Connect with us

আন্তর্জাতিক ফুটবল

চেলসির পথে ওয়েলবেক ও হেন্ডারসন

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: অভিজ্ঞতার উপর ভরসা করে দল গঠনের পথে এগোচ্ছে চেলসি। নতুন কোচ জাভি আলোনসোর পরিকল্পনায় যোগ হতে চলেছেন দুই অভিজ্ঞ ইংলিশ ফুটবলার ড্যানি ওয়েলবেক এবং জর্ডান হেন্ডারসন। সূত্রের খবর, ব্রাইটনের স্ট্রাইকার ওয়েলবেককে দলে টানার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে, পাশাপাশি হেন্ডারসনের সঙ্গেও অনেকদূর কথা এগিয়েছে চেলসির।
৩৫ বছর বয়সি ওয়েলবেক গত মরসুমে প্রিমিয়ার লিগে ১৩টি গোল করে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন। অন্যদিকে ৩৬ বছর বয়সি হেন্ডারসনকে দলে আনার মূল লক্ষ্য মাঝমাঠে নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা বাড়ানো। তরুণ ফুটবলারদের ভরসায় গড়া চেলসি এবার ড্রেসিংরুমে ভারসাম্য আনতে অভিজ্ঞ মুখের দিকেই ঝুঁকেছে।
ইতিমধ্যেই একাধিক তরুণ তারকাকে দলে নেওয়ার পর চেলসির এই নতুন কৌশল ফুটবল মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ক্লাবের বিশ্বাস, ওয়েলবেক ও হেন্ডারসনের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের উপস্থিতি শুধু মাঠেই নয়, ড্রেসিংরুমেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যদিও এখনও দুই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে তাঁদের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

কারাবাও কাপে আর্সেনাল-লিভারপুলের দাপট, নজর কাড়লেন ১৬ বছরের ডাওম্যান

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: কারাবাও কাপের তৃতীয় রাউন্ডে জয় দিয়ে চতুর্থ রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করল আর্সেনাল ও লিভারপুল। ইপসউইচ টাউনকে ৪-২ গোলে হারাল আর্সেনাল। অন্যদিকে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে পরের রাউন্ডে পৌঁছে গেল লিভারপুল।
পোর্টম্যান রোডে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখায় আর্সেনাল। মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া ম্যাক্স ডাওম্যান সপ্তম মিনিটেই দুরন্ত একক প্রচেষ্টায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এদিন আর্সেনালের হয়ে জোড়া গোল করেন ডাওম্যান। তাঁর সঙ্গে গোলের তালিকায় নাম লেখান ননি মাদুয়েকে ও মিকেল মেরিনো। ফলে একসময় ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিকেল আর্তেতার দল। শেষ দিকে অনিস মেহমেতি ও প্রাক্তন আর্সেনাল ফুটবলার চুবা আকম গোল করলেও ম্যাচের ফল বদলাতে পারেনি ইপসউইচ।
অন্যদিকে অ্যানফিল্ডে টটেনহ্যামকে হারাল লিভারপুল। ২১ মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টার গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান কোডি গাকপো। তবে ৬৯ মিনিটে গ্যালাঘারের গোলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে টটেনহ্যাম। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে ২৫ গজ দূর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে লিভারপুলের জয় নিশ্চিত করেন ডমিনিক সোবোস্লাই।

Continue Reading

আইএসএল

ম্যাকলারেনের সেই সেভ থেকে ব্রাজিলের সামনে, গিলের নতুন যাত্রা; অকপট প্রবসুখন সিং গিল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ২০২৩ সাল থেকে গোলপোস্টের নিচে পাহারায় প্রভসুখন সিংহ গিল। লাল-হলুদ জার্সিতে ইতিমধ্যেই ৯০টি ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে তাঁর। ক্লাবে এটি তাঁর চতুর্থ মরসুম। এই সময়ের মধ্যে তিনটি বড় ঘরোয়া ট্রফি জিতেছেন গিল—২০২৩-২৪ সুপার কাপ, ২০২৫-২৬ আইএসএল এবং ২০২৬-এর ১৩৫তম ডুরান্ড কাপ। এর পাশাপাশি ২০২৩ ডুরান্ড কাপ, ২০২৫ আইএফএ শিল্ড ও ২০২৫ সুপার কাপে রানার্স হয়ে রুপোর পদকও পেয়েছেন তিনি।জুনে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে আরও দু’মরসুমের চুক্তি বাড়িয়েছেন পঞ্জাবের এই গোলরক্ষক। এবার এসেছে জাতীয় দলের ডাকও। পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে আসন্ন আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডলিতে ভারতীয় দলে রয়েছেন গিল। ২০১৭ ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলেছেন, অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অধিনায়কও ছিলেন। তবে এখনও সিনিয়র জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়নি তাঁর। ২০২১-২২ আইএসএলের গোল্ডেন গ্লাভ জয়ী গিল এ বার সেই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া।জর্ডনে আল-হুসেইনের বিরুদ্ধে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচের আগে ইস্টবেঙ্গল মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের যাত্রার কথা বলেন তিনি।

ইস্টবেঙ্গলে নিজের যাত্রা নিয়ে গিল বলেন, “আমার যাত্রাটা অসাধারণ। দল হিসেবে অনেক ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। প্রথম মরসুমটা মিশ্র অভিজ্ঞতার ছিল। ২০২৩ ডুরান্ডের ফাইনালে হেরেছিলাম, আইএসএলেও শুরুটা খারাপ হয়েছিল। কিন্তু সুপার কাপ জিতে ১২ বছর পর ক্লাবকে জাতীয় ট্রফি জিতিয়েছিলাম এবং এএফসি প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিয়েছিলাম।”

পরের মরসুমের কঠিন সময়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। “দীর্ঘ জয়হীন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। তবু আমরা একসঙ্গে থেকেছি। আইএসএলে অল্পের জন্য সেরা ছয়ে ঢুকতে পারিনি। সেই অভিজ্ঞতাই ২০২৫-২৬ মরসুমে প্রতিটি প্রতিযোগিতায় ভাল করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আইএফএ শিল্ড ও সুপার কাপের ফাইনালে উঠেছি, শেষে আইএসএল জিতেছি। এ মরসুমেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র গ্রুপ পর্বে উঠেছি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেছি।”

২০২৫-২৬ আইএসএলের ডার্বিতে জেমি ম্যাকলারেনের বিরুদ্ধে তাঁর সেই অতিরিক্ত সময়ের সেভ এখনও গিলের কাছে বিশেষ। তাঁর কথায়, “ওটা পুরোপুরি ইনস্টিংক্ট থেকে হয়েছিল। একমাত্র লক্ষ্য ছিল বলটা আটকানো। পরে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দেখে বুঝেছিলাম, আইএসএল জয়ে ওই অবদানের গুরুত্ব কতটা। অনেকে আমাকে সেই মুহূর্তটা পায়ে ট্যাটু করাতে বলেছিলেন। প্রথমে রাজি ছিলাম না, কিন্তু মা জোর করায় করিয়েছি। এই ট্যাটুই আমার একমাত্র ট্যাটু থাকবে, কারণ মুহূর্তটা অসাধারণ ছিল। অনেকে ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে এমিলিয়ানো মার্তিনেসের সেভের সঙ্গে তুলনা করেন—এটা আমার কাছে বিরাট প্রশংসা।”

ডুরান্ড কাপে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে পেনাল্টি সেভ নিয়েও তাঁর বক্তব্য, “ইস্টবেঙ্গলে আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি প্রতিযোগিতা জেতা। প্রথম ম্যাচে ডার্বিতে হারলেও, যেখানে দু’দলেরই প্রস্তুতি প্রায় ছিল না, আমরা পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক ছিলাম এবং ফাইনালে আধিপত্য দেখিয়েছি। এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে ম্যাচে এবং পরে টাইব্রেকারে পেনাল্টি বাঁচানো গুরুত্বপূর্ণ ছিল ঠিকই, কিন্তু আমি এটাকে কর্তব্য হিসেবেই দেখি। শেষ রক্ষাকর্তা হিসেবে কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে বাঁচানোই আমার কাজ।”

সমর্থকদের নিয়ে গিল বলেন, “বড় ক্লাবের হয়ে খেলার জন্যই এমন মুহূর্তের অপেক্ষা থাকে—ট্রফি জেতার জন্য। সমর্থকদের মুখে হাসি দেখলে আরও পরিশ্রম করতে ইচ্ছে করে। প্রতিটি অনুশীলনে সেরাটা দেওয়ার তাগিদ তৈরি হয়।”

এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু নিয়েও আত্মবিশ্বাসী গিল। “আমরা খুব শক্তিশালী দল। বেশির ভাগ ফুটবলার বহু বছর ধরে একসঙ্গে খেলছি, তাই বোঝাপড়া অসাধারণ। জুলাই থেকে প্রস্তুতি শুরু করেছি। হাবাসের কোচিংয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-তে নিজেদের সেরাটা দেব। সমর্থক এবং দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।”

শেষে জাতীয় দলের ডাক প্রসঙ্গে গিলের বার্তা, “পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ফ্রেন্ডলির জন্য জাতীয় দলে ডাক পাওয়া বিরাট সম্মানের। ক্লাবের হয়ে সব সময় সেরাটা দিয়েছি। এ বার জাতীয় দলের হয়েও সেই পারফরম্যান্স করতে চাই। এটা বিশাল সুযোগ এবং আমি এর পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করতে চাই।”

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

ব্রাজিল-উরুগুয়ের বিরুদ্ধে নামার আগে রোমাঞ্চিত থাপা

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক : সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের FIFA আন্তর্জাতিক উইন্ডো ভারতের কাছে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই বিশেষ অনিরুদ্ধ থাপার জন্য। প্রায় দু’বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ২৮ বছরের এই মিডফিল্ডার। শেষ বার ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে মরিশাসের বিরুদ্ধে ভারতের জার্সিতে খেলেছিলেন তিনি। এ বার দেশের মাটিতে এক ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে ফেরার অপেক্ষায় থাপা।

২৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে পানামার বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। এরপর ৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবং ৬ অক্টোবর দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।

এই দুই ম্যাচ নিয়ে উচ্ছ্বসিত থাপা। তিনি বলেন, “সবাই জানে ব্রাজিল ও উরুগুয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ওদের বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে। একজন ফুটবলার হিসেবে ভারতের মাটিতে, দেশের সমর্থকদের সামনে ওদের বিরুদ্ধে খেলা আমার কাছে জীবনে একবার পাওয়া সুযোগ। আমি দেশের হয়ে খেলতে, নিজেকে পরীক্ষা করতে এবং দল হিসেবে আমরা কতটা ভালো, সেটা দেখতে মুখিয়ে রয়েছি। ওদের বিরুদ্ধে খেলে আমরা অনেক অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে পারি।”

২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা তিন দলের বিরুদ্ধে নামার সুযোগ ভারতীয় শিবিরে স্বাভাবিক ভাবেই উত্তেজনা তৈরি করেছে। তবে মাঠে নামার পর সেই উত্তেজনা সরিয়ে নিজেদের খেলায় মন দিতে চান থাপা। তাঁর কথায়, “এই ম্যাচগুলি নিয়ে আমরা যখন কথা বলি, তখন রোমাঞ্চ হয়। বিশেষ করে দেশের মাটিতে এই দলগুলির বিরুদ্ধে খেলার কথা ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়। কিন্তু মাঠে নামার পর বিষয়টা ১১ জন বনাম ১১ জন। আমাদের নিজেদের সেরাটা দিতে হবে এবং সেরা ফুটবল খেলতে হবে।”

মাঝমাঠের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সামলাতে গিয়ে শৃঙ্খলা ও সংযমকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন থাপা। তিনি বলেন, “আমাদের মোটিভেটেড থাকতে হবে, একই সঙ্গে শৃঙ্খলাবদ্ধও হতে হবে। দল হিসেবে শান্ত ও সংগঠিত থাকতে হবে এবং ৯০ মিনিট পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। কারণ এই দলগুলি আমাদের উপর চাপ তৈরি করবে। আমরা যদি ভুল কম করতে পারি, সেটাই ইতিবাচক হবে। মাঝমাঠ ও রক্ষণের মধ্যে যোগাযোগ খুব গুরুত্বপূর্ণ হবে। ওদের মান, ছোট জায়গায় খেলা এবং দ্রুত বল সরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ।”

নিজেদের সংগঠন ও দলগত পারফরম্যান্সেই জোর থাপার। তিনি বলেন, “দুই দলেরই অসাধারণ মান রয়েছে। আমাদের শৃঙ্খলাবদ্ধ থেকে একসঙ্গে খেলতে হবে এবং দেশের জার্সির জন্য লড়াই করতে হবে। আমরা ঘরের মাঠে, সমর্থকদের সামনে খেলব। তাই নিজেদের সেরাটা দিতে হবে।”

শুধু ম্যাচের ফল নয়, এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়াকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন থাপা। তাঁর কথায়, “৯০ মিনিটে আমরা কী করি, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে ম্যাচের পর আমরা কী শিখলাম, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাঠে এই ধরনের দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ আমরা খুব বেশি পাই না।”

শেষে সমর্থকদের মাঠে এসে পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে থাপা বলেন, “এই মানের দলগুলি ভারতে এসে ভারতের বিরুদ্ধে খেলছে। সমর্থকদের জন্যও এটা বিরল সুযোগ। আপনারা মাঠে আসুন, বরাবরের মতো আমাদের সমর্থন করুন। আমরা দেশের জন্য নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব।”

Continue Reading

Trending