Connect with us

ক্রিকেট

IND vs AFG: গিল-রাহুলের জোড়া শতরানে প্রথম দিনের শেষে শক্ত ভিত টিম ইন্ডিয়ার

Published

on


রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রথম দিনের খেলায় সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করল ভারত। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিনের শেষে ভারতের সংগ্রহ ৮৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৩৬৮ রান। ক্রিজে অপরাজিত রয়েছেন শতরানকারী শুভমন গিল ও কেএল রাহুল।
সকালে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে ভালো সূচনা এনে দেন ওপেনাররা। তবে নিয়মিত বিরতিতে কয়েকটি উইকেট হারালেও মধ্যক্রমে দৃঢ়তার পরিচয় দেন সাই সুদর্শন। তিনি ৮১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে দলের ভিত মজবুত করেন। এরপর রিশভ পান্তের ঝোড়ো অর্ধশতরান ভারতের রানের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।
দিনের শেষ সেশনে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেন শুভমন গিল ও কেএল রাহুল। দু’জনেই ধৈর্য ও আক্রমণাত্মক মানসিকতার মিশেলে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে শতরান পূর্ণ করেন। আফগান বোলাররা মাঝে মাঝে সুযোগ তৈরি করলেও এই জুটিকে ভাঙতে ব্যর্থ হন।
প্রথম দিনের শেষে শুভমন গিল ১০৩ রানে এবং কেএল রাহুল শতরান করে অপরাজিত রয়েছেন। তাঁদের অবিচ্ছিন্ন জুটি ভারতের স্কোরকে ৩৬৮/৩-এ পৌঁছে দেয়।
দ্বিতীয় দিনে ভারতের লক্ষ্য থাকবে ৫০০ বা তারও বেশি রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে তোলা। অন্যদিকে ম্যাচে ফিরতে হলে দিনের শুরুতেই দ্রুত উইকেট তুলে নিতে হবে আফগানিস্তানকে। তবে প্রথম দিনের খেলা শেষে স্পষ্টতই চালকের আসনে রয়েছে ভারত।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

নমনের ছক্কায় রেকর্ড জয়, গম্ভীরের মুখরক্ষা শ্রেয়সদের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: একটা সময় মনে হচ্ছিল, ফের একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবে ভারত। শুরুটা দুর্দান্ত হলেও মাঝের ওভারগুলিতে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল দল। কিন্তু অধিনায়কোচিত ইনিংস শ্রেয়স আইয়ারের। সঙ্গে অক্ষর পটেল ও নমন ধীরের লড়াই। শেষ পর্যন্ত ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২২৬ রান তাড়া করে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিল ভারত। টি-টোয়েন্টিতে এটিই ভারতের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।

ম্যাট হেনরির বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দু’বল বাকি থাকতেই ভারতের জয় নিশ্চিত করেন নমন ধীর। তাঁর ১৫ বলে ৪২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসেই ম্যাচের শেষ ছবিটা বদলে যায়। শ্রেয়স আইয়ার ২৮ বলে করেন ৪২ রান। কঠিন পরিস্থিতিতে দু’জনের এই ইনিংসই ভারতকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়ে আনে।

এর আগে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নজির ছিল ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২০৯ রান। কয়েক দিন আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২২২ রান তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেও হারতে হয়েছিল ভারতকে। এবার সেই ভুল শুধরে নতুন রেকর্ড গড়ল দল।

২২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন দুই ওপেনার সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। নিউজিল্যান্ডের পেসারদের গতিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত রান তুলছিলেন তাঁরা। লকি ফার্গুসনের চতুর্থ ওভার থেকেই আসে ২২ রান। পাওয়ার প্লে-তে ভারত তোলে ৯৪ রান।

কিন্তু ব্রেসওয়েলের বলে ১২ বলে ২৯ রান করে অভিষেক আউট হতেই ছবিটা বদলাতে শুরু করে। নিউজিল্যান্ডের স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের সামনে সমস্যায় পড়ে ভারতীয় ব্যাটিং। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়ে দলের উপর।

এই পরিস্থিতিতে তিন নম্বরে তিলক বর্মাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঈশান কিশনের মতো আক্রমণাত্মক ব্যাটারকে না নামিয়ে তিলককে পাঠানো কতটা যুক্তিযুক্ত ছিল, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সেই চাপ সামলে ইনিংসের হাল ধরেন শ্রেয়স। তাঁকে সঙ্গ দেন অক্ষর পটেল। শেষ দিকে নমনের ঝোড়ো ব্যাটিং ভারতের জয় নিশ্চিত করে।

নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ব্যর্থতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন ভারতের। একটা সময় যে ম্যাচ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল, সেই ম্যাচেই রেকর্ড জয়। ব্যাটারদের লড়াইয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারতীয় শিবির।

Continue Reading

ক্রিকেট

রঞ্জিতে শাপমুক্তির শতরান অভিষেক পোড়েলের, বাইশ গজেই অঝোরে কাঁদলেন…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে দিল্লির বিরুদ্ধে সুবিধাজনক জায়গায় বাংলা। সৌজন্যে অভিষেক পোড়েলের শতরান। কঠিন সময় পেরিয়ে ক্রিকেটের মাঠে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন অভিষেক পোড়েলের। জেল থেকে মুক্তির মাত্র ২৫ দিনের মাথায় রঞ্জি ট্রফিতে শতরান করে আবেগে ভাসলেন বাংলার বাঁহাতি উইকেটকিপার-ব্যাটার। দিল্লির বিরুদ্ধে শতরান পূর্ণ করার পর হাঁটু গেড়ে বসে কেঁদে ফেলেন তিনি।
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর ৩৬ দিন কারাগারে ছিলেন চন্দননগরের ক্রিকেটার। গত ১৭ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি। বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্ল তাঁকে দলে ফিরিয়ে প্রথম ম্যাচেই সুযোগ দেন।
সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন অভিষেক। ১৩৭ বলে শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তাঁর দ্বিতীয় শতরান। শতরানের পর বিরাট কোহলির পরিচিত ভঙ্গিতে উদযাপন করেন তিনি।
সুদীপ কুমার ঘরামির সঙ্গে তাঁর অবিচ্ছেদ্য জুটি বাংলাকে শক্তিশালী জায়গায় পৌঁছে দেয়। ৭৫ ওভারের শেষে বাংলার স্কোর ছিল ২৯৭/৩, দিল্লির চেয়ে ৫৭ রানে এগিয়ে।

কল্যানী বেঙ্গল ক্রিকেট একাডেমির মাঠে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। শামি-আকাশদীপদের দাপটে মাত্র ২৪০ রানেই গুটিয়ে যায় দিল্লির প্রথম ইনিংস। জবাবে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলার। তবে সুদীপ কুমার ঘরামি এবং অভিষেক পোড়েলের অপরাজিত শতরানে ভর করে দ্বিতীয় দিনের শেষে এগিয়ে রয়েছে বাংলা। ১২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন সুদীপ, অন্যদিকে ১১৪ রানে ব্যাটিং করছেন পোড়েল। এদিন শতরান সম্পূর্ণ করে বাইশ গজেই চোখের জল ফেলেন তিনি। তৃতীয় দিনে সুদীপ কুমার ঘরামির সঙ্গে জুটি বেঁধে আরও রান যোগ করতে পারলেই, ভালো জায়গায় পৌঁছে যাবে বাংলা।

Continue Reading

ক্রিকেট

কোহলির টেস্ট অবসর ঘিরে প্রশ্ন তুললেন জাফর

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বিরাট কোহলির টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর। তাঁর মতে, ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি নেওয়া কোহলির টেস্ট ক্রিকেট ছাড়ার পরিস্থিতি আরও ভাল ভাবে সামলানো যেত। এই ঘটনার জেরে কোহলির মনে তিক্ততা তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে জাফর বলেন, কোহলির মতো অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ক্রিকেটার শুধু দলের সম্পদ নন, দর্শকদের কাছেও বড় আকর্ষণ। তাই তাঁর আরও কয়েক বছর টেস্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ ছিল বলে মনে করেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার। তবে অবসরের নেপথ্যে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে কোহলির নিজের বক্তব্য শোনা জরুরি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দিল্লির হয়ে রঞ্জি ট্রফিতে খেলেছিলেন কোহলি। সেই সময় থেকেই টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। পরে ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি নিলেও নির্বাচকদের সঙ্গে আলোচনার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ১২ মে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।
১৪ বছরের টেস্ট কেরিয়ারে ১২৩টি ম্যাচ খেলে ৯২৩০ রান করেছেন কোহলি। রয়েছে ৩০টি শতরান।
ভারতীয় দলের নির্বাচন প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন জাফর। তাঁর মতে, নির্বাচকদের কয়েকটি সাহসী সিদ্ধান্ত সফল হলেও কিছু ক্ষেত্রে ক্রিকেটার ও সমর্থকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তবে টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক ব্যর্থতার জন্য নির্বাচকদের একক ভাবে দায়ী করা ঠিক নয়। প্রথম একাদশ বেছে নেওয়ার দায়িত্ব মূলত কোচ ও অধিনায়কের, নির্বাচকদের কাজ ক্রিকেটার নির্বাচন করা।
জাফরের বক্তব্য, সিদ্ধান্ত যতই সাহসী হোক, তা কী ভাবে কার্যকর করা হচ্ছে, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Continue Reading

Trending