Connect with us

আইএসএল

ISL 2024/25: ইস্পাতনগরীতে অপ্রত্যাশিত হার মোহনবাগানের

Published

on

সৌরভ মুখার্জী, জামশেদপুর: জেসন কামিন্সের বিশ্বমানের গোলেও মানরক্ষা হল না মোহনবাগানের। আইএসএলের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের প্রথম লেগে জামশেদপুরের জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান এবং জামশেদপুর এফসি। ২-১ গোলে হেরে ফাইনালে যাওয়ার কাজ কঠিন করল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রায় কুড়ি হাজার সমর্থকের সামনে শুরু থেকেই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলছিল হোসে মোলিনার দল। মাঝমাঠে বলের দখল ছিল না, সেই সঙ্গে রক্ষণে একাধিক ভুলের মাশুল দিতে হল মোহনবাগানকে।

ম্যাচের শুরুতেই নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয় জামশেদপুর এফসি। ৫ মিনিটের মাথায় ডান প্রান্ত থেকে বক্সের মধ্যে বল বাড়িয়েছিলেন নিখিল ভারলা। সেই বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বলে হাত লাগিয়ে ফেলেন আশিস রাই। অবধারিত পেনাল্টির আবেদন উঠলেও রেফারি তা নস্যাৎ করে দেন। ২৪ মিনিটে সিভেরিওর করা গোলে এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। ৩৩ মিনিটের মাথায় সমতায় ফিরতে পারতো মোহনবাগান। আলবার্তোর হেডার ক্রস বারে লেগে প্রতিহত হয়। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় বল তালুবন্দী করেন আলবিনো গোমস। ৩৭ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে মোহনবাগানকে সমতায় ফেরান জেসন কামিন্স। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহুর্তে একটা সুযোগ নষ্ট করেন সাহাল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল মোহনবাগান। অনিরুদ্ধ থাপার পাশ বক্সের মধ্যে পেয়ে গিয়েছিলেন গ্রেগ। কিন্তু গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তিনি। পরের মিনিটেই থাপার গোলমুখী শট রুখে দিয়ে জামশেদপুরের পতন রোধ করেন প্রনয়। ৬৯ মিনিটের মাথায় আরও একটা সুযোগ পেয়েছিল মোহনবাগান। সাহাল আব্দুল সামাদের সেন্টারে পা ছোঁয়াতে পারলেই গোল পেতে পারতেন শুভাশিস। ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারে জেমি ম্যাকলারেন এবং দিমিত্রি পেত্রাতসকে নামিয়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় মোহনবাগান। অপরদিকে, ম্যাচ যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, ততই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে জামশেদপুর এফসি। ম্যাচের সংযোজিত সময়ে জাভি ফার্নান্ডেজের করা গোলে ঘরের মাঠে জয় নিশ্চিত করে জামশেদপুর। প্রথম লেগে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে কলকাতায় খেলতে যাবেন খালিদ জামিলরা।

আইএসএল

CFL 2026: দশ জনের লড়াইয়ে লিগ ফিরল বাগানে

Published

on

সৌরভ মুখার্জী, বারাসাত: শাপমুক্তি! শুভাশিস, মনবীরদের হাত ধরেই আট বছরের অপেক্ষার অবসান। ২০১৮ সালের পর এবার বাস্তব রায়ের হাত ধরে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। ম্যাচের বয়স তখন ৫৯ মিনিট, বক্সের মধ্যে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ছেন দীপপ্রভাত ঘোষ। সেই পথ দিয়েই মাঠে নামলেন সায়ন ব্যানার্জি। শনিবার বারাসাত স্টেডিয়ামে মোহনবাগানের লিগ জয়ের নায়ক তিনি। মহামেডান স্পোর্টিংকে ৩-২ গোলে হারিয়ে আট বছর পর ঘরোয়া লিগ ঘরে তুললো সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। দশ জনের লড়াকু লড়াইয়ে কলকাতা লিগের তাজ উঠল বাস্তব রায়ের মাথায়। মোহনবাগানের হয়ে জোড়া গোল করে ম্যাচের সেরা হলে সাহাল আব্দুল সামাদ।

শুরু থেকেই মহামেডান স্পোর্টিংয়ের উপর আক্রমণের চাপ বজায় রাখে মোহনবাগান। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে গোলও পেতে পারতেন সাহাল-মনবীররা। তবে প্রথম গোলের জন্য ২৬ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। মনবীরের বাড়ানো বল বক্সের মধ্যে ভাসিয়েছিলেন ছাংতে। ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন সাহাল। ৪১ মিনিটে ইসরাফিলের শট বাঁচিয়ে দলের পতন রোধ করেন রবিলাল মান্ডি। পরের মিনিটেই মহামেডানকে সমতায় ফেরান রেমসাঙ্গা।

দ্বিতীয়ার্ধে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের আক্রমণের চাপে প্রায় নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল বাগান রক্ষণে। চাপের মুখে ভুল করে বসেন শুভাশিস বোস এবং রাহুল ভেকে। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো লম্বা বল ক্লিয়ার করতে পারেননি তারা। পতন রোধ করতে বক্সের মধ্যে অবধারিত ফাউল করেন গোলরক্ষক দীপপ্রভাত ঘোষ। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। পেনাল্টি থেকে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন মহিতোষ। ৭০ মিনিটে মোহনবাগানকে আবারও সমতায় ফেরান সাহাল আব্দুল সামাদ। অবশেষে ৭৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন সায়ন ব্যানার্জি। শেষ কয়েক মিনিট মুহুর্মুহু আক্রমণ করেও ম্যাচের ফলাফল বদলাতে পারেনি মহামেডান স্পোর্টিং।

Continue Reading

আইএসএল

অপরাজিত থেকেও লিগ হারাল ইস্টবেঙ্গল

Published

on

সায়ন প্রামানিক, কলকাতা: শেষ ম্যাচে গোলের বন্যা বইয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। শনিবার কলকাতা ফুটবল লিগের শেষ দিনে লেসলি ক্লডিয়াস সরণীর মাঠে কোল ইন্ডিয়াকে ৭-০ গোলে হারাল লাল-হলুদ। কিন্তু সুপার সিক্সের প্রথম দু’টি ম্যাচে ড্র করার খেসারত দিয়ে গোটা লিগে অপরাজিত থেকেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না তারা। বারাসতে মোহনবাগান জিতে যাওয়ায় শেষ হাসি হাসল সবুজ-মেরুন।

শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয় মিনিটে জয় বাজের পাস থেকে মহম্মদ বিলালের গোলে এগিয়ে যায় তারা। ১০ মিনিটে শুভ দাসের পাস ধরে আকাশ হেমরমের ক্রস থেকে বিজয় মুর্মু দ্বিতীয় গোল করেন। প্রথমার্ধে আর গোল না হলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে জয় বাজের পাস থেকে আকাশ হেমরম তৃতীয় গোল করেন। ৬১ মিনিটে আকাশের পাস থেকে বিজয় মুর্মু করেন চতুর্থ গোল। ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে তন্ময় দাসের গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে। তখনই বারাসতে মোহনবাগান-মহামেডান ম্যাচ ২-২ হওয়ায় লাল-হলুদ গ্যালারিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা জাগে। কিন্তু সায়ন ব্যানার্জি ৩-২ করতেই সেই আশা শেষ। অতিরিক্ত সময়ে আকাশের পাস থেকে উত্তম হাঁসদা ৭-০ করেন।এদিন একসঙ্গে তিনটি ম্যাচ আয়োজন করেছিল আইএফএ। ইস্টবেঙ্গলের প্রয়োজন ছিল বড় ব্যবধানে জয় এবং মোহনবাগানের পয়েন্ট হারানো। নিজেদের কাজ করলেও দ্বিতীয়টি হয়নি।

ম্যাচ শেষে কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাস বলেন, “সারা লিগে অপরাজেয় হয়ে সবথেকে বেশি পয়েন্ট নিয়েও লিগ জিততে না পারায় কিছুটা হতাশ। আমার দলের ছেলেরা যা খেলেছে, ওরা লিগ জেতা ডিজার্ভ করে। ডার্বির পরে খুব তাড়াতাড়ি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরু হয়ে গিয়েছিল। ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ড্র-টাই আমাদের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে গেছে।”

Continue Reading

আইএসএল

জামশেদপুর ছেড়ে ওড়িশায় ঋত্বিক দাস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: পাঁচ বছর জামশেদপুর এফসি-তে কাটানোর পর ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নতুন ঠিকানা হল বাঙালি রাইট উইঙ্গার ঋত্বিক দাসের। চলতি মরসুমে ওড়িশা এফসি-তে যোগ দিলেন বার্নপুরের এই ফুটবলার। ভারতের জাতীয় দলের জার্সিতে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।মোহন বাগান সেইল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা ঋত্বিকের ফুটবলজীবন শুরু হয় কলকাতার ময়দান থেকেই। পরবর্তী সময়ে ক্যালকাটা কাস্টমস্ ক্লাব, কালীঘাট মিলন সংঘ, রিয়াল কাশ্মীর এফসি এবং কেরল ব্লাস্টার্সের মতো দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর জামশেদপুর এফসি-তে ছিলেন ঋত্বিক।এ বার আইএসএল শুরুর আগে তাঁকে দলে নিয়ে আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করে নিল ভুবনেশ্বরের ওড়িশা এফসি। নতুন ক্লাবে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়াই লক্ষ্য ঋত্বিকের।

Continue Reading

Trending