সময় এই তিনটি উইকেট তিনি নিয়েছেন যেখান থেকে আর জেতার রাস্তায় ফিরতে পারেনি পাকিস্তান। চার ওভার বল করে মাত্র ১৪ রান দিয়ে ৩ টি উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন বুমরাহ। যদিও ভারতকে ৬ রানে জিততে সাহায্য করেও, একসময়ে অনেকের করা বিদ্রুপ ভুলছেন না ভারতীয় দলের এই তারকা জোরে বোলার।

প্রসঙ্গত ২০২২ সালের প্রায় পুরো সময়টাই চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেননি বুমরাহ। কয়েক দিনের জন্য মাঠে ফিরে ফের একবার পিঠের ব্যথা নিয়ে ছিটকে যান তিনি। সেই সময় অনেকেই ভেবেছিলেন আর হয়তো মাঠে ফিরতে পারবেন না বুমরাহ। সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে পাকিস্তান ম্যাচ জিতিয়ে বুমরাহ বলেন,”এক বছর আগেও অনেকেই বলত আমি হয়তো আর মাঠে ফিরতে পারবো না, আমার কেরিয়ার শেষ। ভারতকে আমার আর কিছু দেওয়ার নেই। এখন আবার তাঁরা অন্য কথা বলছেন, আমার প্রশংসা করছেন।”

যদিও নিন্দুকরা কী বলছেন সেই ব্যাপারে একেবারেই ভাবতি নন বুমরাহ। তিনি বলছেন,”আমি সবসময় নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। সমস্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি এবং লড়াই করেছি। এখন আমি শুধু নিজের খেলায় মন দিই। বাইরে কি হচ্ছে আমি সেই ব্যাপারে আর খোঁজ রাখি না। আমি জানি দেশকে জেতাতে পারলে, আমাকে সকলে মনে রাখবে।”

ক্রিকেট

সাহসিকতাই ভরসা কুলদীপের

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায়ে ভারতীয় দলে সুযোগ হয়নি কুলদীপ যাদবের। তবুও কুলদীপ কিন্তু ভেঙে পড়েননি, বরং অপেক্ষা করছিলেন একটি সুযোগের। এরপরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সুপার এইট পর্বে পরপর দুটি ম্যাচে সুযোগ পেয়েই বাজিমাত করেছেন ভারতীয় দলের এই তারকা স্পিনার। শনিবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নিয়েছেন কুলদীপ।

প্রসঙ্গত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বোলাররা অনেক বেশি সাহায্য পাচ্ছিলেন, তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজে স্পিনারদের জন্য সাহায্য থাকলেও, ব্যাটারাও বড় রান করছেন। সেখানে কীভাবে নিজেকে মেলে ধরছেন সেই প্রশ্নের উত্তরে কুলদীপ বলেন,”দেখুন ব্যাটারদের যখন ওভার প্রতি ১০ রান করে প্রয়োজন হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা আপনাকে আক্রমণ করবে। আমার তাই একটাই প্ল্যান ছিল, নিজের লেন্থ ঠিক রাখা। ব্যাটাররা অবশ্যই আক্রমণ করবে, তবে লেন্থ ঠিক রেখে বল করতে পারলে, আমার কাছে ব্যাটারদের আউট করার সুযোগ থাকে। যদি সে বল মিস করে, তবে আমি উইকেট পাবোই।”

অ্যান্টিগার পিচে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কুলদীপের ভেল্কি বুঝতেই পারেননি। নিজের পারফরমেন্স নিয়ে খুশি হলেও, কুলদীপের মাথায় এখন থেকেই ঘুরছে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ। তিনি বলছেন,”আমি মনে করি যে কোনও ম্যাচই স্বাভাবিকভাবেই নেওয়া প্রয়োজন। আমি জানি আমরা সুপার এইটে খেলছি, এবং সেখানে পারফর্ম করার চাপ থাকে। তবে সবকিছু সামলে সঠিক প্ল্যান অনুযায়ী বল করা প্রয়োজন। সামনেই অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ। ওটাও খুব কঠিন ম্যাচ হতে চলেছে। তবে ওখানেও আমরা নির্দিষ্ট প্ল্যানিং অনুযায়ী খেলতে চাই।”

Continue Reading

ক্রিকেট

হার্দিকের পুনর্জন্ম দেখছেন সেওয়াগ

Published

on

রে স্পোর্টজ নিউজ ডেস্ক – ঠিক যেন পুনর্জন্ম হয়েছে ভারতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার। এমনটাই মনে করেন ভারতের প্রাক্তন ওপেনার বীরেন্দ্র সেওয়াগ। শনিবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাট হাতে ২৭ বলে ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন হার্দিক। তাঁর সৌজন্যেই ভারত নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ১৯৬ রানের পাহাড়ে পৌঁছয়। দিনের শেষে ভারত ম্যাচ জেতার পরে তাই সেওয়াগ বলছেন হার্দিকের দারুন পারফর্মেন্স ভারতীয় দলের জন্য,”সোনায় সোহাগা”।

ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের অনুষ্ঠানে সেওয়াগ বলেন,”হার্দিক হল বিনোদনের সম্ভার। যখন ও হেঁটে যায় সেটাও দর্শকদের বিনোদন দেয়। এটাই ওকে সকলের থেকে আলাদা করে। হার্দিক সবসময় ক্লিন হিটিংয়ে বিশ্বাস করে, তাই সকলেই ওর ব্যাটিং উপভোগ করে।” তিনি আরো যোগ করেন,”আমরা এই হার্দিক পান্ডিয়াকেই খুব মিস করছিলাম, যে ২৭ বলে বিধ্বংসী ৫০ রানের ইনিংস খেলতে পারে। এখন আর ও সেই হার্দিক নেই, যে প্রথমে ৩০ বলে ৩০ রান করবে এবং তারপরে নিজের বড় শট খেলবে।”

এখনকার হার্দিককে দেখে, সেওয়াগের একেবারে শুরুর দিকের পান্ডিয়াকে মনে পড়ে যাচ্ছে। সেই স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে সেওয়াগ বলেন,”আমি হার্দিকের খেলা উপভোগ করি। এক সময় ও এভাবেই মাঠে নামতো এবং এভাবেই ব্যাটিং করত। হার্দিক যখন মাঠে নেমে দলের হয়ে একটা করে রান নেয়, সেটা দলের জন্য সোনায় সোহাগা বলা যায়। হার্দিক যখন ১৮০-৯০ স্টাইক রেট রেখে ব্যাট করে সেটা সকলের জন্য বড় বিনোদন।”

Continue Reading

ক্রিকেট

প্রতিশোধের লক্ষ্যে ভারত

Published

on

সৌরভ রায়; সেন্ট লুসিয়া, ২৩ জুন – জমে উঠেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্ব। ভারতীয় সময়ে রবিবার সকালে আফগানিস্তান এই প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী দল তথা ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছে। ফলে গ্রুপ ১ একেবারে ওপেন হয়ে গেছে। এই গ্রুপ থেকে তিনটি দল ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং আফগানিস্তান যে কেউ পরবর্তী পর্বে যেতে পারে।

আর এমন পরিস্থিতিতেই সোমবার সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হতে চলেছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ক্রিকেট দল। এই গ্রুপে ভারত তাঁদের প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে তুলনামূলকভাবে ভাল জায়গায় থাকলেও, কোনও দলই এখনও সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করেনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারত জিতলে তাঁরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে চলে যাবে। তবে ভারত যদি হেরে যায় সেক্ষেত্রে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়া না যাওয়া নির্ভর করবে নেট রান রেটের উপর। অস্ট্রেলিয়া যদি ভারতকে বড় ব্যবধানে হারায়, এবং আফগানিস্তান অন্য ম্যাচে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারাতে সক্ষম হয়, তবে ভারতেরও ছিটকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খুবই ক্ষীণ হলেও অঙ্কের বিচারে সেই সম্ভাবনাও রয়েছে।
অন্যদিকে আরও একটা অঙ্ক রয়েছে। আফগানিস্তান যেহেতু অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে, তাই এবারে মিচেল মার্শরা যদি ভারতের বিরুদ্ধে হেরে যান,এবং আফগানিস্তান অন্যদিকে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেয় তবে অস্ট্রেলিয়া এই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে। তাই ভারতের কাছে সুযোগ রয়েছে শেষ ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের বদলা নেওয়ার। সমস্ত ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর সেদিকেই থাকবে।

তবে সেন্ট লুসিয়ার উইকেটে যে ভারতীয় স্পিনাররা অনেক বেশি সুবিধা পাবেন তা এখনই বলে দেওয়া যায়। এখানকার উইকেট স্পিন সহায়ক এবং দিনের বেলার ম্যাচগুলিতে স্পিনাররা অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে ভারতীয় দলের স্পিন বিভাগের দিকে তাকালে এবং কুলদীপ যাদব যেভাবে পারফর্ম করছেন, তাতে বলাই যায় ভারত এই ম্যাচে কিছুটা হলেও এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে। এই জায়গাটি যেহেতু সমুদ্রের একেবারে পাশে, তাই এখানে যখন তখন বৃষ্টি নামতে পারে। সে কারণে আগামীকালের ম্যাচে টস খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। যেহেতু দিনের বেলায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে, তাই এখানে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করাটাই আদর্শজনক। তবে যদি বৃষ্টি হয় সেক্ষেত্রে তখন কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেটাই দেখার।

Continue Reading

Trending