ফুটবল
FIFA WC 2026: মেসি চ্যালেঞ্জে প্রস্তুত পিকফোর্ড
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ২০০২ বিশ্বকাপের পর আবার বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ ২৪ বছর পর ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে দুই ফুটবল শক্তির এই লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। সেই ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা গেল গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের কথায়।
“আমাদের সামনে যে দলই আসুক, আমরা জিততে প্রস্তুত। তবে মূল বিষয় হলো নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারা,” জানান পিকফোর্ড।
তাঁর মতে, আর্জেন্টিনাও সমানভাবে লড়াইয়ে নামবে, তাই কোনওভাবেই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। “বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচই কঠিন, এই ম্যাচটাও তার ব্যতিক্রম নয়,” যোগ করেন তিনি।
লিওনেল মেসির বিরুদ্ধে খেলার প্রসঙ্গ উঠতেই পিকফোর্ড বলেন, “ছোটবেলা থেকে ওকে দেখে বড় হয়েছি। এতদিন পর ওর বিপক্ষে খেলতে পারাটা বিশেষ অনুভূতি।” তবে শুধুমাত্র মেসিকে ঘিরে পরিকল্পনা করলে চলবে না বলেই মনে করছেন তিনি।
“মেসি যেমন বড় ফুটবলার , তেমনই আর্জেন্টিনা একটি শক্তিশালী দল। আমাদের তাদের পুরো দল নিয়েই ভাবতে হবে,” স্পষ্ট মন্তব্য তাঁর।
দলের প্রস্তুতি নিয়ে ইংল্যান্ডের এই গোলরক্ষক বলেন, “আমরা দল হিসেবে একসঙ্গে আছি, সেটাই আমাদের শক্তি। সামনে আরেকটা বড় ম্যাচ, এটাকে সেইভাবেই দেখছি।”
অতীতের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাতে চাইছে ইংল্যান্ড। পিকফোর্ডের কথায়, “কাতারে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে হারটা হতাশাজনক ছিল। ২০১৮ বিশ্বকাপ, ইউরো ফাইনাল এসব থেকে আমরা শিখেছি। এবার সেই শিক্ষা কাজে লাগানোর সময়।”এমিলিয়ানো মার্টিনেজ প্রসঙ্গেও প্রশংসা শোনা যায় তাঁর গলায়। কঠিন পথ পেরিয়ে আজকের জায়গায় পৌঁছনোর জন্য আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে কৃতিত্ব দেন পিকফোর্ড। সব মিলিয়ে সেমিফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাসী কিন্তু সতর্ক ইংল্যান্ড শিবির।
ফুটবল
CFL 2026: সায়নের দ্যুতিতে ঝলমলে মোহনবাগান
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বৃষ্টিভেজা মোহনবাগান মাঠ, কৃত্রিম বাতিস্তম্ভের আলোয় ঝলমলে সবুজ গালিচা। আর এই মাঠেই সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই দ্যুতি ছড়ালেন সায়ন ব্যানার্জি। প্রাক্তন লাল-হলুদ তারকার ঔজ্জ্বল্যে ঝলমলে মোহনবাগান। ঘরের মাঠে পাঠচক্রকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কলকাতা লিগ অভিযান শুরু করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। গত কয়েক মরশুমে ঘরোয়া লিগে চূড়ান্ত ব্যর্থ মোহনবাগান। তাই এই বছর ঘুরে দাঁড়াতে ঢেলে সাজানো হয়েছে দল, বদলেছে কোচ। নতুন কোচের হাত ধরেই যেন আলোর দিশা গোষ্ঠ পাল সরণীর ক্লাবে। দুর্বল পাঠচক্রের বিরুদ্ধে বৃষ্টিভেজা ভাড়ি মাঠে শুরু থেকে সুবিধা করতে পারছিলেন না সুহেল, কিয়ানরা। ২২ মিনিটে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন কিয়ান নাসিরি। বাঁ প্রান্ত থেকে ক্ষিপ্র গতিতে বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলেন সায়ন ব্যানার্জি। তাঁর গোল লক্ষ্য করে নেওয়া শটে পা ছুঁইয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন কিয়ান। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে প্রথমার্ধেই ব্যবধান বাড়াতে পারত মোহনবাগান।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সায়ন। ৫৭ মিনিটে গোল লাইনে দাঁড়িয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন রবিলাল মান্ডি। আট মিনিট পরেই দ্বিতীয় গোল। রোহিতের মাটি ঘেঁষা সেন্টার থেকে জাল কাঁপিয়ে দেন সুহেল আহমেদ ভাট। এরপর একের পর এক সুযোগ নষ্ট করতে থাকে মোহনবাগান। অবশেষে সংযোজিত সময়ে বিভান জ্যোতি লস্করের সেন্টার থেকে বল জালে জড়িয়ে মোহনবাগান জার্সি গায়ে নিজের প্রথম গোলটা করে ফেলেন সায়ন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করে পাঠচক্রের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন বিভান।
ফুটবল
FIFA WC 2026: সেমিফাইনালের আগে ডিফেন্স নিয়ে চিন্তায় স্কালোনি
রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে আটলান্টায় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে মেসিরা। আটলান্টা উড়ে যাওয়ার আগে আমাদের হাতে একদিন ফাঁকা সময় ছিল। সেদিনই কানসাসে নিজেদের বেস ক্যাম্পে অনুশীলন করল আর্জেন্টিনা দল। সেই মতো আমরাও পৌঁছে গেলাম গন্তব্যস্থলে। তবে কানসাস সিটির আর্জেন্টিনা বেস ক্যাম্পে এদিনের অনুশীলনে চোখে পড়ল একেবারে অন্য ছবি। সুইজারল্যান্ড ম্যাচের আগের দিন যেখানে প্রায় আড়াইশো সাংবাদিক ভিড় করেছিলেন, সেখানে এবার উপস্থিত ছিলেন মাত্র ৫০-৬০ জন। তাঁদের বেশিরভাগই আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি।সন্ধ্যা ছ’টায় অনুশীলন শুরুর কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে মাঠে পৌঁছয়নি লিওনেল স্কালোনির দল। প্রায় ২০ মিনিট পরে ফুটবলারদের বাস ঢোকে প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে। মাঠে প্রথমেই নজর কাড়ে আরেকটি বিষয়। এতদিন যে ২০২৬ বিশ্বকাপের সরকারি ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’ দিয়ে অনুশীলন চলছিল, তা সরিয়ে এনে রাখা হল সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালে ব্যবহৃত নতুন ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ বল। সোনালি, কালো, গোলাপি ও লাল রঙের নতুন নকশায় তৈরি এই বলে বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী সোনালি রঙের পাশাপাশি জায়গা পেয়েছে ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সির মতো শেষ পর্বের ভেন্যুর নামও।অনুশীলন শুরুর আগেই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে স্কালোনি এবং এমিলিয়ানো মার্টিনেজের দীর্ঘ আলোচনা। শুধু কথাবার্তা নয়, হাতের অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করেও গোলরক্ষককে বিভিন্ন বিষয় বোঝাতে দেখা যায় আর্জেন্টাইন কোচকে। শেষ বত্রিশ থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পাঁচ গোল হজম করেছে আর্জেন্টিনা। আর সেটাই হয়ে উঠেছে আর্জেন্টিনা কোচের প্রধান মাথা ব্যথার কারণ। মিডিয়ার জন্য বারদ্দ প্রথম ১৫ মিনিটে সুইজারল্যান্ড ম্যাচের প্রথম একাদশের কোনও ফুটবলার মাঠে নামেননি। তাঁরা তখন জিমে রিকভারি সেশন করছিলেন। মাঠের দোতলা থেকে অনুশীলন দেখছিলেন একাধিক ফুটবলারের পরিবারের সদস্যরা। পরে মিডিয়া বেরিয়ে গেলে পুরো দল মাঠে নামে। আর্জেন্টিনার সমাজমাধ্যম থেকে জানতে পারলাম নিকো পাজ, বার্কোদের নিয়ে প্রথমে ফিজিক্যাল ড্রিল, ছোট পাস ও প্রেসিংয়ের অনুশীলন করান স্কালোনি। এরপর চারটি ছোট গোলপোস্ট বসিয়ে তিনজনের একাধিক দলে ভাগ করে আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই পরিস্থিতিরই বিশেষ অনুশীলন করানো হয়। আটলান্টায় সেমিফাইনালের আগে প্রস্তুতির গতি যে ইতিমধ্যেই চরমে, কানসাস সিটির সন্ধ্যা যেন সেটাই স্পষ্ট করে দিল।
ইস্টবেঙ্গল
আবেগঘন বিদায়ে ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন এজেজারি
রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এক স্মরণীয় অধ্যায়ের ইতি টানলেন ইউসেফ এজেজারি। লাল-হলুদ জার্সিতে স্বল্প সময়ের মধ্যেই অসাধারণ পারফরম্যান্সে সমর্থকদের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এই মরোক্কান তারকা সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন বার্তায় বিদায়ের কথা জানালেন।আইএসএলে মাত্র ১৩ ম্যাচে ১১ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন এজেজারি। একইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। তাঁর পারফরম্যান্সই দলকে আক্রমণে আলাদা ধার এনে দিয়েছিল। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর বিদায় লাল-হলুদ শিবিরে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।বিদায়বার্তায় এজেজারি লেখেন, “কিছু যাত্রা ট্রফি দিয়ে মাপা হয়, আবার কিছু মাপা হয় মানুষের ভালোবাসা আর স্মৃতির মাধ্যমে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে আমার সময়টা দু’দিক থেকেই বিশেষ।” ২২ বছর পর ক্লাবকে লিগ শিরোপা জেতানোর দলের অংশ হতে পারা তাঁর কাছে অন্যতম বড় অর্জন বলেও জানান তিনি।সমর্থকদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা আরও আবেগঘন। “প্রথম দিন থেকেই আপনারা আমাকে আপন করে নিয়েছিলেন। প্রতিটি গোল আর জয়ের মুহূর্ত আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া আমার কাছে বিশেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে,” লেখেন এজেজারি।শেষে তিনি জানান, ভবিষ্যতে যেখানেই খেলুন না কেন, তাঁর হৃদয়ের একাংশ সবসময় ইস্টবেঙ্গলের জন্য থাকবে।এজেজারির বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে গত মরসুমের চ্যাম্পিয়ন দলের মূল কাঠামো ভাঙার ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট। ইতিমধ্যেই কোচ অস্কার ব্রুজোঁ ক্লাব ছেড়েছেন, অ্যান্টন সোজবার্গকে বিদায় জানানো হয়েছে, মিগুয়েল যোগ দিয়েছেন মোহনবাগানে, কেভিন সিবিয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল সবচেয়ে বড় নাম, ইউসেফ এজেজারি।
-
ফুটবল1 month agoFIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার
-
ফুটবল4 weeks agoFIFA WC 2026: আলজেরিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না আর্জেন্টিনা
-
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট1 month agoজাতীয় দলে বৈভব, পাচ্ছেন বাড়তি সুবিধা; বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল1 month agoFIFA WORLD CUP 2026: আমেরিকায় পৌঁছতেই হেনস্থার মুখোমুখি ইরাকের ফুটবলার, বিস্তারিত জানতে পড়ুন
-
ফুটবল1 month agoFIFA WC 2026: বিশ্বকাপের মঞ্চে বাধা, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না ওমর আব্দুলকাদির
-
ফুটবল1 month ago৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় মেয়েরা
-
ক্রিকেট1 month agoBT20L: অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত! চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ল নভাস রয়্যালস পুরুলিয়া
-
ফুটবল4 weeks agoFIFA WC 2026: এক ভুলেই সর্বনাশ কোরিয়ার, নকআউটে জায়গা পাকা মেক্সিকোর
