Connect with us

আইএসএল

ISL 2024/25: জামশেদপুরে রক্তস্নাত বাগান সমর্থক

Published

on

শুভম মন্ডল, জামশেদপুর: ফুটবল ময়দানে সমর্থক আর ফুটবলারের মধ্যে একটা অদৃশ্য সম্পর্ক থাকে। সেই অদৃশ্য সম্পর্কের জোরেই কত ম্যাচের রঙ বদলে যায়। তাইতো সমর্থকরাই ফুটবল ময়দানের বারোতম সদস্য। ভারতবর্ষে দেশের যে কোনও প্রান্তে মোহনবাগানের ম্যাচ হলে সবুজ-মেরুন জনতার উপস্থিতি থাকে নজরকাড়া। বৃহস্পতিবার জামশেদপুরের জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সও তার ব্যাতিক্রম ছিল না। মোহনবাগান লিগ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এবার লক্ষ্য আইএসএল কাপ জয়। সেমিফাইনালের প্রথম লেগে অ্যাওয়ে ম্যাচে প্রিয় দলের হয়ে গ্যালারিতে গলা ফাটাচ্ছিল বাগান জনতা। এর আগেও জামশেদপুরের মাটিতে নিগৃহীত হয়েছেন বাগান সমর্থকরা। এদিনও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। তবে এবার বিপক্ষ সমর্থক নয়, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত এক বাগান সমর্থক।

ম্যাচের ২৪ মিনিটে জামশেদপুর এফসি সিভেরিওর গোলে এগিয়ে যেতেই ঘটনার সূত্রপাত। মোহনবাগান গ্যালারিতে পতাকা ছিঁড়তে শুরু করেন জামশেদপুর এফসির সমর্থকরা। প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত হন বনগাঁর রিপন মন্ডল। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক শুশ্রূষার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুরো ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন মোহনবাগান ক্লাব সচিব দেবাশিষ দত্ত। এই ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই ঘটনা নতুন নয়। তবে আমরা সকলে রিপনের পাশে আছি। এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কাছে চিঠি দেবো। ভবিষ্যতে জামশেদপুরে খেলা হলে মোহনবাগান সমর্থকদের জন্য যেন অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।” তবে এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল ফুটবল ময়দানে সমর্থকদের নিরাপত্তা কোথায়?

আইএসএল

বাউলির জোড়া গোলে জয় পঞ্জাবের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েবডেস্ক: আইএসএল ২০২৬-২৭ মরশুমের প্রথম ম্যাচেই নাটকীয় জয় তুলে নিল পাঞ্জাব এফসি। বুধবার নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসিকে ২-১ গোলে হারাল পঞ্জাব। দুই অর্ধের দুই প্রান্তে গোল করে দলের জয়ের নায়ক মেসি বাউলি।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই পঞ্জাবকে এগিয়ে দেন বাউলি। মহম্মদ উবেসের বাড়ান বল ডান পায়ে জালে জড়িয়ে দেন তিনি। তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৫ মিনিটে লালথাথাঙ্গা খাওলহরিংয়ের কর্নার থেকে থোইবা মইরাংথেমের হেডে সমতা ফেরায় ওড়িশা। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করলেও আর ব্যবধান বাড়েনি।
দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই চলে সমানে সমানে। জর্জি আবুরজানিয়ার শট অল্পের জন্য বাইরে যায়। অন্য দিকে, আলফ্রেড প্লানাসের ক্রস থেকে বৌলির সুযোগ কাজে লাগেনি। পঞ্জাবের একাধিক আক্রমণ আটকে দেন ওড়িশার গোলকিপার হৃতিক তিওয়ারি। শেষ দিকে রহিম আলি ও স্টিফেন এজের হেডে বিপদ তৈরি হলেও পাঞ্জাব গোলকিপার অর্শদীপ সিং দলকে রক্ষা করেন।
ম্যাচের সংযুক্ত সময়ে জ্বলে ওঠেন মেসি। বিশাল যাদবের পাস ধরে ৯০+৫ মিনিটে বাঁ পায়ে বল জালে পাঠিয়ে পাঞ্জাবের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। প্রথম মিনিটের গোলের পর একেবারে শেষ মুহূর্তে দ্বিতীয় আঘাত মেসির দাপটে তিন পয়েন্ট নিয়েই আইএসএল অভিযান শুরু করল পঞ্জাব এফসি।

Continue Reading

আইএসএল

ISL 2026/27: জয়ে আইএসএল অভিযান শুরু কেরালা ব্লাস্টার্সের, হার ইন্টার কাশীর

Published

on

জয়ে আইএসএল অভিযান শুরু কেরালা ব্লাস্টার্সের, হার ইন্টার কাশীরজয় দিয়ে আইএসএলের নতুন মরসুম শুরু করল কেরালা ব্লাস্টার্স। রবিবার পুণের শ্রী শিব ছত্রপতি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ইন্টার কাশীকে ২-০ গোলে হারাল তারা। কেরলের হয়ে প্রথমার্ধে গোল করেন বিভিন মোহনন। সংযোজিত সময়ে ব্যবধান বাড়িয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন আন্দ্রে গ্রিন।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল কেরল। পঞ্চম মিনিটে ফ্রেডি লালাওমাওমার দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরের মিনিটেই ইন্টার কাশীর রোজেনবার্গ গ্যাব্রিয়েলের শট আটকে দেন কেরলের গোলকিপার অর্শ শেখ। দুই দলই শুরুতে আক্রমণে উঠলেও ১৮ মিনিটে এগিয়ে যায় কেরল। কোরো সিংয়ের পাস থেকে ডান পায়ে গোল করেন বিভিন মোহনন।

গোল খেয়ে সমতা ফেরানোর চেষ্টা চালায় ইন্টার কাশী। ৩৫ মিনিটে মনবীর সিংয়ের শট আটকে দেন অর্শ। অন্য দিকে, ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি কেরল। প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা।দ্বিতীয়ার্ধে গোলের ব্যবধান বাড়াতে মরিয়া ছিল কেরালা । একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল আসছিল না। অন্য দিকে, ৬১ মিনিটে মনবীরের হেড আটকে দেন অর্শ। ৭২ মিনিটে আয়ুষ ছিকারা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় সমতায় ফিরতে পারেনি ইন্টার কাশী।

শেষ পর্যন্ত সংযোজিত সময়ের চতুর্থ মিনিটে মহম্মদ সানানের পাস থেকে বাঁ পায়ে গোল করে কেরালার জয় নিশ্চিত করেন আন্দ্রে গ্রিন। তিন পয়েন্ট নিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করল কেরালা ব্লাস্টার্স।

Continue Reading

আইএসএল

শিল্ড ফাইনালেই এএফসির মহড়া হাবাসের

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদন: “ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে আমরা ১০০ শতাংশ তৈরি।” সাংবাদিক সম্মেলনে ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেস হাবাসের এই কথা যে শুধু কথার কথা নয়, তা প্রমাণ করতে মরিয়া তিনি। তবে এএফসি-র ম্যাচও রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ১৩ অক্টোবর ঘরের মাঠে আল শর্টার বিরুদ্ধে নামার আগে শিল্ড ফাইনালেই মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নিজের দলের অ্যাসিড টেস্ট সেরে নিতে চাইছেন হাবাস। সেই লক্ষ্যেই বুধবার নিজেদের মাঠে নিভৃতে অনুশীলন সারলেন রাশিদ-রামিরেজরা।

পানামা, ব্রাজিল ও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলে এদিনই ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন এডমুন্ড, আনোয়ার আলি, জয় গুপ্তা ও প্রভসুখন গিল। তবে সূত্রের খবর, ডার্বিতে গোলের নিচে গিল শুরু করবেন, নাকি ফুর্বা লাচেনপা সেই সিদ্ধান্ত হবে ম্যাচের দিন সকালে। জাতীয় দলে সব ম্যাচে খেলায় আনোয়ারকে শুরু না করানোর সম্ভাবনাই বেশি। সে ক্ষেত্রে আগের ম্যাচের জিভুলিচ-নুঙ্গা জুটির উপরই ভরসা রাখবেন হাবাস। দুই প্রান্তে লেফট ব্যাকে খেলবেন হার্দিক ভাট এবং রাইট ব্যাকে সন্দীপ মান্ডি।মাঝমাঠে জিকশন সিংয়ের সঙ্গে রাশিদ। নম্বর টেনে ডানি রামিরেজ। রাইট উইংয়ে থাকতে পারেন ক্রিস ইকোনোমিডিস। ফরোয়ার্ড হিসেবে ডেভিড নাকি এডমুন্ড কে শুরু করবেন সেটিও সম্ভবত ম্যাচের দিন সকালে ঠিক করবেন হাবাস। লেফট উইংয়ে শেষ ম্যাচে বিষ্ণু নজর কাড়লেও জয় গুপ্তার খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় দলে বেশি গেম টাইম না পাওয়ায় তাঁকে শুরু করাতে পারেন হাবাস। না হলে বিষ্ণুই থাকবেন। পরবর্তীতে আসতে পারেন একে লোবা ও লুকাস জোলিনস্কি ।

Continue Reading

Trending