Connect with us

ফুটবল

SUPER CUP 2025: ইন্টার কাশীকে হারিয়ে সেমিফাইনালে মুম্বই। বিস্তারিত পড়ুন…

Published

on

সায়ন দে, ভুবনেশ্বর: সুপার কাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইন্টার কাশী এবং মুম্বই সিটি এফসি। আইএসএল কাপ রানার্স-আপ বেঙ্গালুরু এফসিকে হারিয়ে কোয়ার্টারে নিজেদের জায়গা পাকা করেছে ইন্টার কাশী। অপরদিকে চেন্নাইয়িন এফসিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে এসেছে পিটার ক্রাটকির দল। সেই ম্যাচে ১-০ গোলে জিতে সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে মুম্বই সিটি এফসি। মুম্বইয়ের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে।

ম্যাচের শুরু থেকে দুই পক্ষই নিরন্তর নিজেদের আক্রমণ তুলে আনতে শুরু করে। তবে কিছুটা হলেও আক্রমণের ধার বেশি থাকে মুম্বই দলের। কিন্তু নিকোলাস কারেলিস এবং লালিয়ানজুয়ালা ছাংতেদের নিরন্তর আক্রমণ রুখতে সক্ষম হন ইন্টার কাশীর রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। অপরদিকে দীর্ঘক্ষণ খেলা স্থগিত থাকায় প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময় হিসেবে যোগ করা হয় ১৪ মিনিট। সেই সংযুক্তি সময়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণে উঠে আসেন মুম্বই ফুটবলাররা। তবে গোল তুলে আনতে ব্যার্থ হন তারা। এদিকে সংযুক্তি সময়ে গুরুতর চোট পেয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন মুম্বই ডিফেন্ডার নাথান রদ্রিগেজ। তার জায়গায় মুম্বই কোচ মাঠে আনেন থায়ের ক্রৌমাকে। সংযুক্তি সময়ে একদম শেষের দিকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন ইন্টার কাশীর ফুটবলার মারিও বার্কো। ফলে প্রথমার্ধে ফলাফল থাকে ০-০।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আক্রমণে উঠতে শুরু করেন ইন্টার কাশীর ফুটবলাররা। প্রতিআক্রমণ তুলে আনে মুম্বইও। ৪৮ মিনিটে একটি গোলমুখী শট নেন তারা। ম্যাচের ৫২ মিনিটে জর্জ অর্টিজ মেন্ডোজার শট অল্পের জন্য চলে যায় বার উঁচিয়ে। পরে মিনিটেই কর্ণার থেকে সহজ গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন নিকোলাস কারেলিস। ৫৬ মিনিটে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন ব্রাইস মিরান্ডা। পরের মিনিটেই একটি দারুন সেভ করে ইন্টার কাশীকে নিশ্চিত গোল খাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক শুভম দাস। ম্যাচের ৭১ মিনিটে গোল করে মুম্বই সিটি এফসিকে এগিয়ে দেন লালিয়ানজুয়ালা ছাংতে। ৭৮ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করে ইন্টার কাশী। হাওবাম তোম্বা সিংহের জায়গায় মাঠে আসেন মাটিজা বাবোভিচ এবং ব্রাইস মিরান্ডার জায়গায় মাঠে আসেন মহম্মদ আসিফ। অপরদিকে পরিবর্তন আনে মুম্বইও। ৮৪ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে একটি শট সোজা বার উঁচিয়ে মেরে বসেন ইন্টার কাশী ফুটবলার এডমুন্ড লালরিনডিকা। শেষের দিকে নিরন্তর আক্রমণ করতে থাকেন ইন্টার কাশীর ফুটবলাররা। তবুও সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হন তারা। অবশেষে ১-০ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই সিটি এফসি।

ফুটবল

মেসির গোল নেই, শেষ মুহূর্তে বাঁচল মায়ামি!

Published

on

রে স্পোর্টজের প্রতিবেদন: লিয়োনেল মেসির গোলের অপেক্ষা বাড়ল। সিনসিনাটির বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করল ইন্টার মায়ামি। বৃহস্পতিবারের এই ড্রয়ের ফলে মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হল মায়ামির। যদিও শেষ মুহূর্তে রিকেলমে ফিলিপির গোলে হার এড়াল তারা।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে চারটি গোল হয়। ৬১ মিনিটে লুই সুয়ারেসের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। তবে ম্যাচের শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়ায় সিনসিনাটি। ৮০ মিনিটে কেনজি ডেম এবং ৮৬ মিনিটে স্যামুয়েল গিডির গোলে এগিয়ে যায় তারা। মায়ামির হার প্রায় নিশ্চিত মনে হলেও ৯০ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান রিকেলমে ফিলিপি। শেষ পর্যন্ত ২-২ ফলেই শেষ হয় ম্যাচ।
অন্যদিকে নিউ ইয়র্ক রেড বুলসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশন। ৩২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৫৮। সমসংখ্যক ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে মায়ামি। শীর্ষে থাকা নাশভিলের সংগ্রহ ৭১ পয়েন্ট।
ইতিমধ্যেই ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষে থেকে সাপোর্টার্স শিল্ড জিতেছে নাশভিল। তবে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করার সুযোগ এখনও রয়েছে মেসিদের সামনে। পরের ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে মায়ামি। সেই ম্যাচে জয় পেলেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে পারবে তারা।
চলতি লিগে ২৫টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে শীর্ষে রয়েছেন মেসি। দলকে সাফল্যের পথে ফেরাতে পরের ম্যাচে তাঁর দিকেই তাকিয়ে থাকবে মায়ামি।

Continue Reading

ফুটবল

ফের ধাক্কা! আফগানিস্তানের কাছে হার ভারতের…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে ফের হার ভারতের। বৃহস্পতিবার আজারবাইজানের বাকুতে প্রতিযোগিতার ৮১ থেকে ৮৮ স্থান নির্ধারণের কোয়ার্টার ফাইনালে আফগানিস্তানের কাছে ১-২ গোলে পরাস্ত হল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ দল। ভারতের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন নিবাস মেইতেই ওয়াহেংবাম। আফগানিস্তানের হয়ে গোল করেন মহম্মদ মুস্তাফা ও শাহজাদা সুলতানি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ভারত। ষষ্ঠ মিনিটে পরপর কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিল ব্লু কোল্টসরা। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। উল্টে ১৫ মিনিটে মুস্তাফার গোলে এগিয়ে যায় আফগানিস্তান। বাঁ দিক থেকে শাহজাদা সুলতানির ক্রস থেকে ভারতীয় ডিফেন্সকে পরাস্ত করে গোল করেন মুস্তাফা। ২৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় আফগানরা। ভারতের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে একক দক্ষতায় গোল করেন সুলতানি।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও লড়াই ছাড়েনি ভারত। ৩৭ মিনিটে রালরেমরুয়াতফেলার পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নিবাস। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা চালায় ভারতীয় দল। কিন্তু আফগানিস্তানের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ফলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ব্লু কোল্টসদের।
এবার ভারতের সামনে কাজাখস্তান। হাঙ্গেরির কাছে হেরে যাওয়া কাজাখস্তানের বিরুদ্ধে ৮৫ থেকে ৮৮ স্থান নির্ধারণের সেমিফাইনালে খেলবে ভারত। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ম্যাচটির। DAZN-এ সরাসরি সম্প্রচারিত হবে সেই ম্যাচ।

Continue Reading

ইস্টবেঙ্গল

ড্র করে ক্লান্তিকেই দুষলেন হাবাস

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ দুইয়ের গ্রুপ পর্বে মাস্ট উইন ম্যাচে জয় অধরা ইস্টবেঙ্গলের। ওমানের ক্লাব আল সিবের বিরুদ্ধে ড্র করায় নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াই কঠিন হল লাল-হলুদের। এই ম্যাচ জিতলে পরের পর্বে যাওয়ার রাস্তা কিছুটা সহজ হত রামিরেজদের। দলের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।

ম্যাচের পর হাবাস বলেন, “আমাদের দলের পারফরম্যান্স খারাপ হয়েছে। আমার মনে হয়, অতিরিক্ত ক্লান্তি আজকের ম্যাচে প্রভাব ফেলেছে। আমরা খেলার তীব্রতা ধরে রাখতে পারিনি। দ্রুত আক্রমণে ওঠার প্রক্রিয়াতেও ঘাটতি ছিল। ম্যাচের শুরুতে আমাদের পারফরম্যান্স ও খেলার তীব্রতা খুব ভাল ছিল। কিন্তু কলকাতার বাইরে দীর্ঘ সময় কাটানো এবং টানা এক সপ্তাহের সফরের ধকল সামলাতে হয়েছে। এখন দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের ম্যাচের আগে উন্নতি করতে হবে। আমি একশো শতাংশ নিশ্চিত, পরের ম্যাচে দল নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরে আসবে।” প্রতিপক্ষের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “ওদের পারফরম্যান্স ও খেলার তীব্রতা যথেষ্ট ভাল ছিল। ফলে আমাদের জন্য ম্যাচটা কঠিন হয়ে উঠেছিল।” দলের পরবর্তী লক্ষ্য নিয়ে হাবাসের বক্তব্য, “এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য বিশ্রাম নিয়ে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হওয়া। আমরা জিততে পারতাম, আরও ভাল খেলতে আমাদের লড়াই করতে হবে।”

তবে আল শর্টা ও আল হুসেইনের ম্যাচ ড্র হওয়ায় অবশ্য নতুন করে আশা দেখছে ইস্টবেঙ্গল। নকআউটে যেতে বাকি তিনটি ম্যাচেই জিততে হবে লাল-হলুদকে। আল সিব এবং আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে খেললেও আল শর্টার বিরুদ্ধে খেলতে হবে প্রতিপক্ষের মাঠে। ফলে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে রাশিদদের সামনে ।

Continue Reading

Trending