Connect with us

আন্তর্জাতিক ফুটবল

লিভারপুলকে হারিয়ে কারাবাও কাপ চ্যাম্পিয়ন হল নিউক্যাসেল…

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ৭০ বছরের বড় ট্রফির খরা অবশেষে কাটিয়ে ফেলল নিউক্যাসেল ইউনাইটেড। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের সোনালি অধ্যায় রচনা করল ইংল্যান্ডের এই ক্লাব। রবিবার রাতে কারাবাও কাপ চ্যাম্পিয়ন হল নিউক্যাসেল ইউনাইটেড। ১৯৫৫ সালের পর এই প্রথম কোনও ঘরোয়া বড় ট্রফি জিতল নিউক্যাসেল।

ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে কারাবাও কাপ ফাইনালে নিউক্যাসেল হারাল লিভারপুলকে। দুই অর্ধে দু’গোল করে ম্যাচের নায়ক ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন ও স্ট্রাইকার ইসাক। শেষ মুহূর্তে লিভারপুলের ফ্রেডরিকো কিয়েসা গোল শোধ করলেও দলকে হার থেকে বাঁচাতে পারলেন না।

ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দে ছিল নিউক্যাসল। বাম উইংয়ে হার্ভি বার্নস ও ডান উইংয়ে জেকব মার্ফি মুহুর্মুহু আক্রমণ শানাচ্ছিলেন। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহুর্তে কর্নার থেকে দুরন্ত হেডারে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর সাত মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ায় নিউক্যাসল। ৯৪ মিনিটে লিভারপুল একটি গোল পরিশোধ করলেও, হার বাঁচাতে পারেনি তারা।

আন্তর্জাতিক ফুটবল

প্রিমিয়ার লিগের প্রথম সপ্তাতেই উত্তাপ, জয় দিয়ে শুরু চেলসি, আর্সেনালের

Published

on

রে স্পোর্টজের ওয়েব ডেস্ক: নতুন মরশুমের শুরুতেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ বুঝিয়ে দিল, এবারও লড়াইটা সহজ হবে না। প্রথম ম্যাচউইকেই বড় দলগুলির পারফরম্যান্সে তৈরি হয়েছে একাধিক গল্প। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে চেলসি। নতুন কোচ জাবি আলোনসোর অধীনে প্রথম ম্যাচেই ফুলহ্যামকে ৩-২ গোলে হারিয়ে দারুণ শুরু করল চেলসি।

ক্রেভেন কটেজে ম্যাচ শুরুর মাত্র ৩১ সেকেন্ডেই জোয়াও পেদ্রোর গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। তবে জশ কিংয়ের গোলে সমতা ফেরায় ফুলহ্যাম। বিরতির আগে মরগ্যান রজার্স গোল করে আবার চেলসিকে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ান কোল পামার। শেষদিকে গনসালো গার্সিয়া গোল করে ফুলহ্যামকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনলেও তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাভির দল।

চেলসির আক্রমণভাগে পামার, পেদ্রো ও রজার্সের বোঝাপড়া প্রথম ম্যাচেই নজর কেড়েছে। তবে গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজের কয়েকটি ভুল এবং রক্ষণভাগের দুর্বলতা জাভির চিন্তার কারণ হতে পারে।

অন্যদিকে, শেষ মরশুম চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মরশুমের প্রথম ম্যাচেই নিজেদের শক্তি দেখিয়েছে। সদ্য প্রিমিয়ার লিগে ওঠা কভেন্ট্রি সিটিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। কাই হাভার্টজ, বুকায়ো সাকা এবং মার্টিন ওডেগার্ড গোল করেন।

তবে ম্যানচেস্টারের দুই দলের ছবি সম্পূর্ণ আলাদা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নবাগত হাল সিটির কাছে ২-০ গোলে হেরে মরশুম শুরু করল। সেমি আজাই এবং নোবেল মেন্ডির প্রথমার্ধের গোলেই ঐতিহাসিক জয় পায় হাল। নয় বছর পর প্রিমিয়ার লিগে ফিরেই বড় দলের বিরুদ্ধে এমন জয় নিঃসন্দেহে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটি বোর্নমাউথের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে ২-১ জয় তুলে নিয়েছে। মার্কাস ট্যাভার্নিয়েরের গোলে পিছিয়ে থাকা সিটি ৮৪ মিনিটের পর জোশকো গভার্দিওল ও মার্ক গুয়েহির গোলে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়। এনজো মারেস্কার অধীনে প্রথম লিগ ম্যাচেই তাই নাটকীয় প্রত্যাবর্তন পেল সিটি।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

মেসির গোলও বাঁচাতে পারল না মায়ামিকে, টরন্টোর কাছে হার

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ঘরের মাঠে লিওনেল মেসি গোল করেও ইন্টার মায়ামিকে হার থেকে বাঁচাতে পারলেন না। শনিবার মেজর লিগ সকারের ম্যাচে টরন্টো এফসির কাছে ১-২ গোলে হেরে গেল মায়ামি।
প্রথমার্ধে দুই দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা মেলেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫৯ মিনিটে জশ সার্জেন্টের গোলে এগিয়ে যায় টরন্টো। মাত্র তিন মিনিট পরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডেরিক এতিয়েন জুনিয়র। ২-০ পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে যায় মায়ামি।
এরপর আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় মেসির দল। একের পর এক আক্রমণ তৈরি করেও টরন্টোর জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না তারা। অবশেষে ৮২ মিনিটে মেসির গোলে ব্যবধান কমে ১-২ হয়। শেষ দিকে সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা চালালেও আর গোল পায়নি মায়ামি।
ফলে ঘরের মাঠেই হতাশাজনক হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় মেসিদের। ব্যক্তিগতভাবে গোল পেলেও দলের পরাজয় আটকাতে পারলেন না আর্জেন্টাইন মহাতারকা। অন্যদিকে, মায়ামির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াল টরন্টো।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক ফুটবল

সাও পাওলোয় সান্তোসের দাপট, ভাস্কোকে হারিয়ে তিন পয়েন্ট নেইমারদের

Published

on

রে স্পোর্টজ ওয়েব ডেস্ক: ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের মঞ্চে দাপুটে জয় তুলে নিল সান্তোস। ভাস্কো দা গামাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট ঘরে তুলল তারা। ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে সান্তোস। ভাস্কোর রক্ষণকে বারবার চাপে ফেলে শেষ পর্যন্ত তিনটি গোল আদায় করে নেয় সফরকারীরা।

প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় সান্তোস। মাঝমাঠে বলের দখল রেখে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করতে থাকে তারা। ভাস্কো চেষ্টা করলেও সান্তোসের আক্রমণের সামনে ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আরও বাড়ায় সান্তোস। গোলের পর ভাস্কো ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও সান্তোসের সংগঠিত রক্ষণ তাদের সেই সুযোগ দেয়নি। পাল্টা আক্রমণ থেকেও বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে সান্তোস। শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানেই ম্যাচ শেষ হয়।

এই জয়ের ফলে লিগে সান্তোসের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়ল। অন্যদিকে ঘরের মাঠে বড় ব্যবধানে হেরে চাপ আরও বাড়ল ভাস্কো শিবিরে। মরশুমের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সান্তোসের জন্য তিন পয়েন্ট যেমন স্বস্তির, তেমনই ভাস্কোর সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর বড় চ্যালেঞ্জ।

Continue Reading

Trending