Connect with us

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: ডার্বির আগেও অজুহাত মানতে নারাজ হাবাস

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদন: মরশুমের দ্বিতীয় কলকাতা ডার্বি, তাও ডুরান্ড কাপের ফাইনাল। মহারণের আগে মাঠে অনুশীলন না করিয়ে হোটেলেই দলকে প্রস্তুত করালেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। প্রথমে টিম মিটিং, পরে জিম সেশন। হাবাস বললেন, “আগামীকালের ম্যাচের ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। গত কয়েক দিনে অনেক পরিশ্রম হয়েছে, আর্দ্রতাও একটা বিষয়। তাই সুপার কমপেনসেশন মেনে এদিন বিশ্রাম দিয়েছি।”

ডার্বির গুরুত্ব মেনেও আবেগ নিয়ন্ত্রণের বার্তা হাবাসের। তাঁর কথায়, “এটা কলকাতার জন্য বিশেষ ম্যাচ। তবে ডার্বিকেও অন্য ম্যাচের মতো খেলতে হবে। আবেগ ১০০ শতাংশ থাকবে, কিন্তু সেটাকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে সঠিক মুহূর্ত বেছে নিতে হবে। আমি জেতার জন্য ১০০ শতাংশ দেব।”

বিষ্ণুর চোট ও রেফারিং নিয়েও সতর্ক হাবাস। “বিষ্ণুর হয়তো অ্যালাইনমেন্ট নিয়ে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। তবে রেফারিকে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। আমি চাই না আমাদের পক্ষে বাড়তি কিছু দেওয়া হোক, সবকিছু নিরপেক্ষ হওয়া উচিত,” বলেন তিনি।

গোলরক্ষক বিশাল কেইথের প্রশংসা করে কোচের বক্তব্য, “ও খুব ভালো গোলরক্ষক। গিল ও লাচেনপাও একই মানের। এই বিভাগ নিয়ে আমি খুশি। আশা করি, কাল আমাদের গোলরক্ষককে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে না।”

এফিয়ংকে না পাওয়াও অজুহাত নয়। হাবাস স্পষ্ট, “সেরা ফুটবলারকে পেলে দল সম্পূর্ণ হয়, কিন্তু এখন সেটা সম্ভব নয়। কোনো অজুহাত চলবে না। রেফারি, আবহাওয়া, স্ট্রাইকারের অভাব, কিছুই নয়।” শেষে বলেন, “যে দল বেশি ধৈর্য ধরে খেলবে এবং বেশি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে পারবে, তারাই জিতবে। ”

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: বদলার লড়াই ইস্টবেঙ্গলে, ক্লান্তিই চিন্তা বাগানের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: বাইশ বছর ডুরান্ড কাপ জেতেনি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বি হেরে চলতি মরশুমে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ফাইনালেও সেই বড় ম্যাচ। এবার বদলা নেওয়ার পালা। রবিবার বড় ম্যাচ জিতে সব হিসাব বদলে দিতে চান ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। বৃহস্পতিবার শিলংয়ে সেমিফাইনাল খেলে শুক্রবার কলকাতায় ফিরেছেন মোহনবাগান ফুটবলাররা। প্যানাজিওটিসের দলের মূল প্রতিপক্ষ এখন ক্লান্তি। মাত্র এক দিনের প্রস্তুতিতে ফাইনাল খেলতে নামবে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রতিপক্ষের এই দুর্বল জায়গায় আঘাত আনতে চাইছেন হাবাস। তাই শনিবার শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি বাতিল করলেন। অন্যদিকে, ক্লান্তির বিরুদ্ধে লড়াই করতে পুরোদমে গা ঘামালেন বাগান ফুটবলাররা।

চলতি ডুরান্ড কাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে বাংলার দুই প্রধান। তবে খাতায়-কলমে এবং ধারে-ভারে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। যদিও এখনও পূর্ণশক্তির দল নিয়ে মাঠে নামতে পারছেন না প্যানাজিওটিস দিলেম্পেরিস। চোটের জন্য ডেজান দ্রাজিচকে ছাড়াই ইস্টবেঙ্গল বধের পরিকল্পনা করছেন বাগান কোচ। মিগুয়েল এবং ছাংতেও এখনও প্রথম একাদশের পরিকল্পনায় নেই। বাকি তিন বিদেশি শুরু থেকেই খেলতে পারেন। তবে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে অভিজ্ঞতার উপরেই জোর দিচ্ছেন বাগান কোচ। তবে দলের ফিটনেস নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত তিনি। শনিবার অনুশীলনের সিংহভাগ সময় ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়েই মগ্ন ছিলেন বাগান ফুটবলাররা। ঘড়ি ধরে মাপা সময় ম্যাচ প্র‍্যাক্টিস করালেন প্যানোস। আশার খবর, ডার্বিতে শুরু থেকেই খেলতে পারেন জেমি ম্যাকলারেন। বাকি দলে বদলের সম্ভবনা নেই।

অন্যদিকে, প্রথম একাদশে একাধিক পরিবর্তন নিয়েই ডার্বিতে মাঠে নামতে পারেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। যদিও কোনওরকম অজুহাতকে অস্ত্র করতে চান না তিনি। দলের সকলকে চাপমুক্ত রাখতে ম্যাচের চব্বিশ ঘণ্টা আগে অনুশীলন বাতিল করেন ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ। বড় ম্যাচের আগে এমন সাহসী সিদ্ধান্তে অবাক বাংলার ফুটবল মহল। তবে বড় ম্যাচের প্রথম একাদশে বেশ কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন করতে পারেন হাবাস। গত ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করলে জেসিন টিকের পরিবর্তে দলে ফিরছেন লালচুংনুঙ্গা। সেক্ষেত্রে লেফট মিড পজিশনে দেখা যেতে পারে জয় গুপ্তকে। এডমুন্ডের পাশে আক্রমণের দায়িত্ব সামলাবেন ডানি রামিরেজ।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026:টাইব্রেকারে দিল্লিকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: ৯০ মিনিটে গোলশূন্য থাকার পর শেষে পেনাল্টি শুট আউটে বাজিমাত ইস্টবেঙ্গলের। বুধবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে এসসি দিল্লিকে ৫-৩ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ১৬ বারের চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচজুড়ে আক্রমণে আধিপত্য ছিল ইস্টবেঙ্গলের। শুরুতেই জেসিন টি কের বাড়িয়ে দেওয়া বলে সুযোগ নষ্ট বিপিনের। ১৬ মিনিটে মহম্মদ রাশিদের ফ্রি-কিক ক্রসবারে লাগে। তিন মিনিট পর ফের জেসিনের শট পোস্টে ধাক্কা খায়। তবে ৩৩ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা দিতে হয় প্রভসুখন সিং গিলকে। রড্রিগোকে বক্সে মান্ডি ফাউল করলে পেনাল্টি পায় এসসি দিল্লি। কিন্তু স্পটকিক রুখে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক গিল।
বিরতির পরও গোলের জন্য মরিয়া ছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৭৪ মিনিটে রাশিদের শট আবার পোস্টে লাগে। এরপর ইকোনোমিডিসের বাড়ান বল থেকে সহজ সূযোগ হেলায় হারান ডেভিড। নির্ধারিত সময়ে গোল না হওয়ায় সরাসরি টাইব্রেকারে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়।
শুটআউটে ইস্টবেঙ্গলের পাঁচ শটই গোল হয়। গোল করেন অনোয়ার আলি, রোহিত দানু, নুঙ্গা, ইকোনোমিডিস এবং মহম্মদ রাশিদ। দিল্লির প্রথম শট রুখে দেন গিল। শেষ পর্যন্ত ৫-৩ জয়ে ২৮তম বার ডুরান্ড কাপ ফাইনালে উঠল ইস্টবেঙ্গল। তবে নির্ধারিত নব্বই মিনিটে গোল মিসের প্রদর্শনী দেখে এ কথা বলাই যায় হাবাসের অতি দ্রুত বিদেশি স্ট্রাইকারের প্রয়োজন আবশ্যক।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

DURAND CUP 2026: ডুরান্ড কাপের শেষ চারে ইস্টবেঙ্গল

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-টু-এর প্রাথমিক পর্বের ম্যাচের ক্লান্তি নিয়েই ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নামতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। ম্যাচের আগে ফুটবলারদের নিয়ে মাত্র এক দিন অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছিলেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। তার উপর প্রথম একাদশে আগের ম্যাচের মাত্র তিন জনকে রেখে দল নামান তিনি। সেই প্রভাব পড়ল মাঠেও। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেও শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে ইন্ডিয়ান আর্মিকে হারিয়ে ডুরান্ডের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল লাল-হলুদ।

প্রথমার্ধে বেশির ভাগ সময় বলের দখল ছিল ইস্টবেঙ্গলের। চার মিনিটেই গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন ডেভিড। আট মিনিটে সমীর মূর্মূর দূরপাল্লার শট বাঁচিয়ে দেন ফুরবা লাচেনপা। ৩৯ মিনিটে অবশেষে গোল আসে। ক্রিস ইকোনোমিডিসের বাড়ানো ক্রস থেকে হেডে জাল খুঁজে নেন পিভি বিষ্ণু।

বিরতির পর গোলের ব্যবধান বাড়ানোর একাধিক সুযোগ তৈরি করে ইস্টবেঙ্গল। ৫৯ মিনিটে জেসিন, ৬৮ মিনিটে ড্যানি রামিরেজ এবং পরে জেসিন ও বিপিন গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। অন্য দিকে, পুরো ম্যাচে ইন্ডিয়ান আর্মির গোলকিপার ভাবিন্দ্র ঠাকুর দুর্দান্ত ছিলেন।

ম্যাচের সংযুক্ত সময়ে বিতর্ক আরও বাড়ে। বক্সের মধ্যে দীপক সিংকে ফাউল করা হলেও পেনাল্টি দেয়নি রেফারি। শেষ পর্যন্ত এক গোলের জয়েই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইস্টবেঙ্গল। বুধবার এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে শেষ চারের লড়াই।

Continue Reading

Trending