Connect with us

ফুটবল

মোহনবাগানের বড় জয়ের পরেও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ কোচ

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: মঙ্গলবার সাউথ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৮-০ গোলের বড় জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপে নিজেদের শক্তির জানান দিল মোহনবাগান। ব্যবধান আরও বাড়তে পারত, যদি একাধিক সুযোগ কাজে লাগানো যেত। হ্যাটট্রিক করে ম্যাচের নায়ক মনবীর সিং, জোড়া গোল করেন সুহেল ভাট। তবে শুধু জয় নয়, এই ম্যাচে সবুজ-মেরুনের ফুটবলে স্পষ্ট হয়ে উঠল নতুন কোচ প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিসের দর্শন। অযথা পাসের ফুলঝুরি নয়, দ্রুত আক্রমণ, কার্যকর ফুটবল এবং গোলের প্রতি নিরন্তর ক্ষুধা—এই মন্ত্রেই এগোচ্ছে মোহনবাগান।
গত মরসুমে সেট-পিস থেকে গোল করতে সমস্যায় পড়লেও, এদিন সেই অস্ত্রই দুর্দান্তভাবে কাজে লাগায় সবুজ-মেরুন। অন্যদিকে, গত মৌসুমে ছন্দহীন থাকা মনবীরকে এদিন স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলান দিলেম্পেরিস। মূল স্ট্রাইকারের অনুপস্থিতিতে সেই দায়িত্ব পেয়েই নিজেকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করলেন ভারতীয় ফরোয়ার্ড।
তবে বড় জয়ের পরও আত্মতুষ্ট নন মোহনবাগান কোচ। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “মোহনবাগান সব দলকেই সম্মান করে। ছোট বা বড় দল বলে আমরা কাউকে আলাদা করি না। আজও আমরা সেই মানসিকতা নিয়েই খেলেছি। বিশেষ করে ম্যাচের প্রথমার্ধ নিয়ে আমি খুব খুশি। এই জয় আমাদের সামনের ম্যাচগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।”
পরের ম্যাচ সিআইএসএফের বিরুদ্ধে। দল প্রায় পরের পর্ব নিশ্চিত করলেও একাদশে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ। তাঁর কথায়, “কিছু পরিবর্তন করার সম্ভাবনা আছে। ইতিমধ্যেই জেমি ম্যাকলারেন চলে এসেছে, মিগুয়েলও আসবে। ওদেরও দেখে নিতে হবে আমাকে।”
হ্যাটট্রিকের পর উচ্ছ্বসিত মনবীর বলেন, “আগের মৌসুমে আমরা অল্পের জন্য চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি। এবার ভালো শুরু হয়েছে, আশা করছি ভালো ফল করব।” প্রথম গোলের পর তাঁর বিশেষ সেলিব্রেশন নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। হাসিমুখে জানান, সেটি ছিল তাঁর ছোট ছেলের উদ্দেশে ভালোবাসার প্রকাশ।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

সেভিয়াকে হারিয়ে বার্সার দাপুটে জয়, হ্যাটট্রিক রাফিনহার

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: সেভিয়ার মাঠে দাপুটে জয় তুলে নিল বার্সেলোনা। ১৯ সেপ্টেম্বরের ম্যাচে ঘরের দলকে ৩–১ গোলে হারিয়ে লিগে নিজেদের শক্তি আরও একবার প্রমাণ করল কাতালান ক্লাবটি।
বার্সেলোনার জয়ের মূল কারিগর রাফিনহা। দুরন্ত পারফরম্যান্সে একাই তিনটি গোল করে হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে ম্যাচের বড় সময়ই চাপে ছিল সেভিয়ার রক্ষণ।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণ তৈরি করতে থাকে বার্সেলোনা। সেভিয়া পাল্টা আক্রমণে সুযোগ তৈরি করলেও বার্সার আক্রমণভাগের ধার সামলাতে পারেনি। রাফিনহার গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও স্পষ্টভাবে চলে যায় অতিথিদের হাতে।
শেষ পর্যন্ত ৩–১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। গুরুত্বপূর্ণ এই জয়ের পাশাপাশি রাফিনহার হ্যাটট্রিকও ম্যাচের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হয়ে থাকল।

Continue Reading

আইএসএল

CFL 2026: দশ জনের লড়াইয়ে লিগ ফিরল বাগানে

Published

on

সৌরভ মুখার্জী, বারাসাত: শাপমুক্তি! শুভাশিস, মনবীরদের হাত ধরেই আট বছরের অপেক্ষার অবসান। ২০১৮ সালের পর এবার বাস্তব রায়ের হাত ধরে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। ম্যাচের বয়স তখন ৫৯ মিনিট, বক্সের মধ্যে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ছেন দীপপ্রভাত ঘোষ। সেই পথ দিয়েই মাঠে নামলেন সায়ন ব্যানার্জি। শনিবার বারাসাত স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের লিগ জয়ের নায়ক তিনি। মহামেডান স্পোর্টিংকে ৩-২ গোলে হারিয়ে আট বছর পর ঘরোয়া লিগ ঘরে তুললো সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। দশ জনের লড়াকু লড়াইয়ে কলকাতা লিগের তাজ উঠল বাস্তব রায়ের মাথায়। মোহনবাগানের হয়ে জোড়া গোল করে ম্যাচের সেরা হলে সাহাল আব্দুল সামাদ।

শুরু থেকেই মহামেডান স্পোর্টিংয়ের উপর আক্রমণের চাপ বজায় রাখে মোহনবাগান। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে গোলও পেতে পারতেন সাহাল-মনবীররা। তবে প্রথম গোলের জন্য ২৬ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। মনবীরের বাড়ানো বল বক্সের মধ্যে ভাসিয়েছিলেন ছাংতে। ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন সাহাল। ৪১ মিনিটে ইসরাফিলের শট বাঁচিয়ে দলের পতন রোধ করেন রবিলাল মান্ডি। পরের মিনিটেই মহামেডানকে সমতায় ফেরান রেমসাঙ্গা।

দ্বিতীয়ার্ধে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের আক্রমণের চাপে প্রায় নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল বাগান রক্ষণে। চাপের মুখে ভুল করে বসেন শুভাশিস বোস এবং রাহুল ভেকে। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো লম্বা বল ক্লিয়ার করতে পারেননি তারা। পতন রোধ করতে বক্সের মধ্যে অবধারিত ফাউল করেন গোলরক্ষক দীপপ্রভাত ঘোষ। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। পেনাল্টি থেকে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন মহিতোষ। ৭০ মিনিটে মোহনবাগানকে আবারও সমতায় ফেরান সাহাল আব্দুল সামাদ। অবশেষে ৭৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন সায়ন ব্যানার্জি। শেষ কয়েক মিনিট মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও ম্যাচের ফলাফল বদলাতে পারেনি মহামেডান স্পোর্টিং।

Continue Reading

আইএসএল

অপরাজিত থেকেও লিগ হারাল ইস্টবেঙ্গল

Published

on

সায়ন প্রামানিক, কলকাতা: শেষ ম্যাচে গোলের বন্যা বইয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। শনিবার কলকাতা ফুটবল লিগের শেষ দিনে লেসলি ক্লডিয়াস সরণীর মাঠে কোল ইন্ডিয়াকে ৭-০ গোলে হারাল লাল-হলুদ। কিন্তু সুপার সিক্সের প্রথম দু’টি ম্যাচে ড্র করার খেসারত দিয়ে গোটা লিগে অপরাজিত থেকেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না তারা। বারাসতে মোহনবাগান জিতে যাওয়ায় শেষ হাসি হাসল সবুজ-মেরুন।

শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয় মিনিটে জয় বাজের পাস থেকে মহম্মদ বিলালের গোলে এগিয়ে যায় তারা। ১০ মিনিটে শুভ দাসের পাস ধরে আকাশ হেমরমের ক্রস থেকে বিজয় মুর্মু দ্বিতীয় গোল করেন। প্রথমার্ধে আর গোল না হলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে জয় বাজের পাস থেকে আকাশ হেমরম তৃতীয় গোল করেন। ৬১ মিনিটে আকাশের পাস থেকে বিজয় মুর্মু করেন চতুর্থ গোল। ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে তন্ময় দাসের গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে। তখনই বারাসতে মোহনবাগান-মহামেডান ম্যাচ ২-২ হওয়ায় লাল-হলুদ গ্যালারিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা জাগে। কিন্তু সায়ন ব্যানার্জি ৩-২ করতেই সেই আশা শেষ। অতিরিক্ত সময়ে আকাশের পাস থেকে উত্তম হাঁসদা ৭-০ করেন।এদিন একসঙ্গে তিনটি ম্যাচ আয়োজন করেছিল আইএফএ। ইস্টবেঙ্গলের প্রয়োজন ছিল বড় ব্যবধানে জয় এবং মোহনবাগানের পয়েন্ট হারানো। নিজেদের কাজ করলেও দ্বিতীয়টি হয়নি।

ম্যাচ শেষে কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাস বলেন, “সারা লিগে অপরাজেয় হয়ে সবথেকে বেশি পয়েন্ট নিয়েও লিগ জিততে না পারায় কিছুটা হতাশ। আমার দলের ছেলেরা যা খেলেছে, ওরা লিগ জেতা ডিজার্ভ করে। ডার্বির পরে খুব তাড়াতাড়ি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরু হয়ে গিয়েছিল। ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ড্র-টাই আমাদের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে গেছে।”

Continue Reading

Trending