Connect with us

ফুটবল

FIFA WC 2026: ‘এখনই আসল লড়াই’, বিশ্বকাপ শুরুর আগে বার্তা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরার

Published

on

শুভম মন্ডল, নিউ জার্সি: বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রস্তুতি পর্বে যা কিছু হয়েছে, তা এখন অতীত। আসল লড়াই শুরু হচ্ছে এখন থেকেই। এমনটাই মনে করছেন ২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তী ডেনিলসন ডি অলিভেইরা। তাঁর মতে, প্রস্তুতি ম্যাচ কিংবা বিশ্বকাপ-পূর্ব অনুশীলনের সাফল্য বা ব্যর্থতা এখন আর কোনও গুরুত্ব বহন করে না। মাঠে নেমে ফল করার সময় এসে গিয়েছে।

“এখনই আসল পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে আমরা যা করেছি, তা আর কোনও গুরুত্ব রাখে না। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পরেই বোঝা যাবে ব্রাজিল আসলে কতটা প্রস্তুত এবং এই দল কতদূর যেতে পারে,” বলেন তিনি।

ব্রাজিলকে ঘিরে প্রত্যাশার চাপ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিশ্বের যে কোনও বড় টুর্নামেন্টে ব্রাজিলকে সবসময়ই অন্যতম ফেভারিট হিসেবে ধরা হয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার ইতিহাসই সেই মর্যাদা এনে দিয়েছে সেলেসাওদের।

“ব্রাজিল সবসময়ই ফেভারিট। এই জার্সির একটা আলাদা ওজন রয়েছে। আমরা পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছি। সেই ইতিহাসের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে এই দলকে মাঠে নিজেদের ব্যক্তিত্ব দেখাতে হবে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে হবে এবং নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে,” তাঁর সংযোজন।

বর্তমান ব্রাজিল দল নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী তিনি। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ের অনেক দলের তুলনায় এই ব্রাজিল স্কোয়াড আরও বেশি ভারসাম্যপূর্ণ এবং বহুমুখী।

“আমার এই দলের উপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এই দলে গুণগত মান আছে, শারীরিক সক্ষমতা আছে, গতি আছে, সৃজনশীলতা আছে এবং সবচেয়ে বড় কথা, ব্যক্তিত্ব আছে। বর্তমান প্রজন্মের ব্রাজিল দল অনেক দিক থেকেই আলাদা। তারা বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার ক্ষমতা রাখে,” বলেন তিনি।

বিশেষভাবে প্রশংসা করেন ফরোয়ার্ড ম্যাথেউস কুনহার। তাঁর মতে, জাতীয় দলের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করছেন এই আক্রমণভাগের ফুটবলার।

“ম্যাথেউস কুনহা খুব ভালো খেলছে। দলের আক্রমণভাগে সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং তার পারফরম্যান্স আমাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে,” মন্তব্য তাঁর।

তিনি আরও জানান, বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দল আরও অনেকটা বিচ্ছিন্ন পরিবেশে থাকবে। তাই এখনকার সময়টা ফুটবলারদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

“এখন আমরা নিজেদের মধ্যে সময় কাটানোর সুযোগ পাচ্ছি। বিশ্বকাপ শুরু হলে আমরা আরও বেশি আলাদা পরিবেশে থাকব। তাই এই সময়টাকে উপভোগ করার পাশাপাশি নিজেদের চাপমুক্ত রাখার চেষ্টা করছি,” তাঁর মন্তব্য।

আগামী ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী শোনালেও বাড়তি উত্তেজনায় ভাসতে নারাজ তিনি।

“আগামীকাল ভোরের দিকে আমাদের জন্য বড় একটা মুহূর্ত অপেক্ষা করছে। আমরা প্রস্তুত, আত্মবিশ্বাসী এবং মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি। আশা করি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী হবে এবং আমরা ভালোভাবেই যাত্রা শুরু করতে পারব,” বলেন তিনি।

সবশেষে প্রথম ম্যাচ নিয়ে আশাবাদী হলেও সতর্ক সুর শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে।

“আগামীকাল মরক্কোর বিরুদ্ধে আমাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। মাঠে কী হয়, সেটাই এখন দেখার। আমরা আত্মবিশ্বাসী, তবে ফুটবলে সব উত্তর পাওয়া যায় মাঠেই,” বলেন তিনি।

ফুটবল

মেসির গোল নেই, শেষ মুহূর্তে বাঁচল মায়ামি!

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: লিয়োনেল মেসির গোলের অপেক্ষা বাড়ল। সিনসিনাটির বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করল ইন্টার মায়ামি। বৃহস্পতিবারের এই ড্রয়ের ফলে মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হল মায়ামির। যদিও শেষ মুহূর্তে রিকেলমে ফিলিপির গোলে হার এড়াল তারা।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে চারটি গোল হয়। ৬১ মিনিটে লুই সুয়ারেসের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। তবে ম্যাচের শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়ায় সিনসিনাটি। ৮০ মিনিটে কেনজি ডেম এবং ৮৬ মিনিটে স্যামুয়েল গিডির গোলে এগিয়ে যায় তারা। মায়ামির হার প্রায় নিশ্চিত মনে হলেও ৯০ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান রিকেলমে ফিলিপি। শেষ পর্যন্ত ২-২ ফলেই শেষ হয় ম্যাচ।
অন্যদিকে নিউ ইয়র্ক রেড বুলসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশন। ৩২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৫৮। সমসংখ্যক ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে মায়ামি। শীর্ষে থাকা নাশভিলের সংগ্রহ ৭১ পয়েন্ট।
ইতিমধ্যেই ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষে থেকে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছে নাশভিল। তবে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করার সুযোগ এখনও রয়েছে মেসিদের সামনে। পরের ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে মায়ামি। সেই ম্যাচে জয় পেলেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে পারবে তারা।
চলতি লিগে ২৫টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে শীর্ষে রয়েছেন মেসি। দলকে সাফল্যের পথে ফেরাতে পরের ম্যাচে তাঁর দিকেই তাকিয়ে থাকবে মায়ামি।

Continue Reading

ফুটবল

ফের ধাক্কা! আফগানিস্তানের কাছে হার ভারতের…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে ফের হার ভারতের। বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের বাকুতে প্রতিযোগিতার ৮১ থেকে ৮৮ স্থান নির্ধারণের কোয়ার্টার ফাইনালে আফগানিস্তানের কাছে ১-২ গোলে পরাস্ত হল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ দল। ভারতের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন নিবাস মেইতেই ওয়াহেংবাম। আফগানিস্তানের হয়ে গোল করেন মহম্মদ মুস্তাফা ও শাহজাদা সুলতানি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ভারত। ষষ্ঠ মিনিটে পরপর কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিল ব্লু কোল্টসরা। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। উল্টে ১৫ মিনিটে মুস্তাফার গোলে এগিয়ে যায় আফগানিস্তান। বাঁ দিক থেকে শাহজাদা সুলতানির ক্রস থেকে ভারতীয় ডিফেন্সকে পরাস্ত করে গোল করেন মুস্তাফা। ২৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় আফগানরা। ভারতের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে একক দক্ষতায় গোল করেন সুলতানি।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও লড়াই ছাড়েনি ভারত। ৩৭ মিনিটে রালরেমরুয়াতফেলার পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নিবাস। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায় ভারতীয় দল। কিন্তু আফগানিস্তানের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ফলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ব্লু কোল্টসদের।
এবার ভারতের সামনে কাজাখস্তান। হাঙ্গেরির কাছে হেরে যাওয়া কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে ৮৫ থেকে ৮৮ স্থান নির্ধারণের সেমিফাইনালে খেলবে ভারত। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ম্যাচটির। DAZN-এ সরাসরি সম্প্রচারিত হবে সেই ম্যাচ।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

ড্র করে ক্লান্তিকেই দুষলেন হাবাস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ দুইয়ের গ্রুপ পর্বে মাস্ট উইন ম্যাচে জয় অধরা ইস্টবেঙ্গলের। ওমানের ক্লাব আল সিবের বিরুদ্ধে ড্র করায় নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াই কঠিন হল লাল-হলুদের। এই ম্যাচ জিতলে পরের পর্বে যাওয়ার রাস্তা কিছুটা সহজ হত রামিরেজদের। দলের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।

ম্যাচের পর হাবাস বলেন, “আমাদের দলের পারফরম্যান্স খারাপ হয়েছে। আমার মনে হয়, অতিরিক্ত ক্লান্তি আজকের ম্যাচে প্রভাব ফেলেছে। আমরা খেলার তীব্রতা ধরে রাখতে পারিনি। দ্রুত আক্রমণে ওঠার প্রক্রিয়াতেও ঘাটতি ছিল। ম্যাচের শুরুতে আমাদের পারফরম্যান্স ও খেলার তীব্রতা খুব ভাল ছিল। কিন্তু কলকাতার বাইরে দীর্ঘ সময় কাটানো এবং টানা এক সপ্তাহের সফরের ধকল সামলাতে হয়েছে। এখন দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের ম্যাচের আগে উন্নতি করতে হবে। আমি একশো শতাংশ নিশ্চিত, পরের ম্যাচে দল নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরে আসবে।” প্রতিপক্ষের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “ওদের পারফরম্যান্স ও খেলার তীব্রতা যথেষ্ট ভাল ছিল। ফলে আমাদের জন্য ম্যাচটা কঠিন হয়ে উঠেছিল।” দলের পরবর্তী লক্ষ্য নিয়ে হাবাসের বক্তব্য, “এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য বিশ্রাম নিয়ে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হওয়া। আমরা জিততে পারতাম, আরও ভাল খেলতে আমাদের লড়াই করতে হবে।”

তবে আল শর্টা ও আল হুসেইনের ম্যাচ ড্র হওয়ায় অবশ্য নতুন করে আশা দেখছে ইস্টবেঙ্গল। নকআউটে যেতে বাকি তিনটি ম্যাচেই জিততে হবে লাল-হলুদকে। আল সিব এবং আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে খেললেও আল শর্টার বিরুদ্ধে খেলতে হবে প্রতিপক্ষের মাঠে। ফলে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে রাশিদদের সামনে ।

Continue Reading

Trending