Connect with us

আইএসএল

CFL 2026: দশ জনের লড়াইয়ে লিগ ফিরল বাগানে

Published

on

সৌরভ মুখার্জী, বারাসাত: শাপমুক্তি! শুভাশিস, মনবীরদের হাত ধরেই আট বছরের অপেক্ষার অবসান। ২০১৮ সালের পর এবার বাস্তব রায়ের হাত ধরে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। ম্যাচের বয়স তখন ৫৯ মিনিট, বক্সের মধ্যে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ছেন দীপপ্রভাত ঘোষ। সেই পথ দিয়েই মাঠে নামলেন সায়ন ব্যানার্জি। শনিবার বারাসাত স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের লিগ জয়ের নায়ক তিনি। মহামেডান স্পোর্টিংকে ৩-২ গোলে হারিয়ে আট বছর পর ঘরোয়া লিগ ঘরে তুললো সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। দশ জনের লড়াকু লড়াইয়ে কলকাতা লিগের তাজ উঠল বাস্তব রায়ের মাথায়। মোহনবাগানের হয়ে জোড়া গোল করে ম্যাচের সেরা হলে সাহাল আব্দুল সামাদ।

শুরু থেকেই মহামেডান স্পোর্টিংয়ের উপর আক্রমণের চাপ বজায় রাখে মোহনবাগান। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে গোলও পেতে পারতেন সাহাল-মনবীররা। তবে প্রথম গোলের জন্য ২৬ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। মনবীরের বাড়ানো বল বক্সের মধ্যে ভাসিয়েছিলেন ছাংতে। ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন সাহাল। ৪১ মিনিটে ইসরাফিলের শট বাঁচিয়ে দলের পতন রোধ করেন রবিলাল মান্ডি। পরের মিনিটেই মহামেডানকে সমতায় ফেরান রেমসাঙ্গা।

দ্বিতীয়ার্ধে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের আক্রমণের চাপে প্রায় নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল বাগান রক্ষণে। চাপের মুখে ভুল করে বসেন শুভাশিস বোস এবং রাহুল ভেকে। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো লম্বা বল ক্লিয়ার করতে পারেননি তারা। পতন রোধ করতে বক্সের মধ্যে অবধারিত ফাউল করেন গোলরক্ষক দীপপ্রভাত ঘোষ। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। পেনাল্টি থেকে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন মহিতোষ। ৭০ মিনিটে মোহনবাগানকে আবারও সমতায় ফেরান সাহাল আব্দুল সামাদ। অবশেষে ৭৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন সায়ন ব্যানার্জি। শেষ কয়েক মিনিট মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও ম্যাচের ফলাফল বদলাতে পারেনি মহামেডান স্পোর্টিং।

আইএসএল

অপরাজিত থেকেও লিগ হারাল ইস্টবেঙ্গল

Published

on

সায়ন প্রামানিক, কলকাতা: শেষ ম্যাচে গোলের বন্যা বইয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। শনিবার কলকাতা ফুটবল লিগের শেষ দিনে লেসলি ক্লডিয়াস সরণীর মাঠে কোল ইন্ডিয়াকে ৭-০ গোলে হারাল লাল-হলুদ। কিন্তু সুপার সিক্সের প্রথম দু’টি ম্যাচে ড্র করার খেসারত দিয়ে গোটা লিগে অপরাজিত থেকেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না তারা। বারাসতে মোহনবাগান জিতে যাওয়ায় শেষ হাসি হাসল সবুজ-মেরুন।

শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয় মিনিটে জয় বাজের পাস থেকে মহম্মদ বিলালের গোলে এগিয়ে যায় তারা। ১০ মিনিটে শুভ দাসের পাস ধরে আকাশ হেমরমের ক্রস থেকে বিজয় মুর্মু দ্বিতীয় গোল করেন। প্রথমার্ধে আর গোল না হলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে জয় বাজের পাস থেকে আকাশ হেমরম তৃতীয় গোল করেন। ৬১ মিনিটে আকাশের পাস থেকে বিজয় মুর্মু করেন চতুর্থ গোল। ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে তন্ময় দাসের গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে। তখনই বারাসতে মোহনবাগান-মহামেডান ম্যাচ ২-২ হওয়ায় লাল-হলুদ গ্যালারিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা জাগে। কিন্তু সায়ন ব্যানার্জি ৩-২ করতেই সেই আশা শেষ। অতিরিক্ত সময়ে আকাশের পাস থেকে উত্তম হাঁসদা ৭-০ করেন।এদিন একসঙ্গে তিনটি ম্যাচ আয়োজন করেছিল আইএফএ। ইস্টবেঙ্গলের প্রয়োজন ছিল বড় ব্যবধানে জয় এবং মোহনবাগানের পয়েন্ট হারানো। নিজেদের কাজ করলেও দ্বিতীয়টি হয়নি।

ম্যাচ শেষে কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাস বলেন, “সারা লিগে অপরাজেয় হয়ে সবথেকে বেশি পয়েন্ট নিয়েও লিগ জিততে না পারায় কিছুটা হতাশ। আমার দলের ছেলেরা যা খেলেছে, ওরা লিগ জেতা ডিজার্ভ করে। ডার্বির পরে খুব তাড়াতাড়ি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরু হয়ে গিয়েছিল। ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ড্র-টাই আমাদের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে গেছে।”

Continue Reading

আইএসএল

জামশেদপুর ছেড়ে ওড়িশায় ঋত্বিক দাস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: পাঁচ বছর জামশেদপুর এফসি-তে কাটানোর পর ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন ঠিকানা হল বাঙালি রাইট উইঙ্গার ঋত্বিক দাসের। চলতি মরসুমে ওড়িশা এফসি-তে যোগ দিলেন বার্নপুরের এই ফুটবলার। ভারতের জাতীয় দলের জার্সিতে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।মোহন বাগান সেইল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা ঋত্বিকের ফুটবলজীবন শুরু হয় কলকাতার ময়দান থেকেই। পরবর্তী সময়ে ক্যালকাটা কাস্টমস্ ক্লাব, কালীঘাট মিলন সংঘ, রিয়াল কাশ্মীর এফসি এবং কেরল ব্লাস্টার্সের মতো দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর জামশেদপুর এফসি-তে ছিলেন ঋত্বিক।এ বার আইএসএল শুরুর আগে তাঁকে দলে নিয়ে আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করে নিল ভুবনেশ্বরের ওড়িশা এফসি। নতুন ক্লাবে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়াই লক্ষ্য ঋত্বিকের।

Continue Reading

আইএসএল

‘ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি’, আম্মানে আবেগী হিজাজি

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০২৩-এর মাঝামাঝি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন জর্ডনের ডিফেন্ডার হিজাজি মাহের। দক্ষিণ এশিয়ার কোনও ক্লাবে সেটিই ছিল তাঁর প্রথম অভিজ্ঞতা। মরসুম গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাল-হলুদ রক্ষণে নিজের জায়গা পাকা করে নেন তিনি। ধারাবাহিকতা ও দৃঢ়তার জন্য দ্রুতই জায়গা করে নেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের হৃদয়ে।

ইস্টবেঙ্গলের ২০২৩-২৪ সুপার কাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল হিজাজির। টুর্নামেন্টের সেরা ডিফেন্ডার নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি দু’টি গুরুত্বপূর্ণ গোলও করেছিলেন তিনি। লাল-হলুদ জার্সিতে মোট ৪২টি ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেন এই লম্বা সেন্টার-ব্যাক। ইস্টবেঙ্গলকে প্রথম এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে যোগ্যতা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তাঁর। তবে ২০২৪-২৫ মরসুমের শেষ দিকে হাঁটুর চোট তাঁকে মাঠের বাইরে ছিটকে দেয়।

মাঠের বাইরেও তাঁর সহজ-সরল আচরণ তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল। এ বার জর্ডনে ইস্টবেঙ্গল দল। আল-হুসেইনের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ ডি-র প্রথম ম্যাচের আগে প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করতে দলের হোটেলে হাজির হন হিজাজি। তাঁকে বিশেষ সংস্করণের লাল-হলুদ এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু জার্সি উপহার দেন ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ বিনো জর্জ।

প্রাক্তন ক্লাবের সঙ্গে ফের দেখা হওয়ার মুহূর্তে আবেগপ্রবণ হিজাজি বলেন, “অনেক দিন পর প্রাক্তন সতীর্থ ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দেখা করে খুব ভাল লাগছে। জর্ডনে সবাইকে স্বাগত। ইস্টবেঙ্গলকে খুব মিস করি! ইস্টবেঙ্গল এবং আল-হুসেইন দুটোই আমার প্রাক্তন ক্লাব। দু’দলকেই শুভেচ্ছা। ভাল দল জিতুক।”

ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের ভালবাসা নিয়েও আবেগ প্রকাশ করেন তিনি। “ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের খুব মিস করি। এখনও ইনস্টাগ্রামে তাঁদের কাছ থেকে শত শত মেসেজ পাই। দু’মরসুম এমন আবেগপ্রবণ সমর্থকদের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। সুপার কাপ জয়ের পর কলকাতায় ফেরার দিনটা আমার কেরিয়ারের সেরা দিন হয়ে থাকবে। এমন নিঃশর্ত ভালবাসা অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন। কলকাতার খাবারও মিস করি, বিশেষ করে আলু দেওয়া বিরিয়ানি।”

২০২৬-এ ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল ও ডুরান্ড কাপ জয়ের প্রতিটি ম্যাচও জর্ডন থেকে দেখেছেন হিজাজি। তাঁর কথায়, “আমি জর্ডন থেকে ইস্টবেঙ্গলের সব ম্যাচ দেখি। আইএসএল ও ডুরান্ড কাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখেছি। ক্লাবের সাফল্যে আমি খুব খুশি। এক অর্থে ২০২৪-এর সুপার কাপ জয়ের মাধ্যমে আমরা এই ঘুরে দাঁড়ানোর শুরুটা করেছিলাম। গত ১৮ মাসে ক্লাব যেভাবে সেই সাফল্যের উপর ভিত্তি করে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, তা অসাধারণ। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র জন্য ইস্টবেঙ্গলকে শুভেচ্ছা। হাবাসের অধীনে দল ভাল করবে বলেই আমি নিশ্চিত।”

Continue Reading

Trending